লক্ষ্মীপুরে ভেজাল বীজে সর্বস্বান্ত কৃষক, প্রতিবাদে মানববন্ধন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লক্ষ্মীপুর
বীজ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মানববন্ধন করছেন কৃষকরা

বীজ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মানববন্ধন করছেন কৃষকরা

  • Font increase
  • Font Decrease

লক্ষ্মীপুরে উচ্চমূল্যে ভেজাল বীজ কিনে সবজি বপন করে সর্বস্বান্ত হয়েছে চাষিরা। এর প্রতিবাদে বীজ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন তারা।

শনিবার (২ জুলাই) দুপুুরে লক্ষ্মীপুর প্রেস ক্লাবের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে সদর উপজেলার কালির চর এলাকার শতাধিক চাষি অংশগ্রহণ করেন। এসময় অসাধু বীজ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণসহ ক্ষতিপূরণের দাবি জানান।

মানববন্ধনে চাষিরা অভিযোগ করে বলেন, বাজারের দোকানীরা নিম্মমানের বীজ দামি প্যাকেটজাত করে উচ্চমূল্যে বিক্রি করে তাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। শহরের ভক্তের গলির মাসুদ বীজ ভান্ডার থেকে এসব বীজ কিনে প্রতারিত হয়েছেন চাষিরা। এসব বীজের প্যাকেটের গায়ে আদনান সীড নামের সীল রয়েছে।

এতে করে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মাঠের পর মাঠ ফসল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অথচ এসব প্যাকেটের গায়ে ভাইরাস মুক্ত লিখে চাষিদের প্রলুব্ধ করা হয়। আশেপাশের বরবটি-করলা ও শষা ক্ষেতসহ অন্যান্য ফসলের মাঠেও এর প্রভাব পড়ছে। তারা ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। এসব চাষিরা প্রতারক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণসহ সরকারের সহায়তা দাবি করেন।

মানববন্ধনে প্রতারিত চাষিদের মধ্যে বাবুল, ইউসুফ, সাইফুল, জিসান, শিপন, মাহবুব, আবুল বাশারসহ অর্ধশতাধিক চাষি অংশগ্রহণ করেন।

এ বিষয়ে বীজ ভান্ডারের মালিক মাসুদ দাবি করেন আবহাওয়া জনিত কারণে এমনটি হয়েছে। বীজে কোন প্রতারণা করা হয়নি। তার বীজ প্রক্রিয়াজাত করনের লাইসেন্স রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

এদিকে উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা কামরুন নাহার জানান, কৃষকরা বিষয়টি আমাকে জানিয়েছে। মাঠ পরিদর্শন করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতারাণার বিষয়টি জানানো হবে।

এদিকে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক ড. জাকির হোসেন বলেন, ঢেঁড়স, পেঁপেসহ এ জাতীয় সবজি চাষ করার সময় ভাল জাত এবং ভাল উৎস দেখে ক্রয় করতে হবে। ঢেঁড়সের মাধ্যমে এ ভাইরাসটি ছড়ায়। তাছাড়া ছোট ছোট পোকার মাধ্যমে এক গাছ থেকে অন্য গাছে দ্রুত বিস্তার ঘটায়। এটি যদি ক্ষেতে ছড়িয়ে পড়ে তা হলে পুরো খেতের ফসল নষ্ট করে ফেলে। বাজারে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এসব অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন এ কর্মকর্তা।

গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত চায় জাতিসংঘ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত চায় জাতিসংঘ বলে জানিয়েছেন মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেট।

চারদিনের বাংলাদেশ সফরের শেষদিন বুধবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে নির্বাচন আসন্ন। এখন উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে সৃষ্টি হতে পারে । এই অবস্থায় সুশীল সমাজের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দেশটিতে সুশীল সমাজ ও বিভিন্ন অধিকার কর্মীদের কাজের ক্ষেত্র সংকুচিত হয়েছে।

