ডেঙ্গুতে বছরের প্রথম মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ডেঙ্গুতে বছরের প্রথম মৃত্যু

ডেঙ্গুতে বছরের প্রথম মৃত্যু

  • Font increase
  • Font Decrease

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী চলতি বছর ডেঙ্গুতে এটাই প্রথম মৃত্যু। একদিনে রাজধানী ঢাকায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৭ জন। এ নিয়ে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১১০ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন।

গত কয়েকদিন ধরে চিকিৎসাধীন এসব রোগীর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ১০৬ জন। এদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় একজনের মৃত্যু হয়, যিনি সেন্ট্রাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

বেশ কয়েক বছর থেকে বর্ষাকাল এলেই ডেঙ্গু রোগের জীবাণুবাহী এডিস মশার প্রাদুর্ভাব বাড়ে। এ সময় এ মশার কামড়ে ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যাও বাড়ে।

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ২০২১ সালে দেশে ২৮ হাজার ৪২৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। এরমধ্যে মারা যান ১০৫ জন, যাদের ৯৫ জন ঢাকার বাসিন্দা। গত বছরজুড়ে মোট হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে ২৩ হাজার ৬১৭ জন ছিলেন ঢাকার বাসিন্দা।

ডেঙ্গু এ বছর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে বলে মে মাসেই হুঁশিয়ারি দেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম।

রাজধানীতে কারও বাসাবাড়ি বা স্থাপনায় এ রোগের জীবাণুবাহী এইডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করে দেন।

এদিকে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে এইডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১০ অঞ্চলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শুরুর ঘোষণা দেন মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।

মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, জুন মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৪৫৬ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২১ জুন পর্যন্ত এ সংখ্যা ছিল ৮০৮ জন। অর্থাৎ অর্ধেকের বেশিই জুন মাসের প্রথম ২১ দিনে ভর্তি হয়েছেন।

এ ছাড়া জানুয়ারিতে ১২৬ জন, ফেব্রুয়ারিতে ২০ জন, মার্চে ২০ জন, এপ্রিলে ২৩ জন এবং মে মাসে ১৬৩ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

দেশজুড়ে আক্রান্তের মধ্যে ৬৯৭ জন ঢাকা মহানগরের বাসিন্দা। বাকিদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে একজন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৭৮ জন, খুলনা বিভাগে ১১ জন, রাজশাহীতে একজন, রংপুরে ৩ জন এবং বরিশালে ১২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

টাঙ্গাইলে দেড় বছর পর ক্লু-লেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন পিবিআই’র



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলে দেড় বছর পর ক্লু-লেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন পিবিআই’র

টাঙ্গাইলে দেড় বছর পর ক্লু-লেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন পিবিআই’র

  • Font increase
  • Font Decrease

 

