শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উদযাপন হবে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
পদ্মা সেতুর উদ্বোধন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও উদযাপন করা হবে

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও উদযাপন করা হবে

  • Font increase
  • Font Decrease

পদ্মা সেতু শনিবার (২৫ জুন) উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর ২৬ জুন থেকে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হবে এ সেতু। সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠানটি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) অধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের আনন্দঘন পরিবেশে উদ্যাপন করতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) মাউশি থেকে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা সব আঞ্চলিক পরিচালক, উপপরিচালক, জেলা-উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও স্কুল-কলেজের প্রধানদের পাঠানো হয়েছে।

রাজধানীর গবর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাইস্কুলের একজন শিক্ষক প্রথম আলোকে জানান, তাঁদের বিদ্যালয়ে সকাল ১০টায় অনুষ্ঠানটি শিক্ষার্থীদের দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার সকাল ১০টায় পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে প্রথমে সুধী সমাবেশে অংশ নেবেন। এরপর টোল দিয়ে সেতুতে উঠে সেখানে থাকা উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করবেন। পরে গাড়িতে করে সেতু পার হয়ে জাজিরায় আরেকটি ফলক উন্মোচন করবেন। বিকেলে মাদারীপুরের শিবচরে জনসভায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

ঢাকায় ওয়েবিল বাতিল, স্টপেজ ছাড়া থামবে না বাস



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে ভাড়া সমন্বয়ের পরও ওয়েবিল সিস্টেমে বাড়তি ভাড়া আদায় করা হচ্ছিল। এমন অভিযোগের পর ওয়েবিল প্রথা বাতিল করার ঘোষণা দিয়েছে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি। আজ (১০ আগস্ট) থেকেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।

বুধবার (১০ আগস্ট) সমিতির দফতর সম্পাদক সোমদানী খন্দকার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এর আগে গত ৮ আগস্ট বিকালে ঢাকা সড়ক পরিবহণ মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চার্ট অনুযায়ী ভাড়া আদায় করতে হবে। চার্টের বাইরে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা যাবে না। প্রতিটি গাড়িতে দৃশ্যমান স্থানে ভাড়ার চার্ট অবশ্যই টাঙিয়ে রাখতে হবে।

কোনো পরিবহনের গাড়িতে বিআরটিএ’র পুনঃনির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত ভাড়া যাতে আদায় না করা হয়, সে বিষয়ে সভায় মালিকদের সমন্বয়ে ৯টি ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়। এসব টিম বিআরটিএ’র ম্যাজিস্ট্রেটদের সঙ্গে থেকে সব অনিয়ম তদারকিসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।

ঢাকা শহর ও শহরতলী রুটে চলাচলকারী গাড়ির ওয়েবিলে কোনো স্ল্যাব থাকবে না। রাস্তায় কোনো চেকার থাকবে না। এক স্টপেজ থেকে আরেক স্টপেজ পর্যন্ত গাড়ির দরজা বন্ধ থাকবে, খোলা রাখা যাবে না। রুট পারমিটের স্টপেজ অনুযায়ী গাড়ি থামাতে হবে।

অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত ভিজিল্যান্স টিমের কার্যক্রম চলমান থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানায় মালিক সমিতি।

;

'ধৈর্য ধরুন, বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান শিগগির’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি বলেছেন, ‘শিগগিরই বিদ্যুতের সমস্যা, অর্থ ঘাটতিসহ সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। এ জন্য একটু ধৈর্য ধরতে হবে।’

বুধবার (১০ আগস্ট) সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার ডুংরিয়া হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের অডিটোরিয়ামে ‘বঙ্গবন্ধু গণমুখী সমবায় ভাবনার আলোকে বঙ্গবন্ধু মডেল গ্রাম প্রতিষ্ঠা’ শীর্ষক পাইলট প্রকল্পের উপকারভোগীদের মাঝে নিজ তহবিল থেকে ঋণের চেক বিতরণ করেন।

এম এ মান্নান বলেন, অর্থের ঘাটতিতে পড়ে আমরা কিছুটা অসুবিধায় আছি। এ সমস্যা আমরা তৈরি করিনি। অন্য রাষ্ট্রের তৈরি করা সমস্যা আমাদের ঘাড়ে এসে পড়েছে।

তিনি বলেন, আমরা ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দিয়েছি। গ্রামকে আলোকিত করেছি। এখন বিদ্যুৎ কিছুটা কম পেলেও এক মাসের মধ্যে আবার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের ভিত অনেক মজবুত। বিএনপি আসবে, যাবে। তারা কিভাবে ক্ষমতায় এসেছিল দেশের মানুষ জানে। সুতরাং, ভয়ভীতি নেই আওয়ামী লীগ দেশের মানুষের সঙ্গে ছিল, আছে এবং সবসময়ই থাকবে।

হাওরবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিকতা ও দরদ অনেক জানিয়ে এমএ মান্নান বলেন, প্রধানমন্ত্রী গ্রামাঞ্চলে মানুষদের ভালোবাসেন। হাওরাঞ্চলের মানুষের প্রতি উনার মায়া বেশি। এ জন্য হাওরাঞ্চলে আমরা বড়বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করছি। যেখানে যা প্রয়োজন সব করা হচ্ছে। কাজেই শেখ হাসিনাকে মনে রাখতে হবে।

বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, দেশের যে কোনো দুর্যোগে মানুষের পাশে আছে আওয়ামী লীগ সরকার। জনবান্ধব এই সরকারের আমলে মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন হয়েছে। সরকার মানুষের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু বিএনপি নামে একটা দল আছে যারা কোনো কাজ করে না। দুঃসময়ে জনগণের পাশে থাকে না। তাদের কাজ হল ঘরে বসে বসে সরকারের সমালোচনা করা।

মন্ত্রী বলেন, যারা বলে আওয়ামী লীগের বিদায়ের ঘণ্টা বেঁজে গেছে, তাদের ঘণ্টাই জনগণ বাঁজিয়ে দিয়েছে। আওয়ামী লীগের বিদায়ের ঘণ্টা কখনোই বাঁজবে না।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মাহবুব আলম, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান দুলন রানী তালুকদার, এসিল্যান্ড সকিনা আক্তার, ওসি খালেদ চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি তহুর আলী, ডুংরিয়া হাইস্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মদন মোহন রায়সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রমুখ।

;

‘জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব মূল্যায়ন করছে সরকার’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল

  • Font increase
  • Font Decrease

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে জনজীবনে কি প্রভাব পড়ছে, তার মূল্যায়ন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেন, মূল্যায়নের ভিত্তিতে সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার (১০ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অর্থমন্ত্রী একথা বলেন।

তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের সঙ্গে অর্থনীতির সম্পর্ক ওতোপ্রতোভাবে জড়িত। তাই জ্বালানির দাম বাড়লে পণ্য ও সেবার দাম বৃদ্ধি বা মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা থাকে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, সবার জন্যই সরকার। এ ধরনের পরিস্থিতিতে গরিব মানুষের কষ্ট অনেক বেশি হয়। এরই মধ্যে সরকার তাদের জন্য ওএমএস এবং টিসিবি’র ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ভর্তুকিমূল্যে পণ্য বিক্রিসহ বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। তবে নতুন করে মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা থেকে গরিব মানুষকে সুরক্ষা দিতে আরও কী সহায়তা দেওয়া যায় সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ডলারের দাম শিগগিরই স্বাভাবিক হয়ে আসবে এই আশাবাদ ব্যক্ত করে মুস্তফা কামাল বলেন, ডলারের দাম বৃদ্ধি একটা বৈশ্বিক সংকট। এটা শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বের দেশে দেশে বাড়ছে ডলারের দাম। যারা যুদ্ধ করছে তাদেরও বাড়ছে, যারা যুদ্ধে উসকানি দিচ্ছেন তাদেরও বাড়ছে। বাংলাদেশও তার প্রভাব আছে। তবে ডলারের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকার কাজ করছে। শিগগিরই ডলারের দাম স্বাভাবিক হবে।

;

শিক্ষার্থীদের এক দফা যেভাবে দুই দফা হলো



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

এক দফা দাবি ছিল জ্বালানি তেলের দাম কমিয়ে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা। স্মারকলিপি দিতে এসে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যানের অসৌজন্যমূলক আচরণে তা হয়ে গেলো দুই দফা।

এখন তেলের দাম কমানোর পাশাপাশি বিপিসি চেয়ারম্যানের অপসারণ চেয়েছে শিক্ষার্থীরা। আগামী শনিবারের (১৩ আগস্ট) মধ্যে দাবি আদায় না হলে ১৪ আগস্ট থেকে বিপিসির সামনে লাগাতর অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করেছে আন্দোলনকারীরা।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অংশ নেওয়া ইনজামুল হক বলেন, আমরা গত পাঁচদিন ধরে আন্দোলন করে যাচ্ছি। আমাদের সঙ্গে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়েছেন। আজকের (১০ আগস্ট) কর্মসূচি ছিল বিপিসি চেয়ারম্যানকে স্মারকলিপি প্রদান। আমরা বিকেল ৫টায় স্মারকলিপি দিতে গেলে প্রথমে চেয়ারম্যান দেখাই করতে রাজি হচ্ছিলেন না। ঘণ্টা খানেক পরে দেখা করেন তখন স্মারকলিপি দিতে গেলে তিনি খুবই অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন। স্মারকলিপিটি হাত থেকে এক প্রকার ছিনিয়ে নিলেন। প্রথম শ্রেণির একজন অফিসারের কাছে আমরা এমন আচরণ আশা করিনি। অফিসের সিসি ক্যামেরায় নিশ্চয়ই তার ওইসব আচরণ ধারণকৃত রয়েছে। আমরা অনতিবিলম্বে তদন্তপূর্বক তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থার দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় রোববার থেকে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। তারা যদি ব্যবস্থা না নেন পরিস্থিতি অবনতি হলে তার দায় বিপিসি ও সরকারকেই বহন করতে হবে।

শিক্ষার্থীরা ওই সময়ে বিপিসি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নানা রকম স্লোগান দিতে দিতে চলে যান। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, তিতুমীর, ঢাকা কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী প্লাকার্ডসহ বিক্ষোভে অংশ নেন।

ভ্যাট বিরোধী আন্দোলন, নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন ও গাড়িতে হাফ ভাড়ার দাবিসহ নিকট অতীতে কয়েকটি ছাত্র আন্দোলনের কথা ভেবে অনেকেই চিন্তিত। তারা আশা করছেন ছাত্ররা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠার আগেই বিষয়টি নিরসন হওয়া উচিত। না হলে পরিস্থিতি খারাপ দিকে মোড় নিতে পারে, যা কারো জন্য কাম্য হতে পারে না।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ প্রসঙ্গে বিপিসির চেয়ারম্যান এবিএম আজাদকে প্রশ্ন করা হলে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

;