উত্তরা লেকে হচ্ছে না দৃষ্টিনন্দন ব্রিজ, ব‍্যয় কমছে ১৬০ কোটি টাকা



আরমান হেকিম, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

 

উত্তরা লেক উন্নয়ন প্রকল্পের মেয়াদ বাড়লেও ব‍্যয় সংকোচনের কারণে প্রকল্প থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে হাতিরঝিলের আদলে তিনটি দৃষ্টিনন্দন ব্রিজ নির্মাণের উদ‍্যোগ। এর ফলে প্রায় ১৬০ কোটি টাকা কমে প্রকল্পের সংশোধিত ব‍্যয় দাঁড়াচ্ছে ৯০ কোটি ৭৩ লাখ ৮৮ হাজার টাকায়।

তিনটি ব্রিজ নির্মাণের উদ‍্যোগ বাদ দেওয়ায় ১৬০ কোটি টাকা ব‍্যয় কমলেও প্রথম সংশোধনীতে মূল প্রকল্পের ব‍্যয় বাড়ছে ৫৪ কোটি ৪০ লাখ ৯১ হাজার টাকা। প্রকল্পের মূল ব‍্যয় ছিল ৩৭ কোটি ৩২ লাখ ৯৭ হাজার টাকা।

মঙ্গলবার (২ আগস্ট) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদনের জন‍্য প্রকল্পটি উত্থাপন করা হবে। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।

রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী (বাস্তবায়ন) উজ্জল মল্লিক বার্তা২৪.কম-কে বলেন, উত্তরা লেক উন্নয়ন প্রকল্পে হাতিরঝিলের আদলে তিনটি দৃষ্টিনন্দন ব্রিজ নির্মাণের কথা ছিল। এছাড়া আরও কিছু ব্যয়বহুল উদ্যোগ নেওয়া হয়। ফলে প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ২৫০ কোটি টাকা (প্রকল্পের মূল ব‍্যয় ছিল ৩৭ কোটি ৩২ লাখ ৯৭ হাজার টাকা)। কিন্তু ব্রিজ তিনটি হচ্ছে না। ফলে প্রকল্পের ব্যয় কমে ৯০ কোটি টাকা হচ্ছে। এছাড়া ব্রিজসহ কিছু কাজ বাদ দেওয়া হচ্ছে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে উত্তরা লেক দখল হওয়া থেকে রক্ষা করে লেকের চারপাশে হাঁটার সুবিধা এবং ডাইভারশন ড্রেনেজের মাধ্যমে দূষণ প্রতিরোধকরণ ও পানি ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য উন্নয়ন করা সম্ভব হবে বলে পরিকল্পনা কমিশন মত দেয়।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, মূল প্রকল্পটি জুলাই ২০১৪ থেকে জুন ২০১৬ মেয়াদে বাস্তবায়নের কথা। এর পরে জুন ২০১৯ পর্যন্ত মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়। তারপরও প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন না হওয়ায় জুন ২০২০ পর্যন্ত সময় বৃদ্ধি করা হয়। জুন ২০২০ পর্যন্ত প্রকল্পের আর্থিক অগ্রগতি ২৯ কোটি ৬৬ লাখ টাকা, বাস্তব অগ্রগতি ৮০ শতাংশ। প্রকল্পের অবশিষ্ট কাজ সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের জন্য জুন ২০২৩ পর্যন্ত মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়। ফলে ধাপে ধাপে প্রকল্পের মেয়াদ বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ৭ বছর।

প্রকল্প সংশোধনের কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে- লেকের পানি পরিচ্ছন্নকরণ, ওয়াকওয়ে নির্মাণ, মাটি ভরাট, তীর সংরক্ষণ, স্লাজ অপসারণ, অফিস ইক্যুইপমেন্ট, ইন্সপেকশন পিট নির্মাণ, পরিবেশগত সমীক্ষা, অফিস ব্যবস্থাপনা ব্যয়, পরামর্শক ব্যয়, ওয়াকওয়ে ও অন্যান্য স্থাপনা মেরামত ও সংরক্ষণ অঙ্গের পরিমাণ ও ব্যয় বৃদ্ধি করা হবে। রিটেইনিং ওয়াল, ক্যাচ পিট নির্মাণ এবং ওয়েস্ট বিন স্থাপন ইত্যাদি অঙ্গ নতুনভাবে সংযোজন। (সেতু নির্মাণ, বক্স কালভার্ট নির্মাণ, আরবরিকালচার, যানবাহন ক্রয়, বিদ্যমান কালভার্ট পুনর্বাসন ও ডিওয়াটারিং ইত্যাদি অঙ্গ বাদ দেওয়া এবং প্রকল্পের বাস্তবায়ন মেয়াদ এক বছর বৃদ্ধি করা।

