ইভিএম ব্যবহারের বিপক্ষেই বেশি কথা হয়েছে: সিইসি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ইভিএম ব্যবহারের বিপক্ষেই বেশি কথা হয়েছে: সিইসি

ইভিএম ব্যবহারের বিপক্ষেই বেশি কথা হয়েছে: সিইসি

  • Font increase
  • Font Decrease

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের বিপক্ষেই বেশি কথা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেছেন, ‘আগে আমরা দুই দফা সংলাপ করেছি। অনেকেই ইভিএমের পক্ষে বলেছেন। অনেকে সলিউশন (সমাধান) দিয়ে বলেছেন। তবে আজ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) বিপক্ষেই বেশি কথা হয়েছে।’

মঙ্গলবার (২৮ জুন) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগসহ ১০টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বিকেল তিনটায় ইভিএম সংক্রান্ত সংলাপ শুরু করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সভার শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্যে সিইসি এ কথা বলেন।

কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘আমরা যখন দায়িত্ব নিই, কিছুদিন পর থেকেই ইভিএম নিয়ে কথাবার্তা পত্রপত্রিকায় চাউর হয়েছিল। এর বিপক্ষেই বেশি কথাবার্তা হয়েছে। শুরু থেকে ইভিএম সম্পর্কে তেমন ধারণা ছিল না। ব্যক্তিগত ধারণাও ছিল না। এরই মধ্যে ইভিএম নিয়ে অনেক কাজ করেছি। এখন মোটামুটি ধারণা আছে।’

প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, ‘আগে আমরা দুই দফা সংলাপ করেছি। অনেকেই ইভিএমের পক্ষে বলেছেন। অনেকে সলিউশন (সমাধান) দিয়ে বলেছেন। আরও উন্নত প্রযুক্তির ইভিএম যদি কেনা যায়, তাহলে আরও ভালো হয়। আবার অনেকে সরাসরি বলেছেন, তারা ইভিএমে ভোটগ্রহণ হলে নির্বাচনে যাবেন না। আমরা আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেব। তবে কোন পদ্ধতিতে নির্বাচন করবো, সেটা আমাদেরই (ইসি) সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’

কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘আজ বড় দলের অনেকেই এসেছেন। মন্ত্রী (সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের) স্বয়ং নিজেই এসেছেন, যেটা আমি প্রত্যাশাও করিনি। আপনি এসেছেন, আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ। আজকের আলোচনাটা ইভিএমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। আপনারা ইভিএমের পক্ষে-বিপক্ষে বলতে পারেন। আপনাদের কথা আমরা শুনব। আলোচনার মাধ্যমে পরবর্তী সময়ে বস্তুনিষ্ঠ সিদ্ধান্তে উপনীত হব।’

এদিকে, মঙ্গলবারের সংলাপের জন্য ১৩টি রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণপত্র দেয় ইসি। দলগুলো হলো- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল-এমএল, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপি, গণতন্ত্রী পার্টি, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, বিকল্প ধারা বাংলাদেশ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ও বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট। তবে, আজকের সভায় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপি, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি উপস্থিত হয়নি।

ভোলার ঢালচরে মাছ ধরার দুটি ট্রলার ডুবি, ৮ জেলে নিখোঁজ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ভোলা
ভোলার ঢালচরে মাছ ধরার দুটি ট্রলার ডুবি, ৮ জেলে নিখোঁজ

ভোলার ঢালচরে মাছ ধরার দুটি ট্রলার ডুবি, ৮ জেলে নিখোঁজ

  • Font increase
  • Font Decrease

ভোলার ঢালচরে বৈরি আবহাওয়ায় কবলে পরে  মাছ ধরার দুটি ট্রলার ডুবে গেছে ১০ জেলে জীবিত উদ্ধার, ৮ জেলে নিখোঁজ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ মঙ্গলবার (৯ আগস্ট)  বিকেলে বয়ার চরের পূর্ব দিকে ১৩ জেলে নিয়ে ইউসুফ মাঝির ট্রলার ডুবে যায়। খবর পেয়ে অন্য ট্রলারের মাঝিরা ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করে। এখনও ৮ জেলের সন্ধান পাওয়া যায়নি। এছাড়া সকালে ঢালচরের তারুয়া এলাকায় ৫ জেলে নিয়ে অপর একটি ট্রলার ডুবে গেছে। এতে হতাহতের কোন ঘটনা ঘটেনি। ট্রলার মাঝি ইউসুফ মাঝি জানিয়েছেন, তার ৮ জেলের ভাগ্যে কি রয়েছে তা এখনো জানা সম্ভব হয়নি। বৈরী আবহাওয়া এবং গভীর অন্ধকারের কারনে তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছে না। কোস্ট গার্ড কিংবা নৌ পুলিশ এখনও উদ্ধার কাজ শুরু করেনি।