মিশেল ব্যাচেলেট বলেন, বাংলাদেশের টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য আগামী নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, এই মুর্হূতে বিরোধী রাজনৈতিক দল, কর্মী, সুশীল সমাজকে সভা সমাবেশের সুযোগ দেওয়া জরুরি। তাদের অধিকার থেকে যদি বঞ্চিত করা হয় তাহলে সামাজিক অস্থিরতার জন্ম দিতে পারে বলে জানান তিনি।

জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান বলেন, নারী, সংখ্যালঘু, তরুণদের দাবি বা চাওয়া শুনতে হবে। নির্বাচনের সময়কাল রাজনৈতিক অস্থিরতা থাকবে সেখানে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী মানবাধিকার রক্ষায় বাংলাদেশকে কাজ করতে হবে বলে জানান তিনি।

;

'৭৫ পরবর্তী সামরিক শাসনে ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের পর দীর্ঘ সামরিক শাসনামলে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন প্রত্যক্ষ করেছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেটের সঙ্গে বৈঠকে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। বুধবার (১৭ আগস্ট) গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন মিশেল ব্যাচেলেট। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তার পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

তিনি আরও বলেন, তিনি এবং তার ছোট বোন শেখ রেহানা ১৯৭৫ সালের হত্যাযজ্ঞ থেকে বেঁচে গিয়েছিলেন কারণ তারা তখন বিদেশে ছিলেন। শেখ হাসিনা বলেন, ওই হত্যাকাণ্ডের বিচার বন্ধ করতে তৎকালীন সেনা সমর্থিত সরকার ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেছিল।

জোরপূর্বক নির্বাসন থেকে দেশে ফেরার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওই অধ্যাদেশের কারণে তাদের বিচার চাইতে বাধা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, তৎকালীন সামরিক সরকার বঙ্গবন্ধুর খুনি ও যুদ্ধাপরাধীদের রাজনীতিতে পুনর্বাসিত করেছিল।

মিশেল ব্যাচেলেট বলেন, তার পরিবারকেও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর মতো অমানবিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে যখন তার দেশে একটি অত্যাচারী সরকার ক্ষমতায় ছিল।

জাতিসংঘের হাইকমিশনার বলেন, তিনি বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করে ‘গভীরভাবে আলোড়িত’ হয়েছেন, যেখানে জাতির পিতাকে তার পরিবারের অধিকাংশ সদস্যের সঙ্গে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল।

বৈঠকে তারা বর্তমান বিশ্ব সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন এবং একমত হন যে চলমান কোভিড-১৯ মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, নিষেধাজ্ঞা ও পাল্টা নিষেধাজ্ঞা বিশ্বজুড়ে সংকট তৈরি করেছে।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গারা তাদের নাগরিক তা মিয়ানমার অস্বীকার করে না। তবে, তারা এখনও তাদের বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের প্রত্যাবাসনে সাড়া দেয়নি। তিনি বলেন, মিয়ানমারকে তাদের নাগরিকদের তাদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে হবে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ কখনো কারো সঙ্গে যুদ্ধ চায় না।

এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস এবং ঢাকায় জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক গুয়েন লুইস উপস্থিত ছিলেন।

;

চলে গেলেন বেগম নিহার চৌধুরী, বিভিন্ন মহলের শোক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
বেগম নিহার চৌধুরী

বেগম নিহার চৌধুরী

  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুরের বদরগঞ্জের কৃতি সন্তান ও সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী প্রয়াত আনিছুল হক চৌধুরীর সহধর্মিনী বেগম নিহার চৌধুরী (৭৩) আর নেই (ইন্নালিল্লাহী ওয়া ইন্না ইলাহী রাজেউন)।

বুধবার (১৭ আগস্ট) ভোরে রাজধানী ঢাকার এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তিনি সেখানে ফুসফুসের রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর।

