বাড়ল ইউরিয়া সারের দাম



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আমনের মৌসুমে হঠাৎ করে ইউরিয়া সারের দাম বাড়িয়েছে সরকার। কেজিতে ইউরিয়া সারের দাম ৬ টাকা বাড়ানো হয়েছে। নতুন এ মূল্য আজ থেকে কার্যকর হবে।

সোমবার (০১ আগস্ট) বিকেলে কৃষি মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, ইউরিয়া সারের ব্যবহার যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে এবং চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারে সারের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশে ডিলার পর্যায়ে ইউরিয়া সারের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য প্রতিকেজি ১৪ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ টাকা এবং কৃষক পর্যায়ে প্রতিকেজি ১৬ টাকা থেকে ২২ টাকা পুননির্ধারণ করেছে সরকার। 

কৃষি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিকেজি ইউরিয়া সারের বর্তমান দাম ৮১ টাকা। এর ফলে ৬ টাকা দাম বাড়ানোর পরও সরকারকে প্রতি কেজিতে ৫৯ টাকা ভর্তুকি দিতে হবে। ২০০৫-০৬ অর্থবছরে প্রতিকেজি ইউরিয়া সারের ভর্তুকি ছিল মাত্র ১৫ টাকা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকার ২০০৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত সারের মূল্য চার দফায় কমিয়ে অত্যন্ত স্বল্প মূল্যে পর্যাপ্ত সার কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছে। ডিএপি সারে শতকরা ১৮ শতাংশ নাইট্রোজেন বা ইউরিয়া সারের উপাদান রয়েছে। সেজন্য ডিএপির ব্যবহার বাড়িয়ে ইউরিয়া সারের অপ্রয়োজনীয় ও মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার কমিয়ে আনার জন্য সরকার ডিএপি সারের মূল্য প্রতিকেজি ৯০ টাকা থেকে কমিয়ে ১৬ টাকা করে কৃষকদের দিয়ে যাচ্ছে। এ উদ্যোগের ফলে বিগত কয়েক বছরে ডিএপি সারের ব্যবহার দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৯ সালে ডিএপি ব্যবহার হতো ৮ লাখ টন, বর্তমানে ব্যবহার হচ্ছে ১৬ লাখ টন।

ডিএপি সারের ব্যবহার বাড়ার ফলে ইউরিয়া সারের ব্যবহার কমার কথা। কিন্তু বাস্তবে ইউরিয়া সারের ব্যবহার কমেনি বরং বেড়েছে। ২০১৯ সালে ইউরিয়া ব্যবহার হতো ২৫ লাখ টন, বর্তমানে ব্যবহার হচ্ছে ২৬ লাখ ৫০ হাজার টন।

অন্যদিকে, বিগত এক বছর ধরে আন্তর্জাতিক বাজারে সারের দাম প্রায় ৩-৪ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে সারে সরকারের ভর্তুকিও বেড়েছে প্রায় ৪ গুণ। ২০২০-২১ অর্থবছরে যেখানে ভর্তুকিতে লেগেছিল ৭ হাজার ৭১৭ কোটি টাকা, সেখানে ২০২১-২২ অর্থবছরে লেগেছে ২৮ হাজার কোটি টাকা।

কৃষি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আমন মৌসুমে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত দেশে ইউরিয়া সারের চাহিদা ৬ লাখ ১৯ হাজার মেট্রিক টন, বিপরীতে বর্তমানে মজুত রয়েছে ৭ লাখ ২৭ হাজার মেট্রিক টন, যা প্রয়োজনের চেয়ে প্রায় ১ লাখ টন বেশি।

অন্যান্য সার যেমন টিএসপির আমন মৌসুমে চাহিদা ১ লাখ ১৯ হাজার টন, বিপরীতে মজুত ৩ লাখ ৯ হাজার টন, ডিএপির চাহিদা ২ লাখ ২৫ হাজার টন, বিপরীতে মজুত ৬ লাখ ৩৪ হাজার টন এবং এমওপির চাহিদা ১ লাখ ৩৭ হাজার টন, বিপরীতে মজুত রয়েছে ২ লাখ ১০ হাজার টন।

একচেটিয়াভাবে বর্ধিত বাসভাড়া প্রত্যাখান যাত্রী কল্যাণ সমিতির



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
একচেটিয়াভাবে বর্ধিত বাসভাড়া প্রত্যাখান যাত্রী কল্যাণ সমিতির

একচেটিয়াভাবে বর্ধিত বাসভাড়া প্রত্যাখান যাত্রী কল্যাণ সমিতির

  • Font increase
  • Font Decrease

একচেটিয়াভাবে বর্ধিত তেলের মূল্য প্রত্যাহারের দাবিতে যাত্রী কল্যাণ সমিতিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন যখন মাঠে আন্দোলনরত, ঠিক তখনই, জ্বালানীর মূল্য প্রত্যাহারের দাবি না তুলে বাস মালিকেরা সরকারের সাথে মিলেমিশে বাস ভাড়া বাড়াতে ব্যস্ত। আন্তর্জাতিক ক্রেতা-ভোক্তা আইন লংঘন করে যাত্রী প্রতিনিধি ছাড়া বিআরটিএ ও পরিবহন মালিক সমিতি কর্তৃক ঘোষিত বর্ধিত বাস ভাড়া প্রত্যাহার করে সঠিক ব্যয় বিশ্লেষণ করে নতুনভাবে বাস ভাড়া নির্ধারণের দাবী জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

