মেয়েকে দিয়ে অপহরণ নাটক সাজিয়ে ধরা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বগুড়া
মেয়েকে দিয়ে অপহরণ নাটক সাজিয়ে ধরা

মেয়েকে দিয়ে অপহরণ নাটক সাজিয়ে ধরা

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রবাসী স্বামীর পাঠানো টাকা আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে তার নানির বাড়িতে লুকিয়ে রেখে অপহরণ নাটক সাজাতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা খেয়েছেন স্কুল ছাত্রীর মা ও তার নানি।

বুধবার (১০ আগস্ট) বগুড়ার গাবতলী উপজেলার দুর্গাহাটা গ্রামে অপহরণ নাটকের ঘটনা ঘটে।

জানাগেছে, বুধবার বিকেলে দুর্গাহাটা গ্রামের ইরাক প্রবাসী উকিল আহম্মেদের স্ত্রী ফারজানা বেগম গাবতলী থানায় অভিযোগ করেন যে, সার্ক মডেল স্কুলে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া তার মেয়ে মঞ্জিলাকে স্কুল ছুটির পর কে বা কারা অপহরণ করে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করছে। এমন অভিযোগ পেয়ে গাবতলী থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে যান। এরপর স্কুলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে পুলিশ দেখতে পান মঞ্জিলা স্কুল থেকে বের হয়ে বাড়ির দিকে না গিয়ে উল্টো দিকে যাচ্ছে এবং বোরকা পরিহিত একজন নারী পিছনে যাচ্ছেন। এরপর যে অটোরিকশায় মঞ্জিলা এবং বোরকা পরিহিত নারী যায় সেই অটোরিকশা শনাক্ত করে পুলিশ। পরে পুুুুলিশ জানতে পারে পার্শ্ববর্তী ফুলবাড়ি বাজারে মঞ্জিলার নানি নাজমা বেগম অপেক্ষা করছিলেন। সেখান থেকে মঞ্জিলার মা ফারজানা তার মেয়েকে শেরপুর থানার উলিপুর গ্রামে নানি নাজমার বোনের বাড়িতে রেখে আসেন। এরপর গাবতলী থানায় অভিযোগ করে যে, তার মেয়েকে অপহরণ করে ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হচ্ছে।

মঞ্জিলার মা ফারজানার কথাবার্তায় পুলিশের সন্দেহ হলে জিজ্ঞাসাবাদে ফারজানা তার মেয়েকে নিয়ে অপহরণ নাটকের সাজানো কাহিনী খুলে বলেন।

ফারজানা পুলিশকে জানায়, তার স্বামী উকিল আহমেদ দীর্ঘদিন ইরাক প্রবাসী। উকিল আহমেদ প্রবাস থেকে বিভিন্ন সময় টাকা পাঠাতো। সেই টাকার মধ্যে ইতিপূর্বে দেড় লাখ টাকা হারিয়ে গেছে বলে স্বামীকে জানায়। এছাড়াও আরও ৩ লাখ টাকা ফারজানা আত্মসাৎ করার লক্ষ্যে শিশু মেয়েকে শিখিয়ে দিয়ে অপহরণ নাটক সাজায় । ফারজানা পুলিশকে আরও জানায় তার স্বামী উকিল আহমেদ আগামী দুই এক দিনের মধ্যে ইরাক থেকে বাংলাদেশে আসবে। স্বামী আসলে বলবে মেয়েকে অপহরণ করেছিল ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে উদ্ধার করা হয়েছে।

গাবতলী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, পুলিশের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে প্রকৃত সত্য বের হয়ে আসে। বর্তমানে ফারজানা ও ফারজানার মা নাজমা বেগম ও শিশু মেয়ে মঞ্জিলা গাবতলী মডেল থানা ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার হেফাজতে আছে।

‘প্রধানমন্ত্রী নিজস্ব অর্থে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করে যাচ্ছেন’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক

  • Font increase
  • Font Decrease

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, খাদ্য নিরাপত্তা টেকসই করার জন্য কৃষিতে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

শনিবার (১ অক্টোবর) গাজীপুরের শ্রীপুরের তেলিহাতিতে খ্রিশ্চিয়ান কমিশন ফর ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশের (সিসিডিবি) উদ্যোগে ক্লাইমেন্ট সেন্টারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, জলবায়ু রক্ষায় উন্নত দেশ থেকে ফান্ড পাওয়া যাবে না ও তারা প্রতিশ্রুতি রাখবে না; সেটি জেনেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজস্ব অর্থে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত সফলভাবে মোকাবিলা করে যাচ্ছেন। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে যে ক্ষতি হচ্ছে তা মোকাবিলা করার জন্য প্রধানমন্ত্রী অকাতরে কৃষিতে এবং কৃষি সংক্রান্ত প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বরাদ্দ দিচ্ছেন এবং তা অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, আমরা সারের জন্য যদি বছরে ২৮ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে পারি। তাহলে ক্লাইমেট চেঞ্জ মোকাবিলার জন্যও অর্থ বরাদ্দ অব্যাহত রাখতে পারব। বর্তমান সরকার জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করে যে কোন মূল্যে দেশের সকলের জন্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