প্রকল্পের মূল ডিপিপি প্রণয়নকালে কোনো মাস্টারপ্লান বা স্টাডি রিপোর্ট ছিল না। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের পর প্ৰণীত মাস্টার প্ল্যান, জরিপ এবং বাস্তব প্রয়োজনের ফলে লেকের পানি পরিচ্ছন্নকরণ, ওয়াকওয়ে নির্মাণ, মাটি ভরাট ও তীর সংরক্ষণ কাজ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এছাড়া স্লাজ অপসারণ, অফিস ইকুইপমেন্ট, ইন্সপেকশন পিট নির্মাণ, পরিবেশগত সমীক্ষা, অফিস ব্যবস্থাপনা ব্যয়, পরামর্শক ব্যয়, ওয়াকওয়ে ও নানা স্থাপনা মেরামত ও সংরক্ষণের পরিমাণ ও ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। বাস্তব প্রয়োজনের নিরিখে রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ, ক্যাচ পিট নির্মাণ এবং ওয়েস্ট বিন স্থাপন কাজ যুক্ত হয়েছে।

বাস্তবতার নিরিখে সেতু নির্মাণ, বক্স কালভার্ট নির্মাণ, আরবরিকালচার, যানবাহন, বিদ্যমান কালভার্ট পুনর্বাসন এবং ডিওয়াটারিং বাদ দেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পের মূল কার্যক্রম হলো ভূমি অধিগ্রহণ ও স্থাপনার ক্ষতিপূরণ ১ দশমিক ২০ একর; ওয়াকওয়ে নির্মাণ ৪ হাজার ১৭০ মিটার, মাটি ভরাট কাজ ৬২ হাজার ঘনমিটার; তীর সংরক্ষণ কাজ সাড়ে ২৮ হাজার মিটার। স্লাজ অপসারণ ২ লাখ ৫০ হাজার ঘনমিটার।

প্রকল্পের আওতায় ৯০০ মিটার আইসিসি পাইপ স্থাপন, ১২৭টি ইন্সপেকশন পিট নির্মাণ করা হবে। এছাড়া প্রকল্পের আওতায় গ্রাস টার্ফিং ক্যাচপিট, লেকের পানি পরিচ্ছন্ন, ওয়েস্ট বিন স্থাপন, ওয়াল ও বিদ্যুৎতায়নের কাজ করা হবে।

প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য— লেকগুলো বেদখল থেকে রক্ষা করা; লেকের পানি ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ কাজ; প্রাকৃতিক পরিবেশ উন্নয়নের মাধ্যমে মহানগরীর নান্দনিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা; লেকের চারপাশে ওয়াকওয়ে নির্মাণ করে পথচারীদের হাঁটার সুযোগ তৈরি করা; ব্রিজ নির্মাণের মাধ্যমে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন সাধন করা; ডাইভারশন ড্রেনেজের মাধ্যমে লেকের দূষণ প্রতিরোধকরণ ও লেকের পানির গুণগত মানের উন্নতিকরণ এবং চিত্তবিনোদন সুবিধার উন্নয়ন করা।

আজ কোথায় কখন লোডশেডিং



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জ্বালানি সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ঘাটতির জন্য দেশজুড়ে এলাকাভিত্তিক আজও লোডশেডিং শুরু হচ্ছে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সোমবারের (৮ আগস্ট) তালিকা প্রকাশ করেছে বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলো।

ঢাকা বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি (ডিপিডিসি), ঢাকা ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো), নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো), ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউসন কোম্পানি (ওজোপাডিকো), বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বিআরইবি) এবং বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) এর ওয়েবাসাইটের নির্দিষ্ট লিংককে গিয়ে এই তালিকা দেখতে পারবেন গ্রাহকরা।

