ঈদযাত্রায় বাইকারদের হয়রানি করা হলে সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়বে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ঈদযাত্রায় বাইকারদের হয়রানি করা হলে সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়বে

ঈদযাত্রায় বাইকারদের হয়রানি করা হলে সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়বে

  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন ঈদযাত্রায় মহাসড়কে মোটরসাইকেলে রাইডশেয়ারিং বন্ধের সিদ্ধান্তকে পুঁজি করে ব্যক্তিগত বাইক নিয়ে চলাচলকারীদের যাত্রাপথে হয়রানি করা হলে সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরো বেড়ে যাবে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

মঙ্গলবার (০৫ জুলাই) মঙ্গলবার গণমাধ্যমে প্রদত্ত এক বিবৃতিতে সংগঠনের মহাসচিব মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী এই দাবি জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, রাইডশেয়ারকারী মোটরসাইকেলের সঠিক কোন সংখ্যা বা ডাটা বেইস বিআরটিএ বা ট্রাফিক বিভাগের কাছে নেই। ফলে কোনটি রাইডশেয়ারিং এর মোটরসাইকেল, কোনটি ব্যক্তিগত মোটরসাইকেল তা আলাদা করার কোন সুযোগ নেই। চলার পথে কোথাও কোথাও সড়কের মাঝপথে দাঁড়িয়ে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা দ্রুতগতির মোটরসাইকেল থামিয়ে কাগজপত্র চেকিং করার দৃশ্য প্রায়শ চোখে পড়ে। এই ধরনের চেকিং পদ্ধতি সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তাই উৎসমূলে যানজট তৈরি না হয় এমন নিরাপত্তা সমুন্নত রেখে মোটরসাইকেলের কাগজপত্র চেকিং করা, চেকিং এর নামে অহেতুক কোন বাইকার যাতে হয়রানি বা চাঁদাবাজির শিকার না হয় সে ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখার জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, বর্তমানে দেশে ৩৭ লাখের বেশি মোটরসাইকেল রাস্তায় চলছে। গণপরিবহন সংকট, বাস মালিকদের স্বেচ্ছাচারিতা, পদে পদে যাত্রী হয়রানী, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য, রেলের টিকিট অব্যবস্থাপনা, শিডিউল বিপর্যয়, যানজটসহ নানা কারণে ক্রমে ক্রমে মানুষ মোটরসাইকেলের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। ঝুঁকিপূর্ণ এই বাহনটি কখনোই গণপরিবহনের বিকল্প হতে পারে না। তবুও পৃথিবীর বিভিন্ন উন্নত দেশের আদলে গণপরিবহনের সংখ্যা কমানোর মধ্য দিয়ে যানজট কমাতে দেশে রাইডশেয়ারিং চালু করা হলেও বাস্তবভিত্তিক নীতিমালা ও মনিটরিং এর অভাবে এসব রাইডশেয়ারকারী যানবাহন যানজট আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। এমতাবস্থায় দেশের সড়কের তুলনায় মোটরসাইকেলের সংখ্যা বেশি হওয়ায় এই বাহনটির নিবন্ধন বন্ধ করা জরুরী হয়ে পড়েছে। তার আগে গণপরিবহন সংকট সমাধান করা, যাত্রী সেবার মানোন্নয়ন, যাত্রী হয়রানী বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন জরুরি বলে মনে করেন তিনি।

বিগত ঈদুল ফিতরে প্রায় ২৫ লাখ মোটরসাইকেল রাস্তায় নামার কারণে স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা লক্ষ্য করা গেলেও সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে। তাই আপাতত গণপরিবহন সংকট সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ব্যক্তিগত মোটরসাইকেলে ঈদযাত্রা নিষিদ্ধ না করে এই বাহনটির স্পিড লিমিট করে দেওয়া, লাগেজ-ব্যগেজ নিয়ে না যাওয়া, পরিবারের একাধিক সদস্য নিয়ে চলতে না দেওয়ার পাশাপাশি এই বাহনটির সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে চলাচলের সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংগঠনটি। একই সাথে আমাদের গৌরব ও অহংকারের প্রতীক স্বপ্নের পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেলের স্পিড লিমিট নির্ধারণ করে সিসি ক্যামেরায় নিয়ন্ত্রণের মধ্য দিয়ে ঈদের আগে মোটরসাইকেল চালুর দাবি জানিয়েছেন তিনি।

