ঈদে ঢাকা ছাড়তে মানতে হবে ১২ নির্দেশনা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ঈদে ঢাকা ছাড়তে মানতে হবে ১২ নির্দেশনা

ঈদে ঢাকা ছাড়তে মানতে হবে ১২ নির্দেশনা

  • Font increase
  • Font Decrease

পবিত্র ঈদুল আজহা প্রিয়জনের সঙ্গে উদযাপন করতে রাজধানী থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ফিরতে শুরু করেছেন মানুষ। ঈদ আনন্দ নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে ১২টি নির্দেশনা মেনে চলার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ।

নির্দেশনাগুলো হলো—

১. ঢাকা মহানগরীতে দূরপাল্লার ও আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালের অভ্যন্তরে এবং বাইরের সড়কে বাস রেখে বা থামিয়ে যাত্রী ওঠানো যাবে না। যাত্রীরা টার্মিনালের ভেতরে থাকা অবস্থায় বাসের আসনগ্রহণ করতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বাসের প্রতিনিধিদের এ বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে।

২. ঢাকা মহানগরীতে আন্তঃজেলা ও দূরপাল্লার বাসগুলো টার্মিনাল সংলগ্ন প্রধান সড়কের অংশ দখল করে থামবে না।

৩. ভ্রমণকালে ঢাকা মহানগরের প্রবেশ ও বের হওয়ার পথের গণপরিবহনগুলো শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে, যেন অযাচিত যানজটের সৃষ্টি না হয়।

৪.ঢাকা মহানগর থেকে ছেড়ে যাওয়া দূরপাল্লার যানবাহনগুলোকে অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহন থেকে নিবৃত থাকতে হবে।

৫. আন্তঃজেলা পরিবহনের যাত্রীরা বা গমনপ্রত্যাশীদের প্রধান সড়কে এসে অপেক্ষা বা দাঁড়িয়ে না থেকে টার্মিনালের ভেতরে অবস্থান করতে হবে।

৬. ঢাকা মহানগর থেকে দূরপাল্লার রুট পারমিটবিহীন বা অননুমোদিত রুটে কোনো বাস চলাচল করবে না। বাসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাই এ বিষয়টি কঠোরভাবে মেনে চলবেন এবং কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করবেন।

৭. বাসের ভেতরে যাত্রীদের অপরিচিত কারও কাছ থেকে কিছু না খাওয়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া হলো।

৮. সংশ্লিষ্ট যাত্রীরা অবশ্যই যানবাহনে টিকিট সঙ্গে রাখবেন।

৯. যাত্রীদের মালামাল নিজ হেফাজতে সাবধানে রাখবেন।

১০. কোনো যানবাহনেই ছাদের ওপর অতিরিক্ত যাত্রী বহন করবে না।

১১. যাত্রী তোলার ক্ষেত্রে বাসচালকরা এমন কোনো অসম প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন না। এতে সড়কের শৃঙ্খলায় বিঘ্ন ঘটে ও জীবনহানির শঙ্কা থাকে।

১২. করোনার প্রকোপ ঊর্ধ্বগতি বিধায় পরিবহন চালক ও যাত্রী সবাইকে যথাযথ স্বাস্থবিধি অনুসরণ করে যাতায়াত করতে হবে।

প্রয়োজনে ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমের মোবাইল নম্বর ০১৭১১-০০০৯৯০ অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ।

‘বিএনপি বিদেশিদের দিয়ে সরকার উৎখাত করার স্বপ্ন দেখছে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি বিদেশিদের দিয়ে সরকার উৎখাত করার স্বপ্ন দেখছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ।

তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয় হলেও বর্তমান বাংলাদেশে তাদের এজেন্টরা এখনো বেঁচে আছে। তারা (বিএনপি) নানান সময়ে নানা মিথ্যাচার করে, অভিযোগ করে বিদেশিদের দিয়ে সরকার উৎখাত করার স্বপ্ন দেখছে।

শুক্রবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে ৪টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই ফ্লোরে 'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবার' শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শোকসভার আয়োজন করে ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন।

মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার স্বপ্ন, আদর্শকে হত্যা করা হয়েছে। রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের জন্য তাকে হত্যা করা হয়নি। একাত্তরের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে পাকিস্তান ও তাদের দোসর পশ্চিমা মহাশক্তিধর রাষ্ট্র এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিলো। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে ক্ষান্ত হয়নি। স্বাধীনতার পক্ষের শক্তিকে হত্যা করতে চায়। বঙ্গবন্ধু, পরিবারের প্রতি এখনো তাদের বিদ্বেষ আছে। তাই তারা এখনো ষড়যন্ত্র করছে।

বাংলাদেশে রাজনীতিতে দু’টি ধারা সৃষ্টি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি। আর আরেকটি হলো বিএনপি-জামায়াতের নেতৃত্বে স্বাধীনতাবিরোধী প্লাটফর্ম। এই ধারা পাকিস্তানের নির্দেশে চলে।