আজকে কোন এলাকায় কখন লোডশেডিং হবে, এর সূচি দেওয়া হয়েছে। দেখে নেওয়া যাক।

https://www.desco.org.bd/bangla/loadshed_b.php

 

https://dpdc.gov.bd/site/page/73eb4722-b49c-4a44-bd6e-923c06c4a169

http://www.wzpdcl.org.bd/

https://nesco.portal.gov.bd/site/page/13ccd456-1e1d-4b24-828d-5811a856f107

http://reb.portal.gov.bd/site/page/c65ac273-d051-416f-9a93-5cd300079047

https://bpdb.portal.gov.bd/site/page/cafea028-95e6-4fca-8fea-e4415aef9a60

https://www.desco.org.bd/bangla/loadshed_b.php

জ্বালানি সাশ্রয়ে উচ্চ ব্যয়ের ডিজেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ রাখার সরকারি সিদ্ধান্তের পর সরবরাহ সংকটে দেশজুড়ে প্রতিদিন সূচি ধরে কোথাও এক ঘণ্টা আবার কোথাও ২ ঘণ্টা করে লোডশেডিং করা শুরু হয় মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) থেকে।

এর আগে ১৮ জুলাই লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্ত সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিবিষয়ক সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

;

বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী আজ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী আজ সোমবার।

বঙ্গমাতা ১৯৩০ সালের ৮ আগস্ট তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহাকুমা জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার ডাকনাম ছিল রেণু। বাবার নাম শেখ জহুরুল হক ও মায়ের নাম হোসনে আরা বেগম। এক ভাই-দুই বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন ছোট। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে তিনি জাতির পিতার হত্যাকারীদের হাতে নির্মমভাবে শাহাদাৎ বরণ করেন।

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। দিবসটিকে সরকারি কর্মসূচি ছাড়াও আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠন শ্রদ্ধা নিবেদন, আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছে। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতারসহ অন্যান্য ইলেকট্রনিক মিডিয়া বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করবে।

বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা লাভ করে বাংলাদেশ। এ লড়াই-সংগ্রাম-আন্দোলনের নেপথ্যে প্রেরণাদাত্রী ছিলেন ফজিলাতুন নেছা মুজিব। তিনি বঙ্গবন্ধুর গোটা রাজনৈতিক জীবন ছায়ার মতো অনুসরণ করে তার প্রতিটি কাজে প্রেরণার উৎস হয়ে ছিলেন। বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ছয় দফা ঘোষণার পর বঙ্গবন্ধু যখন বারবার পাকিস্তানি শাসকদের হাতে বন্দি জীবন-যাপন করছিলেন, তখন আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা ফজিলাতুননেছা মুজিবের কাছে ছুটে যেতেন। তিনি তাদের বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা পৌঁছে দিতেন ও লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা যোগাতেন।

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বঙ্গবন্ধুর প্যারোলে মুক্তি নিয়ে কিছু কুচক্রী স্বাধীনতা সংগ্রামকে বিপন্ন করার ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছিল, তখন প্যারোলে মুক্তির বিপক্ষে বেগম মুজিবের দৃঢ়চেতা অবস্থান বাংলার মুক্তি সংগ্রামকে ত্বরান্বিত করেছিল। স্বামী বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ছায়ার মত অনুসরণ করা বেগম মুজিবকে জীবনে অনেক ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করেছেন, এজন্য অনেক কষ্ট-দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে তাকে।

এদেশের মানুষের আন্দোলন-সংগ্রামে বেগম মুজিব যে কর্তব্যনিষ্ঠা, দেশপ্রেম, দূরদর্শী চিন্তা, বুদ্ধিমত্তা ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন তার ফলে জাতির পিতার পাশাপাশি তিনি আজ বঙ্গমাতার আসনে অধিষ্ঠিত। এ দেশের রাজনীতিতে তার অনন্য সাধারণ ভূমিকার জন্য চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। এই মহীয়সী নারী ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে সপরিবারে খুনিচক্রের বুলেটের আঘাতে নির্মমভাবে শহীদ হন।

দিবসটি উপলক্ষে আওয়ামী লীগ সকাল ৮টায় বনানী কবরস্থানে স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধিমেনে বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষাবিধি মেনে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় পালন করার জন্য আওয়ামী লীগ, সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের নেতা-কর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

;

মোংলা বন্দরে ভারতের ট্রায়াল রানের জাহাজ



উপজেলা করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, মোংলা (বাগেরহাট)
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

মোংলা বন্দরে এসে পৌঁছেছে ভারতের প্রথম ট্রায়ালের কার্গো জাহাজ। বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্যে মোংলা বন্দর ব্যবহার বিষযয়ক চুক্তি বাস্তবায়নে চারটি ট্রায়াল রানের প্রথমটি রোববার (০৭ আগস্ট) সকালে এমভি রিশাদ রাইহান জাহাজটি বন্দর চ্যানেলের ত্রিমোহনা নালায় এসে নোঙ্গর করে।