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার দেওভোগ দক্ষিনপাড়া এলাকার ক্লু-লেস হযরত আলী হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) টাঙ্গাইল। হত্যাকান্ডে জড়িত হযরত আলীর নাতি আসিফকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সোমবার(০৪ জুলাই) দুপুরে এক প্রেসবিফিং এর মাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশ করেছে পিবিআই। পিবিআই জানিয়েছেন জায়গা জমির ভাগ বাটোয়ার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বাপ-ছেলের মধ্যে বিরোধ চলছিল। আর এ কারনেই এই হত্যাকাণ্ড।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, বিগত ২০২১ সালের (২২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় হযরত আলী ও তার বড় ছেলে জাহাঙ্গীর এবং নাতি আসিফ কুমুল্লির বিলে নিজেদের জায়গায় পানি সেচে মাছ ধরতে যায়। সেখান থেকেই নিখোঁজ হয় হযরত আলী। পরে ২০২১ সালের (৩ মার্চ) সকালে বাদীর চাচাতো ভাই মোস্তফা ঘটনাস্থলের পাশে ইরি ক্ষেতে সার দিতে গিয়ে দূর্গন্ধ পায়। পরে সে তার ক্ষেতের পাশে পুকুরে কচুরী পানার মধ্যে একটি লাশ দেখতে পায়। এ সময় তার ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। পরে বাদী সুজন মোল্লা তার পিতার লাশ সনাক্ত করে। এ বিষয়ে মির্জাপুর থানায় অজ্ঞাতনামা একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরে মামলাটি পিবিআই তদন্তভার গ্রহণ করে। পিবিআই এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সিরাজ আমিনের দিক নির্দেশনায় তথ্য প্রযুক্তি এবং বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ পরিদর্শক খন্দকার আশরাফুল কবির ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নি:) ফরহাদ হোসেনের নেতৃত্বে একটি চৌকশ দল অভিযান পরিচালনা করে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার লাউহাটি এলাকা থেকে আসিফ (১৮) কে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার হওয়া আসিফ জানায়, ডিসিস্ট হযরত আলী, সে ও তার মামা জাহাঙ্গীর মোল্লা ঘটনার রাতে মাছ ধরতে যায়। পরে জাহাঙ্গীর পিছন থেকে তার বাবা ডিসিস্ট হযরত আলীকে লাঠি দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে। এ সময় আসিফকে তার মামা জাহাঙ্গীর হত্যার বিষয়ে কাউকে কিছু বলতে নিষেধ করে এবং লাশ গুম করার জন্য সহযোগিতা করতে বলে। লাশ গুম করতে যদি সহযোগিতা না করে তাহলে তাকেও হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দেয় জাহাঙ্গীর। পরে অফিস ও তার মামা হযরত আলীর লাশ পুকুরের এক পাশে কচুরি পানা দিয়ে ঢেকে রাখে এবং ডিসিস্টের রক্ত পানি ও কাঁদা দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করে রাখে। পরে তারা বাড়ি চলে যায়।

পিবিআই আরো জানায়, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ডিসিস্টের বড় ছেলে আসামি জাহাঙ্গীর মোল্লা কারাগারে রয়েছে।

;

কুষ্টিয়ায় বিদ্যুৎ ট্রান্সফরমারে আগুন, শহরজুড়ে আতঙ্ক 



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুষ্টিয়া
কুষ্টিয়ায় বিদ্যুৎ ট্রান্সফরমারে আগুন, শহরজুড়ে আতঙ্ক 

কুষ্টিয়ায় বিদ্যুৎ ট্রান্সফরমারে আগুন, শহরজুড়ে আতঙ্ক 

  • Font increase
  • Font Decrease

কয়েকদিন ধরে তীব্র গরমে অতিষ্ঠ শহরবাসী, অন্যদিকে লোডশেডিং এ নাজেহাল শহরবাসী।

তার উপর আচমকাই বিদ্যুৎ ট্রান্সফরমারে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটলো কুষ্টিয়া শহরে। ঘটনার জেরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে শহরের ব্যাস্ততম বাণিজ্যিক এলাকা এনএস রোডের ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে এলাকাবাসী ও পথচারীদের মধ্যে। বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে যানজট। খবর দেওয়া হয় কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিসে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম। তারা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এতে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে বিদ্যুতহীন হয়ে পড়ে গোটা শহর।

জানা যায়, সোমবার দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে এনএস রোডের পরিমল টাওয়ারের সামনে থাকা একটি ট্রান্সফরমারের মধ্যে আচমকাই ধোঁয়া উঠতে শুরু করে। সেখানে উপস্থিত দোকান কর্মচারী, পথচারী এবং আশেপাশের ব্যবসায়ীদের এই ঘটনা চোখে পড়ে।

এরপর কিছু সময় যেতে না যেতেই নিমেষের মধ্যেই দাউদাউ করে আগুন জ্বলে ওঠে। সেইসঙ্গে মুহূর্তের মধ্যেই গোটা বিদ্যুতের জোড়া খুটির ট্রান্সফরমারে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার জেরে প্রবল আতঙ্কিত হয় পথচারি থেকে শুরু করে ব্যবসায়ীরা।

এ সময় বেশ কিছুক্ষণের জন্য যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এনএস রোড সড়কে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে দমকল বাহিনীর কর্মীরা।

