সালমান রুশদির ওপর হামলাকারী হাদি মাটার কে?



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
সালমান রুশদির ওপর হামলাকারী হাদি মাটার কে?

সালমান রুশদির ওপর হামলাকারী হাদি মাটার কে?

  • Font increase
  • Font Decrease

বুকারজয়ী ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক সালমান রুশদির ওপর নিউইয়র্কে হামলা হয়েছে। গুরুতর অবস্থায় তিনি এখন হাসপাতালে আছেন। তিনি ভেন্টিলেশনে আছেন।

রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সালমান রুশদির ওপর আক্রমণকারীকে সঙ্গে সঙ্গেই গ্রেফতার করা হয়। এবার তার পরিচয় প্রকাশ্যে এসেছে। জানা গেছে হাদি মাটার নামে ওই ব্যক্তির বয়স ২৪ বছর। থাকেন নিউ জার্সিতে।

এদিকে পুলিশ এখনও স্পষ্ট ভাবে এই হামলার কারণ সম্পর্কে কিছু জানায়নি। তবে জানা গেছে, অভিযুক্ত হাদি ইরানিস সরকারের প্রতি সহানুভূতিশীল।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৮ সাল থেকে ইরানে নিষিদ্ধ হয় রুশদির লেখা 'দ্য স্যাটানিক ভার্সেস'। একাধিক মুসলিম সংগঠনের দাবি, ইসলাম ধর্মের বিরুদ্ধে কথা বলেন সালমান রুশদি।

ওই বইয়ের কারণে ১৯৮৯ সালে ইরানের নেতা আয়াতোল্লাহ খামেনিই সালমান রুশদির বিরুদ্ধে 'ফতোয়া' দিয়েছিলেন। রুশদির মৃত্যুদণ্ড জারি করেছিলেন। খামেনিই বলেছিল, যে সালমানকে হত্যা করবে তাকে তিন বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেওয়া হবে। পরে ২০১২ সালে সেই ঘোষিত পুরস্কারের পরিমাণ আরও বাড়ানো হয়। 

জানা গেছে, অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য হামলাকারীর হাদির কাছে একটি পাস ছিল। তার শেষ অফিশিয়াল ঠিকানা ফেয়ারভিউতে। হাডসন নদী পার করে ম্যানহাটনের বিপরীতে এই ফেয়ারভিউ। প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে হাদি একেই ছিলেন। এফবিআই নিউইয়র্ক পুলিশকে এই ঘটনার তদন্তে সাহায্য করছে।

ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি ব্যাগ উদ্ধার করেছে যাতে বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস ছিল।

হাদির ফেসবুক প্রোফাইলে আয়াতোল্লাহ খামেনিইর ছবি রয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের দাবি, হাদি ধারাবাহিকভাবে ইরানের কট্টপন্থী সরকার ও রেভোলিউশনারি গার্ডকে সমর্থন জানিয়ে পোস্ট করত।  যে মঞ্চে রুশদির ভাষণ দেওয়ার কথা ছিল সেখানে যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না। সেই সুযোগেই এই ঘটনা ঘটেছে। এই বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

প্রতক্ষ্যদর্শীদের দাবি, হাদি কালো শার্ট এবং কালো মুখোশ পরে ছিল।

এর আগে শুক্রবার সকালে পশ্চিম নিউইয়র্কের শাটোকোয়া ইনস্টিটিউশনের আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেওয়ার সময় সালমান রুশদির ওপর হামলা চালান হাদি মাটার।

প্রধানমন্ত্রীকে কটুক্তি: রাজবাড়ীতে মহিলা দলের নেত্রী গ্রেফতার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজবাড়ী
সোনিয়া আক্তার স্মৃতি

সোনিয়া আক্তার স্মৃতি

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কটুক্তি করে নিজের ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করার অভিযোগে সোনিয়া আক্তার স্মৃতি নামে রাজবাড়ী জেলা মহিলা দলের সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

রাজবাড়ী সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মো. সামসুল আরেফিন চৌধুরীর এজাহারের প্রেক্ষিতে রাজবাড়ী সদর থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

সোনিয়া আক্তার স্মৃতি রাজবাড়ী পৌরসভার ৩নং বেড়াডাঙ্গা এলাকার মো. খোকনের স্ত্রী। তিনি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘রাজবাড়ী ব্লাড ডোনার্স ক্লাব’ নামে একটি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা। নিজের ফেসবুক আইডিতে বিভিন্ন সময় সরকারের বিপক্ষে লেখালেখি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।। তার স্বামী মো. খোকন আহম্মেদ একজন প্রবাসী।

মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) দিবাগত মধ্যরাতে রাজবাড়ী পৌরসভার বেড়াডাঙ্গা এলাকার নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে রাজবাড়ী সদর থানা পুলিশ।

মো: সামসুল আরেফিন চৌধুরীর এজাহারের প্রেক্ষিতে রাজবাড়ী সদর থানার পুলিশ দন্ডবিধি ১৫৩ ও ৫০৫ ধারায় মামলা গ্রহণ করে। রাজবাড়ী জেলা পুলিশের এক পরিদর্শক মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আসামি উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করিবার লক্ষ্যে উল্লেখিত মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানীকার ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত বক্তব্য সামজিক যোগাযোগ মাধ্যম/ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচার করেন।

গ্রেফতারের আগে ফেসবুক লাইভে আসেন সোনিয়া আক্তার স্মৃতি। সেখানে পুলিশকে উদ্দেশ্যে করে তিনি বলেন, আমাকে মধ্যরাতে কেন ধরতে আসছেন? আমি তো পালিয়ে যাচ্ছি না। আমার ছোট ছোট দুইটা বাচ্চা আছে। আমি তাদের রেখে আসছি। আমাকে ১০-১৫ মিনিট সময় দেন। আমি স্বেচ্ছায় বের হচ্ছি। তিনি ভাল আছেন, সুস্থ্য আছেন বলে ফেসবুকে সবার উদ্দেশ্যে জানান।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রাজবাড়ী সদর থানার উপ-পরিদর্শক আলেয়া আক্তার বলেন, সদর থানায় মামলার প্রেক্ষিতে রাতে তাকে নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

জেলা মহিলা দলের এই সদস্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিএনপির পক্ষে লেখালেখি করেন এবং বিভিন্ন সময়ে সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন। ফেসবুকে সরকারবিরোধী পোস্ট করার কারণে তিনি অনেক সময় প্রতিপক্ষের রোষাণলে পড়েছেন। সম্প্রতি রাজবাড়ী বিএনপির দলীয় কার্যালয় থেকে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে লাঞ্ছিত হয়েছিলেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় থাকা নারী সোনিয়া আক্তার স্মৃতি।

গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, সোনিয়া আক্তারের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা রয়েছে। রাতেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ বুধবার (৫ অক্টোবর) তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

এর আগে গত সোমবার সন্ধ্যায় সামসুল আরেফিন চৌধুরী নামের স্থানীয় এক আওয়ামী লীগের নেতা ফেসবুক পোস্টের বিষয়ে রাজবাড়ী সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। পরে অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়। প্রধানমন্ত্রীকে কটুক্তি করে প্রায় এক মাসে আগে ফেসবুকে ওই পোস্ট তিনি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ সূত্রে জানা যায়।

 

;

চুয়াডাঙ্গায় মায়ের কোল থেকে ছিটকে পড়ে শিশুর মৃত্যু



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চুয়াডাঙ্গা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে মায়ের কোল থেকে ছিটকে পড়ে ৮ মাস বয়সী শিশু আব্দুর রহমানের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। 

বুধবার (০৫ অক্টোবর) সাড়ে ১১টার দিকে জীবননগর-তেতুলিয়া সড়কের একটি চালমিলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত শিশুটির মা শান্তা খাতুনকে উদ্ধার করে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহত আব্দুর রহমান (৮) জীবননগর পৌর এলাকার শাপলাকলিপাড়ার রুবেল হোসেনের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, সকালে শিশু আব্দুর রহমানকে নিয়ে পাখিভ্যানযোগে বাবার বাড়ি তেতুলিয়া গ্রামে যাচ্ছিলেন মা শান্তা খাতুন। এসময় জীবননগর-তেতুলিয়া সড়কের হাসেম মিয়ার চাতালের সামনে পৌঁছালে পাখিভ্যানটি ভেঙে যায়। এতে ভ্যান থেকে পাকা রাস্তার উপর ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন মা শান্তা খাতুন ও শিশু আব্দুর রহমান। তাদের উদ্ধার করে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত মা শান্তা খাতুনকে হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, শিশু আব্দুর রহমানের মাথায় প্রচণ্ড আঘাত লাগায় হাসপাতালে নেয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়। মা শান্তা খাতুনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে।

জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল খালেক জানান, নিহত শিশুর মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। কোন অভিযোগ না থাকায় আবেদনের প্রেক্ষিতে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

;

মর্ত্যলোক ছেড়ে কৈলাসে ফিরলেন দেবী দুর্গা



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

ষষ্ঠী, সপ্তমী, মহাষ্টমী, মহানবমী পেরিয়ে দুর্গাপূজার আজ বিজয়া দশমী। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শুক্রবার আনুষ্ঠানিকতা শেষ হচ্ছে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় এ উৎসবের।

