পানি পানে একই পরিবারের ৭ জন হাসপাতালে, রাতে দুর্বৃত্তদের হানা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজবাড়ী
পানি পানে একই পরিবারের ৭ জন হাসপাতালে

পানি পানে একই পরিবারের ৭ জন হাসপাতালে

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে টিউবওয়েলের পানি পান করে একই পরিবারের সাত জন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তারা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার রাতেই জানালার গ্রিল ভেঙে নগদ টাকাসহ স্বর্ণালংকার নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

সোমবার (১ জুলাই) বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুর ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

হাসপাতালে ভর্তি অসুস্থরা হলেন- রায়পুর গ্রামের মৃত জগবন্ধুর ছেলে বিপুল চাকী (৫০), তার স্ত্রী তৃপ্তি রানী চাকী (৪৬), জগবন্ধুর ছেলে নিমাই চাকী (৫৫), কার্তিক চাকী (৬৫), তার স্ত্রী পুতুল চাকী (৫০), নিমাই চাকীর স্ত্রী কল্যানী চাকী (৪৬), ইতি রানী দে (৪০)। অসুস্থ রোগীরা বর্তমানে বালিয়াকান্দি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

অসুস্থ হয়ে পড়া নিমাই চাকি বলেন, প্রতিদিনের মতো বাজার থেকে বাড়িতে আসি। কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে বসি। খাওয়া-দাওয়া শেষে প্রতিদিনের মতো ঘুমোতে যাই কিন্তু রাতে কোন চেতনা বা কোন শব্দ পায়নি। পরে ৬-৭ জন মানুষ আমাদের হাত পাসহ মুখ বেধে লুটপাট চালায়।

স্থানীয়রা জানান, যারা রাতে বাড়িতে লুট করেছে তারাই টিউবওয়েলে হয়তো কোন চেতনানাশক মিশিয়ে রেখেছিল যাতে করে এই বাড়ির সকলে অসুস্থ হয়ে পড়ে। যাতে লুটপাট চালাতে সমস্যা না হয়।

বিপুল চাকীর মেযে বরিশা চাকী বলেন, টিউবওয়েলের পানি পান করে আমি এবং বাড়ির সবাই অসুস্থ হয়ে পড়ি। এই অসুস্থতাকে কাজে লাগিয়ে সোমবার রাত ২টায় প্রথমে জানালা দিয়ে একজন ঢুকে প্রধান দরজাটি খুলে দেয়। বিষয়টি আমি টের পেলে চিৎকার করি এর পরপরই ৬-৭ জনের একটি দুর্বৃত্ত দল এসে আমাকেসহ ঘরে যারা ছিল সকলের হাত পা মুখ বেঁধে নগদ ৫০ হাজার টাকাসহ প্রায় ৬/৭ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।

বালিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, খুব সম্ভবত তাদের টিউবওয়েলে কোন চেতনানাশক ওষুধ মিশিয়ে রাখা হয়েছিল, যা খেয়ে সকলে অসুস্থ হয়ে পড়েন।

খবর পেয়ে থানা অফিসার ইনচার্জ আসাদুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (পাংশা সার্কেল) সুমন কুমার সাহা বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের ৯৮তম জন্মবার্ষিকী আজ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বরেণ্য চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের ৯৮তম জন্মবার্ষিকী আজ ১০ আগস্ট বুধবার। প্রতিবছরের ন্যায় এবারও দিনটি উপলক্ষে রয়েছে নানা আয়োজন।

এসএম সুলতান ফাউন্ডেশনের আয়োজনে কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- কোরআনখানি, শিশুদের চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা পুষ্পমাল্য অর্পণ, দোয়া মাহফিল ও এস এম সুলতান আর্ট ক্যাম্পের উদ্বোধন।

এসএম সুলতান ১৯২৪ সালের ১০ আগস্ট তৎকালীন মহকুমা শহর নড়াইলের চিত্রা নদীর পাশে মাছিমদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মো. মেছের আলী ও মাতা মোছা. মাজু বিবি। পিতা-মাতার দেয়া আদুরে ডাকনাম ছিল লাল মিয়া।

সুলতানের ৭০ বছরের বোহেমিয়ান জীবনে তিনি তুলির আঁচড়ে দেশ, মাটি, মাটির গন্ধ আর ঘামে ভেজা মেহনতী মানুষের সঙ্গে নিজেকে একাকার করে সৃষ্টি করেছেন পাট কাটা, ধানকাটা, ধান ঝাড়া, জলকে চলা, চর দখল, গ্রামের খাল, মৎস শিকার, গ্রামের দুপুর, নদী পারা পার, ধান মাড়াই, জমি কর্ষণে যাত্রা, মাছ ধরা, নদীর ঘাটে, ধান ভানা, গুন টানা, ফসল কাটার ক্ষণে, শরতের গ্রামীণ জীবন, শাপলা তোলা মত বিখ্যাত সব ছবি।

