রামনাথ বিশ্বাসের বসতভিটা দখলমুক্তের দাবিতে সাইকেল র‍্যালি মঙ্গলবার



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সংবাদ সম্মেলন

সংবাদ সম্মেলন

  • Font increase
  • Font Decrease

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে ভূ-পর্যটক রামনাথ বিশ্বাসের বসতভিটা ওয়াহেদ মিয়া নামে এক ব্যক্তি দখল করে রেখেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই বসতিভিটা দখলমুক্ত করে সেখানে পাঠাগার ও বাইসাইকেল মিউজিয়াম গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছে রামনাথ বিশ্বাসের বসতভিটা পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ কমিটি।

রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কমিটির নেতৃবৃন্দ বলেন, কলকাতায় রয়েছে ‘রামনাথ বিশ্বাস সড়ক’, অথচ নিজভূমে তিনি হয়ে গেছেন পরবাসী। বানিয়াচংয়ে রামনাথের স্মৃতিবিজড়িত বাড়িটি দখল করে রেখেছেন আবদুল ওয়াহেদ মিয়া নামে আল-বদর পরিবারের এক সদস্য।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ‘ভূ-পর্যটক রামনাথ বিশ্বাসের বসতভিটা পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ কমিটি’র আহ্বায়ক ভূ-পর্যটক ও লেখক আশরাফুজ্জামান উজ্জ্বল, যুগ্ম-আহ্বায়ক কবি শাহেদ কায়েস ও রামনাথ বিশ্বাস ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক টিপু চৌধুরী। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কমিটির যুগ্ম-আহ্বায়ক কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার রুমা মোদক ।

সংবাদ সম্মেলনে রুমা মোদক বলেন, হবিগঞ্জের মানুষের কাছে ভূ-পর্যটক রামনাথ বিশ্বাসকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কিছু নেই। তিনি আমাদের হবিগঞ্জের তো বটেই, বাংলাদেশের, গোটা বাংলার গর্ব। প্রায় শত বছর আগে হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার বিদ্যাভূষণ পাড়ার রামনাথ বিশ্বাস বাইসাইকেল নিয়ে বেরিয়েছিলেন ভূ-পর্যটনে। তিনি হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সকলকে ভালোবাসতেন। ১৯৪৬ সালের গ্রেট কলকাতা দাঙ্গায় নিজের জীবন বাজি রেখে বাঁচিয়েছিলেন ৩৯ জন মুসলিমের জীবন।

দখলদার ওয়াহেদ মিয়া এক সময় জামায়াত-বিএনপি করতেন উল্লেখ করে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ওয়াহেদ মিয়া পরে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে রীতিমত ওয়ার্ড কমিটির সভাপতির পদও বাগিয়ে নিয়েছিলেন। দলীয় পরিচয়ের জোরে রামনাথের বাড়ি দেখতে যাওয়া পর্যটক, বাইসাইকেল রাইডার ও সাংবাদিকের ওপর বিভিন্ন সময় হামলা চালিয়েছেন। সর্বশেষ গত ১১ সেপ্টেম্বর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের স্পেশাল অ্যাসাইনমেন্ট এডিটর রাজীব নূরসহ চার সাংবাদিক নিগৃহীত হয়েছেন দখলদার ওয়াহেদ ও তার পুত্রদের হাতে। রাজীব নূরের সঙ্গে নিগৃহীতদের মধ্যে ছিলেন সাংবাদিক মোশাহেদ মিয়া, তৌহিদ মিয়া ও আলমগীর রেজা।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনারও নিন্দা জানানো হয় এবং এই হামলার ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করা হয়।

আশরাফুজ্জামান উজ্জ্বল বলেন, রামনাথ বিশ্বাস সাইকেলে করে পৃথিবী ঘুরে বেড়িয়ে আসার পর বানিয়াচংয়ে এক সভায় বলেছিলেন, বাইন্ন্যাইচং আমার দুইন্ন্যাই'। অথচ বানিয়াচং এ রামনাথের বাড়িটি দখল করে রাখা হয়েছে। আসুন আমরা সবাই মিলে রামনাথের বসতভিটা দখলমুক্ত করে রামনাথকে তার বানিয়াচং ফিরিয়ে দেই, রামনাথকে তার দুনিয়া ফিরিয়ে দেই।

কবি শাহেদ কায়েস বলেন, আমরা রামনাথ বিশ্বাসের বাড়ি দখলমুক্ত করার বিষয়টি সরকারের নজরে আনার জন্য বেশ কিছু কর্মসূচি করতে যাচ্ছি। আশা করবো সরকার এই বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।

নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, আমরা সাইকেল র‍্যালি করার ঘোষণা তো আগেই করেছিলাম। সেই খবর গণমাধ্যমেও প্রকাশ হয়েছে। অথচ হবিগঞ্জে এসে জানতে পারলাম, স্থানীয় সড়ক ও জনপথ বিভাগ মঙ্গলবার বানিয়াচং যাওয়ার পথে একটি সেতুর সংস্কার কাজ করবে। এই ঘটনাটি উদ্দেশ্য প্রণোদিত কিনা? আমরা জানি না। তবে আমাদের সাইকেল র‍্যালি সুষ্ঠুভাবে করার জন্য স্থানীয় প্রশাসন সহযোগিতা করবে বলেও আশা করছি। আমরা রামনাথের বসতভিটায় দাঁড়িয়ে সেই বাড়িটি পুনরুদ্ধার করে সেখানে ভ্রমণ বিষয়ক বইয়ের বিশেষায়িত পাঠাগার এবং সাইকেল মিউজিয়াম করার দাবি জানাবো।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যের পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে কবি শাহেদ কায়েস বলেন, রামনাথের বসতভিটা উদ্ধারের জন্য আমাদের আন্দোলন চলমান থাকবে। আমাদের কমিটিতে কয়েকজন আইনজীবীও রয়েছেন, তারা বিষয়টির আইনি দিক নিয়ে কাজ করছেন। আমরা প্রয়োজনে উচ্চ আদালতের কাছে যাব। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে রামনাথের বসতভিটা পুনরুদ্ধারের এই লড়াই অব্যহত রাখবো। আমাদের বিশ্বাস সরকার গুরুত্ব দিয়ে রামনাথের বসতভিটায় দ্রুত পাঠাগার এবং সাইকেল মিউজিয়াম করবে।

কর্মসূচি

নেতৃবৃন্দ জানান, সোমবার বিকেল ৪টায় বানিয়াচংয়ে ১ নম্বর ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে সাংবাদিক ও সুধীজনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে মতবিনিময়। পরদিন মঙ্গলবার সকাল ১১টায় হবিগঞ্জ টাউন হল থেকে রামনাথের বাড়ির পথে বাইসাইকেল শোভাযাত্রা হবে। ওইদিনই সকাল ১১টায় বানিয়াচং শহীদ মিনারে সাংবাদিক দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু প্রতীকী অনশন করবেন। বাইসাইকেল শোভাযাত্রাটি রামনাথের বাড়ি বিদ্যাভূষণ পাড়া ঘুরে এসে বানিয়াচং শহীদ মিনারে বিকেল ৪টায় সমাবেশ শেষে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবে।

এ আন্দোলকে সচল রাখার লক্ষ্যে মূলত লেখক, সাংবাদিক ও সংস্কৃতিকর্মীরা মিলে গঠন করেছে ‘ভূ-পর্যটক রামনাথ বিশ্বাসের বসতভিটা পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ কমিটি’।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ আহমদ খান, দৈনিক ইত্তেফাকের জেলা প্রতিনিধি মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবাল, ডিবিসি নিউজ'র মো. ফজলুর রহমান, হবিগঞ্জ টিভি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল হালীম, মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের প্রতিনিধি চৌধুরী মাসুদ আলী ফরহাদ, একাত্তর টেলিভিশনের প্রতিনিধি শাকিল চৌধুরী, দ্য ডেইলি স্টারের মাসুক হৃদয় ও দৈনিক ইত্তেফাক অনলাইনের প্রতিবেদক ইফতেয়ার রিফাত।

‘অসাংবিধানিক উপায়ে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা রাষ্ট্রদ্রোহিতা’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম

  • Font increase
  • Font Decrease

অসাংবিধানিক উপায়ে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা রাষ্ট্রদ্রোহিতা বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বুধবার (৩০ নভেম্বর) বিকালে রাজধানীতে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির শহিদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসানের স্মরণসভায় মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতি এ স্মরণসভা আয়োজন করে।

