পার্বত্যাঞ্চলের নারীদের জীবনমান উন্নয়নে উদ্ভাবনী আইডিয়া প্রতিযোগিতা শুরু



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
পার্বত্যাঞ্চলের নারীদের জীবনমান উন্নয়নে উদ্ভাবনী আইডিয়া প্রতিযোগিতা শুরু

পার্বত্যাঞ্চলের নারীদের জীবনমান উন্নয়নে উদ্ভাবনী আইডিয়া প্রতিযোগিতা শুরু

  • Font increase
  • Font Decrease

পার্বত্য চট্টগ্রামের নারীদের জীবনমান উন্নয়নে পরিবেশবান্ধব স্যানিটারি প্যাড এবং রান্নার চুলা উদ্ভাবনের খোঁজে আইডিয়া প্রতিযোগিতা শুরু করা হয়েছে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং ইউএনডিপি স্ট্রেংথেনিং ইনক্লুসিভ ডেভেলপমেন্ট ইন চিটাগাং হিল ট্র্যাক্টস (এসআইডি-সিএইচটি) আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় কারিগরি সহযোগিতা প্রদান করছে এটুআই ইনোভেশন ল্যাব এবং আর্থিক সহাযোগিতা প্রদান করছে গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডা।

মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে চ্যালেঞ্জ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোসাম্মৎ হামিদা বেগম। এসময় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে এটুআই-এর প্রকল্প পরিচালক (যুগ্মসচিব) ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর এবং ইউএনডিপি বাংলাদেশের সহকারী আবাসিক প্রতিনিধি প্রসেনজিৎ চাকমা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এসআইডি-সিএইচটি এর এনপিডি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) সত্যেন্দ্র কুমার সরকার।

সরকার কর্তৃক পরিচালিত বেইজলাইন ন্যাশনাল হাইজিন জরিপ ২০১৮ অনুসারে বাংলাদেশে মাত্র ১৩ ভাগ নারী সঠিক মাসিক স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললেও সচেতনতার অভাবে এখনও পার্বত্য চট্টগ্রামের নারী ও মেয়েরা অনেক পিছিয়ে রয়েছেন। এছাড়া সামাজিক ও সাংস্কৃতিক রীতিনীতির কারণে যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যের বিষয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের নারীরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। মাসিক স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে এখনও তারা কুসংস্কার, ভ্রান্ত ধারণা ও পৌরাণিক কাহিনীর উপর বিশ্বাস করেন এবং সমাজের লোকেরা মাসিকের বিষয়টিকে অসম্মানজনক বলে মনে করেন।

অন্যদিকে, পার্বত্য অঞ্চলের দারিদ্র্য এবং লিঙ্গ বৈষ্যমের কারণে নারীরা গৃহস্থালির কাজ এবং গৃহস্থালির জ্বালানির চাহিদা যেমন- কাঠ এবং অন্যান্য জৈববস্তু সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত থাকেন। রান্নায় কাঠ-কয়লা সঠিকভাবে ব্যবহার না করার কারণে নারীদের অনেক ধরনের স্বাস্থ্যগত সমস্যা তৈরি হয়। এছাড়া, বন থেকে জ্বালানি কাঠ সংগ্রহ করতে গিয়ে তারা নিরাপত্তা এবং যৌন সহিংসতার মতো ঝুঁকিরও সম্মুখীন হন। এই দু’টি সমস্যার সমাধানে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি জেলায় বসবাস করা মেয়ে ও নারীদের জন্য পরিবেশবান্ধব স্যানিটারি প্যাড এবং উন্নত রান্নার চুলা উদ্ভাবনের সর্বোত্তম সমাধানের খোঁজে এই আইডিয়া প্রতিযোগিতা চালু হয়েছে।