১৯৫০ সালে ইউরোপ সফরের সময় যৌথ প্রদর্শনীতে তার ছবি সমকালনী বিশ্ববিখ্যাত চিত্র শিল্পী পাবলো পিকাসো, ডুফি, সালভেদর দালি, পলক্লী, কনেট, মাতিসের ছবির সঙ্গে প্রদর্শিত হয়। সুলতানই একমাত্র এশিয়ান শিল্পী যার ছবি এসব শিল্পীদের ছবির সঙ্গে একত্রে প্রদর্শিত হয়েছে।

মহান এই শিল্পী ১৯৫৩ সালে দেশে ফিরে আসেন। কিছুদিন ঢাকা আর্ট কলেজের ছাত্রাবাসে অবস্থান করে ফিরে আসেন মাতৃভূমি নড়াইলে। ১৯৫৫ সালে নড়াইলের কালিয়া উপজেলার চাচুড়ি-পুরুলিয়ায় নন্দন কানন স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। শিল্পী ১৯৫৬ সালে পল্লী কবি জসিম উদ্দিনের সঙ্গে কয়েকদিন আবস্থান করেন। ১৯৬৮ সালে যশোর-খুলনা ক্লাবে তার একক চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করেন। ১৯৬৯ সালের ১০ জুলাই সুলতানের মাছিমদিয়ার বাড়িতে দি ইনস্টিটিউট অফ ফাইন আটর্স উদ্বোধন করেন।

১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় শিল্পী জেলার বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে-ঘুরে যুদ্ধের ছবি আঁকেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর শিল্পী নিজ শহরে ঘুরে বেড়িয়েছেন এক স্থান থেকে অন্য স্থানে। ১৯৭৬ সালে ঢাকায় শিল্পকলা একাডেমিতে তার একক চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। মুলত: এই প্রদশর্নীর মাধ্যমে এ দেশের সুশীল সমাজের তার নতুন ভাবে পরিচয় ঘটে।

কালোর্ত্তীণ এই চিত্রশিল্পী ১৯৮২ সালে একুশে পদক, ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের রেসিডেন্স আটির্স্ট হিসেবে স্বীকৃতি, ১৯৮৬ সালে চারুশিল্পী সংসদ সম্মাননা এবং ১৯৯৩ সালে রাষ্টীয় ভাবে স্বাধীনতা পদক প্রদান করা হয়েছিল।

১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর যশোরের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে শিল্পী সুলতান মৃত্যুবরণ করেন।

;

লঞ্চভাড়া কত বাড়বে, সিদ্ধান্ত আজ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে লঞ্চের ভাড়া কত বাড়বে সে বিষয়ে আজ বুধবার (১০ আগস্ট) জানা যাবে।

গত সোমবার (৮ আগস্ট) লঞ্চমালিকদের সঙ্গে সচিবালয়ে বৈঠকে বসেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। বৈঠকে লঞ্চের ভাড়া পুনর্নির্ধারণে সাত সদস্যের কমিটি গঠন করে দেয় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। কমিটির সদস্যরা ওই দিন বেলা তিনটা থেকে রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত লঞ্চমালিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন।

আলোচনায় লঞ্চের ভাড়া বাড়াতে সর্বনিম্ন ১৯ দশমিক ৫০ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত আটটি স্তরের সুপারিশ করে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় গঠিত সাত সদস্যের কমিটি। এর মধ্যে যে স্তরটি নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী ঠিক করবেন, সে অনুযায়ী নতুন ভাড়া নির্ধারণ করে আজ গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে।

এর আগে, সরকার গত শুক্রবার (০৫ আগস্ট) জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর লঞ্চমালিকেরা ভাড়া শতভাগ বাড়িয়ে দ্বিগুণ করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় গঠিত কমিটির আটটি সুপারিশ হলো- প্রথম ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বর্তমান ভাড়া ২ টাকা ৩০ পয়সা। কমিটি সর্বনিম্ন স্তরে ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ করেছে। এটি বাস্তবায়িত হলে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া বাড়বে ৪৫ পয়সা। দ্বিতীয় স্তরে ২২ শতাংশ ভাড়া বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে। তাতে প্রতি কিলোমিটারে ৫১ পয়সা বেড়ে ভাড়া হবে ২ টাকা ৮১ পয়সা। তৃতীয় স্তরে ২৫ শতাংশ ভাড়া বাড়ানোর সুপারিশ করেছে কমিটি। তাতে ৫৭ পয়সা বেড়ে ভাড়া দাঁড়াবে ২ টাকা ৮৭ পয়সা।

