পদ্মা সেতু: শেখ হাসিনার সাহসিকতার ‘সোনার ফসল’

  ‘স্বপ্ন ছুঁয়েছে’ পদ্মার এপার-ওপার



সোহেল মিয়া, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজবাড়ী
পদ্মা সেতু: শেখ হাসিনার সাহসিকতার ‘সোনার ফসল’

পদ্মা সেতু: শেখ হাসিনার সাহসিকতার ‘সোনার ফসল’

  • Font increase
  • Font Decrease

একদিকে খরস্রোতা পদ্মা আগ্রাসী আচরণ। অন্যদিকে আত্মবিশ্বাসে চির ধরার মতো নানা সমালোচনা-কটুবাক্য, মিথ্যাচার। আর এসবের উপর দাঁড়িয়ে একটি আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠের দৃঢ় স্বর ‘নিজস্ব অর্থেই আমরা পদ্মা সেতু নির্মাণ করব’। সেই দৃঢ় প্রতিজ্ঞায় প্রমত্তা পদ্মায় লেখা হলো সাহসিকতা মহাকাব্য- নির্মাণ হলো স্বপ্নের পদ্মা সেতু। আর এই সাহসিকতা ধারক, স্বপ্নের বাহক তিনি একজনই- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

কেউ বলেছিল প্রমত্তা পদ্মায় সেতু সম্ভব নয়। কারো চেষ্টা ছিল পদ্মা সেতু যেন আওয়ামী লীগের শাসনামলে না হয়। এরপর কত গুজব সৃষ্টি, ষড়যন্ত্র হলো। কিন্তু শেখ হাসিনার চ্যালেঞ্জ এবং সাহসী ঘোষণায় কোন কিছুই পদ্মা সেতু নির্মাণে বাধা হতে পারেনি। এখন শুধু সরকার বা কোন দল নয়- পুরো দেশ, গোটা জাতির গর্বের বিষয় পদ্মা সেতু।


আসলে সমালোচনাকারী ও ষড়যন্ত্রকারী বুঝতে পারেনি বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আত্মবিশ্বাস পাহাড় সমান। ঠুনকো সমালোচনা করে শেখ হাসিনাকে দমিয়ে রাখা সম্ভব নয়। শত বাধা-বিপত্তি আর প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েও দৃঢ় সাহসিকতার সাথে নিজেকে অটল রেখেছিলেন পদ্মা সেতু নির্মাণে। সব কিছু ভেদ করে এখন বিজয়ের হাতছানি দিচ্ছে স্বপ্নের পদ্মা সেতু। বিশ্বকে জানান দেওয়া হচ্ছে বাঙলির সক্ষমতা ও সমার্থ্যের কথা। বাঙালি জাতি মাথা নত করার নয় সেটা আবারও পদ্মা সেতু নির্মাণের মাধ্যমে প্রমাণ করে দিলেন দেশরত্ন শেখ হাসিনা।

দুর্নীতি চেষ্টার ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে বিশ্বব্যাংকের মুখ ফিরিয়ে নেওয়া, রাজনৈতিক মতভেদ, গুজব, প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ নানা প্রতিবন্ধকতা জয় করে প্রমত্তা পদ্মার বুকে এখন মাথা উচুঁ করে সগৌরবে দাঁড়িয়ে রয়েছে দেশের ইতিহাসের দীর্ঘতম সেতু। সক্ষমতার এই সেতু বলে দেয় শেখ হাসিনা যোগ্য পিতার যোগ্য কন্যা। পদ্মা সেতু শেখ হাসিনার অসীম সাহসের সোনালী ফসল। আর বাঙালির আত্মসম্মান আর আত্মগৌরবের প্রতীক। পদ্মা সেতু বাংলাদেশের হার না মানার গল্প। বাঙালির আত্মগৌরবের এই সেতু দিয়ে যান চলাচল করতে আর মাত্র দুই দিন।

 


৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটারের দীর্ঘ এই পদ্মা সেতু নির্মাণ করে শেখ হাসিনা তার সম্মান ও জনপ্রিয়তা বহুগুণে বাড়িয়েছেন। সেতুর উদ্বোধনকে ঘিরে এখন দেশে চলছে আনন্দের বন্যা। দেশ জুড়ে চলছে উৎসব। কারো সন্তান হলে নাম রাখছেন পদ্মা সেতু। এমনকি উদ্বোধনের উৎসবকে ঘিরে অনেকে বিয়েও সেরে নিচ্ছেন।

