রাজশাহীতে করোনা উপসর্গে বৃদ্ধের মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
রাজশাহীতে করোনা উপসর্গে বৃদ্ধের মৃত্যু

রাজশাহীতে করোনা উপসর্গে বৃদ্ধের মৃত্যু

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহীতে করোনার উপসর্গ নিয়ে এক বৃদ্ধ মারা গেছেন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৬৫ বছর বয়সী এই বৃদ্ধ মারা গেছেন। শুক্রবার দিবাগত রাতে হাসপাতালের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান তিনি।

এই বৃদ্ধ রাজশাহী নগরীর বোয়ালিয়া থানা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। করোনার উপসর্গ নিয়ে দুদিন আগে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। রামেক হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি ছিলেন ১২ জন রোগী। এদের মধ্যে করোনা নিয়ে ভর্তি রয়েছেন ৬ জন। করোনার উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছেন ৫ জন। শুক্রবার রাজশাহীর তিনজনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে একজনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় সংক্রমণের হার ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

রাজধানীতে গ্যাস সংকট চরমে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
রাজধানীতে গ্যাস সংকট চরমে

রাজধানীতে গ্যাস সংকট চরমে

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। আগারগাঁও, মতিঝিল, মিরপুর, রামপুরা, বাড্ডাসহ বিভিন্ন এলাকায় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গ্যাসের চাপ কম থাকছে। কোন কোন জায়গায় গ্যাসেই থাকে না। এতে গ্যাসনির্ভর শিল্প, বাসাবাড়ির রান্না, যানবাহনের সিএনজি নিতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে রাজধানীবাসীকে।

গ্যাস সংকটে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় চুলা জ্বলছে না। অনেকে মাটির চুলায় রান্না-বান্না করতে বাধ্য হচ্ছেন বলে ভুক্তভোগিরা অভিযোগ করেন।

জানা গেছে, রাজধানীর বেশি কিছু এলাকায় দিনের অধিকাংশ সময় থাকে না তিতাসের গ্যাস। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চুলা জ্বালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে এসব এলাকার বাসিন্দাদের। অনেকে বাধ্য হয়ে সিলিন্ডার কিনেছেন, কেউ ব্যবহার করছেন বৈদ্যুতিক চুলা। যাদের সামর্থ্য নেই তারা ফিরেছেন মাটির চুলায়।

রামপুরা এলাকার গৃহিনী মাহফুজা বেগম বলেন, গ্যাস সংকটে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বাসায় গ্যাসের সমস্যা হচ্ছে। কোন চুলা জ্বলছে না। হোটেল থেকে খাবার কিনে খাচ্ছেন তারা। বাচ্চাদের খাবারও গরম করতে পারছেন না তারা। শীতের আগেই এত সমস্যা। শীত আসলে তো আরও বাড়বে।

শুধু তাই নয়, ভোগান্তির লাইন দীর্ঘ হয়েছে সিএনজি পাম্পেও। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইন দিয়ে যানবাহনে গ্যাস নিতে হচ্ছে। চাপ কম থাকায় পুরো গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। সবচেয়ে বিপাকে ভাড়ায় চালিত যানবাহনের চালকরা।

ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি পরিস্থিতির অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে দেশেও। একে এলএনজি নির্ভরতার খেসারত হিসেবে দেখছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা।

তারা বলছেন, বাংলাদেশে যে অনিয়ম, পৃথিবীর কোনো দেশে এতো উচ্চাহারে অনিয়ম হয় না। এই অনিয়মের বড় একটি অংশ চুরি। অবৈধ লাইন তৈরি করে গ্যাস নেওয়া যদি বন্ধ করা যেত তাহলে বড় আকারের গ্যাস সাশ্রয় হতো।

সহসাই পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার লক্ষণ দেখছেন না বিশেষজ্ঞরা। তাই জ্বালানি ব্যবহারে মিতব্যায়ী না হলে, সংকট দীর্ঘায়িত হতে পারে।

;

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ট্যাংকলরি-মাইক্রোবাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে মৃত্যু ২



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ট্যাংকলরি-মাইক্রোবাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে মৃত্যু ২

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ট্যাংকলরি-মাইক্রোবাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে মৃত্যু ২

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে তেলবাহী ট্যাংকলরির সাথে মাইক্রোবাস ও সিএনজির সংঘর্ষে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আরো ৫ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

রোববার (২ অক্টোবর) সকালে মহাসড়কের বিজয়নগরের শশই এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহতরা হলেন হবিগঞ্জের মাধবপুর এলাকার সুমন গোষ্মামী (৩০) ও সুমন বণিক। আহতদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল ও হবিগঞ্জের মাধবপুরে ভর্তি করা হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের নাম পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ।

সরাইল খাটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুখেন্দ বসু দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সকালে সিলেটগামী একটি তেলবাহী ট্যাংকলরি বিজয়নগরে মহাসড়কের শশই এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনে থাকা একটি মাইক্রোবাসে আঘাত করে। এ সময় মাইক্রোবাসটি রাস্তার পাশের খাদে পড়ে যায়। একই সময়ে সামনে থাকা একটি যাত্রীবাহী সিএনজিতে আঘাত করে ট্যাংকলরিটি উল্টে যায়। সিএনজিতে থাকা যাত্রী দুজনের মৃত্যু হয়। আহত হয় আরো অন্তত ৫ জন। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরো জানান, আহতদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল ও হবিগঞ্জের মাধবপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হতাহতদের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

;

মিরসরাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে এলিট



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
মিরসরাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে এলিট

মিরসরাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে এলিট

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার সোনা পাহাড় এলাকায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত দুই ভাইসহ নিহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নিয়াজ মোর্শেদ এলিট।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকাল ১০টায় মিরসরাই সদর ইউনিয়নের উত্তর গড়িয়াইশ গ্রামের ৪ নং ওয়ার্ডের নিহত দুই ভাই সুমন ও শেখ ফরিদের বাড়িতে যান এলিট। এরপর সেখান থেকে দুর্গাপুর ইউনিয়নের মেহেদী হাসানের বাড়িতেও যান তিনি। এ সময় মিরসরাইয়ের সন্তান যুবলীগ নেতা এলিট নিহতদের পরিবারের পাশে কিছু সময় অতিবাহিত করেন এবং তাদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।

নিয়াজ মোর্শেদ এলিট সেখানে পৌঁছালে বিশ্বরোড সিএনজি অটোরিকশা চালক সমিতি ও গ্রামবাসী তাকে স্বাগত জানান। এই মর্মান্তিক শোকে সিএনজি অটোরিকশা চালকদের পাশে দাঁড়ানোয় সমিতির নেতৃবৃন্দ যুবলীগ নেতা এলিটকে ধন্যবাদ জানান।


নিহত সিএনজি চালকদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা নিয়াজ মোর্শেদ এলিট বলেন, ‘আমি নিহত দুই ভাই সুমন ও শেখ ফরিদ এবং দুর্গাপুর ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামের মেহেদী হাসানের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে তাঁদের বাড়ি গিয়েছি। কিছু আর্থিক সহায়তা দিয়ে তাঁদের পরিবারের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। এ সময় সন্তান হারানো মা, স্বামী হারানো স্ত্রী ও পিতা হারানো সন্তানদের আহজারি বিশেষ করে নিহত দুই ভাইয়ের চার শিশু সন্তানের করুণ মুখ আমার হৃদয়কে ভারাক্রান্ত করেছে। মহাসড়কে যাতে মিরসরাইয়ের আর কারো প্রাণহানি না হয় সে জন্য চালকদের সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘রাজনৈতিক, সামাজিক ও ব্যবসায়িক কিছু পরিচয় থাকলেও সবার আগে আমার বড় পরিচয় আমি মিরসরাইয়ের সন্তান। সেজন্য মিরসরাইয়ের মাঠি ও মানুষের প্রতি আমার টান কাজ করে। আমি মিরসরাইয়ের মানুষের যে কোন দুর্যোগে তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করি। তারই ধারাবাহিকতায় মহাসড়কে নিহত সিএনজি চালকদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। আগামীতেও মিরসরাইয়ের বাসিন্দাদের যে কোন প্রয়োজনে পাশে থাকব ইনশাল্লাহ।’

গত ১৪ সেপ্টেম্বর রাতে মিরসরাই উপজেলার সোনা পাহাড় পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন একটি কাভার্ডভ্যান চট্টগ্রামগামী ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দিলে ট্রাকটি সামনের জোনাকি পরিবহনের বাসে ধাক্কা লাগে। এমন সময় সেখানে দায়িত্বরত হাইওয়ে পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে দাঁড়ানো ছিলেন সিএনজি অটোরিকশা চালকেরা। ঘটনাস্থলে সিএনজি অটোরিকশা চালকসহ মোট পাঁচ ব্যক্তি মারা যান এবং দশ জনের অধিক লোক আহত হন।

;

বগুড়ায় জুয়া খেলা নিয়ে বিরোধে এক ব্যক্তি খুন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বগুড়া
বগুড়ায় জুয়া খেলা নিয়ে বিরোধে এক ব্যক্তি খুন

বগুড়ায় জুয়া খেলা নিয়ে বিরোধে এক ব্যক্তি খুন

  • Font increase
  • Font Decrease

বগুড়ায় পূজা মণ্ডপের পিছনে জুয়া খেলা নিয়ে বিরোধে গোপাল চন্দ্র দাস (৪৫) নামের এক ব্যক্তি খুন হয়েছেন অপর একজনের লাথিতে। এ ঘটনায় পুলিশ ২ জনকে আটক করেছে। 

শনিবার (১ অক্টোবর) গভীর রাতে বগুড়া সদরের তেলিহারা পশ্চিমপাড়ায় (হিন্দুপাড়া) খুনের ঘটনা ঘটে। নিহত গোপাল চন্দ্র ওই গ্রামের চিত্তরঞ্জন দাসের ছেলে। তিনি পেশায় মাছ বিক্রেতা।

স্থানীয়রা জানান, শনিবার রাত ১২ টার দিকে তেরিহারা পশ্চিমপাড়া দুর্গাপুজা মণ্ডপের পিছনে গোপাল, বিপ্লব ওরফে চেন্নাই, কাজল, বিকম, হেলালসহ ৭-৮ জন জুয়ার আসর বসায়। জুয়ার আসরেই বিপ্লব ওরফে চেন্নাই এর সাথে গোপালের খেলা নিয়ে বিরোধ হয়। এক পর্যায় বিপ্লব গোপালের পেটে লাথি দিলে গোপাল মাটিতে পড়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন গোপালকে উদ্ধার করে বাড়িতে পৌঁছে দেন। রাত ১ টার দিকে গোপাল পেটে প্রচন্ড ব্যথা অনুভব করলে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ভর্তির আগেই কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

বগুড়া সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জাহিদুল হক বলেন, জুয়া খেলা বিরোধে বিপ্লবের লাথিতে গোপাল মারা গেছেন বলে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। গোপালের মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। বিপ্লব ঘটনার পরপরই পালিয়ে গেছে। অপর দুইজনকে আটক করা হয়েছে।

;