বুধবার (৫ অক্টোবর) সকাল ১০টায় যথারীতি দশমীবিহিত পূজা শুরু হয়, যা বিকাল পর্যন্ত অশ্রুসিক্ত দর্পণ বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে। প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে দেবী দুর্গা এই মর্ত্যলোক ছেড়ে কৈলাসে ফিরছেন।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ জানিয়েছে, আজ সকালে দশমীবিহিত পূজা শেষে দর্পণ বিসর্জন শুরু হয় সারা দেশে। বিজয়ার শোভাযাত্রা নিয়ে চলছে প্রতিমা বিসর্জনের পালা। বিসর্জন শেষে শান্তিজল নিয়ে ঘরে ফিরবেন হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ।

প্রতিমা বিসর্জন দিতে ঢাকেশ্বরী মন্দির থেকে বিকাল ৪টায় কেন্দ্রীয় বিজয়া শোভাযাত্রা বের হয়। এতে যোগ দেয় ঢাকার ২৪১টি মণ্ডপ থেকে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষজন। তারা ঢাকঢোল পিটিয়ে পলাশীর মোড়ে জড়ো হন। এখান থেকে সম্মিলিতভাবে বিজয়ার শোভাযাত্রা যাবে সদরঘাটের ওয়াইজঘাটের বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে। এরপর চলছে প্রতিমা বিসর্জন।

এ সময় শঙ্খ আর উলুধ্বনি, খোল-করতাল-ঢাকঢোলের সনাতনী বাজনা বাজিয়ে মানুষ উৎসবে মেতে উঠেন। এদিকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ওয়াইজঘাটে ব্যাপক পুলিশ, র‌্যাব ও নৌ পুলিশ বাহিনীর সদস্য মোতায়েন ছিল।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি জে এল ভৌমিক বলেন, ‘ঢাকা ও ঢাকার বাইরে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে এবারের দুর্গোৎসব হচ্ছে। আজ বিসর্জনের মধ্য দিয়ে আয়োজন শেষ হবে। এখন পর্যন্ত কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। আমরা আনন্দমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপন করছি। শেষ সময়ে মণ্ডপগুলোতে বিদায়ের সুর লক্ষ করা যাচ্ছে।’

এ বছর সারাদেশের ৩২ হাজার ১৬৮টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা উদযাপন করা হচ্ছে। গত বছর সারা দেশের পূজামণ্ডপের সংখ্যা ছিল ৩২ হাজার ১১৮টি; যা গত বছরের থেকে ৫০টি বেশি। আর ঢাকা মহানগরে মণ্ডপের সংখ্যা ২৪১টি; যা গত বছরের থেকে ছয়টি বেশি।

;

বিয়ে বাড়িতে কিশোরীকে ধর্ষণ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় বাড়ির পাশের দূর সম্পর্কের চাচাতো বোনের বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়ে এক কিশোরী (১৫) ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ঘটনার পর পরই অভিযুক্ত যুবক সপরিবারে পলাতক রয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) রাত ১১টার উপজেলার কবিরহাট পৌরসভার ৬নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। পরে দিবাগত রাত ২টার দিকে নির্যাতিত কিশোরীকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশ।

অভিযুক্ত যুবকের নাম টিপু (২৫)। সে উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের কালামুন্সি বাজার সংলগ্ন মালি পাড়া এলাকার নুরনবী মেম্বার বাড়ির রফিকের ছেলে।

পুলিশ ও এবং নির্যাতিত কিশোরীর পরিবার জানায়, অভিযুক্ত যুবক ও নির্যাতিত কিশোরী দূর সম্পর্কের মামাতো-ফুফাতো ভাই বোন। গতকাল মঙ্গলবার ওই কিশোরী তার পরিবারের সদস্যদের সাথে বাড়ির পাশে আরেক আত্মীয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যায়। একপর্যায়ে ওই কিশোরের মা-বাবা বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে তাদের বাড়িতে চলে যায়। পরে অভিযুক্ত টিপু কৌশলে ওই কিশোরীকে বিয়ে বাড়ির একটি বিল্ডিংয়ের ছাদে নিয়ে ধর্ষণ করে। তারপর কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়লে ওই ধর্ষক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, পুলিশ রাত ২টার দিকে খবর পেয়ে ভুক্তভোগী কিশোরীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। ভুক্তভোগী কিশোরের পিতা থানায় এসেছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অভিযুক্ত যুবক ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছে। পুলিশ আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে।

;