মন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে দেশের কৃষি সেক্টর। আর কৃষিখাতে যে ক্ষতি হবে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি হুমকির মধ্যে রয়েছে দেশের গ্রামের কৃষকেরা। কারণ দেশের ৬০ থেকে ৭০ ভাগ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। তাই কৃষিকে সর্বপ্রথম প্রটেক্ট করতে হবে। এটাই প্রথম চ্যালেঞ্জ। একই সঙ্গে অন্যান্য সেক্টরকেও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করতে হবে।

দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের ২ মিলিয়ন হেক্টর জমি লবণাক্ত উল্লেখ করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, এসব এলাকায় ইতিমধ্যে লবণাক্তসহিষ্ণু বিভিন্ন ফসলের চাষ শুরু হযেছে। যা কৃষকদের মাঝে প্রচুর সাড়া ফেলেছে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন সবুজ, সিসিডিবির অ্যাডভাইজরি বোর্ডের কো-চেয়ারম্যান পানি বিশেষজ্ঞ আইনুন নিশাত, বোর্ডের সদস্য জলবায়ু বিজ্ঞানী সালিমুল হক, ব্রেড ফর দি ওয়ার্ল্ড-জার্মানির পরিচালক পেট্রা বারনার, সিসিডিবি কমিশনের চেয়ারম্যান ডেভিড এ হালদার, সিসিডিবির নির্বাহী পরিচালক জুলিয়েট কেয়া মালাকার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

;

মোংলায় মেট্রোরেলের দ্বাদশ চালান



উপজেলা করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, মোংলা (বাগেরহাট)
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

মেট্রোরেলের দ্বাদশ চালানে ৮টি কোচ ও ৪টি ইঞ্জিন নিয়ে মোংলা বন্দর জেটিতে ভিড়েছে বিদেশি জাহাজ এমভি ভেনাস ট্রাম্প।

শনিবার (১ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় বন্দরের ৮ নম্বর জেটিতে ভিড়ে জাহাজটি। জাহাজটিতে মেট্রোরেলের মেশিনারিসহ একটি পাওয়ার প্লান্টের মেশিনারি পণ্যও রয়েছে।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম মুসা জানান, ৮টি রেলওয়ে কোচ ও ৪টি ইঞ্জিন নিয়ে গত ৮ সেপ্টেম্বর জাপানের কোবে বন্দর থেকে ছেড়ে আসে পানামা পতাকাবাহী জাহাজ এমভি ভেনাস ট্রাম্প। পথিমধ্যে কোরিয়ার মারসান বন্দর থেকে একটি পাওয়ার প্লান্টের মেশিনারি পণ্য নিয়ে আসে জাহাজটি। মেট্রোরেলের কোচ ও ইঞ্জিনের পাশাপাশি ৪৪০ মেট্টিক টন ওজনের মেশিনারি ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি লিমিটেডের ৩৬৭ মেট্টিক টন ওজনের ৭৫ প্যাকেজ মেশিনারি পণ্য নিয়ে ভেনাস ট্রাম্প বিকেল ৫টায় বন্দরের ৮ নম্বর জেটিতে ভিড়ে।

ভেনাস ট্রাম্পের স্থানীয় শিপিং এজেন্ট এনশিয়েন্ট স্টিম শিপ কোম্পানির ব্যবস্থাপক মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, এ জাহাজটিতে আসা কোচ ও ইঞ্জিন রোববার সকাল ৭টা থেকে খালাস শুরু হবে। খালাসের সঙ্গে সঙ্গেই তা বার্জে (নৌযান) করে নৌপথে ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়ি মেট্রোরেলের ডিপোতে নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, জাহাজটিতে ঢাকার পাওয়ার গ্রিড কোম্পানী লিমিটেডের বৈদ্যুতিক মেশিনারি পণ্য এসেছে তা সন্ধ্যা ৬টা থেকে খালাস শুরু হয়েছে। এগুলো নদীপথে ঢাকায় নেওয়া হবে।

ওয়াহিদুজ্জামান জানান, গত ২২ আগস্ট ৮টি রেলওয়ে কোচ ও ৪টি ইঞ্জিনসহ ৩৪ প্যাকেজ মেশিনারি পণ্য নিয়ে এমভি হোসি ক্রাউন এ বন্দরে এসেছিলো। এ পর্যন্ত মেট্রোরেলের ৭৮টি কোচ ও ৩৮টি ইঞ্জিন এসেছে। বাকি ২৮টি কোচ ও ইঞ্জিন ধারাবাহিকভাবে এ বন্দর দিয়েই আমদানি, খালাস ও পরিবহন হবে বলে জানান তিনি।

;

নিলা শুধু কুষ্টিয়ার নয়, দেশের গর্ব: ডিসি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুষ্টিয়া
সাফজয়ী নারী ফুটবলার নিলুফা ইয়াসমীন নীলা ও কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম

সাফজয়ী নারী ফুটবলার নিলুফা ইয়াসমীন নীলা ও কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম

  • Font increase
  • Font Decrease

কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম বলেছেন, সাফজয়ী নারী ফুটবলার নিলুফা ইয়াসমীন নীলা শুধু কুষ্টিয়ার নয়, দেশের গর্ব। আজকের এই অনুষ্ঠানের মধ্যমনি নিলা আমাদের নারী সমাজের পথ প্রদর্শক। অবহেলিত নারী সমাজের আলোকবার্তা। নিলাকে অনুপ্রেরণা মনে করে কুষ্টিয়ার নারী ফুটবল এগিয়ে যাবে।

শনিবার (১ অক্টোবর) কুষ্টিয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার যৌথ আয়োজনে সাফজয়ী বাংলাদেশি নারী ফুটবলার নিলুফা ইয়াসমীন নীলাকে সংবর্ধনা প্রদানকালে সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, আমার বিশ্বাস নারী ফুটবলে জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে বাংলাদেশ। আজ আমরা অনেক আনন্দিত এই কারণে যে যারা সারা বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের সুনাম তুলে ধরেছেন তাদের দলের অন্যতম একজন কুষ্টিয়ার মেয়ে নিলুফা ইয়াসমিন নীলা। তাকে সম্মানিত এবং বরণ করতে পেরে আমরাও সম্মানিত বোধ করছি।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, জেলা পুলিশ সুপার খাইরুল আলম, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট অনুপ কুমার নন্দী এবং খুলনা বিভাগীয় ডিএফএ সভাপতি মকবুল হোসেন লাবলু, কুষ্টিয়া সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রাশেদুল ইসলাম বিপ্লব, প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক তৌহিদী হাসান প্রমুখ। মঞ্চে নিলার মা বাছিরণ খাতুনও উপস্থিত ছিলেন।

সংবর্ধিত হয়ে নিলা বলেন, কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থা সংবর্ধনা দিয়ে আমাকে যেভাবে সম্মানিত করেছে তাতে আমি অভিভূত, পুলকিত। কুষ্টিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আমি উঠে এসেছি। আমার ফুটবলার হয়ে ওঠার পেছনে কুষ্টিয়া জেলা ক্রীড়া সংস্থা ছাড়াও স্মরণ করতে চাই প্রয়াত ফাত্তাহ ভাইকে। তার সার্বিক সহযোগিতায় আমি আজ বাংলাদেশ জাতীয় দলের খেলোয়াড় হতে পেরেছি।

অনুষ্ঠান শেষে নিলার হাতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নগদ এক লাখ টাকা এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে ৫০ হাজার টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়।

এরআগে দুপুরে কুমারখালী উপজেলার মীর মোশাররফ সেতু থেকে জেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে বরণ করে নেওয়া হয় তাকে। পরে কুষ্টিয়া শহর প্রদক্ষিণ শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানস্থলে নিয়ে আসা হয় তাকে। এরপর জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থাসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা সম্মাননা স্মারক ক্রেষ্ট তুৃলে দেওয়া হয়।

;

ভোজ্যতেলে ভ্যাট প্রত্যাহারের সুবিধা উঠে গেল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে সয়াবিন ও পাম তেলের উৎপাদন ও ভোক্তা পর্যায়ের মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট প্রত্যাহারের সুবিধা তুলে নিয়ে আগের জায়গায় ফিরে এসেছে। গত সাড়ে ছয় মাস ভোজ্যতেলের উৎপাদন ও ব্যবসায় পর্যায়ে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট মওকুফ করা ছিল। আমদানি পর্যায়ে ১৫ শতাংশের পরিবর্তে ৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ ছিল।

শনিবার (১ অক্টোবর) থেকে সেই রেয়াতি ভ্যাটসুবিধা আর নেই। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রজ্ঞাপনে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভোজ্যতেল আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের এই সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। শুক্রবার এ সুবিধার মেয়াদ শেষ হয়েছে।

গত মার্চে ভোজ্যতেলের দাম বাড়তে শুরু করলে ১৪ মার্চ এনবিআর প্রজ্ঞাপন জারি করে সয়াবিন ও পাম তেলের উৎপাদন পর্যায়ে ১৫ শতাংশ এবং ব্যবসায় পর্যায়ে ৫ শতাংশ ভ্যাট মওকুফ করে। এর দুই দিন পরে ভোজ্যতেলের আমদানি পর্যায়ে আরোপিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়। তখন এর মেয়াদ ঠিক করা হয় ৩০ জুন পর্যন্ত। পরে ৩ জুলাই আরেকটি প্রজ্ঞাপনে ভ্যাট মওকুফসুবিধার মেয়াদ বাড়িয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর করা হয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দেশে বর্তমানে বছরে ২০ লাখ টন ভোজ্যতেলের চাহিদা আছে। এর মধ্যে ২ লাখ টন স্থানীয় বাজার থেকে সংগ্রহ করা হয়। বাকি ১৮ লাখ টন আমদানি করা হয়।

;