শার্শায় এসএসসি পরীক্ষার্থীকে গণধর্ষণ, গ্রেফতার ২



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ময়মনসিংহ
শার্শায় এসএসসি পরীক্ষার্থীকে গণধর্ষণ, গ্রেফতার ২

শার্শায় এসএসসি পরীক্ষার্থীকে গণধর্ষণ, গ্রেফতার ২

  • Font increase
  • Font Decrease

যশোরের শার্শার নিজামপুর ইউনিয়নের কন্দপপুরে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ দুই ধর্ষণকারীকে গ্রেফতার করেছে।

বুধবার রাত ১১ টার দিকে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পরীক্ষার্থীর স্বজন ও এলাকাবাসী ধর্ষণকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

কিশোরীর বাবা রফিকুল ইসলাম জানান, আজ তার মেয়ে আজ এসএসসি পরীক্ষা ছিল। ভাল ফলাফলের আশায় মেয়ে গতকাল রাত জেগে পড়ছিল। এ সময় তার ঘরের দরজা খোলা ছিল। অসুস্থ স্ত্রীকে নিয়ে তিনি ও পরিবারের অন্যান্যরা সকলে ছিলেন হাসপাতালে। এ খবর জানতো প্রতিবেশি বড় নিজামপুর গ্রামের শাহাজান মল্লিকের ছেলে হাসান। এ সুযোগ কাজে লাগাতে তিনি ও তার আরও চার বন্ধুকে নিয়ে রাতে মেয়ের ঘরে ঢুকে হত্যার হুমকি দেয়। পরে হাসান ও তার চার বন্ধু পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

এ সময় মেয়ের চিৎকারে প্রতিবেশিরা এগিয়ে এসে ধর্ষণকারী হাসান ও মাসুদ রানাকে ধরে। এ সময় কৌশলে পালিয়ে যায় হাসানের বন্ধু নাসিম, নুরুজ্জামান ও সাকিব। পরে এলাকাবাসী দুই ধর্ষণকারীকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাইছি।

এদিকে এসএসসি পরীক্ষার্থীর সাথে এমন আচরণে তার ভবিষ্যৎ নষ্ট হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে পরিবারের সদস্যরা। ধর্ষণকারী এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় মামলা না করতে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে। ঘটনার নিন্দা জানিয়ে দ্রুত অভিযুক্ত সকলকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসি।

শার্শা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মামুন খান জানান, কিশোরীকে একাধিক ব্যক্তি কর্তৃক ধর্ষণের ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। দুই জনকে আটক করা হয়েছে। থানায় অভিযোগ দায়ের করে ঐ কিশোরী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারের অভিযান চলছে।

ঘুমধুম সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে রোহিঙ্গা যুবক নিহত



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বান্দরবান
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তমব্রু সীমান্তের ওপারে স্থলমাইন বিস্ফোরণে ওমর ফারুক (১৭) নামের এক রোহিঙ্গা যুবক নিহত হয়েছেন।

রোববার (২ অক্টোবর) দুপুরে সীমান্তের জিরো পয়েন্ট থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত ওমর ফারুক তমব্রু রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আজিজ।

তিনি বলেন, ওমর ফারুক রোববার সকালে সীমান্তরেখা পার হয়ে মিয়ানমারের ভূখণ্ডে মাছ ধরতে যান। এ সময় সেখানে একটি মাইন বিস্ফোরণ হলে তিনি ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

দুপুরের দিকে ওমর ফারুকের মরদেহ শূন্যরেখায় এনে রোহিঙ্গাদের নির্দিষ্ট কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

;

বিশ্ব বসতি দিবস আজ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আজ সোমবার (৩ অক্টোবর) বিশ্ব বসতি দিবস। সকলের জন্য আবাসন নিশ্চিতকরণসহ বাসযোগ্য ও নিরাপদ আবাসস্থলের বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৮৫ সালে জাতিসংঘ বিশ্ব বসতি দিবস উদযাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। পরবর্তীতে ১৯৮৬ সাল থেকে সারা বিশ্বে অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার বিশ্ব বসতি দিবস উদযাপিত হয়ে আসছে।

এ বছরও বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালিত হচ্ছে। বিশ্ব বসতি দিবসের এ বছরের প্রতিপাদ্য- ‘বৈষম্য হ্রাসের অঙ্গীকার করি, সবার জন্য টেকসই নগর গড়ি’।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি উপলক্ষে নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সোমবার সকাল ৯টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিশ্ব বসতি দিবসের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

;

মুজিববর্ষে সরকারি ঘর পেয়েছে প্রায় ২ লাখ পরিবার: প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মুজিববর্ষে সরকার ১ লাখ ৮৫ হাজার ১২৯টি ভূমিহীন পরিবারকে ঘর নির্মাণ করে দিয়েছে। এছাড়া, দেশের নগর অঞ্চলে জনসাধারণের আবাসন সুবিধার সম্প্রসারণে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

