জয়-পুতুলকে নিয়ে পদ্মা সেতুতে প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জয়-পুতুলকে নিয়ে পদ্মা সেতুতে প্রধানমন্ত্রী

জয়-পুতুলকে নিয়ে পদ্মা সেতুতে প্রধানমন্ত্রী

  • Font increase
  • Font Decrease

পদ্মা সেতু দিয়ে সড়কপথে প্রথমবারের মতো টুঙ্গিপাড়ায় যাওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বপ্নের পদ্মা সেতুতে ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে নিয়ে কিছু সময়ের জন্য গাড়ি থেকে নামেন। এসময় তারা এক সঙ্গে ছবিও তুলেন।

সোমবার (৪ জুলাই) সকালে রাজধানীর গণভবন থেকে রওনা হয়ে সাড়ে তিন ঘণ্টার যাত্রা শেষে টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় পরিবারের অন্য সদস্যরাও সেখানে ছিলেন।


প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে জানানো হয়েছে, আজ বেলা ১১টার কিছু সময় পর প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া পৌঁছায়। এর আগে সকাল ৮ টা ৫ মিনিটে গণভবন থেকে টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশ্য রওনা দেন প্রধানমন্ত্রী। ৮টা ৫০ মিনিটে দিকে পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় টোল দিয়ে প্রধানমন্ত্রী সেতুতে কিছু সময় দাঁড়ান।

সেতু পার হয়ে সকাল সোয়া ৯টার দিকে জাজিরা প্রান্তে ফলকের সামনে কিছু সময় অবস্থান করেন প্রধানমন্ত্রী। সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সোয়া ১০টা পর্যন্ত জাজিরা প্রান্তের সার্ভিস এরিয়া-২ এ বিশ্রাম নিয়ে সোয়া ১০টার দিকে টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন তিনি।


প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি অনুযায়ী টুঙ্গিপাড়া পৌঁছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে মোনাজাত করেন। এরপর টুঙ্গিপাড়ায় বিভিন্ন সরকারি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর দুইটার পরে টুঙ্গিপাড়া থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

‘বেহেশতে আছি’ মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন মোমেন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
‘বেহেশতে আছি’ মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন মোমেন

‘বেহেশতে আছি’ মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন মোমেন

  • Font increase
  • Font Decrease

‘আমরা সুখে আছি, বেহেশতে আছি’ মন্তব্যের পর আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে এর ব্যাখ্যা দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। এ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, সাংবাদিকরা বিষয়টি নিয়ে ‘টুইস্ট করার চেষ্টা’ করেছেন এবং ‘এক্কেবারে উল্টা’ লিখেছেন।

শুক্রবার সিলেটে এক অনুষ্ঠান শেষে মোমেন সাংবাদিকদের বলেন, বৈশ্বিক মন্দায় অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের মানুষ বেহেশতে আছে। বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা হয়ে যাবে, একটি পক্ষ প্যানিক ছড়ানোর জন্য এমন কথা বলে। বাস্তবে এর কোনো ভিত্তি নেই। বাংলাদেশ অনেক ভাল আছে।

সংবাদমাধ্যমে এই বক্তব্য প্রচারের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। কেউ কেউ ব্যঙ্গও করেন।

শনিবার দুপুরে সিলেট জেলা পরিষদ আয়োজিত ২০১৯-২০ অর্থবছরের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

বেহেশত প্রসঙ্গে টেনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমি বলেছি, কম্পারেটিভ টু আদার কান্ট্রি। আর আপনারা সব জায়গায় বেহেশতে বলেছেন। মানে টুইস্ট করার চেষ্টা...বলেন নাই যে, আমাদের মূল্যস্ফীতি অন্য দেশের তুলনায় কম।

তখন উপস্থিত সাংবাদিকরা বলেন, ‘আপনি গতকাল যা বলেছেন, তাই অন-এয়ার হয়েছে।”

