চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরে প্রাধান্য পেতে পারে যে সব ইস্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই শনিবার (৬ আগস্ট) ঢাকায় আসছেন। তার এই সফরে একাধিক সমঝোতা স্মারক ও চুক্তিসহ দুদেশের দ্বিপক্ষীয় এবং আঞ্চলিক ইস্যু প্রাধান্য পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শুক্রবার (০৫ আগস্ট পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, দুই দিনের সফরে শনিবার বিকাল ৫টায় চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় পৌঁছানোর সম্ভাবনা আছে। কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক বিমানবন্দরে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাবেন।

তবে এখনও পর্যন্ত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাস তার কর্মসূচির সময়সূচি বিস্তারিত জানায়নি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফরকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে। এছাড়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে তার বৈঠক হবে। এসব বৈঠকে ঢাকা-বেইজিংয়ের সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো নিয়ে আলোচনা হবে।

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরকালে ২০১৬ সালের অক্টোবরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং এর ঢাকা সফরকালে হওয়া ২৭টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনার সম্ভবনা রয়েছে

এছাড়া তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের উত্তেজনার বিষয় নিয়েও আলোচনা হতে পারে।

এদিকে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল ঘিরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে যেসব জোট বা বলয় রয়েছে, তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে চীনের। সম্প্রতি এ বিষয়ে বাংলাদেশকে সতর্কও করেছে চীন। বেইজিংয়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাহবুব উজ জামানের সঙ্গে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এশিয়া বিষয়ক মহাপরিচালক লিউ জিনসং এক বৈঠকে এ বিষয়ে সতর্ক করেন। চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের জোট বা বলয় ঘিরে ঢাকাকে বেইজিংয়ের বার্তা দিতে পারেন।

রোহিঙ্গা সংকটের পর চীনের মধ্যস্থতায় এ জাতিগোষ্ঠীর প্রত্যাবাসনের চেষ্টা চলছে। চীনের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সঙ্গে গত বছর জানুয়ারিতে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকও হয়েছে। রোহিঙ্গাদের দ্রুত নিজ দেশে ফেরাতে চায় বাংলাদেশ। আর মিয়ানমারের ওপর চীনা প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব বলেও মনে করে ঢাকা। সে কারণে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরে ঢাকার পক্ষ থেকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রাধান্য দেওয়া হবে।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষিতে নানা সংকট তৈরি হয়েছে। সারা বিশ্বে জ্বালানি সংকটসহ বিভিন্ন পণ্য সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে। বর্তমান এই বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে ঢাকা ও বেইজিং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, তাইওয়ান নিয়ে উত্তেজনার মধ্যে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফর আলাদা গুরুত্ববহন করছে। তবে কী আলোচনা হতে পারে তা এখনো বলতে পারছি না। কারণ আলোচনার বিষয়বস্তু এখনও ঠিক করা হয়নি।

চলে গেলেন বেগম নিহার চৌধুরী, বিভিন্ন মহলের শোক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
বেগম নিহার চৌধুরী

বেগম নিহার চৌধুরী

  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুরের বদরগঞ্জের কৃতি সন্তান ও সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী প্রয়াত আনিছুল হক চৌধুরীর সহধর্মিনী বেগম নিহার চৌধুরী (৭৩) আর নেই (ইন্নালিল্লাহী ওয়া ইন্না ইলাহী রাজেউন)।

বুধবার (১৭ আগস্ট) ভোরে রাজধানী ঢাকার এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তিনি সেখানে ফুসফুসের রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর।