হানিফ বলেন, বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশ এক ও অভিন্ন। বঙ্গবন্ধুর ইতিহাস বলতে গেলে বাংলাদেশ আসে আর বাংলাদেশের ইতিহাস বলতে গেলে বঙ্গবন্ধুর জীবনী চলে আসে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা কি কেনো গোলটেবিল বৈঠকে এসেছে? কোনো মেজর হুইসেলে এসেছে? জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা এসেছে।

আওয়ামী লীগের এ সিনিয়র নেতা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা বইয়ে লিখেন, বঙ্গবন্ধু হত্যায় কতিপয় বিপথগামী সেনাসদস্য জড়িত। শুধু কতিপয় বিপথগামী সদস্য জড়িত ছিলো না। ১৯৭১ সালে পরাজিত হওয়া পাকিস্তান ও তাদের মিত্র পশ্চিমা মহাশক্তিদর রাষ্ট্র পরাজয়ের পতিশোধ নিতে উন্মুখ ছিলো। তখন থেকেই তারা বঙ্গবন্ধু হত্যার প্লট রচনা করেছে। রাজাকার, আলবদরের ধাপে ধাপে পরিকল্পনা করেছে এবং বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে।

হানিফ বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন ৫ সেপ্টেম্বর, তা তার এসএসসির সার্টিফিকেটে আছে। উনার পিতা মরহুম ইস্কান্দার মজুমদার মাসিক ‘নিপুণ’ এ এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, খালেদা জিয়া ৫ সেপ্টেম্বর জন্ম নিয়েছিলেন। আর ১৯৯৩ সালে ক্ষমতায় থাকতে তিনি ১৫ আগস্ট জন্মদিন পালন শুরু করেন। বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকীতে সারা জাতি যখন কাতর থাকে সেই দিন মিথ্যা জন্মদিন পালন করে খালেদা জিয়া উল্লাস করেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের দণ্ডপ্রাপ্ত অনেকের রায় কার্যকর হয়েছে। কয়েকজন আত্মস্বীকৃত খুনি পালিয়ে আছে, তাদের রায় কার্যকর হয়নি। প্রত্যাশা করছি দ্রুত কার্যকর করে আমরা জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করবো।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী পারভেজের সভাপতিত্বে সভায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি একে আজাদ, সাবেক মহাসচিব রঞ্জন কর্মকার, জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা রকিবুল হাসান, বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি নাসিমুন হক আরা মিনু, কবি ও সংস্কৃতিকর্মী তারিক সুজাত। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মোল্লা মোহাম্মদ আবু কাওছার।

;

‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হবে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস

মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের ধারাবাহিক অগ্রযাত্রা বজায় রাখা হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশের ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

শুক্রবার (১৯ আগস্ট) বিকালে মহানগর সর্বজনীন পূজা উদযাপন কমিটি আয়োজিত 'ঐতিহাসিক কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমী মিছিল' পূর্ববর্তী সংক্ষিপ্ত সভায় উদ্বোধকের বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ তাপস বলেন, বাংলাদেশ ধর্ম নিরপেক্ষ দেশ হিসেবে সারাবিশ্বের মধ্যে একটি উদার নজির। আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব এর সূচনা করেছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এরই ধারাবাহিকতায় তারই সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা এই নজির সৃষ্টি করে -- বাংলাদেশকে সারাবিশ্বের মাঝে একটি ধর্ম নিরপেক্ষ দেশের রোল মডেলে পরিণত করেছেন। এই ধারাবাহিকতা আমরা বজায় রাখব।

;

চার দিনের সফরে কিশোরগঞ্জ যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ

  • Font increase
  • Font Decrease

চারদিনের সফরে আগামী ২২ আগস্ট নিজ জেলা কিশোরগঞ্জ যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ।

রাষ্ট্রপ্রধান কিশোরগঞ্জ জেলার হাওরের মিঠামইন, অষ্টগ্রাম ও ইটনা উপজেলায় চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অগ্রগতি পরিদর্শন করবেন এবং প্রতিটি উপজেলায় সুশীল সমাজ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন এ কথা জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি ২২ আগস্ট বিকেল সোয়া ৩টার দিকে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে করে কিশোরগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হবেন। এরপর মিঠামইনে পৌঁছানোর পর বিকেল ৪টার দিকে মিঠামইন ডাকবাংলোয় তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হবে।

সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মিঠামইনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ অডিটরিয়ামে সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করবেন তিনি।
মতবিনিময় সভা শেষে নিজ বাড়ি কামালপুরে যাবেন এবং সেখানে রাতযাপন করবেন।

পরের দিন ২৩ আগস্ট সকাল ১১টার দিকে মিঠামইন উপজেলায় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শন করবেন রাষ্ট্রপতি।

এরপর বিকেল ৩টার দিকে সড়কপথে মিঠামইন থেকে অষ্টগ্রাম উপজেলার উদ্দেশে রওনা হবেন। অষ্টগ্রাম উপজেলায় পৌঁছে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শন করবেন তিনি। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের সদস্য ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করবেন রাষ্ট্রপতি।
মতবিনিময় সভা শেষে রাতে সড়কপথে মিঠামইনের নিজ বাসভবনে পৌঁছে রাতযাপন করবেন তিনি।

