ইউএনও'র মোবাইল নম্বর ক্লোন করে টাকা দাবি



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঠাকুরগাঁও
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) ব্যবহৃত সরকারি মোবাইল নম্বর ক্লোন করে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের নানা প্রলোভন দেখিয়ে টাকা দাবি করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে একটি প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে।

বুধবার (৩ আগস্ট) বিকাল সাড়ে ৬টার দিকে মোবাইল নম্বর ক্লোন করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আবু তাহের মো. সামসুজ্জামান।

ইউএনও বলেন, বুধবার ইউএনও’র সরকারি মোবাইল নম্বর ক্লোন করে বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন জনের কাছে ফোন করে টাকা চাওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ব্যবস্থা গ্রহণ করার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

যাদের কাছে কল করে টাকা চেয়েছে তাদেরকে কোন প্রকার লেনদেন করা থেকে বিরত থাকার জন্য বলা হয়েছে এবং এ বিষয়ে সকলকে সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়ে ইউএনওর ফেসবুক আইডি থেকে সতর্কবার্তা পোস্ট করা হয়েছে।

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছে



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে অংশীজনের ভূমিকা' শীর্ষক কর্মশালা

‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে অংশীজনের ভূমিকা' শীর্ষক কর্মশালা

  • Font increase
  • Font Decrease

 

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন বলেছেন, অসহনীয় মাত্রার শব্দ মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে তাই শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছে।

বুধবার পরিবেশ অধিদপ্তরে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্প কর্তৃক আয়োজিত ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে অংশীজনের ভূমিকা' শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, এটি সফল করতে সকল ক্ষেত্রে অযথা শব্দ সৃষ্টি করা থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে। এবিষয়ে নিজে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি অন্যকেও সচেতন করতে হবে। শিশুদেরকে শৈশব থেকেই শব্দসচেতন করে গড়ে তুলতে পাঠ্যসূচিতে বিষয়টি অন্তর্ভুক্তির জন্য উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। শব্দদূষণ রোধে সরকারের উদ্যোগের সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা পেলে দেশের শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে পরিবেশ অধিদপ্তর “শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্প” বাস্তবায়ন করছে। এপ্রকল্পের আওতায় এ কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালনের জন্য   শিক্ষার্থী, পরিবহন চালক/শ্রমিক, কারখানা ও নির্মাণ শ্রমিক, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, ইমাম, শিক্ষক, বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি সহ বিভিন্ন পেশাজীবীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।  টেলিভিশন, বেতার, প্রিন্ট মিডিয়ায় সচেতনামূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আইনের যথাযথ প্রয়োগের জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে।  সরকার ঘোষিত নীরব এলাকা শব্দদূষণ মুক্ত করার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ পুলিশ, সিটি কর্পোরেশন, বিআরটিএসহ বিভিন্ন সংস্থার একযোগে কাজ করবে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে শব্দদূষণ বিধিমালা যুগোপযোগী করা হবে। এ বিষয়ে দেশের বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিবর্গের পরামর্শ মতো কাজ করা হবে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. আবদুল হামিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ এবং  সংসদ সদস্য ও  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য অধ্যাপক ডা: প্রাণ গোপাল দত্ত প্রমুখ। 

;

সরকারি দপ্তরে বিদ্যুত ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে পালনীয় নির্দেশনা জারি



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সরকারি দপ্তরে বিদ্যুত ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে পালনীয় নির্দেশনা জারি

সরকারি দপ্তরে বিদ্যুত ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে পালনীয় নির্দেশনা জারি

  • Font increase
  • Font Decrease

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারি অফিস আদালতে বিদ্যুতের সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকার নির্দেশনা জারি করেছে।