সোমবার (৩ অক্টোবর) ‘বিশ্ব বসতি’ দিবস উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, ‘বিশ্ব বসতি দিবস’ পালনের ধারাবাহিকতায় প্রতি বছরের ন্যায় এবারও দিবসটি পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘বৈষম্য হ্রাসের অঙ্গীকার করি, সবার জন্য টেকসই নগর গড়ি’ বর্তমান বিশ্ব প্রেক্ষাপটে সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের আপামর জনসাধারণের সার্বিক উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেন, যাতে দেশের সকল মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয় এবং একইসঙ্গে নগর ও গ্রামাঞ্চলের সুষম উন্নয়ন হয়। তার দূরদর্শী ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে গৃহীত কার্যক্রমের ধারবাহিকতায় আওয়ামী লীগ সরকার দেশের সামগ্রিক উন্নয়নকে সার্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। আমাদের সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার ‘আমার গ্রাম-আমার শহর’ তারই বাস্তবমুখী বহিঃপ্রকাশ। দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে নতুন গতি সঞ্চারের জন্য আমরা বিভিন্ন মেগা প্রকল্প গ্রহণ করেছি, যা দেশের পশ্চাৎপদ অঞ্চলসমূহকে দেশের উন্নয়নের মূল ধারার সাথে সম্পৃক্ত করবে। নিজস্ব অর্থায়নে আমাদের সরকার ইতিমধ্যে পদ্মা সেতু তৈরি করেছে।

তিনি বলেন, কোভিড-১৯ বিশ্বের সামগ্রিক উন্নয়নের ধারাকে মন্থর করে দিলেও আওয়ামী লীগ সরকার এ অতিমারি মোকাবিলায় অসামান্য সাফল্য দেখিয়েছে, যা আজ বিশ্বে একটি দৃষ্টান্ত রূপে প্রতিষ্ঠিত। দেশের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ লোককে কোভিড ভ্যাকসিনেশনের আওতায় আনা হয়েছে, পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ৬ শতাংশের উপরে রাখা সম্ভব হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ নিম্ন কার্বণ নিঃসরণকারী দেশ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। আওয়ামী লীগ সরকারের পরিবেশবান্ধব নগর ব্যবস্থাপনা ও এর জন্য গৃহীত কর্মসূচি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। এছাড়া বর্তমান বিশ্বের সামগ্রিক সংঘাতের ফলে যে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে- আমাদের সরকার অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে তা সফলভাবে মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সকলের সার্বিক সহযোগিতায় দেশে সুপরিকল্পিত নগরায়নসহ সুষম ও সামগ্রিক উন্নয়ন সাধিত হবে এবং জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ‘সোনার বাংলাদেশ’ গড়ে তুলবো- এ আশাবাদ ব্যক্ত করছি।

তিনি ‘বিশ্ব বসতি দিবস ২০২২’ এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

;

আগামী প্রজন্মের জন্য পরিকল্পিত নগরায়ণের বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ

  • Font increase
  • Font Decrease

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, আগামী প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য একটি দেশ গঠনে পরিকল্পিত নগরায়নের বিকল্প নেই।

তিনি ‘বিশ্ব বসতি দিবস’ উপলক্ষ্যে দেয়া এক বাণীতে এ কথা বলেন।

প্রতিবছরের মতো এবারও বাংলাদেশে সোমবার (৩ অক্টোবর) ‘বিশ্ব বসতি দিবস’ পালনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্র্রপতি বলেন, পরিকল্পিত নগরায়ণের লক্ষ্যে সরকার ঢাকা মহানগরীর জন্য ভবিষ্যৎ মহাপরিকল্পনা ডিটেইল্ড এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) ২০২২-৩৫ প্রণয়ন করেছে। টেকসই উন্নয়নের জন্য নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনার পাশাপাশি উপজেলাভিত্তিক মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নের ব্যাপারে সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

আবদুল হামিদ উল্লেখ করেন, নগর ও গ্রামাঞ্চলের জীবনযাত্রার মানের বৈষম্য দূরীকরণে সরকার নানামুখী কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করছে। জাতির পিতার বৈষম্যহীন স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশের কোনো মানুষ গৃহহীন থাকবে না’, সরকারের এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবাই নিরলস প্রচেষ্টা চালাবেন বলেও তিনি প্রত্যাশা করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, ‘বৈষম্য হ্রাসের অঙ্গীকার করি, সবার জন্য টেকসই নগর গড়ি’। কোভিড-১৯ মহামারি, জলবায়ু পরিবর্তন ও সংঘাতময় বিশ্বে ত্রয়ী চ্যালেঞ্জের বিরূপ প্রভাব পড়ছে। দ্রুত নগরায়ণের ফলে সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ে বিরাজমান অর্থনৈতিক-সামাজিক বৈষম্য হ্রাসে এবারের প্রতিপাদ্য অত্যন্ত সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখতেন উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, তিনি সব সময় সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের কথা বলতেন। তাঁর (বঙ্গবন্ধু) সেই স্বপ্নের পথ ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ সারা বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হয়ে উঠেছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে দেশের গ্রাম ও শহরগুলো উন্নয়নের ধারায় পরিবর্তিত হচ্ছে। উন্নয়নের এ অগ্রযাত্রায় কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকারের ভূমিকা দক্ষিণ এশিয়াসহ সারা বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছে।

বর্তমানে সংঘাতময় বিশ্ব মোকাবিলায় সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি, যে কারণে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল ও নদীতীরবর্তী অঞ্চলে বসবাসকারী নিম্ন আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি বৈষম্যের শিকার হচ্ছে।

এসব উল্লেখ করে রাষ্ট্রের প্রধান বলেন, সরকার দেশের ভূমিহীন ও গৃহহীন বিশাল একটি জনগোষ্ঠীকে পুনর্বাসন করছে, যা গোটা বিশ্বে ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষের দারিদ্র্য বিমোচনের ধারণার ক্ষেত্রে একটি নতুন ধারা সৃষ্টি করেছে।

রাষ্ট্রপতি ‘বিশ্ব বসতি দিবস ২০২২’ উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

;