পরের দিন ২৪ আগস্ট সকাল ১১টার দিকে মিঠামইন উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শন করবেন রাষ্ট্রপতি। এরপর বিকেল ৩টার দিকে নৌযানযোগে নির্মাণাধীন মিঠামইন সেনানিবাস পরিদর্শন করবেন তিনি।

বিকেল ৫টার দিকে সড়কপথে রাষ্ট্রপতি মিঠামইন থেকে ইটনা উপজেলায় গমন করবেন এবং সেখানে চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করবেন।
সন্ধ্যা ৭টার দিকে ইটনায় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ অডিটোরিয়ামে বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের সদস্য ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করবেন আবদুল হামিদ।

মতবিনিময় সভা শেষে রাতে তিনি সড়কপথে মিঠামইনের উদ্দেশে রওনা হবেন এবং মিঠামইন পৌঁছে নিজ বাসভবনে রাতযাপন করবেন। পরের দিন ২৫ আগস্ট বিকেলে হেলিকপ্টারে মিঠামইন থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে রাষ্ট্রপতির।

;

অর্ধকোটি টাকা নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগে বিক্ষোভ, পরীক্ষা স্থগিত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
অর্ধকোটি টাকা নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগে বিক্ষোভ

অর্ধকোটি টাকা নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগে বিক্ষোভ

  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুর সুগার মিলস স্কুলে ৪ পদে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগে বিক্ষোভ করেছেন ওই পদের জন্য আবেদনকারী ও স্থানীয় এলাকাবাসী। পরে বিক্ষোভের মুখে তড়িঘড়ি করে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করেন বিদ্যালয়টির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি।

শুক্রবার (১৯ আগস্ট) সকালে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিদ্যালয়ের সভাপতি শ্যামপুর সুগার মিলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহসান হাবীব।

এর আগে, বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) বিদ্যালয়টিতে ওই ৪ পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও চাকরি প্রত্যাশীদের বিক্ষোভের মুখে পরীক্ষা স্থগিত করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।

বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করে বলেন, বিদ্যালয়ের সভাপতি এবং শ্যামপুর সুগার মিলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহসান হাবীবের ছত্রছায়ায় বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সালিয়ুর রহমান তার আপন বোন জুলেখা বেগম ও বর্তমানে নর্থবেঙ্গল সুগার মিলসে কর্মরত মোস্তফা সারওয়ারকে অভিভাবক সদস্য বানিয়ে সৃষ্ট পদে গত ৩০ জুন বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী, অফিস সহায়ক, নাইট গার্ড, নিরাপত্তা কর্মী পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির পর থেকে একাধিক চাকরি প্রত্যাশীর নিকট তিনি প্রতি পদের বিপরীতে ৮ থেকে ১২ লাখ টাকা দাবি করেন। এছাড়াও ম্যানেজিং কমিটির দুই সদস্য মোস্তফা সরোয়ার ও জুলেখা বেগমের কারও সন্তান বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত না এবং তারা দুজনে বদলি হয়ে অন্য প্রতিষ্ঠানে চলে গিয়েছেন অথচ তাদের পদ বহাল রেখে নিয়োগ প্রক্রিয়া করা হয়েছে।

হাবীবুর নামে এক আবেদনকারী অভিযোগ করে বলেন, আমাকে অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ দেওয়ার চুক্তিতে ৭ লাখ টাকার বিপরীতে আমার বাবার কাছে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা নেন বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি। কিন্তু পরবর্তীতে ৭ লাখের জায়গায় আরও ১ লাখ টাকা দাবি করেন তিনি। পরে দিতে অস্বীকৃতি জানালে আমার চাকরি হবে না বলে জানান তিনি এবং চাকরির জন্য দেয়া টাকা ফেরতও দিচ্ছেন না।

আরেক ভুক্তভোগী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মিলে এখানে নিয়োগ বাণিজ্য শুরু করেছেন। তাই চলমান বিতর্কিত এই নিয়োগ পরীক্ষা সম্পূর্ণ হলে সঠিক চাকরি প্রত্যাশীরা বঞ্চিত হবেন।

স্থানীয় রাফি মিয়া বলেন, আমরা এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা মিলে রংপুর জেলা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।চলমান এই নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ করে স্বচ্ছ কমিটি দ্বারা নিয়োগ প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছি।

অভিযোগের বিষয়ে শ্যামপুর সুগার মিলস স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সালিয়ুর রহমান বলেন, একজন অভিভাবক সদস্যের সন্তান কয়েক মাস আগে বিদ্যালয় থেকে চলে গেছে। তবে আরেক সদস্য জুলেখার সন্তান এই বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণিতে অধ্যায়নরত রয়েছেন।

শ্যামপুর সুগার মিলসের ব্যবস্থপনা পরিচালক ও বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আহসান হাবীব বলেন, আমি আপনাদের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারলাম। নিয়োগ কমিটিতে ত্রুটির জন্য নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত করে দ্রুত সময়ের মধ্যে চিঠি ইস্যু করা হবে।।তবে চাকরি প্রত্যাশীদের নিকট টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন তিনি।

;