প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য আগামী ৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আগ্রহী উদ্ভাবকেরা তাদের আইডিয়া জমা দিতে পারবেন। নাগরিকদের কাছ থেকে জমা হওয়া উদ্ভাবনী আইডিয়াগুলো থেকে সম্মানিত জুরি বোর্ড টেকসই ও সাশ্রয়ী দুটি আইডিয়াকে পুরস্কৃত করবেন। পরবর্তীতে এই প্রতিযোগিতায় বিজয়ী দু’টি নতুন উদ্ভাবনকে প্রোটোটাইপ উন্নয়ন এবং পাইলটিং এর জন্য সীড মানি হিসেবে ২৫ লাখ টাকা করে প্রদান করা হবে। এই প্রতিযোগিতা সংক্রান্ত বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: https://ilab.gov.bd/cht-challenge-2022/ ।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোসাম্মৎ হামিদা বেগম বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের কারণে নারীদের উৎপাদন ক্ষমতা আগে থেকে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় উদ্ভাবন সবার ব্যবহারের উপযোগী করে তৈরি করতে পারলে উদ্ভাবনের সম্ভাবনাগুলোকে পুরোপুরি কাজে লাগানো সম্ভব হবে। এধরনের স্থানীয় উদ্ভাবনের ফলে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মধ্যেও উদ্ভাবন চর্চা বৃদ্ধি পাবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এটুআই এর প্রকল্প পরিচালক (যুগ্মসচিব) ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর বলেন, সরকারি সেবাগুলোকে আরও বেশি জনবান্ধব করতে আমরা সহায়তা করে যাচ্ছি। জ্বালানির ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রযুক্তিনির্ভর স্থানীয় উদ্ভাবন নিয়ে আমাদেরকে কাজ করতে হবে। পাবর্ত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রযুক্তিনির্ভর সহযোগিতা করতে এটুআই সবসময় প্রস্তুত রয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত সচিব সত্যেন্দ্র কুমার সরকার বলেন, শুধু আজকের উদ্বোধন হওয়া চ্যালেঞ্জ দুটোই নয় অন্য যেকোনো সমস্যার সমাধান নিয়ে আসলেও আমরা প্রকল্ল থেকে অথবা মন্ত্রণালয় থেকে সহযোগিতা প্রদান করার জন্য প্রস্তুত রয়েছি। প্রযুক্তিগত শিক্ষা ও উদ্ভাবন পাবত্য অঞ্চলে পৌঁছে দিতে এটুআই এর সাথে সমন্বয় করে ইতিমধ্যে আমরা অনেকগুলো উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।

প্রতিযোগিতার উদ্বোধন অনুষ্ঠানের শুরুতে চ্যালেঞ্জ ফান্ড সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন ঝুমা দেওয়ান, চিফ, জেন্ডার অ্যান্ড কমিউনিটি কোহেসন, ইউএনডিপি-এর এসআইডি-সিএইচটি; সূচনা বক্তব্য প্রদান করেন সুপ্রদীপ চাকমা, এনপিএম, সিআইডি-সিএইচটি, ইউএনডিপি; চ্যালেঞ্জ ফান্ডের উপর একটি উপস্থাপনা প্রদান করেন এটুআই-আইল্যাব এর হেড অব টেকনোলজি ফারুক আহমেদ জুয়েল। এসময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, এটুআই, ইউএনডিপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষাবিদ এবং গণমাধ্যমকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

‘প্রধানমন্ত্রী নিজস্ব অর্থে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করে যাচ্ছেন’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক

  • Font increase
  • Font Decrease

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, খাদ্য নিরাপত্তা টেকসই করার জন্য কৃষিতে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

শনিবার (১ অক্টোবর) গাজীপুরের শ্রীপুরের তেলিহাতিতে খ্রিশ্চিয়ান কমিশন ফর ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশের (সিসিডিবি) উদ্যোগে ক্লাইমেন্ট সেন্টারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, জলবায়ু রক্ষায় উন্নত দেশ থেকে ফান্ড পাওয়া যাবে না ও তারা প্রতিশ্রুতি রাখবে না; সেটি জেনেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজস্ব অর্থে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত সফলভাবে মোকাবিলা করে যাচ্ছেন। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে যে ক্ষতি হচ্ছে তা মোকাবিলা করার জন্য প্রধানমন্ত্রী অকাতরে কৃষিতে এবং কৃষি সংক্রান্ত প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বরাদ্দ দিচ্ছেন এবং তা অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, আমরা সারের জন্য যদি বছরে ২৮ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে পারি। তাহলে ক্লাইমেট চেঞ্জ মোকাবিলার জন্যও অর্থ বরাদ্দ অব্যাহত রাখতে পারব। বর্তমান সরকার জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করে যে কোন মূল্যে দেশের সকলের জন্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

মন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে দেশের কৃষি সেক্টর। আর কৃষিখাতে যে ক্ষতি হবে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি হুমকির মধ্যে রয়েছে দেশের গ্রামের কৃষকেরা। কারণ দেশের ৬০ থেকে ৭০ ভাগ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। তাই কৃষিকে সর্বপ্রথম প্রটেক্ট করতে হবে। এটাই প্রথম চ্যালেঞ্জ। একই সঙ্গে অন্যান্য সেক্টরকেও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করতে হবে।

দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের ২ মিলিয়ন হেক্টর জমি লবণাক্ত উল্লেখ করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, এসব এলাকায় ইতিমধ্যে লবণাক্তসহিষ্ণু বিভিন্ন ফসলের চাষ শুরু হযেছে। যা কৃষকদের মাঝে প্রচুর সাড়া ফেলেছে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন সবুজ, সিসিডিবির অ্যাডভাইজরি বোর্ডের কো-চেয়ারম্যান পানি বিশেষজ্ঞ আইনুন নিশাত, বোর্ডের সদস্য জলবায়ু বিজ্ঞানী সালিমুল হক, ব্রেড ফর দি ওয়ার্ল্ড-জার্মানির পরিচালক পেট্রা বারনার, সিসিডিবি কমিশনের চেয়ারম্যান ডেভিড এ হালদার, সিসিডিবির নির্বাহী পরিচালক জুলিয়েট কেয়া মালাকার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

;

মোংলায় মেট্রোরেলের দ্বাদশ চালান



উপজেলা করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, মোংলা (বাগেরহাট)
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

মেট্রোরেলের দ্বাদশ চালানে ৮টি কোচ ও ৪টি ইঞ্জিন নিয়ে মোংলা বন্দর জেটিতে ভিড়েছে বিদেশি জাহাজ এমভি ভেনাস ট্রাম্প।

শনিবার (১ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় বন্দরের ৮ নম্বর জেটিতে ভিড়ে জাহাজটি। জাহাজটিতে মেট্রোরেলের মেশিনারিসহ একটি পাওয়ার প্লান্টের মেশিনারি পণ্যও রয়েছে।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম মুসা জানান, ৮টি রেলওয়ে কোচ ও ৪টি ইঞ্জিন নিয়ে গত ৮ সেপ্টেম্বর জাপানের কোবে বন্দর থেকে ছেড়ে আসে পানামা পতাকাবাহী জাহাজ এমভি ভেনাস ট্রাম্প। পথিমধ্যে কোরিয়ার মারসান বন্দর থেকে একটি পাওয়ার প্লান্টের মেশিনারি পণ্য নিয়ে আসে জাহাজটি। মেট্রোরেলের কোচ ও ইঞ্জিনের পাশাপাশি ৪৪০ মেট্টিক টন ওজনের মেশিনারি ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি লিমিটেডের ৩৬৭ মেট্টিক টন ওজনের ৭৫ প্যাকেজ মেশিনারি পণ্য নিয়ে ভেনাস ট্রাম্প বিকেল ৫টায় বন্দরের ৮ নম্বর জেটিতে ভিড়ে।

ভেনাস ট্রাম্পের স্থানীয় শিপিং এজেন্ট এনশিয়েন্ট স্টিম শিপ কোম্পানির ব্যবস্থাপক মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, এ জাহাজটিতে আসা কোচ ও ইঞ্জিন রোববার সকাল ৭টা থেকে খালাস শুরু হবে। খালাসের সঙ্গে সঙ্গেই তা বার্জে (নৌযান) করে নৌপথে ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়ি মেট্রোরেলের ডিপোতে নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, জাহাজটিতে ঢাকার পাওয়ার গ্রিড কোম্পানী লিমিটেডের বৈদ্যুতিক মেশিনারি পণ্য এসেছে তা সন্ধ্যা ৬টা থেকে খালাস শুরু হয়েছে। এগুলো নদীপথে ঢাকায় নেওয়া হবে।

ওয়াহিদুজ্জামান জানান, গত ২২ আগস্ট ৮টি রেলওয়ে কোচ ও ৪টি ইঞ্জিনসহ ৩৪ প্যাকেজ মেশিনারি পণ্য নিয়ে এমভি হোসি ক্রাউন এ বন্দরে এসেছিলো। এ পর্যন্ত মেট্রোরেলের ৭৮টি কোচ ও ৩৮টি ইঞ্জিন এসেছে। বাকি ২৮টি কোচ ও ইঞ্জিন ধারাবাহিকভাবে এ বন্দর দিয়েই আমদানি, খালাস ও পরিবহন হবে বলে জানান তিনি।

;

নিলা শুধু কুষ্টিয়ার নয়, দেশের গর্ব: ডিসি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুষ্টিয়া
সাফজয়ী নারী ফুটবলার নিলুফা ইয়াসমীন নীলা ও কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম

সাফজয়ী নারী ফুটবলার নিলুফা ইয়াসমীন নীলা ও কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম

  • Font increase
  • Font Decrease

কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম বলেছেন, সাফজয়ী নারী ফুটবলার নিলুফা ইয়াসমীন নীলা শুধু কুষ্টিয়ার নয়, দেশের গর্ব। আজকের এই অনুষ্ঠানের মধ্যমনি নিলা আমাদের নারী সমাজের পথ প্রদর্শক। অবহেলিত নারী সমাজের আলোকবার্তা। নিলাকে অনুপ্রেরণা মনে করে কুষ্টিয়ার নারী ফুটবল এগিয়ে যাবে।

