গাজীপুরে ২৮ ও ৫৪ নং ওয়ার্ডে স্থাপিত হবে কৃষকের বাজার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
গাজীপুরে ২৮ ও ৫৪ নং ওয়ার্ডে স্থাপিত হবে কৃষকের বাজার

গাজীপুরে ২৮ ও ৫৪ নং ওয়ার্ডে স্থাপিত হবে কৃষকের বাজার

  • Font increase
  • Font Decrease

সুস্থতা নিশ্চিতে নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যকর খাবারের বিকল্প নেই। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নগরবাসীর জন্য নিরাপদ খাবার নিশ্চিতের লক্ষ্যে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলো কৃষি নির্ভর হওয়ায় অন্যান্য সিটির তুলনায় গাজীপুরে তাজা শাক সবজি ও ফলমূল এর সরবরাহ বেশি। তারপরও মধ্যসত্ত্বভোগীদের প্রভাবে এবং সুষ্ঠু বাজার ব্যবস্থার অভাবে কৃষক সঠিক মূল্য পাচ্ছেন না এবং ক্রেতাগণ সাশ্রয়ী মূল্যে নিরাপদ খাদ্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এ সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার ঢাকা ফুড সিস্টেম প্রকল্পের আওতায় গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনে দুটি কৃষকের বাজার স্থাপিত হতে যাচ্ছে, যেখানে কৃষক মধ্যস্বত্বভোগীদের অনুপস্থিতিতে সরাসরি তার উৎপাদিত নিরাপদ পণ্য ভোক্তার কাছে পৌঁছে দেবেন।

কৃষকের বাজারে প্রতি সপ্তাহে একদিন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এবং মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক যাচাইকৃত ১০ জন কৃষক তাদের উৎপাদিত নিরাপদ পণ্য ক্রেতাদের কাছে সরাসরি বিক্রি করবেন।

মঙ্গলবার (৫ জুলাই) গাজীপুরের প্রকৌশল ভবন মিলনায়তনে এ্যাম্বেসি অব দি কিংডম অব নেদারল্যান্ডস, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এবং ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট এর সম্মিলিত উদ্যোগে আয়োজিত ‘গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনে এলাকাভিত্তিক কৃষকের বাজার স্থাপন ’ শীর্ষক প্রকল্পের প্রারম্ভিক সভায় বক্তারা এ কথা বলেন।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সচিব মোঃ আব্দুল হান্নান। বক্তব্য রাখেন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড নং ৫৪ এর কাউন্সিলর মো; নাসির উদ্দিন মোল্লা, প্যানেল মেয়র মোসা: আয়েশা আক্তার, অঞ্চল-৫ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ফিরোজ আল মামুন, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো: মঈনুল ইসলাম, পরিকল্পনাবিদ সানজিদা হক, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো: সাইফুল ইসলাম, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. কায়সার মুহাম্মদ মঈনুল হাসান, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. এস এম উকিল উদ্দিন, সিনিয়ির উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জান্নাতুল শাহীন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ হাসিবুল হাসান, বিপণন কর্মকর্তা মোঃ আব্দুস সালাম, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সাসটেইনেবল এগ্রিকালচার স্পেলালিষ্ট জাহাঙ্গীর আলম, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ফুড সিটি কো অর্ডিনেটর মোঃ শহীদুল ইসলাম এবং ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ এর পরিচালক গাউস পিয়ারী। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট এর সিনিয়র প্রজেক্ট ম্যানেজার জিয়াউর রহমান এবং মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রজেক্ট ম্যানেজার নাঈমা আক্তার।

মোঃ আব্দুল হান্নান বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে গাজীপুর ২৮ ও ৫৪ নং ওয়ার্ডে পরীক্ষামূলক কৃষকের বাজার হতে যাচ্ছে। সিটি কর্পোরেশনের স্থায়ী বাজারের সাথে কৃষকের বাজারগুলো সম্পৃক্ত করা হলে বাজারগুলো টেকসই করা যাবে। সিটি কর্পোরেশন এবং কাউন্সিলর অফিস থেকে সার্বিক সহযোগিতা থাকবে। কৃষকের বাজারের সফলতা-ব্যর্থতা, চ্যালেঞ্জ বিষয়ে নিয়মিতভাবে সিটি কর্পোরেশনকে অবহিত করার অনুরোধ করছি।

ড. এস এম উকিল উদ্দিন বলেন, যেহেতু আয়োজনটি সপ্তাহে একদিন, তাই কৃষকের বাজারে পণ্য সরবরাহ করলে খামারীরা সমস্যার মুখোমুখি হতে পারে। তবুও পণ্য সরবরাহ নিশ্চিতের লক্ষ্যে জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের পক্ষ থেকে সহযোগিতা থাকবে। কায়সার মুহাম্মদ মঈনুল হাসান বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানি, পয়:নিষ্কাশন সুবিধা ছাড়া কৃষকের বাজারে মাছ বিক্রি করা কঠিন। পণ্য পরিবহনের জন্য ফ্রিজিং ভ্যান প্রয়োজন। বড় খামারী নয়, বরং কন্ট্রাক্ট কৃষকদের এ কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত করা যেতে পারে।