রোবার সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এ দাবি জানান।

তিনি বলেন, গেল নভেম্বরে জ্বালানি তেলের মূল্য লিটার প্রতি ১৫ টাকা বৃদ্ধির সময়ে বাস ভাড়া ৩৫ শতাংশ হারে বাড়ানো হয়। এর ৯ মাসের মাথায় আবারো জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির সাথে সাথে সঠিক ব্যয় বিশ্লেষণ ব্যাতিরেখে এক লাফে বাস ভাড়া আবারো ২২ শতাংশ হারে বাড়ানো হয়। প্রতিটি পুরোনো লক্কড়-ঝক্কড় বাসকে শো-রুম থেকে নামানো নতুন বাসের দাম, ব্যাংক সুদ ও অন্যান্য নতুন বাসের সুযোগ-সুবিধার হিসাব ধরে ব্যয় বিশ্লেষণ করা হলেও সিটি সার্ভিসে ৯৮ শতাংশ বাস-মিনিবাস চলাচলের অযোগ্য। আন্তঃজেলা দুরপাল্লায় ৪৮ শতাংশ বাস ২০ বছরের বেশি সময় ধরে চলছে। এসব বাস অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। পুরোনো এসব বাসের যাত্রী সেবার মান তলানীতে গিয়ে ঠেকেছে।গতকালের বাস ভাড়া বৃদ্ধির সভায় এসব বাসকে চকচকা নতুন বাস হিসেবে ব্যয় বিশ্লেষণ করায় যাত্রীস্বার্থ চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

তিনি নতুন বাস এবং পুরাতন বাস আলাদা আলাদা ব্যয় বিশ্লেষণ ও আলাদা আলাদা ভাড়া নির্ধারণের দাবি জানান।

তিনি আরো বলেন, সরকার বাস মালিকদের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ভাড়া নির্ধারণ করলেও কোন বাসে সরকার নির্ধারিত ভাড়া কার্যকর নেই।সরকার নির্ধারিত ভাড়ার বেশ কয়েকগুণ বর্ধিত ভাড়া বাসে বাসে আদায় হলেও সরকার কার্যত এসব বাসের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে পারে না। সিটি সার্ভিসে সরকার কিলোমিটার প্রতি ভাড়া নির্ধারণ করলেও বাসে বাসে ওয়েবিলে যাত্রীর মাথা গুণে গুণে ভাড়া আদায় করা হয়। ঢাকা মহানগরীর কথিত সিটিং সার্ভিসে স্বল্প দূরত্বে যাতায়াত করলেও সর্বশেষ গন্তব্য পর্যন্ত ভাড়া পরিশোধ করতে হয়। ঈদ ও পূজা-পার্বণে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্যে দিশেহারা হয়ে পড়েন যাত্রীসাধারণ।

এমন পরিস্থিতি তুলে ধরে দেশের ১৬ কোটি যাত্রী সাধারণের দূর্ভোগের কথা বলতে যাত্রী কল্যাণ সমিতি বাস ভাড়া নির্ধারণের সভায় প্রতিনিধিত্ব করতে বার বার আবেদন নিবেদন করলেও সরকার বাস মালিকদের বিশেষ সুবিধা দিতে যাত্রী প্রতিনিধি ছাড়া বার বার বাস ভাড়া নির্ধারণ করে থাকেন। অনতিবিলম্বে বর্ধিত বাস ভাড়া প্রত্যাহার করে সঠিক ব্যয় বিশ্লেষণপূর্বক নতুন ভাড়া নির্ধারণের দাবি জানান তিনি।

;

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা ছেড়েছেন



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা ছেড়েছেন

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা ছেড়েছেন

  • Font increase
  • Font Decrease

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই দুই দিনের সফর শেষে রোববার (৭ আগস্ট) ১০টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা ছেড়েছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রীকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিদায় জানান।

রোববার (৭ আগস্ট) সকালে হোটেল সোনারগাঁওয়ে বাংলাদেশ ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

সেখানে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী  নিজ নিজ দেশের নেতৃত্ব দেন। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শনিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে ঢাকায় এসেছিলেন।

এই সফরে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। চুক্তিগুলো হচ্ছে- পিরোজপুরে অষ্টম বাংলাদেশ-চায়না মৈত্রী সেতুর হস্তান্তর সনদ, দুর্যোগ মোকাবিলা সহায়তার জন্য পাঁচ বছর মেয়াদি সমঝোতা স্মারকের নবায়ন, ২০২২-২৭ মেয়াদে সাংস্কৃতিক সহযোগিতা সমঝোতা স্মারকের নবায়ন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও চীনের ফার্স্ট ইনস্টিটিউট অব ওশেনোগ্রাফির মধ্যে মেরিন সায়েন্স নিয়ে সমঝোতা স্মারক।

দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আলোচনা শেষে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম বলেছেন, চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ‘এক চীন’ নীতির প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করায় বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। সাম্প্রতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে আলোচনায় তাইওয়ান ইস্যুতে চীনের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন।

;

খুলনা ডিপো থেকে ১৪ জেলায় জ্বালানি উত্তোলন ও পরিবহন বন্ধ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, খুলনা
খুলনায় ডিপো থেকে ১৪ জেলায় জ্বালানি উত্তোলন ও পরিবহন বন্ধ

খুলনায় ডিপো থেকে ১৪ জেলায় জ্বালানি উত্তোলন ও পরিবহন বন্ধ

  • Font increase
  • Font Decrease

খুলনায় পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েল ডিপো থেকে জ্বালানি তেল উত্তোলন ও ১৪ জেলায় জ্বালানি পরিবহন বন্ধ রয়েছে। রোববার (৭ আগস্ট) ভোর ৬টা থেকে ২৪ ঘণ্টার জন্য থাকবে।

জ্বালানি তেল বিক্রির কমিশন ও ট্যাংকলরি ভাড়া না বাড়ানোর প্রতিবাদে খুলনা বিভাগীয় ট্যাংকলরি মালিক সমিতি তেল উত্তোলন ও পরিবহন বন্ধ করে দিয়েছে। সকাল থেকে খুলনার কোনো ডিপো থেকে তেল উত্তোলন ও বিপণন হয়নি।

খুলনা বিভাগীয় ট্যাংকলরি ও জ্বালানি মালিক সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য খুলনার ১০ জেলা ও বৃহত্তর ফরিদপুরের ৪ জেলায় তেল পরিবহন বন্ধ থাকবে।

বাংলাদেশ ট্যাংকলরি মালিক সমিতির মহাসচিব ফরহাদ হোসেন বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হলেও ট্যাংকলরির ভাড়া বাড়ানো হয়নি। সরকার ভাড়া নির্ধারণ করে না দিলে, তারা ভাড়া বাড়াতে পারেন না। ট্যাংকলরিতে তেল নিয়ে পেট্রল পাম্পে যেতে আগের তুলনায় খরচ বেড়েছে।

তিনি বলেন, আগের তুলনায় তেলের দাম বাড়ানো হলেও, পাম্প মালিকদের কমিশন বাড়ানো হয়নি। সে কারণে তারা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

;

চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ সাশ্রয় অভিযান, ৩ ম্যাজিস্ট্রেটে অর্ধলাখ টাকা জরিমানা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ সাশ্রয় অভিযান, ৩ ম্যাজিস্ট্রেটে অর্ধলাখ টাকা জরিমানা

চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ সাশ্রয় অভিযান, ৩ ম্যাজিস্ট্রেটে অর্ধলাখ টাকা জরিমানা

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামে জেলা প্রশাসনের তিন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে বিদ্যুৎ সাশ্রয় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ সময় বিভিন্ন দোকানে প্রায় অর্ধলাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।

শনিবার (৬ আগস্ট) রাত ৮টার থেকে শহরের বায়েজিদ, চকবাজার, কাজির দেউড়ি এলাকায় এসব অভিযান চালানো হয়।

এসময় নগরীর বায়েজিদ ও উত্তর কাট্টলী এলাকায় সহকারী কমিশনার ( ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুক স্পাইস ভিলাকে ২ হাজার টাকা, সরিষাবাড়িকে ২ হাজার টাকা  , কুক আউটকে  ৫ হাজার টাকা, আবুল কালামকে ১ হাজার,   সামিয়া ইলেকট্রনিক্স ২ হাজার, জামান হোটেল ২ হাজার, জেএসি রিফুয়েলিং স্টেশন ১০ হাজার টাকাসহ মোট ৭টি মামলায় ২৪ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেন।

চকবাজার এলাকায় সহকারী কমিশনার ( ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব হোসেন ওয়ালটন শো রুম সহ আটটি দোকানকে বিভিন্ন অঙ্কের মোট ১৪ হাজার ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড করেন।

কাজির দেউরী এলাকায় সহকারী কমিশনার ( ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুর রহমান কাজির দেউরী এলাকায় ৬ টি মামলায় ৭ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেন।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুক বার্তা২৪'কে বলেন, রাত ৮ পর দোকানে অতিরিক্ত আলোকসজ্জা সহ দোকান পাট খোলা রাখায় জেলা প্রশাসনের ৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় বিভিন্ন দোকানকে ২১ টি মামলায় ৪৫ হাজার ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।

তাছাড়া অহেতুক আলো জ্বালিয়ে বিদ্যুতের অপচয় রোধকল্পে সরকারি নির্দেশনা মানার জন্য সবাইকে সচেতন হতে বলা হয়ে বলেও জানান ম্যাজিস্ট্রেট।

;