‘গণজাগরণের ক্ষেত্রে সম্প্রীতি বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে’



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আলোচনা সভা

আলোচনা সভা

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সামাজিক, সাংস্কৃতিক, গণজাগরণ সমানভাবে ঘটাতে না পারলে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো বাধাগ্রস্ত হবে। গণজাগরণ সৃষ্টির ক্ষেত্রে সম্প্রীতি বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সম্প্রীতি বাংলার দৃষ্টান্ত বিশ্বমাঝে তুলে ধরতে পারলে বিশ্ববাসীর যথাযথ উপকার হবে বলে মত প্রকাশ করেছেন বক্তরা।

শুক্রবার (১৯ আগস্ট) বিকাল ৪টায় সিলেট জেলা পরিষদ মিলনায়তনে সম্প্রীতি বাংলাদেশ আয়োজিত ‘আগস্ট: শোকের মাস, ষড়যন্ত্রের মাস’ শীর্ষক আলোচনায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

সম্প্রীতি বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় আহবায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা ছিলেন শহীদ জায়া শিক্ষাবিদ শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী।

শিক্ষাবিদ শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বঙ্গবন্ধুর নীতি ও আদর্শ সর্বোচ্চ পর্যায়ে অনুসরণ না করতে পারলে, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠিত হবে না। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নে বাহাত্তরের সংবিধানে বর্ণিত ধর্ম নিরপেক্ষতাকে বিনষ্ট করার ক্ষেত্রে যে অপশক্তি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অবিরত ষড়যন্ত্র করে চলেছ, তাদের বিরুদ্ধে দল মত ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালি জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। তিনি আরও বলেন, সম্প্রীতি বাংলাদেশের মত সংগঠনের পাশে সকল অসাম্প্রদায়িক সংগঠন এবং মানুষের শক্তভাবে দাঁড়াতে হবে।

পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শনে অন্যতম উপাদান ছিল মানবকল্যাণ, সামাজ কল্যাণ, বাঙালির জয়যাত্রা এবং সমৃদ্ধ সোনার বাংলার স্বপ্ন। একই সঙ্গে বাঙালির হাজার বছরের সংস্কৃতি তিনি লালন করতেন তার জীবনাচারে। সম্প্রীতি বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর জীবন দর্শনের এই বৈশিষ্ট্যগুলোকে ধারণ করে পথ চলা শুরু করেছে এবং সম্প্রীতি বাংলাদেশের এই পথ চলা ততদিন পর্যন্ত চলবে, যতদিন পর্যন্ত বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শে শতভাগ অসাম্প্রদায়িক না করা যাবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সমাজে সাম্প্রদায়িকতার, ভাতৃত্বের, সকল প্রকার বৈষম্যের শত্রুকে উপরে ফেলে বাংলাদেশকে একটি সুখী, সমৃদ্ধ, অসাম্প্রদায়িক এবং সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তোলার কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত সম্প্রীতি বাংলাদেশ নিরলসভাবে কাজ করে যাবে। অসাম্প্রদায়িক ও সম্প্রীতির সমাজ গঠনের মাধ্যমেই শোধ হবে পিতৃঋণ।

তিনি আরও বলেন, জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই প্রতিষ্ঠিত হবে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ এবং দর্শন।

সম্প্রীতি বাংলাদেশের সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল বলেন, সিলেট অঞ্চল সম্প্রীতির পিঠস্থান। শত শত বছর ধরে এই অঞ্চলের মানুষ সম্প্রীতির বন্ধনে শ্রদ্ধাশীল। সিলেটের সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত দেশে বিদেশে সবখানেই সুপরিচিত এবং প্রতিষ্ঠিত। সম্প্রীতি বাংলাদেশের কার্যপরিধি সিলেটের মানুষের মাঝে পৌঁছে দিতে পারাটা সংগঠনের জন্যে একটি বিশাল প্রাপ্তি হবে। এ ব্যাপারে স্থানীয় পর্যায়ের রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষা এবং তরুণ প্রজন্মকে সম্প্রীতি বাংলাদেশের ছায়াতলে এসে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ এবং হাজার বছরের বাঙালির ঐতিহ্যকে প্রতিষ্ঠা করবার জন্য আহবান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন- সিলেট মহানগর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নাসির উদ্দীন খান সহ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে ছাত্র, যুব, মহিলা নেতৃবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, স্থানীয় বুদ্ধিজীবী, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ এবং তরুণ প্রজন্মের দর্শক উপস্থিত ছিলেন।