এদিকে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে খুবই জমকালো। সারা দেশের মানুষ যাতে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখতে পারেন সেজন্য দেশের প্রতিটি জেলায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

১২ জুন (রোববার) সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, পদ্মা সেতু বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার অসীম সাহসের সোনালী ফসল। শেখ হাসিনা এই সেতু নির্মাণ করে বিশ্বকে জানিয়ে দিলেন বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ কখনো দুর্নীতি করে না। এই সেতু আমাদের সামর্থ্য ও সক্ষমতার সেতু। এই সেতু একদিকে সম্মান ও মর্যাদার প্রতীক, অন্যদিকে আমাদের যে অপমান করা হয়েছে তার প্রতিশোধের সেতু।

পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে গিয়ে শেখ হাসিনা একটি গোষ্ঠীর শত্রুতে পরিণত হয়েছিলেন। এ প্রসঙ্গে সেতুমন্ত্রী বলেন, এ সেতুর জন্য শুধু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেই নয়, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের গোটা পরিবারকে টার্গেট করা হয়েছিল। কিন্তু শত্রুদের সেই টার্গেট বিফলে গিয়েছে। ওরা বুঝেছে বঙ্গবন্ধুর পরিবার কখনো অন্যায়ের সাথে আপোষ করে না। আর দুর্নীতির তো  কোন প্রশ্নই আসে না।


তবে পদ্মা সেতু নির্মাণে শেখ হাসিনা শুধু সমালোচনা সহ্য করতে হয়নি, লড়তে হয়েছে দেশের আর্থিক অবস্থা ও পদ্মার আগ্রাসী মনোভাবের সঙ্গেও। এটি নির্মাণে দু’টো বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে। প্রথম চ্যালেঞ্জ দেশের অভ্যন্তরীণ সম্পদ থেকে পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্য অর্থ সংগ্রহ করা। এ লক্ষ্যে জাতীয় বাজেটে সম্পদ বৃদ্ধির জন্য করারোপ এবং অনেক নতুন খাতকে ভ্যাটের আওতাভুক্ত করা হয়। এক্ষেত্রে সরকারকে বিশেষভাবে বিবেচনা রাখতে হয়েছে যাতে শিল্পায়ন বাধাগ্রস্ত না হয়।

আগামী ২৫ জুন পদ্মা সেতু উদ্বোধনের মহেন্দ্রক্ষণ। ওই দিন সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুর দ্বার উন্মোচন করবেন। ৬.১৫ কিমির এই সেতুর মোট নির্মাণ ব্যয় ৩০ হাজার ১৯৩.৩৯ কোটি টাকা। এসব খরচের মধ্যে রয়েছে সেতুর অবকাঠামো নির্মাণ, নদীশাসন, সংযোগ সড়ক নির্মাণ, তিনটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের জন্য ব্যয় অধিগ্রহণকৃত ৯১৮ হেক্টর ভূমির মূল্য পরিশোধ, ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা। বাংলাদেশ সরকারের অর্থ বিভাগ- সেতু ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সেতু বিভাগকে বার্ষিক ১% সুদে ৩৫ বছরে পরিশোধের শর্তে ২৯ হাজার ৮৯৩ কোটি টাকা ঋণ প্রদান করে।

পদ্মা সেতু নির্মাণে গোটা পৃথিবীতে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছে নিঃসন্দেহে। বাংলাদেশকে এখন আর অবহেলা, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করার সুযোগ নেই। তেমনি শেখ হাসিনার রাষ্ট্রনায়কোচিত প্রজ্ঞা, দেশপ্রেম, সততা এবং সিদ্ধান্তগ্রহণ ও বাস্তবায়নে পারঙ্গমতার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করছে বিশ্ববাসী। সেই সঙ্গে পদ্মা সেতু নির্মাণে দেশের উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন হচ্ছে বলেও ধারণা করছেন অর্থনীতিবিদরা।  