সোমবার (৮ আগস্ট) বেলা ১১টায় বন্দরের ৯ নম্বর জেটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে পণ্য খালাস শুরু হবে। এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাসের হাই কমিশনার প্রনয় কুমার বর্মা ছাড়াও বন্দরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ মুসা রোববার (০৭ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গত ১ আগস্ট রিশাদ রাইহান নামে জাহাজটি ভারতের কলকাতা বন্দর থেকে দুই ধরনের মেশিনারি পণ্য নিয়ে লাইটার জাহাজটি ছেড়ে আসে। এর মধ্যদিয়ে চারটি ট্রায়াল রানের প্রথমটি শুরু করেছে ভারতের কলকাতা বন্দর। তারই ধারাবাহিকতায় প্রথম ট্রায়াল জাহাজ বাংলাদেশি পতাকাবাহী এমভি রিশাদ রাইহান মোংলায় এসে পৌঁছায়।

জাহাজটির স্থানীয় শিপিং এজেন্ট জেসি শিপিং এজেন্টের খুলনার ব্যবস্থাপক প্রদীপ কুমার দাস বলেন, মোংলা-তামাবিল ও মোংলা-বিবিরবাজার (কুমিল্লার স্থলবন্দর) রুটে ট্রায়ালের জন্য ট্রানজিট কার্গো জাহাজটি বর্তমানে মোংলা বন্দরে অবস্থান করেছে। এর ফলে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে পণ্য আমদানি রফতানির ট্রায়াল কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

মার্কস লাইনের দুইটি কন্টেইনারের মধ্যে একটি কন্টেইনারে ইলেক্ট্রো স্টিল কাস্টিংস লিমিটেডের ৭০ প্যাকেজের ১৬ দশমিক ৩৮০ টন লোহার পাইপ এবং বিবিরবাজার-শ্রীমন্তপুর সীমান্ত পয়েন্ট ব্যবহার করে আসামের জন্য আরেকটি কনটেইনারে ২৪৯ প্যাকেজে আট দশমিক পাঁচ টন প্রিফোম নিয়ে জাহাজটি মোংলা বন্দরে এসে পৌঁছায়।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্র জানায়, ভারত-বাংলাদেশ প্রোটোকল রুটে অভ্যন্তরীণ নৌপথ ব্যবহার করে ব্যবসায়িক গতি বাড়ানোর লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে দুই দেশের অর্থনীতি এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে আরও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

ভারত থেকে পণ্য পরিবহনের জন্য মোংলা বন্দর ব্যবহার সংক্রান্ত একটি চুক্তি এবং স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতি দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছে। চলতি বছরের মার্চে অনুষ্ঠিত ১৩তম ভারত-বাংলাদেশ জয়েন্ট গ্রুপ অব কাস্টমস (জেএসসি) বৈঠকের পর ট্রায়াল রান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

এ বিষয়ে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা বলেন, মোংলা বন্দরের মাধ্যমে ভারতের সঙ্গে পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে একটি অনন্য মাইলফলক সৃষ্টি হলো। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে আমাদের বন্ধুপ্রতিম দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।

;

‘কম দামের জ্বালানি তেল দেশে এলে ভোক্তারা সুফল পাবে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমলে দেশে ভোক্তারাও তার সুফল পাবেন বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

রোববার (০৭ আগস্ট) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আয়োজিত 'বন্ড লাইলেন্স অ্যাপ্লিকেশন মডিউল'-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি ছিলেন।

তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল কমতে শুরু করেছে। সরকার ও ব্যবসায়ীরাও কম দামে তেল কিনতে শুরু করেছে। কম দামের জ্বালানি তেল দেশে পৌঁছলে চাপ থাকবে না। জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থা চালু করা হবে কিনা জানতে চাইলে মুস্তফা কামাল বলেন, এখনই এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নেই। তবে এলপিজির মূল্য নির্ধারণে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালু হয়েছে। জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রেও আস্তে আস্তে চালু হবে।

হঠাৎ করে জ্বালানি তেলের দাম এত বেশি বাড়ানোর যৌক্তিকতা কী এবং এর প্রভাব কী হবে- এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, অনেক দেশেই দাম বাড়ানো হয়েছে। জ্বালানি তেলের দাম কতটা বাড়লে জনগণ সহ্য করতে পারবে, তা সরকার বিবেচনা করেই দাম বাড়িয়েছে।

;