বুধবার (১৭ আগস্ট) সরকারি এক তথ্য বিবরণীতে এ নির্দেশনার কথা জানানো হয়েছে।

নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে- বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য এলইডি লাইট ব্যবহার করা, আলোর উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির জন্য দেয়ালে উপযুক্ত রং ব্যবহার করা, সিঁড়ি, ওয়াশরুম, ওয়েটিং রুম, করিডোরসহ কমন স্পেসে মানুষের উপস্থিতিতে জ্বলে/নেভে এমন লাইটিং সিস্টেম ব্যবহার করা, বিল্ডিং কোডে উল্লিখিত কোন কাজে কত মাত্রার উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে হবে তা অনুসরণ করা, বৈদ্যুতিক বাল্ব নিয়মিত পরিষ্কার রাখা, দিনের আলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা।

এসির ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা এর উপরে রাখা, এসি ব্যবহারের সময় কক্ষের দরজা-জানালা ভালোভাবে বন্ধ রাখা, জানালায় দুই স্তর বিশিষ্ট কাঁচ বা পর্দা ব্যবহার করা, এসির ফিল্টার নিয়মিত পরিষ্কার করা, বছরে কমপক্ষে একবার এসির সার্ভিসিং করানো, এসির ডাক্ট বা পাইপের লিকেজ পরীক্ষা করা, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ও ইনভার্টারযুক্ত এসি ও ফ্রিজ ব্যবহার করা।

এছাড়াও নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে- বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ও বাতাস বেশি তৈরি হয় এমন ফ্যান ব্যবহার করা, কাজ ছাড়া অফিসের চালু কম্পিউটার ও ল্যাপটপ পাওয়ার সেভিং মুডে রাখা, ডেস্কভিত্তিক প্রিন্টার ও স্ক্যানার ব্যবহারের পরিবর্তে নেটওয়ার্কের আওতায় কম যন্ত্রপাতি ব্যবহার উৎসাহিত করা ইত্যাদি।

;

বাজারের শৃঙ্খলা ফেরাতে নির্বাচনের দাবি ব্যবসায়ীদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজবাড়ী
বাজারের শৃঙ্খলা ফেরাতে নির্বাচনের দাবি ব্যবসায়ীদের

বাজারের শৃঙ্খলা ফেরাতে নির্বাচনের দাবি ব্যবসায়ীদের

  • Font increase
  • Font Decrease

বাজারের শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং পরিচালনা কার্যক্রমের ধারা অব্যাহত রাখতে দ্রুত সময়ের মধ্যে তফশীল ঘোষণা করে নির্বাচন কার্যক্রম সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির বহরপুর বাজারের সহস্রাধিক সাধারণ ব্যবসায়ীরা।

বুধবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে বহরপুর বাজার বণিক সমিতির সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ স্মারকলিপিটি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে হস্তান্তর করেন। স্মারকলিপিতে বাজারের ১৬৫ জন ব্যবসায়ী স্বাক্ষর রয়েছে।

স্মারকলিপিতে দেখা যায় অনুলিপি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আবুল কালাম আজাদ ও বহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: রেজাউল করিম বরাবরও রয়েছে। স্মারকলিপি পাওয়ার বিষয়টি বার্তা২৪.কমকে নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আম্বিয়া সুলতানা।

স্মারকলিপিতে ব্যবসায়ীরা উল্লেখ করেন, বিগত ৪ বছর পূর্বে বহরপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পরিষদ গঠিত হয়। বিধিমোতাবেক সেই মেয়াদ ২০২১ সালের নভেম্বরের ১৭ তারিখে শেষ হয়। কিন্তু অদৃশ্য কারণে মেয়াদের প্রায় ১ বছর অতিবাহিত হতে চললেও নতুন করে কমিটি গঠনের কোন উদ্যোগ নেই। ফলে বাজারের পরিচালনার সকল কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে এবং বাজারের শৃঙ্খলা নষ্ট হচ্ছে।

এমতাবস্থায় দ্রুত সময়ের মধ্যে বণিক সমিতির নির্বাচনের তফসিল ঘোষণাপূর্বক নির্বাচন কার্যক্রম সম্পন্ন করা প্রয়োজন বলে মনে করেন বহরপুর বাজারের সাধারণ ব্যবসায়ীরা।