তার প্রথম নামাজে জানাজা বুধবার (১৭ আগস্ট) বাদ আসর বদরগঞ্জ পৌরশহরের বড়মিল চাতালে অনুষ্ঠিত হবে। বাদ মাগরিব উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের গ্রামের বাড়ি লালবাড়ী চৌধুরীপাড়ায় দ্বিতীয় জানাজা শেষে মরহুমার স্বামী সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী মরহুম আনিছুল হক চৌধুরীর কবরের পাশে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে। বেগম নিহার চৌধুরীর মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটি, জেলা-উপজেলার নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শোক সন্তোপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দুর্যোগকালে বেগম নিহার চৌধুরী স্বামী আনিছুল হক চৌধুরীর পাশে ছিলেন ছায়া সঙ্গী হিসেবে। দলমতের বাইরেও তিনি সর্বস্তরের মানুষের একজন অকৃত্রিম বন্ধু ছিলেন। রাজনৈতিক দূরদর্শী সম্পন্ন বেগম নিহার চৌধুরীর জন্ম ১৯৪৮ সালের ১৫ অক্টোবর নওগার সম্ভ্রান্ত এক জমিদার পরিবারে। মরহুমার রুহের মাগফেরাত কামনায় সারাদেশের মানুষের কাছে তার বড় ছেলে বদরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আহাসানুল হক চৌধুরী টুটুল ও পরিবারের সদস্যদের পক্ষ থেকে দোয়া চাওয়া হয়েছে। মরহুমা দুই পুত্র ও চার কন্যা সন্তান নাতি-নাতনীসহ বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার ছোট ছেলে ফিন্দিউল হাসান চৌধুরী শান্তু বদরগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, বড় জামাতা আহমেদ মুনাফ চৌধুরী পরিবার পরিকল্পনা রংপুর বিভাগীয় রিজিওনাল কনসালটেন্ট, দ্বিতীয় জামাতা ডাঃ আবু মোঃ জাকিরুল ইসলাম লেলিন স্বাস্থ্য বিভাগ রংপুর অঞ্চলের পরিচালক, তৃতীয় জামাতা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেন ও সর্ব কনিষ্ঠ মেয়ের জামাতা আজিজুর রহমান চৌধুরী সুজন চট্রগ্রামে অবস্থিত স্টিলমিল কেএসআরএম’র প্রধান প্রকৌশলী।

এদিকে মরহুমার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে সমবেদনা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন শফিক, নিহার চৌধুরীর ভাতিজা রংপুর-২ (বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ) আসনের এমপি আবুল কালাম মো. আহসানুল হক চৌধুরী ডিউক। এছাড়াও বদরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক পরিতোষ চক্রবর্তী, বদরগঞ্জ সরকারি কলেজ, বদরগঞ্জ প্রেসক্লাব পরিবারসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনের পক্ষ থেকে শোকার্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

;

১০ বছর পর শিবির ক্যাডার গিট্টু মানিক গ্রেফতার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
১০ বছর পর শিবির ক্যাডার গিট্টু মানিক গ্রেফতার

১০ বছর পর শিবির ক্যাডার গিট্টু মানিক গ্রেফতার

  • Font increase
  • Font Decrease

দীর্ঘ ১০ বছর পলাতক থাকার পর অবশেষে শীর্ষ সন্ত্রাসী শিবির ক্যাডার সাজ্জাদের অন্যতম সহযোগী ক্যাডার গিট্টু মানিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১৭ আগস্ট) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বায়েজিদ থানা পুলিশের একটি টিম বিশেষ অভিযান চালিয়ে গিট্টু মানিককে গ্রেফতার করে।

বিষয়টি বার্তা২৪.কমকে নিশ্চিত করেছেন বায়েজিদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস জাহান।

তিনি বলেন, দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী গিট্টু মানিকের বিরুদ্ধে বায়েজিদ থানায় অস্ত্র আইনের একটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ছিল। দীর্ঘ ১০ বছর পলাতক থাকার পর অবশেষে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে।

উল্লেখ্য, শিবির ক্যাডার সাজ্জাদের অন্যতম সহযোগী গিট্টু মানিক এর আগে ২০১১ সালের ১১ জুলাই নগরের বায়েজিদ বোস্তামি থানা এলাকা থেকে একে-৪৭ রাইফেল অস্ত্র ও দুই সহযোগীসহ গ্রেফতার হয়েছিল।

;

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছে



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে অংশীজনের ভূমিকা' শীর্ষক কর্মশালা

‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে অংশীজনের ভূমিকা' শীর্ষক কর্মশালা

  • Font increase
  • Font Decrease

 

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন বলেছেন, অসহনীয় মাত্রার শব্দ মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে তাই শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছে।