ভুল চিকিৎসায় চোখ নষ্ট, চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ময়মনসিংহ
ভুক্তভোগী মাহজাবীন হক মাশা

ভুক্তভোগী মাহজাবীন হক মাশা

  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহে ভুল চিকিৎসার অভিযোগে দীন মোহাম্মদ চক্ষু হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্স সেন্টারের চক্ষু বিশেষজ্ঞ প্রফেসর দীপক কুমার নাগের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার (১০ আগস্ট) ভুক্তভোগী রোগীর ভাই সামিউল হক সাফা ময়মনসিংহের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে কতোয়ালি মডেল থানাকে এফআইআর ভুক্ত করার আদেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান খোকন ।

ভুক্তভোগী মাহজাবীন হক মাশা সিআইপি মো. আমিনুল হক শামীমের বড় মেয়ে। আমিনুল হক শামীম ময়মনসিংহ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি এবং এফবিসিসিআইয়ের সাবেক পরিচালক। মাশার স্বামী এসএসএফের উচ্চপদস্থ একজন কর্মকর্তা বলে জানা গেছে।

বাদীর অভিযোগ, গত জুন মাসে চোখে সমস্যা হওয়ায় দীন মোহাম্মদ চক্ষু হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্স সেন্টারে চক্ষু বিশেষজ্ঞ প্রফেসর দীপক নাগের কাছে চিকিৎসা নেন মাহজাবীন হক মাশা। এসময় ডাক্তার দীপক নাগ তার চোখে লেজার চিকিৎসা করেন। কিন্তু লেজার চিকিৎসার পর চোখে অন্ধকার দেখতে শুরু করেন মাহজাবীন। এ অবস্থায় মাহজাবীনকে জাতীয় চক্ষু ইনস্টিটিউট হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকরা জানান যে তার চোখের ৩৩ ভাগ রেটিনা চিরতরে নষ্ট হয়ে গেছে। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাড ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানান ভুল চিকিৎসার কারণে তার চোখের রেটিনার ৩৩ ভাগ নষ্ট হয়ে গেছে।

বাদী সামিউল হক সাফা বলেন, চোখে অতিরিক্ত লেজার ব্যবহারের কারণে আমার বোনের এত বড় ক্ষতি হয়েছে। আমি এ ঘটনার উপযুক্ত ন‍্যায় বিচার প্রত‍্যাশা করছি। ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের কোনো ঘটনা আর না ঘটে, একজন সচেতন মানুষ হিসেবে, এটাই আমার প্রত‍্যাশা।

বাদীর পক্ষে আদালতে মামলা পরিচালনা করেন সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট এ এইচ এম খালেকুজ্জামান, অ্যাডভোকেট পীযূষ কান্তি সরকার, অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান খোকন প্রমুখ।

;

লক্ষ্মীপুরে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার মৃত্যু



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লক্ষ্মীপুর
আবদুর রহিম শুভ

আবদুর রহিম শুভ

  • Font increase
  • Font Decrease

লক্ষ্মীপুরে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আবদুর রহিম শুভ (৩২) নামে এক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার মৃত্যু হয়েছে। বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে লক্ষ্মীপুর-রামগঞ্জ সড়কের সাহাপুর শিশু কল্যাণ পরিবারের সামনে এ ঘটনা ঘটেছে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল আজ বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

নিহত শুভ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহবায়ক এবং শহরের একটি টেইলার্সে কাটিংয়ের কাজ করতেন। তিনি সাহাপুর মিজি বাড়ির আবদুল আজিজের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, রাতে শুভ মোটরসাইকেল চালিয়ে লক্ষ্মীপুর শহর থেকে বাড়িতে ফিরছিলেন। সাহাপুর শিশু কল্যাণ পরিবার এলাকায় পৌঁছলে গর্তে পড়ে মোটর সাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারায়। এতে শুভ গুরুতর আহত হয়। তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

লক্ষ্মীপুর জেলা শ্রমিক লীগের আহবায়ক ইউসুফ পাটওয়ারী জানান, গর্তে পড়ে মোটর সাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে শুভ মারা গেছেন। ওই সড়কে গর্ত থাকায় এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানান তিনি।