বহরপুর বাজার বণিক সমিতির সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বার্তা২৪.কমকে বলেন, বর্তমান বাজারের কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে প্রায় এক বছর হতে চললো। কিন্তু অদৃশ্য কারণে নির্বাচন হচ্ছে না। বর্তমান কমিটিতে যারা রয়েছেন তারা বিগত চার বছরের মধ্যে একটিও সাধারণ মিটিং করেননি।


স্বারকলিপিতে স্বাক্ষরিত একাধিক ব্যবসায়ী বার্তা২৪.কমকে বলেন, দীর্ঘদিন কোন সাধারণ মিটিং এবং বণিক সমিতির নির্বাচন না হওয়াতে ভেঙে পড়েছে বাজারে শৃঙ্খলা। আমরা সাধারণ ব্যবসায়ীরা আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছি। সহস্রাধিক দোকানের রাতের নিরাপত্তায় রয়েছেন মাত্র ১২ জন পাহাড়াদার। যেখানে প্রয়োজন কমপক্ষে ২২-২৫ জনের। আমরা রাতে দোকানের চিন্তায় ঘুমাতে পারি না।

বর্তমান মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটির দপ্তর সম্পাদক খোন্দকার মিরাজুল রহমান মিরাজ বার্তা২৪.কমকে বলেন, ভাই এই বাজার পরিচালনা কমিটির কোন গঠনতন্ত্রই নেই। আমাদের নির্বাচনে যারা আহবায়ক কমিটি ছিলেন তারা তাদের মতো করা যে গঠনতন্ত্র সেটি রয়েছে। এটাও ফলো করা হয় না। কি বলব আমাদের শপথ অনুষ্ঠানই হয়নি।

দ্রুতই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে জানিয়ে বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন স্বারকলিপিটি আমি পেয়েছি।

;

কাপ্তাই হ্রদে মাছ আহরণ-বিপণনে মানতে হবে ৫ শর্তাবলী!



আলমগীর মানিক, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাঙামাটি
কাপ্তাই হ্রদে মাছ আহরণ-বিপণনে মানতে হবে ৫ শর্তাবলী!

কাপ্তাই হ্রদে মাছ আহরণ-বিপণনে মানতে হবে ৫ শর্তাবলী!

  • Font increase
  • Font Decrease

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সর্ববৃহৎ মিঠা পানির কৃত্রিম জলাধার কাপ্তাই হ্রদের মৎস্য সম্পদের সুষ্ঠু প্রজনন নিশ্চিতে টানা তিন মাস ১৭ দিন বন্ধ থাকার পর বুধবার মধ্যরাত থেকে পুনরায় মাছ আহরণ শুরু হচ্ছে। রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমানের স্বাক্ষরিত নির্দেশনা পত্রানুসারে অন্তত ৫টি শর্ত মেনে কাপ্তাই হ্রদে মাছ আহরণে নামবে প্রায় ২৫ হাজার নিবন্ধিত জেলে। এরই মধ্যদিয়ে হ্রদে মাছ আহরণ,পরিবহন ও বাজারজাতকরণ উন্মুক্ত হচ্ছে ১৮ আগস্ট থেকে।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রাঙামাটির হাট-বাজারগুলোসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় কাপ্তাই হ্রদের মাছ বিপণন শুরু হবে। এদিকে, রাজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবার নতুন করে কাপ্তাই হ্রদ থেকে আহরিত মাছের উপর শুল্কহার ১৪ থেকে ২০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে।


দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সর্ববৃহৎ মিঠা পানির কৃত্রিম জলাধার কাপ্তাই হ্রদের আয়তন ৭২৫ বর্গ কিলোমিটার। দেশের অন্যতম মৎস্য উৎপাদন ক্ষেত্র কাপ্তাই হ্রদ আয়তনের বিচারে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ মোট জলাশয়ের প্রায় ১৯ শতাংশ। উৎপাদন বাড়াতে চলতি মৌসুমে হ্রদে ৬০ হাজার ৩শ ২২ কেজি রুই, কাতল, মৃগেলের পোনা ছাড়া হয়েছে। মাছের রেণু উৎপাদনের জন্য হালদা নদীর ব্রুডফিশ ও পোনা সংগ্রহ করা হয়।

মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন মৌসুমে প্রতিবছর ১ মে থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত হ্রদে মাছ শিকার বন্ধ থাকে। তবে এবার পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় দুই দফায় এ নিষেধাজ্ঞা বাড়ানো হয় ১৭ আগস্ট মধ্যরাত পর্যন্ত।


বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) রাঙামাটি ব্যবস্থাপক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. তৌহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, এবার মৌসুমের শুরুতেই বৃষ্টিপাত হওয়ায় মাছের উৎপাদন ভালো হয়েছে। এর সঙ্গে শুল্কহার বৃদ্ধি পাওয়ায় এবার রাজস্ব আয় ১৭ কোটি টাকা ছাড়াবে বলেও আশা করছি। তিনি জানান, বন্ধকালীণ সময়ে আমরা অন্যান্য বছরের তুলনায় মাছের পোনা বেশি অবমুক্ত করেছি। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা পোনা ও মা মাছ রক্ষায় বন্ধকালীন ৯৫ দিনে কাপ্তাই হ্রদে অবৈধ মৎস্য শিকারী থেকে পাচারকারিদের বিরুদ্ধে ৪২০টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসব অভিযানে ১২টি কেচকি জালসহ কারেন্ট জাল, সুতার জাল, নেট জাল সবগুলো প্রায় আড়াই লক্ষ মিটার জাল, দেশীয় ইঞ্জিন বোট ২৩৬টি, তিন টনেরও অধিক মাছ, ২০০ কেজি শুটকি উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়। এসব নিলামে বিক্রি করে সরকারে কোষাগারে জমা করা হয়েছে ১৪ লাখ ৭৮ হাজার ৫৯১ টাকা।

এদিকে, বুধবার মধ্যরাত থেকে কাপ্তাই হ্রদে মাছ আহরণ শুরু করতে ৫ শর্তাবলি উল্লেখ করে আদেশ পত্র জারি করেছে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন কর্তৃপক্ষ। জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমান কর্তৃক স্বাক্ষরিত উক্ত পত্রে নিন্মোক্ত ৫টি উল্লেখ করে সেগুলো মেনে না চললে আইনত দন্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করার কথাও বলা হয়েছে।

শর্তগুলো হলোঃ

(১)কেবলমাত্র বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা থেকে লাইসেন্স গ্রহণ ও ধৃতব্য মাছের নির্ধারিত শেয়ার/শুষ্ক প্রদান সাপেক্ষে কাষাই হ্রদে মাছ শিকার করা যানে।

(২)করমুক্ত মৎস্য পোনার নিরাপত্তা এবং মাছের স্বাভাবিক প্রজননের জন্য ঘোষিত মৎস্য অভয়াশ্রমসমূহ থেকে মাছ ধরা/শিকারের উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা সারা বছর বলবৎ থাকবে।

(৩)মৎস্য রক্ষা এবং সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০-এর যথাযথ অনুসরণ করতে হবে। ৯ ইঞ্চির নিচে কোন পোনা মাছ ধরা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।

(৪)বিএফডিসি এর নির্ধারিত অবতরণ কেন্দ্র ব্যতীত অন্য কোথাও মৎস্য অবতরণ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন কর্তৃক নির্ধারিত শুল্ক পরিশোধ বাতীত কোন মাছ বা শুটকী ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে না।

(৫) চিতল, ফলি, বোয়াল ও অন্যান্য মাছের প্রজনন বৃদ্ধি এবং বিলুপ্তি রোধকল্পে হদের তলদেশ হতে সারা বছর (হ্রদ খোলা ও বন্ধকালীন সময়েও) সকল প্রকার গাছের গুড়ি/গুইটা তোলা/উঠানো/অপসারণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হলো। উল্লিখিত শর্তাদির লংঘন আইনত দন্ডনীয় অপরাধ বলে গণ্য করা হবে।

;