মন্ত্রী বলেন, সংবিধান দেশের সর্বোচ্চ আইন। সংবিধানে বলা হয়েছে দেশের সব কিছু পরিচালিত হবে সাংবিধানিকভাবে, আইনসঙ্গতভাবে। সংবিধানে বলা হয়েছে রাষ্ট্র ব্যবস্থা হবে গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ধর্মনিরপেক্ষতা ও জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে। সরকার ব্যবস্থা কি হবে সেটাও সংবিধানে বলা হয়েছে। কিভাবে সরকার গঠন হবে তাও বলা হয়েছে। সাংবিধানিক বিধি-ব্যবস্থা সম্পর্কে জনমনে অসন্তোষ সৃষ্টি বা অনাস্থা সৃষ্টির চেষ্টা যদি কেউ করে অথবা সংবিধান পরিপন্থীভাবে যদি কেউ কিছু অর্জন করতে চায় অথবা বিধি-বিধান ভঙ্গ করে বা সেটাতে উসকানি দেয় বা পরোক্ষভাবে কাজ করে তাহলে সংবিধান অনুযায়ী তার কৃতকর্ম হবে রাষ্ট্রদ্রোহিতা।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সাংবিধানিক বিধি-বিধান লঙ্ঘন করে টেনে হিঁচড়ে নামিয়ে দেবো, এই করবো, ওই করবো যারা বলছে, তারা সংবিধানের ৭(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রদ্রোহিতার কাজ করছে। সংবিধান বলছে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় দেশ চলবে, সরকার চলবে, আদালত চলবে। আইনের বাইরে কিছু করতে গেলে কৃতকর্ম হবে রাষ্ট্রদ্রোহিতা। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রদ্রোহিতার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।

সংবিধানের আলোকে দেশ পরিচালনা করলে, সংবিধানসম্মত কাজ করলে আইনের শাসন পরিপূর্ণতা লাভ করবে বলেও এ সময় মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, সংবিধানে বলা হয়েছে কোন আইন যদি সংবিধানের মূল বিধি-বিধান বা নিয়মের পরিপন্থী তৈরি করা হয়, অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তাহলে ওই আইনের যতটুকু সংবিধানের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ ততটুকু বাতিল হবে। সংবিধানের এ বিধান থাকা সত্ত্বেও বিচার বিভাগের অনেকেই সঠিক দায়িত্ব পালন করেননি। তবে বিচারপতি নাজমুল আহাসান বিচারক হিসেবে সে জায়গাটি ভুলে যাননি। তার প্রচেষ্টার ধারাবাহিকতায় মুক্তিযুদ্ধের প্রাণসঞ্চারী স্লোগান 'জয় বাংলা' জাতীয়ভাবে গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ না এটা সম্ভব হতো না। এভাবে ত্রিশ লাখ শহীদের স্বপ্নের বাংলাদেশে জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত নাজমুল আহসান বিচারক হিসেবে, আইনজীবী হিসেবে লড়াই করেছেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, সংবিধান অনুযায়ীই সুপ্রিম কোর্ট পরিচালিত হয়। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর জিয়াউর রহমানের শাসনামলে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ সংসদে পাস হয়েছিল। তার স্বাক্ষরেই সেটি আইন হিসেবে অনুমোদন পায়। তখন এটিকে সংবিধানের একটি অংশে পরিণত করে নাম রাখা হয় পঞ্চম সংশোধনী। সুপ্রিম কোর্ট বহু ক্ষেত্রে সুয়োমোটো রুল ইস্যু করেন। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়-সুপ্রিম কোর্ট সুয়োমোটো রুল ইস্যু করে কেন বলেনি যে সংবিধানের মূলনীতি অনুযায়ী এটা কোন আইন নয়, কারণ খুনিদের বিচার করা যাবে না এটি সংবিধানের বিধি-বিধান পরিপন্থী। ইনডেমনিটি যে সংবিধানের অংশ হতে পারে না দেশের সংবিধান বিশেষজ্ঞরা কেউ কোনদিন কেন বলেনি সে প্রশ্নও থেকে যায়। বিচার বিভাগ ও সংবিধান বিশেষজ্ঞরা যথাযথ দায়িত্ব পালন করলে জাতিকে ৩৪ বছর অপেক্ষা করতে হতো না বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার পেতে।

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ইউসুফ হোসেন হুমায়ুনের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী কমিটির চেয়ারপার্সন জেড আই খান পান্না, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোমতাজ উদ্দিন ফকির, সাধারণ সম্পাদক আব্দুন নূর দুলাল প্রমুখ বক্তব্য প্রদান করেন।

;

২ কোটি ২০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনবে সরকার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে ২ কোটি ২০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনবে সরকার।

বুধবার (৩০ নভেম্বর) ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় অনুমোদন দেয়া হয়েছে এ প্রস্তাব। এতে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে বলেন, আজকের সভায় মোট ছয়টি প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) কানাডিয়ান কমার্শিয়াল কর্পোরেশনের কাছ থেকে নবম লটে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের চুক্তির আওতায় ৩৫৮ কোটি ৪৮ লাখ টাকা মূল্যের প্রায় ৫০ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার ক্রয় করবে।

প্রতি টন সারের মূল্য পড়বে ৬৭৯ দশমিক ৬৫ মার্কিন ডলার। আগে এর মূল্য ছিল ৭৭৮ দশমিক ১৫ মার্কিন ডলার।