এরপর মোমেন বলেন, মুদ্রাস্ফীতি ইংল্যান্ডে ১২ ভাগ, টার্কিতে ৬৭ ভাগ, পাকিস্তানে ৩৭ ভাগ, শ্রীলঙ্কায় ১৫০ ভাগ আর আমরা সাত ভাগ...সেই দিক দিয়ে আমরা ভালো আছি। আমি বলেছি, অন্য দেশের তুলনায় আমরা অনেক ভালো আছি। এবং তাদের তুলনায় আমরা বেহেমতে আছি, এই কথা বলেছিলাম। কিন্তু আপনারা (সাংবাদিকরা) এক্কেবারে উল্টা! যাই হোক।

;

ফজলে রাব্বী মিয়ার আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছন্দা রাব্বী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
লুদমিলা পারভীন ছন্দা রাব্বী

লুদমিলা পারভীন ছন্দা রাব্বী

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়ার মৃত্যুর পর তার আসনটি (গাইবান্ধা-৫, সাঘাটা-ফুলছড়ি) শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। এরেই মধ্যে নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রচারণা জমে উঠেছে। মনোনয়ন প্রত্যাশীরা গণসংযোগও চালাচ্ছেন।

ফজলে রাব্বীর আসনে নৌকার মাঝি হওয়ার দৌড়ে আছেন তারই ছোটভাইয়ের স্ত্রী লুদমিলা পারভীন ছন্দা রাব্বী। শনিবার (১৩ অগাস্ট) ছন্দা রাব্বী  গণমাধ্যমেকে তার প্রার্থিতার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অন্যদিকে ফজলে রাব্বী মিয়ার ছোটমেয়ে ফারজানা রাব্বী বুবলীও বাবার আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী। এছাড়াও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদ হাসান ওরফে রিপন এবং ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জি এম সেলিম পারভেজ এই আসনে মনোনয়ন চান।

এদিকে নিজের প্রার্থিতার বিষযে নিশ্চিত করে ছন্দা রাব্বী বলেন, নেত্রী (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) যদি আমাকে মনোনীত করেন আমি নির্বাচন করবো। নির্বাচনের মনোনয়ন ফর্মও তুলব।

প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রের মাউন্ট সাইন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২২ জুলাই মৃত্যুবরণ করেন ফজলে রাব্বী মিয়া। এরপর ২৪ জুলাই জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে আসনটি শূন্য ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। কোনো সংসদীয় আসন শূন্য ঘোষিত হলে ৯০ দিনের মধ্যে উপ-নির্বাচনের কথা সংবিধানে উল্লেখ রয়েছে। যদিও এখনো উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়নি। তবে নির্বাচনের মাধ্যম ইতিমধ্যে সরগরম হয়ে উঠেছে।


আসনটিতে মনোনয়ন প্রত্যাশী  ফজলে রাব্বী মিয়ার মেয়ে ফারজানা রাব্বী বুবলী কয়েক মাস আগে স্থানীয় ফুলছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে রাজনীতিতে পা রেখেছেন। অন্যদিকে তার চাচী ছন্দা রাব্বী জেলা আওয়ামী মহিলা লীগের সভাপতি। রাজনীতিতে অভিজ্ঞতায় বুবলীর থেকে বেশ এগিয়ে।

একই পরিবার থেকে দুজনের প্রার্থিতার বিষয়ে জানতে চাইলে ছন্দা রাব্বী বলেন, আমরা দুজনেই নমিনেশন ফর্ম নেব। সেক্ষেত্রে নেত্রী আমাদের যাকে ভালো মনে করবেন, তাকেই দেবেন।

বুবলীর বিষয়ে তিনি বলেন, ওর পদচারণা শুরু হয় সাধারণ সম্পাদকের মাধ্যমে। খুব বেশিদিন আগের কথা না। চার-পাঁচমাস হলো আমরা ওকে পেয়েছি রাজনীতির অঙ্গনে। ও সাধারণ সম্পাদক হয়েছিল সেটা আমাদের পারিবারিক সিদ্ধান্ত ছিল। আমরা রাখতে চেয়েছি এই কারণে যে নির্বাচনী প্রচারণায় আমাদের (ফুলছড়িতে) একটা অংশ থাকা দরকার। এজন্য আমরা ওকে এখানে এনেছি।