মর্ত্যলোক ছেড়ে কৈলাসে ফিরলেন দেবী দুর্গা



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

ষষ্ঠী, সপ্তমী, মহাষ্টমী, মহানবমী পেরিয়ে দুর্গাপূজার আজ বিজয়া দশমী। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শুক্রবার আনুষ্ঠানিকতা শেষ হচ্ছে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় এ উৎসবের।

বুধবার (৫ অক্টোবর) সকাল ১০টায় যথারীতি দশমীবিহিত পূজা শুরু হয়, যা বিকাল পর্যন্ত অশ্রুসিক্ত দর্পণ বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে। প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে দেবী দুর্গা এই মর্ত্যলোক ছেড়ে কৈলাসে ফিরছেন।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ জানিয়েছে, আজ সকালে দশমীবিহিত পূজা শেষে দর্পণ বিসর্জন শুরু হয় সারা দেশে। বিজয়ার শোভাযাত্রা নিয়ে চলছে প্রতিমা বিসর্জনের পালা। বিসর্জন শেষে শান্তিজল নিয়ে ঘরে ফিরবেন হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ।

প্রতিমা বিসর্জন দিতে ঢাকেশ্বরী মন্দির থেকে বিকাল ৪টায় কেন্দ্রীয় বিজয়া শোভাযাত্রা বের হয়। এতে যোগ দেয় ঢাকার ২৪১টি মণ্ডপ থেকে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষজন। তারা ঢাকঢোল পিটিয়ে পলাশীর মোড়ে জড়ো হন। এখান থেকে সম্মিলিতভাবে বিজয়ার শোভাযাত্রা যাবে সদরঘাটের ওয়াইজঘাটের বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে। এরপর চলছে প্রতিমা বিসর্জন।

এ সময় শঙ্খ আর উলুধ্বনি, খোল-করতাল-ঢাকঢোলের সনাতনী বাজনা বাজিয়ে মানুষ উৎসবে মেতে উঠেন। এদিকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ওয়াইজঘাটে ব্যাপক পুলিশ, র‌্যাব ও নৌ পুলিশ বাহিনীর সদস্য মোতায়েন ছিল।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি জে এল ভৌমিক বলেন, ‘ঢাকা ও ঢাকার বাইরে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে এবারের দুর্গোৎসব হচ্ছে। আজ বিসর্জনের মধ্য দিয়ে আয়োজন শেষ হবে। এখন পর্যন্ত কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। আমরা আনন্দমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপন করছি। শেষ সময়ে মণ্ডপগুলোতে বিদায়ের সুর লক্ষ করা যাচ্ছে।’

এ বছর সারাদেশের ৩২ হাজার ১৬৮টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা উদযাপন করা হচ্ছে। গত বছর সারা দেশের পূজামণ্ডপের সংখ্যা ছিল ৩২ হাজার ১১৮টি; যা গত বছরের থেকে ৫০টি বেশি। আর ঢাকা মহানগরে মণ্ডপের সংখ্যা ২৪১টি; যা গত বছরের থেকে ছয়টি বেশি।

;

বিয়ে বাড়িতে কিশোরীকে ধর্ষণ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় বাড়ির পাশের দূর সম্পর্কের চাচাতো বোনের বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়ে এক কিশোরী (১৫) ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ঘটনার পর পরই অভিযুক্ত যুবক সপরিবারে পলাতক রয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) রাত ১১টার উপজেলার কবিরহাট পৌরসভার ৬নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। পরে দিবাগত রাত ২টার দিকে নির্যাতিত কিশোরীকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশ।

অভিযুক্ত যুবকের নাম টিপু (২৫)। সে উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের কালামুন্সি বাজার সংলগ্ন মালি পাড়া এলাকার নুরনবী মেম্বার বাড়ির রফিকের ছেলে।