সাঈদ বলেন, এছাড়াও বিএডিসি দশম লটের আওতায় ওসিপি, এসএ, মরক্কোর কাছ থেকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের চুক্তির আওতায় প্রায় ১৫০ দশমিক ৬৭ কোটি টাকা মূল্যে প্রায় ৩০ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি সার ক্রয় করবে। এতে প্রতি টন সারের দাম পড়বে ৪৭৪ মার্কিন ডলার। আগে এই মূল্য ছিল ৬৭৮ দশমিক ২৫ মার্কিন ডলার।

তিনি বলেন, ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) মোট ২৯৮ দশমিক ৯৩ কোটি টাকা মূল্যে প্রায় ২ দশমিক ২০ কোটি লিটার সয়াবিন তেল ক্রয় করবে। এতে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের মূল্য পড়বে ১৫৬ দশমিক ৯৮ মার্কিন ডলার। আগে এর মূল্য ছিল ১৬২ দশমিক ৯৪ মার্কিন ডলার।

;

৪৫তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, সর্বোচ্চ পদ স্বাস্থ্য ক্যাডারে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

৪৫তম বিসিএসের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এই বিসিএসে ২৬টি ক্যাডারে নেওয়া হবে ২ হাজার ৩০৯ জনকে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্য ক্যাডারে নেওয়া হবে ৫৩৯ জন।

বুধবার (৩০ নভেম্বর) বিকেলে বিজ্ঞপ্তিটি পিএসসির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।

৪৫তম বিসিএসের আবেদন গ্রহণ শুরু হবে ১০ ডিসেম্বর থেকে। চলবে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

বিজ্ঞপ্তিতে ২৬টি ক্যাডারে মোট ২ হাজার ৩০৯ জনবল নিয়োগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি নিয়োগ দেওয়া হবে স্বাস্থ্য ক্যাডারে ৫৩৯ চিকিৎসক। সহকারী সার্জন পদে ৪৫০ এবং ডেন্টাল সার্জন পদে ৮৯ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

এছাড়া শিক্ষা ক্যাডারে ৪৩৭ জন, প্রশাসনে ২৭৪, পুলিশে ৮০, কাস্টমসে ৫৪, আনসারে ২৫, কর ক্যাডারে ৩০ এবং পররাষ্ট্র, বন, রেল, কৃষি, মৎস্যসহ অন্যান্য ক্যাডারে ৮৭০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

নন-ক্যাডারে মোট ১ হাজার ২২ জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে নবম গ্রেডে ৫০৫ জন, দশম গ্রেডে ৬০ জন, এগারো ও ১২তম গ্রেডে ৪৫৭ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

বিজ্ঞপ্তি দেখতে ক্লিক  করুন

;

ডিআরইউর নতুন সভাপতি নোমানি, সম্পাদক সোহেল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ডিআরইউর নতুন সভাপতি নোমানি, সম্পাদক সোহেল

ডিআরইউর নতুন সভাপতি নোমানি, সম্পাদক সোহেল

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মুরসালিন নোমানী এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মাঈনুল আহসান সোহেল।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত রিপোর্টারদের সংগঠনটির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন-২০২২ বুধবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় সংগঠনটির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

দিনব্যাপী ভোট গ্রহণ শেষে সন্ধ্যায় এক বছর মেয়াদি এই কমিটির নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন। এছাড়া সহসভাপতি হয়েছেন সহ-সভাপতি দীপু সারেয়ার, যুগ্ম সম্পাদক মইনুল হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম এবং নারী বিষয়ক সম্পাক হয়েছেন মরিয়ম মনি সেঁজুতি, অর্থ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, দপ্তর সম্পাদক কাওসার আজম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক কামাল উদ্দিন সুমন, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন রুবেল, আপ্যায়ন সম্পাদক নাইমুদ্দিন, কল্যাণ সম্পাদক মো. তানভীর আহমেদ নির্বাচিত হয়েছেন।


কার্যনিবাহী সদস্য হিসেবে সর্বাধিক ভোটে জয় পেয়েছেন মনির মিল্লাত। নির্বাচিত অন্য সদস্যরা হলেন, ইসমাইল হোসেন রাসেল, মহসিন ব্যাপারী, মোজাম্মেল হক তুহিন, কিরণ শেখ, আলী ইব্রাহিম।

এবারের নির্বাচনে ২০টি পদের বিপরীতে প্রার্থী হয়েছেন মোট ৪৩ জন। এতে অ্যাপ্যায়ন সম্পাদক পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মাদ নঈমুদ্দীন।

নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মনজুরুল আহসান বুলবুলসহ আরও কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক দায়িত্ব পালন করেছেন।

;