বুধবার পরিবেশ অধিদপ্তরে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্প কর্তৃক আয়োজিত ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে অংশীজনের ভূমিকা' শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, এটি সফল করতে সকল ক্ষেত্রে অযথা শব্দ সৃষ্টি করা থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে। এবিষয়ে নিজে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি অন্যকেও সচেতন করতে হবে। শিশুদেরকে শৈশব থেকেই শব্দসচেতন করে গড়ে তুলতে পাঠ্যসূচিতে বিষয়টি অন্তর্ভুক্তির জন্য উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। শব্দদূষণ রোধে সরকারের উদ্যোগের সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা পেলে দেশের শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে পরিবেশ অধিদপ্তর “শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্প” বাস্তবায়ন করছে। এপ্রকল্পের আওতায় এ কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালনের জন্য   শিক্ষার্থী, পরিবহন চালক/শ্রমিক, কারখানা ও নির্মাণ শ্রমিক, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, ইমাম, শিক্ষক, বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি সহ বিভিন্ন পেশাজীবীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।  টেলিভিশন, বেতার, প্রিন্ট মিডিয়ায় সচেতনামূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আইনের যথাযথ প্রয়োগের জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে।  সরকার ঘোষিত নীরব এলাকা শব্দদূষণ মুক্ত করার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ পুলিশ, সিটি কর্পোরেশন, বিআরটিএসহ বিভিন্ন সংস্থার একযোগে কাজ করবে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে শব্দদূষণ বিধিমালা যুগোপযোগী করা হবে। এ বিষয়ে দেশের বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিবর্গের পরামর্শ মতো কাজ করা হবে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. আবদুল হামিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ এবং  সংসদ সদস্য ও  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য অধ্যাপক ডা: প্রাণ গোপাল দত্ত প্রমুখ। 

;

সরকারি দপ্তরে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে পালনীয় নির্দেশনা জারি



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সরকারি দপ্তরে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে পালনীয় নির্দেশনা জারি

সরকারি দপ্তরে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে পালনীয় নির্দেশনা জারি

  • Font increase
  • Font Decrease

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারি অফিস আদালতে বিদ্যুতের সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকার নির্দেশনা জারি করেছে।

বুধবার (১৭ আগস্ট) সরকারি এক তথ্য বিবরণীতে এ নির্দেশনার কথা জানানো হয়েছে।

নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে- বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য এলইডি লাইট ব্যবহার করা, আলোর উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির জন্য দেয়ালে উপযুক্ত রং ব্যবহার করা, সিঁড়ি, ওয়াশরুম, ওয়েটিং রুম, করিডোরসহ কমন স্পেসে মানুষের উপস্থিতিতে জ্বলে/নেভে এমন লাইটিং সিস্টেম ব্যবহার করা, বিল্ডিং কোডে উল্লিখিত কোন কাজে কত মাত্রার উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে হবে তা অনুসরণ করা, বৈদ্যুতিক বাল্ব নিয়মিত পরিষ্কার রাখা, দিনের আলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা।

এসির ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা এর উপরে রাখা, এসি ব্যবহারের সময় কক্ষের দরজা-জানালা ভালোভাবে বন্ধ রাখা, জানালায় দুই স্তর বিশিষ্ট কাঁচ বা পর্দা ব্যবহার করা, এসির ফিল্টার নিয়মিত পরিষ্কার করা, বছরে কমপক্ষে একবার এসির সার্ভিসিং করানো, এসির ডাক্ট বা পাইপের লিকেজ পরীক্ষা করা, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ও ইনভার্টারযুক্ত এসি ও ফ্রিজ ব্যবহার করা।

এছাড়াও নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে- বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ও বাতাস বেশি তৈরি হয় এমন ফ্যান ব্যবহার করা, কাজ ছাড়া অফিসের চালু কম্পিউটার ও ল্যাপটপ পাওয়ার সেভিং মুডে রাখা, ডেস্কভিত্তিক প্রিন্টার ও স্ক্যানার ব্যবহারের পরিবর্তে নেটওয়ার্কের আওতায় কম যন্ত্রপাতি ব্যবহার উৎসাহিত করা ইত্যাদি।

;