  ‘স্বপ্ন ছুঁয়েছে’ পদ্মার এপার-ওপার

রাজশাহীতে নিহত কিশোরের লাশ নিয়ে বিক্ষোভ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
রাজশাহীতে নিহত কিশোরের লাশ নিয়ে বিক্ষোভ

রাজশাহীতে নিহত কিশোরের লাশ নিয়ে বিক্ষোভ

  • Font increase
  • Font Decrease

 

রাজশাহীতে পূর্ব শত্রুতার হত্যাকাণ্ডের শিকার কিশোরের লাশ নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন এলাকাবাসী। সোমবার বেলা ৩টার দিকে এলাকাবাসী নগরীর রেলগেট এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। প্রায় ৪৫ মিনিট চলে তাদের এই বিক্ষোভ।

এর আগে রোববার রাত ৯টার দিকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত কিশোরের নাম মো. সনি (১৭)। তার বাবার নাম রফিকুল ইসলাম পাখি। বাড়ি নগরীর রেলগেট এলাকায়। রফিকুল জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি। নিহত সনি এ বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।

নগরীর হেতেমখাঁ সবজিপাড়া এলাকার সমবয়সী কিছু ছেলে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তুলে নিয়ে গিয়ে সনিকে কুপিয়ে হত্যা করে। রাতে সনিসহ তার আরও তিন বন্ধুকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের সামনে থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়।

একপর্যায়ে সনি ও তৈয়বুর নামে আরেকজনকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। হেতেমখাঁ সবজিপাড়ায় নিয়ে দুজনকেই কোপানো হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে সনিকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। অন্যজন চিকিৎসাধীন।

এ ঘটনায় সনির বাবা রফিকুল ইসলাম রাতেই আটজনের নাম উল্লেখ করে বোয়ালিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। আসামিরা হলেন- মঈন ওরফে আন্নাফ (২০), তার মা বিথী (৩০), মো. রাহিম (১৯), সিফাত (১৯), শাহী (১৯), সোরাব খান লাল (৪০), শিউলী (৪২) ও আনিম (১৮)। আসামিদের সবার বাড়ি হেতেমখাঁ সবজিপাড়া এলাকা। এদের মধ্যে বিথী রাজশাহী মহানগর মহিলা দলের ক্রীড়া সম্পাদক। শিউলী কমিটির সদস্য। আসামিদের কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

তাই সোমবার দুপুরের পর রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে সনির লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হলে স্বজনেরা লাশ নিয়ে যান নগরীর শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান চত্বরে। তারা প্রায় ৪৫ মিনিট সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। বিক্ষোভ থেকে তারা সনির খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।

এ সময় সেখানে গিয়ে বক্তব্য দেন জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ও নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাহাতাব হোসেন চৌধুরী, ১৩ নম্বরের কাউন্সিলর আবদুল মমিন, ১৪ নম্বরের কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন আনার ও ১৫ নম্বরের কাউন্সিলর আবদুস সোবহান লিটন। তারা খুনিদের গ্রেপ্তারে পুলিশকে ২৪ ঘণ্টা সময় বেধে দেন।

নগরীর বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম জানান, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতরা ঘটনার পরই গা-ঢাকা দিয়েছেন। তাদের আটকের চেষ্টা চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামিরা ধরা পড়বে।

  ‘স্বপ্ন ছুঁয়েছে’ পদ্মার এপার-ওপার

;

হালদায় সাড়ে ৩ হাজার মিটার ঘেরাজাল পুড়িয়ে ধ্বংস



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
হালদায় সাড়ে ৩ হাজার মিটার ঘেরাজাল পুড়িয়ে ধ্বংস

হালদায় সাড়ে ৩ হাজার মিটার ঘেরাজাল পুড়িয়ে ধ্বংস

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস প্রজনন ক্ষেত্র ও বঙ্গবন্ধু মৎস হেরিটেজ হালদা নদী থেকে অভিযান চালিয়ে সাড়ে ৩ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

মঙ্গলবার (৪ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২ টা থেকে ২টা পর্যন্ত নদীর মোহনা বোয়ালখালীর উত্তর কদুলখীল এলাকায় এ অভিযান চালান সদরঘাট নৌ পুশিল।