কোস্ট গার্ড দক্ষিণ জোন ভোলার মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটানেন্ট কে.এম শাফিউল কিঞ্জল জানান, যে দুটি ট্রলার ডুবছে সে বিষয়ে কোস্টগার্ড অবগত রয়েছে। এর মধ্যে একটি ট্রলারের সবাইকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। অন্য ট্রলারের যারা নিখোঁজ রয়েছে তাদেরকে উদ্ধারের জন্য কোস্টগার্ডের পূর্ব এবং পশ্চিম যোনকে জানানো হয়েছে। তারা উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করবে। এছাড়া কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের সমুদ্রগামী জাহাজ না থাকায় তারা এখনও উদ্ধার কাজ শুরু করতে পারেনি। তবে আগামীকাল সকালে নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে  কাজ শুরু করবেন বলেও জানান তিনি।

;

‘আমরা অর্থের ঘাটতিতে এখন কিছুটা অসুবিধায় আছি’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান

  • Font increase
  • Font Decrease

বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রভাব বাংলাদেশের অর্থনীতিতে পড়ছে বলে মন্তব্য করেছন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেছেন, আমরা অর্থের ঘাটতিতে এখন কিছুটা অসুবিধায় আছি। এ সমস্যা আমাদের নয়। অন্য রাষ্ট্রের তৈরি সমস্যা হঠাৎ আমাদের ওপর এসে পড়েছে। 

সোমবার সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার এফআইভিডিবি হলে স্বেচ্ছাধীন তহবিল থেকে আর্থিক অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, আমরা বিদ্যুৎ দিয়েছি ঘরে ঘরে। এখন বিদ্যুৎ একটু কম পেলেও মাসখানেক পরই সব ঠিক হয়ে যাবে। অর্থের ঘাটতিতে পড়ায় এই সময়ে আমরা কিছুটা অসুবিধায় আছি। এই সমস্যা আমাদের তৈরি নয়, অন্য রাষ্ট্রের তৈরি সমস্যা আমাদের ওপর এসে পড়েছে। ধৈর্য্য ধারণ করতে হবে। সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। 

এম এ মান্নান আরও বলেন, এইবারের বন্যায় গরিবের কষ্ট হয়েছে বেশি। কাঁচা ঘরবাড়ি ভেসে গেছে। সরকার তাদের সহায়তা করছে, আরও করবে।

সরকারকে একটু সময় দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকার গরিবের সরকার। উপস্থিত লোকজনকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনারা ভোট দিয়েছেন, এ জন্য গরিবের সরকার ক্ষমতায় আছে। আবারও ভোট দেওয়ার সময় আসবে, গরিবের কাজ করে যারা, তাদেরই ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আর্থিক অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আনোয়ারুজ্জামান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রভাষক নুর হোসেন প্রমুখ।

;

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি: বেনাপোল বন্দরে বাণিজ্য-ভ্রমণে বিরূপ প্রভাব



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বেনাপোল (যশোর)
জ্বলানি তেলের দাম বৃদ্ধি: বেনাপোল বন্দরে বাণিজ্য-ভ্রমণে বিরূপ প্রভাব

জ্বলানি তেলের দাম বৃদ্ধি: বেনাপোল বন্দরে বাণিজ্য-ভ্রমণে বিরূপ প্রভাব

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে বেনাপোল বন্দরে বাণিজ্যে পড়েছে বিরূপ প্রভাব। অতিরিক্ত ভাড়ার কারণে বন্দর থেকে কমেছে পণ্য খালাস। বেনাপোল থেকে ঢাকা ট্রাক ভাড়া বেড়েছে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। এতে পণ্যের দামও বাড়তে শুরু করেছে। এদিকে বাস ভাড়া ইচ্ছেমতো আদায় করছে পরিবহন ব্যবসায়ীরা। বাস ভাড়া বাড়ায় যাত্রীর সংখ্যাও কমেছে।

দ্রুত এ পরিস্থিতি কাটিয়ে স্বস্তি ফেরাতে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এমন প্রত্যাশা মানুষের। এদিকে পরিবহন ব্যবসায়ীরা বলছেন তেলের মূল্য কমলে আবারও বর্ধিত ভাড়া কমে আসবে।

রাশিয়ার সাথে ইউক্রেনের যুদ্ধের কারণে বিশ্বে তেলের বাজারে অস্তিরতা দেখা দিয়েছে। আমদানি নির্ভর বিভিন্ন দেশে বাড়ে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিস্থিতি সামলাতে গত শুক্রবার দেশে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে ডিজেল ও কেরোসিনে ৩৪ টাকা। পেট্রোল ৪৪ টাকা ও অকটেন বেড়ে দাঁড়ায় ৪৬ টাকা। দেশে তেলের দাম বৃদ্ধিতে প্রভাব পড়ে পণ্য পরিবহন ও যাত্রী যাতায়াতে। এতে দীর্ঘশ্বাস ফেলছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।

খেটে খাওয়া শ্রমিক রহিম জানান, একসাথে এত পরিমানে তেলের মুল্য বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। ছেলে মেয়েদের লেখা, পড়ার খরচ সামনের দিনে কিভাবে খরচ চালাবো?