;

লালমনিরহাট এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ৬ ঘণ্টা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, টাঙ্গাইল
লালমনিরহাট এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল

লালমনিরহাট এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা লালমনিরহাটগামী লালমনিরহাট আন্ত:নগর এক্সপ্রেক্স ট্রেনের ইঞ্জিল বিকল হয়ে টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেল স্টেশনে প্রায় ৬ ঘণ্টা আটকে ছিল। ফলে ঢাকা ও উত্তর-দক্ষিণ অঞ্চলের সাথে ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ থাকে এই ৬ ঘণ্টা। ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল হওয়ায় যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন।

বুধবার (১০ আগস্ট) রাত ১২ টা ৩৩ মিনিটে ট্রেন বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেলস্টেশন বিকল হয়ে পড়ে। পরে বিকল ইঞ্জিন পরিবর্তন শেষে আজ বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) সকাল ৬ টা ২৬ মিনিটের দিকে লালমনিরহাটের উদ্দ্যেশে ছেড়ে যায়।

এ বিষয়টি বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেলস্টেশন মাস্টার (বুকিং) রেজাউল করিম নিশ্চিত করে জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ওই ট্রেনটি লালমনিরহাট যাচ্ছিল। পথিমধ্যে বুধবার রাত ১২ টা ৩৩ মিনিটের দিকে সেতু পূর্ব রেলস্টেশনে পৌঁছলে ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়।

তিনি আরও জানান, পরে ঢাকা থেকে আরেকটি ইঞ্জিন আনা হয়। ইঞ্জিন পরিবর্তন শেষে বৃহস্পতিবার সকাল ৬ টা ২৫ মিনিটে লালমনিরহাটের উদ্দেশ্যে ট্রেনটি ছেড়ে গেছে। এখন ঢাকা ও উত্তর-দক্ষিণ অঞ্চলের সাথে সব ধরণের ট্রেন চলাচল সচল হয়েছে।

;

কাপ্তাই হ্রদে মাছ আহরণ শুরু ১৮ আগস্ট



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাঙামাটি
কাপ্তাই হ্রদে মাছ আহরণ শুরু ১৮ আগস্ট

কাপ্তাই হ্রদে মাছ আহরণ শুরু ১৮ আগস্ট

  • Font increase
  • Font Decrease

তিন মাস ১৭ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে আগামী ১৮ আগস্ট রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে মৎস্য আহরণ ও বিপণন শুরু হচ্ছে। গত ১ মে মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিত করতে এবং কার্প জাতীয় মাছের আধিক্য বাড়াতে তিন মাসের জন্য হ্রদের মাছ শিকার ও বিপণনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে জেলা প্রশাসন।

বুধবার (১০ আগস্ট) রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কাপ্তাই হ্রদে মৎস্য আহরণ ও বিপণন বিষয়-সংক্রান্ত জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) রাঙামাটি বিপণনকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার তৌহিদুল ইসলাম, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শ্রীবাস চন্দ্র চন্দ, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) রাঙামাটি নদী উপকেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা লিপন মিয়া, মৎস্য ব্যবসায়ী উদয়ন বড়ুয়া, আব্দুর শুক্কুর, হারুন, মজিদ, মান্না সওদাগর প্রমুখ।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, হ্রদে পানি বৃদ্ধি না পাওয়ায় নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা ১৭ দিন বৃদ্ধি করে ১৮ আগস্ট নির্ধারণ করা হয়েছিল। হ্রদে বর্তমানে পানির উচ্চতা পরিমাণ ৯৬ এমএসএল (মেইন সি লেভেল) রয়েছে। সামনের কদিনে বৃষ্টিপাত হলে হ্রদে পানি বাড়বে বলে আশা করছি।

রাঙামাটিস্থ বিএফডিসি’র ব্যবস্থাপক নৌবাহিনীর কর্মকর্তা লে. কমান্ডার তৌহিদুল ইসলাম জানান, হ্রদে পানির পরিমাণ কিছুটা কম থাকলেও ধীরে ধীরে বাড়ছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে হ্রদে মৎস্য আহরণ ও বিপণন শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

;