তাছাড়া ও তো (বুবলী) এখন অন্য পরিবারের বউ, বলেন ছন্দা রাব্বী।

গাইবান্ধা-৫ আসনে এক সময় জাতীয় পার্টির প্রভাব ছিল। ফজলে রাব্বী মিয়া নিজেও জাতীয় থেকে নির্বাচন করে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। পরে তিনি আওয়ামী লীগে চলে আসেন। তার হাত ধরেই আওয়ামী লীগের প্রভাব শুরু হয এই আসনে।


এদিকে এই আসনে আরেক মনোনয়ন প্রত্যাশী মাহমুদ হাসান রিপন। তিনি ছাত্রলীগের সভাপতি হওয়ার পর এই অঞ্চলের তরুণদের ভেতর একটা প্রভাব সৃষ্টি করেন। ফজলে রাব্বী মিয়া সংসদ সদস্য থাকার সময়ই সেখানে কাজ করছেন তিনি। গত কয়েকটি নির্বাচনে মনোনয়ন নেওয়ারও চেষ্টা করেছিলেন।

ছন্দা রাব্বীও রিপনের প্রসঙ্গে বলেন, আমাদের নৌকার মাঝি যদি বলেন, সে হলো রিপন। রাব্বিভাই যখন রাজনীতি করতেন তিনি তখন ছাত্রলীগের সেন্ট্রালের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তখন থেকেই ভাইয়ের সঙ্গে একটা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আসছেন। এখন নৌকার মাঝিরা ছাড়াও আমাদের অনেক প্রতিদ্বন্দ্বী। নৌকার মাঝি শুধু রিপনকে বলছি না। সে দীর্ঘদিন রাজনীতিতে সংযুক্ত ছিল, আমিও সংযুক্ত আছি। এখন নিউকামার (একদম নতুন) হিসেবে যোগ হয়েছে বুবলী।

ছন্দা রাব্বী নমিনেশন চাইলেও না পেলে বিদ্রোহী হবেন না বলে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘না পেলে নির্বাচন করবো না। নৌকার কাজ করবো। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার একজন ক্ষুদ্র সৈনিক। নৌকা যে-ই আনুক আমি তার পক্ষে কাজ করবো।’

একই পরিবার থেকে দুজন প্রার্থী হতে চাচ্ছেন। পারিবারিকভাবে কার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, জানতে চাইলে ছন্দা রাব্বী বলেন, ‘পারিবারিকভাবে তেমন কোনো আলোচনা হয়নি। আমি ফজলে রাব্বী ভাইয়ের সঙ্গে অনেক দিন রাজনীতি করেছি। তার অনুপ্রেরণায়ই মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হয়েছি। এরআগে গাইবান্ধা জেলা পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ছিলাম।’

এই সিদ্ধান্তে পরিবার দুইভাগ হবে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘পরিবারটাকে আমি দুভাগ হতে দেব না। কারণ আমি সেই ৯০ সালে এই পরিবারে বধূ সেজে এসেছি। তখন থেকেই পরিবারটাকে একটা গাছের নিচে ধরে রেখেছি। আমার শাশুড়ি বেঁচে নেই। রান্নাঘর থেকে রাজনৈতিক মঞ্চ- সব জায়গায় সহযোগিতা করেছি। রাব্বী ভাইয়ের যেকোনো কর্মকাণ্ডে আমি জড়িত ছিলাম। তার অসমাপ্ত কাজটা যাতে আমি সমাপ্ত করতে পারি সেদিকেই এগোচ্ছি।’

শেখ হাসিনার প্রতি আস্থা রাখার কথা জানিয়ে ছন্দা রাব্বী বলেন, আমরা যারা দীর্ঘদিন গাইবান্ধায় রাজনীতি করছি, তাদেরই তিনি মনোনয়ন দেবেন। এটা আমার বিশ্বাস। যারা নতুন এসেছে, তাদের দেওয়ার মতো কোনো ভুল তিনি করবেন না।

;

খালে নেমে দুপুরে নিখোঁজ, বিকেলে ২ জনের মরদেহ উদ্ধার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
খালে নেমে দুপুরে নিখোঁজ, বিকেলে ২ জনের মরদেহ উদ্ধার

খালে নেমে দুপুরে নিখোঁজ, বিকেলে ২ জনের মরদেহ উদ্ধার

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামের বাকলিয়ার চাক্তাই খালে লাফ দিয়ে নিখোঁজ দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আর আগে দুপুরের দিকে তারা ওই খালে নিখোঁজ হন।