৩০ শতাংশ ভাড়া বৃদ্ধি হলে প্রতি কিলোমিটারে বাড়বে ৬৯ পয়সা। তাতে কিলোমিটারে ভাড়া হবে ২ টাকা ৯৯ পয়সা। ৩৫ শতাংশ বৃদ্ধি হলে ভাড়া হবে ৩ টাকা ১০ পয়সা। ৪০ শতাংশ ভাড়া বৃদ্ধি পেলে ভাড়া হবে ৩ টাকা ২২ পয়সা। ৪২ শতাংশ বাড়লে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া বেড়ে দাঁড়াবে ৩ টাকা ২৬ পয়সা। আর ৫০ শতাংশ বাড়ানো হলে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া বেড়ে হবে ৩ টাকা ৪৫ পয়সা।

লঞ্চ মালিক সমিতি বলছে, প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ৩৪ টাকা বেড়েছে। তাতে এমনিতেই প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ৪২ দশমিক ৫ শতাংশ বাড়ার কথা।

;

এক বছরে টাকার মূল্য ১২ শতাংশের বেশি কমেছে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আমদানি মূল্য বৃদ্ধি এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ কমায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে মার্কিন ডলারের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করছে। তবুও কমছে না ডলারের তেজি ভাব, কাটছে না সংকট।

ডলারের বাজারে অস্থিরতা চলছে গত কয়েক মাস ধরেই। ফলে টাকার বিপরীতে এর দাম বেড়েই চলেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এখন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে ৯৫ টাকা দরে ডলার বিক্রি করছে। গত বছরের জুলাইয়ে প্রতি ডলারের বিপরীতে বিনিময় হার ছিল ৮৪ টাকা ৮০ পয়সা। অর্থাৎ এক বছরে টাকার মূল্য ১২ শতাংশের বেশি কমেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপ বেড়ে যাওয়া, এলএনজি আমদানির দেনা পরিশোধ, রফতানি আয়ের চেয়ে আমদানি ব্যয় মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধি এবং দেশ থেকে টাকা পাচারসহ নানা কারণে বাজারে ডলারের সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে ডলারের দাম বেড়ে যাচ্ছে। ডলারের দাম বাড়ায় আমদানি ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। ফলে ভোগ্যপণ্য, জ্বালানি তেল, শিল্পের কাঁচামালসহ সব আমদানি পণ্যের ব্যয় বাড়ছে। এতে মূল্যস্ফীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে সরকার ডলারের লাগাম টেনে ধরতে বিলাসী পণ্য আমদানি নিরুৎসাহিত করা এবং সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দেওয়াসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। তবুও পাগলা ঘোড়ার মতো ছুটছে ডলারের মূল্য।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, ডলারের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত রিজার্ভ থেকে ১৫০ কোটি (দেড় বিলিয়ন) ডলার বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি ও প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স কমে যাওয়ায় দেশে ডলারের তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে। এ জন্য প্রতিনিয়ত বাড়ছে ডলারের দাম। এতে রিজার্ভ থেকে ডলার ছেড়ে বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবুও প্রতিনিয়ত দামও বাড়াচ্ছে। এর পরও সংকট কাটছে না।

;

কোথায় কখন লোডশেডিং আজ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জ্বালানি সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ঘাটতির জন্য দেশজুড়ে এলাকাভিত্তিক আজও লোডশেডিং শুরু হচ্ছে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বুধবারের (১০ আগস্ট) তালিকা প্রকাশ করেছে বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলো।

ঢাকা বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি (ডিপিডিসি), ঢাকা ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো), নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো), ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউসন কোম্পানি (ওজোপাডিকো), বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বিআরইবি) এবং বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) এর ওয়েবাসাইটের নির্দিষ্ট লিংককে গিয়ে এই তালিকা দেখতে পারবেন গ্রাহকরা।

আজকে কোন এলাকায় কখন লোডশেডিং হবে, এর সূচি দেওয়া হয়েছে। দেখে নেওয়া যাক।

https://www.desco.org.bd/bangla/loadshed_b.php

http://www.wzpdcl.org.bd/

https://nesco.portal.gov.bd/site/page/13ccd456-1e1d-4b24-828d-5811a856f107

http://reb.portal.gov.bd/site/page/c65ac273-d051-416f-9a93-5cd300079047

https://bpdb.portal.gov.bd/site/page/cafea028-95e6-4fca-8fea-e4415aef9a60

https://www.desco.org.bd/bangla/loadshed_b.php

জ্বালানি সাশ্রয়ে উচ্চ ব্যয়ের ডিজেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ রাখার সরকারি সিদ্ধান্তের পর সরবরাহ সংকটে দেশজুড়ে প্রতিদিন সূচি ধরে কোথাও এক ঘণ্টা আবার কোথাও ২ ঘণ্টা করে লোডশেডিং করা শুরু হয় মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) থেকে।

এর আগে ১৮ জুলাই লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্ত সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিবিষয়ক সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

;