শনিবার (১ অক্টোবর) কুষ্টিয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার যৌথ আয়োজনে সাফজয়ী বাংলাদেশি নারী ফুটবলার নিলুফা ইয়াসমীন নীলাকে সংবর্ধনা প্রদানকালে সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, আমার বিশ্বাস নারী ফুটবলে জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে বাংলাদেশ। আজ আমরা অনেক আনন্দিত এই কারণে যে যারা সারা বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের সুনাম তুলে ধরেছেন তাদের দলের অন্যতম একজন কুষ্টিয়ার মেয়ে নিলুফা ইয়াসমিন নীলা। তাকে সম্মানিত এবং বরণ করতে পেরে আমরাও সম্মানিত বোধ করছি।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, জেলা পুলিশ সুপার খাইরুল আলম, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট অনুপ কুমার নন্দী এবং খুলনা বিভাগীয় ডিএফএ সভাপতি মকবুল হোসেন লাবলু, কুষ্টিয়া সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রাশেদুল ইসলাম বিপ্লব, প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক তৌহিদী হাসান প্রমুখ। মঞ্চে নিলার মা বাছিরণ খাতুনও উপস্থিত ছিলেন।

সংবর্ধিত হয়ে নিলা বলেন, কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থা সংবর্ধনা দিয়ে আমাকে যেভাবে সম্মানিত করেছে তাতে আমি অভিভূত, পুলকিত। কুষ্টিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আমি উঠে এসেছি। আমার ফুটবলার হয়ে ওঠার পেছনে কুষ্টিয়া জেলা ক্রীড়া সংস্থা ছাড়াও স্মরণ করতে চাই প্রয়াত ফাত্তাহ ভাইকে। তার সার্বিক সহযোগিতায় আমি আজ বাংলাদেশ জাতীয় দলের খেলোয়াড় হতে পেরেছি।

অনুষ্ঠান শেষে নিলার হাতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নগদ এক লাখ টাকা এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে ৫০ হাজার টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়।

এরআগে দুপুরে কুমারখালী উপজেলার মীর মোশাররফ সেতু থেকে জেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে বরণ করে নেওয়া হয় তাকে। পরে কুষ্টিয়া শহর প্রদক্ষিণ শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানস্থলে নিয়ে আসা হয় তাকে। এরপর জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থাসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা সম্মাননা স্মারক ক্রেষ্ট তুৃলে দেওয়া হয়।

;

ভোজ্যতেলে ভ্যাট প্রত্যাহারের সুবিধা উঠে গেল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে সয়াবিন ও পাম তেলের উৎপাদন ও ভোক্তা পর্যায়ের মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট প্রত্যাহারের সুবিধা তুলে নিয়ে আগের জায়গায় ফিরে এসেছে। গত সাড়ে ছয় মাস ভোজ্যতেলের উৎপাদন ও ব্যবসায় পর্যায়ে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট মওকুফ করা ছিল। আমদানি পর্যায়ে ১৫ শতাংশের পরিবর্তে ৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ ছিল।

শনিবার (১ অক্টোবর) থেকে সেই রেয়াতি ভ্যাটসুবিধা আর নেই। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রজ্ঞাপনে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভোজ্যতেল আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের এই সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। শুক্রবার এ সুবিধার মেয়াদ শেষ হয়েছে।

গত মার্চে ভোজ্যতেলের দাম বাড়তে শুরু করলে ১৪ মার্চ এনবিআর প্রজ্ঞাপন জারি করে সয়াবিন ও পাম তেলের উৎপাদন পর্যায়ে ১৫ শতাংশ এবং ব্যবসায় পর্যায়ে ৫ শতাংশ ভ্যাট মওকুফ করে। এর দুই দিন পরে ভোজ্যতেলের আমদানি পর্যায়ে আরোপিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়। তখন এর মেয়াদ ঠিক করা হয় ৩০ জুন পর্যন্ত। পরে ৩ জুলাই আরেকটি প্রজ্ঞাপনে ভ্যাট মওকুফসুবিধার মেয়াদ বাড়িয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর করা হয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দেশে বর্তমানে বছরে ২০ লাখ টন ভোজ্যতেলের চাহিদা আছে। এর মধ্যে ২ লাখ টন স্থানীয় বাজার থেকে সংগ্রহ করা হয়। বাকি ১৮ লাখ টন আমদানি করা হয়।

;