শনিবার (১৩ আগস্ট) চারদিকে দিকে চাক্তাই খালের খাতুনগঞ্জের লোহার ব্রিজ এলাকা থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ। 

মৃতরা হলেন- মো. মামুন (১৮) ও মো. হৃদয় (১৩)। তাদের বাড়ি বাকলিয়া মহাজের কলোনীতে।

বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিম বিষয়টি বার্তা২৪.কম-কে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, দুপুরের দিকে চাক্তাই খালের ওই এলাকায় জোয়ারের পানি লাফ দিয়ে রিদয় ও মামুন নামের দুজন নিখোঁজ হন। পরে বিকেলে চারটার দিকে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ তাদের মরদেহ উদ্ধার করে। 

;

সীমান্ত থেকে সাড়ে চার কেজি হেরোইন জব্দ, মূলহোতা গ্রেফতার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
সীমান্ত থেকে সাড়ে চার কেজি হেরোইন জব্দ, মূলহোতা গ্রেফতার

সীমান্ত থেকে সাড়ে চার কেজি হেরোইন জব্দ, মূলহোতা গ্রেফতার

  • Font increase
  • Font Decrease

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত থেকে প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা মূল্যের চার কেজি ৪০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করেছে র‌্যাব। শনিবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে পদ্মা নদীর ওপারে ভারতীয় সীমান্ত সংলগ্ন গ্রাম চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার চরকোদালকাটি জেলেপাড়ার এক বাড়ি থেকে হেরোইনগুলো উদ্ধার করা হয়।

এসময় বাড়ির মালিক জিয়ারুল ইসলামকে (৩৫) গ্রেফতার করা হয়। জিয়ারুল সীমান্ত দিয়ে হেরোইন পাচার করে আনার মূলহোতা বলছে র‌্যাব।

এই অভিযানের পর শনিবার দুপুরে রাজশাহীতে র‌্যাব-৫ এর সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সেখানে জানানো হয়, দীর্ঘদিন ধরে একটি মাদক চোরাচালান চক্র আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারত থেকে হেরোইন পাচার করে আনছে। র‌্যাবের গোয়েন্দারা সম্প্রতি একটি বড় চক্রের সন্ধান পায়। র‌্যাব জানতে পারে, সীমান্ত দিয়ে হেরোইন সংগ্রহ করে খুব কম সময়ের মধ্যে তা রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। গোয়েন্দাদল এটাও জানতে পারে যে, পাচারের আগে চক্রটির মূলহোতা জিয়ারুল রাতে কিছু সময়ের জন্য তা মজুদ করে।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-৫ এর গোয়েন্দা দল জানতে পারে শুক্রবার দিবাগত রাতে এই চক্রের একটি বড় চালান পাচার হবে। এ তথ্যের ভিত্তিতে দুর্গম চর এলাকায় তিনটি গ্রুপে ভাগ হয়ে হয়ে র‌্যাবের অপারেশন দল প্রায় ৯ ঘণ্টা অ্যাম্বুশ করে বসে থাকে। অভিযানের এক পর্যায়ে রাত সাড়ে তিনটায় জিয়ারুলের বাড়ি ঘেরাও করে তল্লাশি করা হয়। এ সময় একজন কৌশলে পালিয়ে গেলেও জিয়ারুলকে ধরতে সক্ষম হয় র‌্যাব। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি হেরোইন মজুদের কথা স্বীকার করেন এবং ঘরের প্লেন সিটের বাক্সের নীচে অভিনব কায়দায় লুকানো সাড়ে চার কেজি হেরোইন বের করে দেন।

জিজ্ঞাসাবাদে জিয়ারুল জানান, তিনি এবং পলাতক আসামি সংঘবদ্ধ মাদক চক্রের সাথে জড়িত। তারা সীমান্ত এলাকায় কৃষি কাজের আড়ালে ভারত থেকে কৃষকের ছদ্মবেশে হেরোইন চোরাচালান করে থাকেন। এর আগেও বেশ কয়েকবার তারা এ পন্থায় মাদক সরবরাহ করেছেন। এ ব্যাপারে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা হয়েছে। আসামিকেও থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

;