মো: আব্দুস সালাম বলেন, সিটি কর্পোরেশন থেকে স্থান নির্ধারণের মাধ্যমে কৃষকের বাজার কার্যক্রমটিকে স্থায়ী একটি উদ্যোগে পরিণত করা হলে এটিকে টেকসই করা যাবে এবং প্রয়োজনীয় সকল সুবিধাদি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। মোঃ মঈনুল ইসলাম বলেন, ২৮ ও ৫৪ নং ওয়ার্ড কৃষক বাছাই এবং স্থান বাছাই এর মানদন্ড অনুযায়ী উপযোগী। তবে কৃষকের বাজারে ব্যবহৃত সরঞ্জাম এবং কৃষকের পণ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। মো: ফিরোজ আল মামুন বলেন, সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য কৃষক ও ভোক্তা পর্যায়ে সচেষ্ট হওয়া প্রয়োজন।

মোসা. আয়েশা আক্তার ২৮ নং ওয়ার্ডে কৃষকের বাজার স্থাপনের ক্ষেত্রে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। মোঃ নাসির উদ্দিন মোল্লা বলেন, কৃষকের বাজার আয়োজন, ব্যবস্থাপনা ও সুবিধাদি নিশ্চিতের ক্ষেত্রে কাউন্সিলর অফিস থেকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা হবে। তবে পণ্যগুলো আবশ্যিকভাবে নিশ্চিত করতে হবে। এলাকার মধ্যে মাছ বিক্রি কঠিন তবে মাংস, ডিম, দুধ সহজেই বিক্রি করা সম্ভব। তিনি ৫৪ নং ওয়ার্ডে কয়েকটি বিদ্যালয় ও উন্মুক্ত স্থান কৃষকের বাজার স্থাপনের বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করেন।

ভুল চিকিৎসায় চোখ নষ্ট, চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ময়মনসিংহ
ভুক্তভোগী মাহজাবীন হক মাশা

ভুক্তভোগী মাহজাবীন হক মাশা

  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহে ভুল চিকিৎসার অভিযোগে দীন মোহাম্মদ চক্ষু হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্স সেন্টারের চক্ষু বিশেষজ্ঞ প্রফেসর দীপক কুমার নাগের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার (১০ আগস্ট) ভুক্তভোগী রোগীর ভাই সামিউল হক সাফা ময়মনসিংহের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে কতোয়ালি মডেল থানাকে এফআইআর ভুক্ত করার আদেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান খোকন ।

ভুক্তভোগী মাহজাবীন হক মাশা সিআইপি মো. আমিনুল হক শামীমের বড় মেয়ে। আমিনুল হক শামীম ময়মনসিংহ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি এবং এফবিসিসিআইয়ের সাবেক পরিচালক। মাশার স্বামী এসএসএফের উচ্চপদস্থ একজন কর্মকর্তা বলে জানা গেছে।

বাদীর অভিযোগ, গত জুন মাসে চোখে সমস্যা হওয়ায় দীন মোহাম্মদ চক্ষু হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্স সেন্টারে চক্ষু বিশেষজ্ঞ প্রফেসর দীপক নাগের কাছে চিকিৎসা নেন মাহজাবীন হক মাশা। এসময় ডাক্তার দীপক নাগ তার চোখে লেজার চিকিৎসা করেন। কিন্তু লেজার চিকিৎসার পর চোখে অন্ধকার দেখতে শুরু করেন মাহজাবীন। এ অবস্থায় মাহজাবীনকে জাতীয় চক্ষু ইনস্টিটিউট হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকরা জানান যে তার চোখের ৩৩ ভাগ রেটিনা চিরতরে নষ্ট হয়ে গেছে। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাড ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানান ভুল চিকিৎসার কারণে তার চোখের রেটিনার ৩৩ ভাগ নষ্ট হয়ে গেছে।

বাদী সামিউল হক সাফা বলেন, চোখে অতিরিক্ত লেজার ব্যবহারের কারণে আমার বোনের এত বড় ক্ষতি হয়েছে। আমি এ ঘটনার উপযুক্ত ন‍্যায় বিচার প্রত‍্যাশা করছি। ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের কোনো ঘটনা আর না ঘটে, একজন সচেতন মানুষ হিসেবে, এটাই আমার প্রত‍্যাশা।

বাদীর পক্ষে আদালতে মামলা পরিচালনা করেন সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট এ এইচ এম খালেকুজ্জামান, অ্যাডভোকেট পীযূষ কান্তি সরকার, অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান খোকন প্রমুখ।

;

লক্ষ্মীপুরে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার মৃত্যু



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লক্ষ্মীপুর
আবদুর রহিম শুভ

আবদুর রহিম শুভ

  • Font increase
  • Font Decrease

লক্ষ্মীপুরে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আবদুর রহিম শুভ (৩২) নামে এক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার মৃত্যু হয়েছে। বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে লক্ষ্মীপুর-রামগঞ্জ সড়কের সাহাপুর শিশু কল্যাণ পরিবারের সামনে এ ঘটনা ঘটেছে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল আজ বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