পণ্য পরিবহনকারী ট্রাক চালক জামাল জানান, বেনাপোল থেকে ঢাকা আসা যাওয়ায় তেল খরচ বেড়েছে ৫ হাজার টাকা। তবে ভাড়া পাচ্ছি না।

ভারতগামী পাসপোর্ট যাত্রী মহাসিন জানান, ইচ্ছেমতো ভাড়া নিচ্ছে পরিবহন ব্যবসায়ীরা। দেখার কেউ নেই।

আমদানিকারক উজ্বল বিশ্বাস জানান, প্রতিদিন বেনাপোল বন্দর থেকে প্রায় ৭শ ট্রাক  দেশের অভ্যন্তরে পণ্য পরিবহন করা হয়। আর পাসপোর্ট ধারী যাত্রী চলাচলে শতাধিক পরিবহন চলে এ রুটে। জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধিতে বিরূপ প্রভাব পড়েছে বাণিজ্যে। বেনাপোল থেকে ঢাকা পণ্য পরিবহনে ৫ হাজার টাকা অতিরিক্ত নিচ্ছেন চালকেরা। তবে সে অনুযায়ী বাজারে দাম পাওয়া যাচ্ছে না। যেহেতু বিশ্ব বাজারে আবারো তেলের দাম কমছে তাই সরকারকেও দাম সহনীয় পর্যায়ে আনান অনুরোধ রাখছি।

বাস চালক আলী জানান, তেলের মূল্য বৃদ্ধিতে নানন সমস্যার সন্মুখিন হতে হচ্ছে। যাত্রীরা অতিরিক্ত ভাড়া দিতে চাইছে না। এক সাথে এত টাকা ভাড়া বাড়ানো উচিত হয়নি সরকারের।

বেনাপোল ট্রাক ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতির সেক্রেটারি আজিম উদ্দীন গাজী জানান, তেলের মূল্য বৃদ্ধিতে পূর্বের চেয়ে ২৫ শতাংশ ট্রাক ভাড়া বেড়েছে। তবে তেলের দাম কমলে আবারো ভাড়া কমে আসবে।

;

বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরা ট্রলার ডুবি, নিখোঁজ ১১ জেলে



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরা ট্রলার ডুবি, নিখোঁজ ১১ জেলে

বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরা ট্রলার ডুবি, নিখোঁজ ১১ জেলে

  • Font increase
  • Font Decrease

নোয়াখালী হাতিয়ার বঙ্গোপসাগরে মাছধরা ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। এতে চার জেলে জীবিত উদ্ধার হলেও নিখোঁজ রয়েছে ১১ জন। মঙ্গলবার দুপুরে জীবিত উদ্ধার হওয়া জেলেরা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দূর্ঘটনার কবলে পড়া ট্রলারের মালিক হাতিয়ার জাহাজমারা আমতলি গ্রামের বাসিন্দা লুৎফুল্লাহিল মজিব নিশান জানান, মঙ্গলবার ভোরে ট্রলারটি ঝড়ের কবলে পড়ে পটুয়াখালীর জেলার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে ডুবে যায়। পরে পাশে থাকা একটি ট্রলার চার জেলেকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর নিয়ে আসে। উদ্ধার হওয়া জেলেরা মঙ্গলবার বিকালে মোবাইলে এই সংবাদ জানান তাকে।

দূর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় সাগর উত্তাল থাকায় ট্রলার ও নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে চেষ্টা করা যাচ্ছে না বলে জানান তিনি।

নিখোঁজ জেলে  মো: সোহেলের (২২) ভাই মোটরসাইকেল চালক মো: রাসেল জানান, তার ভাইসহ ১৫ জন জেলেকে নিয়ে  ট্রলারটি ঝড়ের কবলে পড়ে উল্টে যায়।  চারজনকে অন্য একটি ট্রলার উদ্ধার করে। তার ভাইসহ ১১ জন জেলে এখনও নিখোঁজ রয়েছে।

হাতিয়ার জাহাজমারা ইউপি চেয়ারম্যান মাসুম বিল্লাহ জানান, দূর্ঘটনার কবলে পড়া ট্রলারটি জাহাজমারা আমতলী ঘাটের। নিখোঁজ ১৩ জেলের মধ্যে ৫ জনের বাড়ী জাহাজমারা আমতলী গ্রামে। অন্য ৮ জনের বাড়ী একই উপজেলার হরনী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডে। সবার বাড়ীতে শোকের মাতাম চলেছে।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমির হোসেন জানান, হাতিয়া উপকূল থেকে ১০০ কিলোমিটার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে একটি ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় চারজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। ১১ জন জেলে নিখোঁজ রয়েছেন।

;