পুলিশ ও এবং নির্যাতিত কিশোরীর পরিবার জানায়, অভিযুক্ত যুবক ও নির্যাতিত কিশোরী দূর সম্পর্কের মামাতো-ফুফাতো ভাই বোন। গতকাল মঙ্গলবার ওই কিশোরী তার পরিবারের সদস্যদের সাথে বাড়ির পাশে আরেক আত্মীয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যায়। একপর্যায়ে ওই কিশোরের মা-বাবা বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে তাদের বাড়িতে চলে যায়। পরে অভিযুক্ত টিপু কৌশলে ওই কিশোরীকে বিয়ে বাড়ির একটি বিল্ডিংয়ের ছাদে নিয়ে ধর্ষণ করে। তারপর কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়লে ওই ধর্ষক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, পুলিশ রাত ২টার দিকে খবর পেয়ে ভুক্তভোগী কিশোরীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। ভুক্তভোগী কিশোরের পিতা থানায় এসেছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অভিযুক্ত যুবক ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছে। পুলিশ আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে।

;

সাজেকে যান চলাচল স্বাভাবিক, স্বস্তিতে পর্যটকরা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাঙামাটি
সাজেকে যান চলাচল স্বাভাবিক, ভোগান্তি কাটিয়ে স্বস্তিতে পর্যটকরা

সাজেকে যান চলাচল স্বাভাবিক, ভোগান্তি কাটিয়ে স্বস্তিতে পর্যটকরা

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যদের দীর্ঘ ৮ ঘন্টা অক্লান্ত পরিশ্রমে অবশেষে সচল হয়েছে রাঙামাটির সাজেক-খাগড়াছড়ির সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা।

মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর থেকে অতি বৃষ্টির কারণে বুধবার ভোর রাতে সাজেকে যাওয়ার পথে শুকনা নন্দ রাম পাড়া এলাকায় রাস্তার উপর একটি পাহাড় ধসে পড়ে। এর ফলে বুধবার সকাল থেকে সাজেকে যানচলাচল বন্ধ ছিলো। সকাল থেকে সাজেক, খাগড়াছড়িগামী এবং খাগড়াছড়ি থেকে সাজেকগামী যানবাহনসহ ভোগান্তিতে পড়ে হাজারো পর্যটকসহ স্থানীয়রা।

পরে যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল করতে উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২০-ইসিবি। স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় সেনাবাহিনীর সদস্যরা সকাল থেকে ঘাম ঝড়িয়ে, শ্রম দিয়ে মাটি সরানোর কাজ নামে।

সাজেক কটেজ মালিক সমিতির সভাপতি সুপর্নদেব বর্মণ জানান, সকালে পাহাড় ধসের ঘটনা আমরা জানতে পেরেছি। সাজেক এলাকায় প্রায় ছোট বড় মিলে ২শত গাড়ি রয়েছে। যা গতকাল এসেছিলো। আজ সকালে অনেকের চলে যাওয়ারও কথা ছিল। কিন্তু গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকায় এখন সবাই আটকে আছে। আমাদের এখানে ১১২টি কটেজ আছে। সব মিলে প্রায় ৪ হাজার পর্যটক থাকতে পারেন।

এক পর্যায়ে বুধবার বেলা তিনটা থেকে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বচল হয় বলে জানান স্থানীয়রা।

;

এ দেশে অসাম্প্রদায়িক চেতনা ধ্বংসের মূলহোতা বিএনপি: হানিফ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুষ্টিয়া
এ দেশে অসাম্প্রদায়িক চেতনা ধ্বংসের মূলহোতা বিএনপি: হানিফ

এ দেশে অসাম্প্রদায়িক চেতনা ধ্বংসের মূলহোতা বিএনপি: হানিফ

  • Font increase
  • Font Decrease

‘এ দেশে অসাম্প্রদায়িক চেতনা ধ্বংসের মূলহোতা বিএনপি’ এমন মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, মির্জা ফখরুলরা অসুর বধের কথা বলছেন, আসলে অসুরতো তারাই।

বুধবার (৫ অক্টোবর) কুষ্টিয়ায় নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সালে অসুর দানবের মতো তারা ২৬ হাজার আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী হত্যা করেছে। গ্রেনেড হামলাসহ বার বার শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। জনগণই তাদের বধ করে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করেছে। তাদের মুখে অসুর বধের কথা ভূতের মুখে রাম নাম। জনসমর্থন নেই বলেই আজ তারা ছোট ছোট দলগুলোকে আঁকড়ে ধরার চেষ্টা করছে।

আগামী নির্বাচনে রাজনৈতিক জোট নিয়ে জিএম কাদেরের মন্তব্য প্রসঙ্গে হানিফ বলেন, ১৪ দলীয় জোটের ভাঙনের কোনো সুযোগ নেই।

এসময় জেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

;