সদরঘাট নৌ পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বার্তা২৪'কে বলেন, চট্টগ্রাম অঞ্চলের নৌ পুলিশ সুপার মুমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া স্যারের নির্দেশনায় দুপুরে এ অভিযান চালানো হয়। এসময় সাড়ে তিন হাজার মিটারের ১৫ টি চরঘেরা জাল জ্বদ করা হয়। পরবর্তীতে জালগুলো পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

হালদা নদীতে মা মাছ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা করার জন্য অভিযান ও টহল অব্যাহত থাকবে বলে জানান নৌ পুলিশের এ কর্মকর্তা।

  ‘স্বপ্ন ছুঁয়েছে’ পদ্মার এপার-ওপার

;

কোম্পানীগঞ্জে অটোরিকশা-পিকঅ্যাপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
কোম্পানীগঞ্জে অটোরিকশা-পিকঅ্যাপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২

কোম্পানীগঞ্জে অটোরিকশা-পিকঅ্যাপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২

  • Font increase
  • Font Decrease

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ব্যাটারী চ্যালিত অটোরিকশা ও বেপরোয়া গতির পিকঅ্যাপ ভ্যানের মুখোমুখি সংষর্ষে ২ অটোরিকশা যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় অটোরিকশা চালক মামুন (৪৫) গুরুতর আহত হয়েছে।  

নিহত জালাল উদ্দিন মিলন (৪৮) কবিরহাট উপজেলার চাপরাশিরহাট ইউনিয়নের হানিফ বিএসসি বাড়ির মন্নান দরবেশের ছেলে ও লিলি বেগম (৩৫) কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরএলাহী ইউনিয়নের বাদামতলী এলাকার আলী সওদাগরের স্ত্রী।  

সোমবার (৪ জুলাই) দুপুর ৩টার দিকে উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়নের ৬নম্বর ওয়ার্ডের বিজয় নগরের বাংলাবাজার টু সোনাপুর সড়কের তের চোরার বেড়ি দোকান ঘর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।  

চরফকিরা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জায়দল হক কচি জানান, দুপুর ৩টার দিকে উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকা থেকে একটি পিকঅ্যাপ ভ্যান সোনাপুরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। এসময় পিকঅ্যাপ ভ্যানটি চরফকিরা ইউনিয়নের তের চোরার বেড়ি দোকান ঘর এলাকায় পৌঁছলে চাপরাশিরহাট সংযোগ সড়ক থেকে একটি অটোরিকশা বাংলাবাজার টু সোনাপুর সড়কে উঠলে পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মিলন গুরুত্বর আহত হয়ে মারা যায়। অপরদিকে, গুরুতর আহত অবস্থায় অটোরিকশা যাত্রী লিলি বেগম ও অটোরিকশা চালক মামুনকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক লিলি বেগমকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসির দায়িত্বে থাকা পরিদর্শ (তদন্ত) এসএম মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। স্থানীয় লোকজন পিকআপ ভ্যান ও ঘাতক চালককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

  ‘স্বপ্ন ছুঁয়েছে’ পদ্মার এপার-ওপার

;

ডেঙ্গুতে রাজধানীতে আক্রান্ত ৩১ জন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ডেঙ্গুতে রাজধানীতে আক্রান্ত ৩১ জন

ডেঙ্গুতে রাজধানীতে আক্রান্ত ৩১ জন

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীসহ সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৩১ জন ও ঢাকার বাইরে পাঁচজন আক্রান্ত হয়েছেন। সারা দেশে মোট ১৪৪ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ইনচার্জ ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ডেঙ্গু বিষয়ক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। ১৪৪ জন ভর্তি রোগীর মধ্যে ঢাকার ৪৭টি ডেঙ্গু ডেডিকেটেড হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ১২৫ জন। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ১৯ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছরে ১ জানুয়ারি থেকে ৪ জুলাই পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয় সর্বমোট এক হাজার ২৩৮ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ১ হাজার ৯৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত কোনো রোগীর মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া, চলতি বছরে ডেঙ্গুতে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

  ‘স্বপ্ন ছুঁয়েছে’ পদ্মার এপার-ওপার

;