আকতার হোসেন বাবুল নামের এক ব্যবসায়ী জানান, এই এলাকায় হঠাৎ করেই ট্রান্সফরমারে আগুন লেগে যায়। দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে। এরপর দাউদাউ করে আগুন জ্বলতে থাকলে সকলেই আতঙ্কিত হয়ে পড়ে

তারপর তারা দমকল কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার ব্যবস্থা করেন। ঘটনার ফলে বিদ্যুতের দুই খুঁটির মাঝে পুরো অংশ জুড়েই আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

;

বেতন-বোনাস কর্মজীবী মানুষের অধিকার: জিএম কাদের



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বেতন-বোনাস কর্মজীবী মানুষের অধিকার: জিএম কাদের

বেতন-বোনাস কর্মজীবী মানুষের অধিকার: জিএম কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদুল আজহার পূর্বেই গণমাধ্যম, তৈরি পোশাক শিল্প এবং বেসরকারি সকল বিভাগের কর্মীদের বকেয়া বেতন সহ ঈদ বোনাস পরিশোধ করতে অনুরোধ করছি। ঈদের আনন্দ যেন সবার পরিবারে উৎসবমূখর হয়ে ওঠে সেজন্য দাত্বিশীলদের আন্তরিক হবার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের।

সোমবার (৪ জুলাই) এক বিবৃতিতে তিনি এ আহ্বান জানিয়েছেন।

জিএম কাদের আরো বলেন, বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সামনে পবিত্র ঈদুল আজহা সমাগত। প্রিয়জনদের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে অনেকেরই বাড়িতে ফিরতে হয়। পশু কোরবানী ও প্রিয়জনদের উপহার দিতে ঈদুল আজহা উপলক্ষে অতিরিক্ত খরচ করতে হয় সকলকে। এমন বাস্তবতায় অনেক প্রতিষ্ঠানে কর্মীদের বেতন বকেয়া আছে। একারণে অনেকেই ধার-দেনায় জর্জরিত।

তাই পবিত্র ঈদুল আজহার পূর্বে গণমাধ্যম, তৈরি পোশাক শিল্পসহ সকল বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বকেয়া বেতন ও বোনাস সহ সকল পাওনা পরিশোধ জরুরি । বেতন ও বোনাস হচ্ছে কর্মজীবি মানুষের অধিকার। তাই শ্রমজীবী মানুষের অধিকার রক্ষায় সচেষ্ট হতে সবার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি

;

গাছগুলোর কি অপরাধ?



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লক্ষ্মীপুর
গাছগুলোর কি অপরাধ?

গাছগুলোর কি অপরাধ?

  • Font increase
  • Font Decrease

লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে ফার্মেসী ব্যবসায়ী বিপ্লব চন্দ্র সাহার করইসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেড় শতাধিক গাছ কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (৩ জুলাই) দুপুরে এ ঘটনায় বিপ্লব থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

বিপ্লব উপজেলার চররমিজ ইউনিয়নের চররমিজ সাহাপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও স্থানীয় বাজারের ব্যবসায়ী।

থানা পুলিশ ও অভিযোগ সূত্র জানায়, ৪ বছর আগে প্রায় ৩২ শতাংশ জমিতে বিপ্লব বিভিন্ন প্রজাতির দুই শতাধিক গাছ রোপন করেন। শুক্রবার (১ জুলাই) গভীর রাতে কে বা কারা দেড় শতাধিক গাছ কেটে ফেলে। ছোট-মাঝারি আকারে এ গাছগুলোর বাজার মূল্য প্রায় ৫০ হাজার টাকা।

বিপ্লব চন্দ্র সাহা বলেন, আমার সঙ্গে কারো শক্রতা নেই। রাতের অন্ধকারে কে বা কারা আমার গাছগুলো কেটে ফেলেছে। গাছগুলোর কি অপরাধ ছিল? জড়িতদের দ্রুত শনাক্তে প্রশাসনের কাছে হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এ ব্যাপারে রামগতি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুমন হাওলাদার বলেন, গাছ কাটার অভিযোগটি পেয়ে ঘটনাস্থল গিয়েছি। এসময় ভূক্তভোগীসহ এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত চলছে।

;