নিহত শুভ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহবায়ক এবং শহরের একটি টেইলার্সে কাটিংয়ের কাজ করতেন। তিনি সাহাপুর মিজি বাড়ির আবদুল আজিজের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, রাতে শুভ মোটরসাইকেল চালিয়ে লক্ষ্মীপুর শহর থেকে বাড়িতে ফিরছিলেন। সাহাপুর শিশু কল্যাণ পরিবার এলাকায় পৌঁছলে গর্তে পড়ে মোটর সাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারায়। এতে শুভ গুরুতর আহত হয়। তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

লক্ষ্মীপুর জেলা শ্রমিক লীগের আহবায়ক ইউসুফ পাটওয়ারী জানান, গর্তে পড়ে মোটর সাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে শুভ মারা গেছেন। ওই সড়কে গর্ত থাকায় এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানান তিনি।

;

লালমনিরহাট এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ৬ ঘণ্টা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, টাঙ্গাইল
লালমনিরহাট এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল

লালমনিরহাট এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা লালমনিরহাটগামী লালমনিরহাট আন্ত:নগর এক্সপ্রেক্স ট্রেনের ইঞ্জিল বিকল হয়ে টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেল স্টেশনে প্রায় ৬ ঘণ্টা আটকে ছিল। ফলে ঢাকা ও উত্তর-দক্ষিণ অঞ্চলের সাথে ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ থাকে এই ৬ ঘণ্টা। ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল হওয়ায় যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন।

বুধবার (১০ আগস্ট) রাত ১২ টা ৩৩ মিনিটে ট্রেন বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেলস্টেশন বিকল হয়ে পড়ে। পরে বিকল ইঞ্জিন পরিবর্তন শেষে আজ বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) সকাল ৬ টা ২৬ মিনিটের দিকে লালমনিরহাটের উদ্দ্যেশে ছেড়ে যায়।

এ বিষয়টি বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেলস্টেশন মাস্টার (বুকিং) রেজাউল করিম নিশ্চিত করে জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ওই ট্রেনটি লালমনিরহাট যাচ্ছিল। পথিমধ্যে বুধবার রাত ১২ টা ৩৩ মিনিটের দিকে সেতু পূর্ব রেলস্টেশনে পৌঁছলে ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়।

তিনি আরও জানান, পরে ঢাকা থেকে আরেকটি ইঞ্জিন আনা হয়। ইঞ্জিন পরিবর্তন শেষে বৃহস্পতিবার সকাল ৬ টা ২৫ মিনিটে লালমনিরহাটের উদ্দেশ্যে ট্রেনটি ছেড়ে গেছে। এখন ঢাকা ও উত্তর-দক্ষিণ অঞ্চলের সাথে সব ধরণের ট্রেন চলাচল সচল হয়েছে।

;

কাপ্তাই হ্রদে মাছ আহরণ শুরু ১৮ আগস্ট



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাঙামাটি
কাপ্তাই হ্রদে মাছ আহরণ শুরু ১৮ আগস্ট

কাপ্তাই হ্রদে মাছ আহরণ শুরু ১৮ আগস্ট

  • Font increase
  • Font Decrease

তিন মাস ১৭ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে আগামী ১৮ আগস্ট রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে মৎস্য আহরণ ও বিপণন শুরু হচ্ছে। গত ১ মে মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিত করতে এবং কার্প জাতীয় মাছের আধিক্য বাড়াতে তিন মাসের জন্য হ্রদের মাছ শিকার ও বিপণনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে জেলা প্রশাসন।

বুধবার (১০ আগস্ট) রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কাপ্তাই হ্রদে মৎস্য আহরণ ও বিপণন বিষয়-সংক্রান্ত জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) রাঙামাটি বিপণনকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার তৌহিদুল ইসলাম, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শ্রীবাস চন্দ্র চন্দ, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) রাঙামাটি নদী উপকেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা লিপন মিয়া, মৎস্য ব্যবসায়ী উদয়ন বড়ুয়া, আব্দুর শুক্কুর, হারুন, মজিদ, মান্না সওদাগর প্রমুখ।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, হ্রদে পানি বৃদ্ধি না পাওয়ায় নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা ১৭ দিন বৃদ্ধি করে ১৮ আগস্ট নির্ধারণ করা হয়েছিল। হ্রদে বর্তমানে পানির উচ্চতা পরিমাণ ৯৬ এমএসএল (মেইন সি লেভেল) রয়েছে। সামনের কদিনে বৃষ্টিপাত হলে হ্রদে পানি বাড়বে বলে আশা করছি।

রাঙামাটিস্থ বিএফডিসি’র ব্যবস্থাপক নৌবাহিনীর কর্মকর্তা লে. কমান্ডার তৌহিদুল ইসলাম জানান, হ্রদে পানির পরিমাণ কিছুটা কম থাকলেও ধীরে ধীরে বাড়ছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে হ্রদে মৎস্য আহরণ ও বিপণন শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

;