তার প্রথম নামাজে জানাজা বুধবার (১৭ আগস্ট) বাদ আসর বদরগঞ্জ পৌরশহরের বড়মিল চাতালে অনুষ্ঠিত হবে। বাদ মাগরিব উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের গ্রামের বাড়ি লালবাড়ী চৌধুরীপাড়ায় দ্বিতীয় জানাজা শেষে মরহুমার স্বামী সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী মরহুম আনিছুল হক চৌধুরীর কবরের পাশে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে। বেগম নিহার চৌধুরীর মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটি, জেলা-উপজেলার নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শোক সন্তোপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দুর্যোগকালে বেগম নিহার চৌধুরী স্বামী আনিছুল হক চৌধুরীর পাশে ছিলেন ছায়া সঙ্গী হিসেবে। দলমতের বাইরেও তিনি সর্বস্তরের মানুষের একজন অকৃত্রিম বন্ধু ছিলেন। রাজনৈতিক দূরদর্শী সম্পন্ন বেগম নিহার চৌধুরীর জন্ম ১৯৪৮ সালের ১৫ অক্টোবর নওগার সম্ভ্রান্ত এক জমিদার পরিবারে। মরহুমার রুহের মাগফেরাত কামনায় সারাদেশের মানুষের কাছে তার বড় ছেলে বদরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আহাসানুল হক চৌধুরী টুটুল ও পরিবারের সদস্যদের পক্ষ থেকে দোয়া চাওয়া হয়েছে। মরহুমা দুই পুত্র ও চার কন্যা সন্তান নাতি-নাতনীসহ বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার ছোট ছেলে ফিন্দিউল হাসান চৌধুরী শান্তু বদরগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, বড় জামাতা আহমেদ মুনাফ চৌধুরী পরিবার পরিকল্পনা রংপুর বিভাগীয় রিজিওনাল কনসালটেন্ট, দ্বিতীয় জামাতা ডাঃ আবু মোঃ জাকিরুল ইসলাম লেলিন স্বাস্থ্য বিভাগ রংপুর অঞ্চলের পরিচালক, তৃতীয় জামাতা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেন ও সর্ব কনিষ্ঠ মেয়ের জামাতা আজিজুর রহমান চৌধুরী সুজন চট্রগ্রামে অবস্থিত স্টিলমিল কেএসআরএম’র প্রধান প্রকৌশলী।

এদিকে মরহুমার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে সমবেদনা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন শফিক, নিহার চৌধুরীর ভাতিজা রংপুর-২ (বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ) আসনের এমপি আবুল কালাম মো. আহসানুল হক চৌধুরী ডিউক। এছাড়াও বদরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক পরিতোষ চক্রবর্তী, বদরগঞ্জ সরকারি কলেজ, বদরগঞ্জ প্রেসক্লাব পরিবারসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনের পক্ষ থেকে শোকার্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

;

১০ বছর পর শিবির ক্যাডার গিট্টু মানিক গ্রেফতার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
১০ বছর পর শিবির ক্যাডার গিট্টু মানিক গ্রেফতার

১০ বছর পর শিবির ক্যাডার গিট্টু মানিক গ্রেফতার

  • Font increase
  • Font Decrease

দীর্ঘ ১০ বছর পলাতক থাকার পর অবশেষে শীর্ষ সন্ত্রাসী শিবির ক্যাডার সাজ্জাদের অন্যতম সহযোগী ক্যাডার গিট্টু মানিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১৭ আগস্ট) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বায়েজিদ থানা পুলিশের একটি টিম বিশেষ অভিযান চালিয়ে গিট্টু মানিককে গ্রেফতার করে।

বিষয়টি বার্তা২৪.কমকে নিশ্চিত করেছেন বায়েজিদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস জাহান।

তিনি বলেন, দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী গিট্টু মানিকের বিরুদ্ধে বায়েজিদ থানায় অস্ত্র আইনের একটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ছিল। দীর্ঘ ১০ বছর পলাতক থাকার পর অবশেষে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে।

উল্লেখ্য, শিবির ক্যাডার সাজ্জাদের অন্যতম সহযোগী গিট্টু মানিক এর আগে ২০১১ সালের ১১ জুলাই নগরের বায়েজিদ বোস্তামি থানা এলাকা থেকে একে-৪৭ রাইফেল অস্ত্র ও দুই সহযোগীসহ গ্রেফতার হয়েছিল।

;