বগুড়ায় কন্যা দিবসে পুকুরে ফেলে সন্তানকে হত্যা করলেন বাবা!



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বগুড়া
বগুড়ায় কন্যা দিবসে পুকুরে ফেলে সন্তানকে হত্যা করলেন বাবা!

বগুড়ায় কন্যা দিবসে পুকুরে ফেলে সন্তানকে হত্যা করলেন বাবা!

  • Font increase
  • Font Decrease

বগুড়ার শেরপুরে কন্যা দিবসে এক পাষণ্ড বাবা ১৪ মাস বয়সী হুমায়রা খাতুন নামের এক কন্যা শিশুকে পুকুরে ফেলে দিয়ে হত্যা করেছেন। সংসারে কন্যা সন্তান থাকার পর আবারো স্ত্রীর গর্ভে কন্যা সন্তান জন্ম গ্রহণ করায় বাবা জাকির হোসেন কন্যা শিশুটিকে পুকুরে ফেলর হত্যা করেন। অন্যদিকে গুপ্তধন পাওয়ার আশায় সন্তানকে পুকুরে ফেলে আসার কথাও বলেছেন জাকিরের মা ও স্ত্রী। পুলিশ শিশুর বাবা জাকির হোসেনকে (৪৫) গ্রেফতার করেছে।

মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) শেরপুর উপজেলার কুসুম্বী ইউনিয়নের উচলবাড়িয়া গ্রামের একটি পুকুর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এর আগে ২৬ সেপ্টেম্বর (সোমবার) কন্যা দিবসের রাতে জাকির হোসেন তার ১৪ মাস বয়সী ঘুমন্ত শিশুকে পুকুরে নিক্ষেপ করেন।

জানা গেছে, দিনমজুর জাকির হোসেন সাত বছর আগে নন্দীগ্রাম উপজেলার বুড়ইল গ্রামের রমজান আলীর মেয়ে রাবেয়াকে বিয়ে করে সংসার জীবন শুরু করেন। তাদের সংসারে ৬ বছর বয়সী জান্নাতি খাতুন নামের এক কন্যা সন্তান রয়েছে। রাবেয়া আবারো গর্ভবতী হলে জাকির হোসেন প্রত্যাশা করেন এবার ছেলে সন্তান জন্মগ্রহণ করবে। ১৪ মাস আগে রাবেয়া কন্যা সন্তান প্রসব করেন। এরপর থেকেই স্বামী জাকির হোসেন স্ত্রীর উপর ক্ষুব্ধ হন। কন্যা সন্তান জন্ম দেয়ার কারনে স্ত্রী রাবেয়াকে দায়ী করে সংসারে অশান্তি শুরু করে। এ নিয়ে তাদের সংসারে প্রায়ই ঝগড়া বিবাদ হয়ে আসছিল।

সোমবার রাতে জাকির হোসেন ঘুমন্ত শিশুকে বিছানা থেকে নিয়ে গিয়ে বাড়ির পার্শ্বে পুকুরে ফেলে দিয়ে আসেন। ভোর রাতে রাবেয়া শিশু সন্তানকে না পেয়ে হৈচৈ শুরু করলে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে জাকির হোসেনকে আটক করেন। জিজ্ঞাসাবাদে জাকির হোসেন শিশু সন্তানকে পুকুরে ফেলে দেয়ার কথা স্বীকার করেন। পরে পুলিশে খবর দেয়া হলে পুলিশ শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেন এবং জাকির হোসেনকে গ্রেফতার করেন।

এদিকে জাকির হোসেনের স্ত্রী রাবেয়া বেগম বলেন, গত ৬ মাস আগে তার শ্বাশুড়ি সালেহা বেগম স্বপ্নে দেখেন তার বড় নাতি জান্নাতিকে পুকুরে ফেলে দিলে গুপ্তধন পাবেন। বিষয়টি তিনি ছেলে জাকিরকে জানায়। গত দুই সপ্তাহ আগে জাকিরকেও স্বপ্নে দেখানো হয় তার এক মেয়েকে পুকুরে ফেলে দিলে তাকে গুপ্তধন দেয়া হবে। আর পুকুরে ফেলে দেয়ার আগে পুকুরের পানি পরিষ্কার করে সেখানে মিষ্টি জাতীয় কিছু দিতে হবে। স্বপ্ন দেখার পর জাকির হোসেন কয়েকদিন আগে চুন ছিটিয়ে পুকুরের পানি পরিষ্কার করে সেখানে চিনি এবং মিছরি ছিটিয়ে দেন। কথিত স্বপ্ন দেখে গুপ্ত ধনের আশায় ছোট কন্যা শিশুটিকে পুকুরে ফেলে দেন।

তবে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতাউর রহমান বলেন, স্বপ্নে দেখা এবং গুপ্তধন পাওয়ার আশা করার ঘটনা ঠিক না। ২য় বার কন্যা সন্তান হওয়ার কারণে জাকিরের মনে অসন্তুষ্টি ছিল। সেখান থেকেই জাকির তার সন্তানকে পুকুরে ফেলে হত্যা করে।

ইস্কাটনে বাসা থেকে গৃহকর্মীর মরদেহ উদ্ধার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মো. মনিরুজ্জামানের বাসা থেকে আমেনা আক্তার (১৩) নামের এক গৃহকর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) রাতে মরদেহটি উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠিয়েছে হাতিরঝিল থানা পুলিশ।

আমেনা ঝিনাইদহের মহেশপুরের মো. মামুনের মেয়ে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে হাতিরঝিল থানার উপ-পরিদর্শক মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, সোমবার রাতে খবর পেয়ে নিউ ইস্কাটনের ৩১/এ ভবনের অষ্টম তলার মো. মনিরুজ্জামানের ফ্ল্যাট থেকে গৃহকর্মী আমেনা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিকভাবে বাসার লোকজন দাবি করেছেন বাসায় সকলের অনুপস্থিতিতে আমেনা গামছা দিয়ে জানালার গ্রিলের সঙ্গে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। আমেনার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

;

ছাত্রলীগের সম্মেলন উপলক্ষে ঢাকার যেসব রাস্তা বন্ধ থাকবে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৩০তম জাতীয় সম্মেলন মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হবে। এই সম্মেলন উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের আশেপাশের এলাকাসমুহে রাস্তা বন্ধ/রোড ডাইভারশন দেয়া হবে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক-রমনা বিভাগ থেকে জানানো হয়, ছাত্রলীগের সম্মেলন উপলক্ষ্যে যানজট পরিহারের জন্য রাজধানীর কাটাবন ক্রসিং, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ক্রসিং, কাকরাইল মসজিদ ক্রসিং, কাকরাইল চার্চ ক্রসিং, ইউবিএল ক্রসিং, হাইকোর্ট ক্রসিং, দোয়েল চত্বর ক্রসিং, ঢাবি মেডিকেল সেন্টার, জগন্নাথ হল ক্রসিং, ঢাবি ভাস্কর্য ক্রসিং, উপাচার্য ভবন ক্রসিং এলাকায় সম্মেলন শেষ না হওয়া পর্যন্ত ট্রাফিক ডাইভারশন চলবে।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের আশেপাশের এলাকায় চলাচলের ক্ষেত্রে নগরবাসীকে ভিন্ন রাস্তা ব্যবহার করার অনুরোধ করা হয়েছে ।

;

গণতন্ত্র মুক্তি দিবস আজ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আজ ৬ ডিসেম্বর স্বৈরাচার পতন ও গণতন্ত্র মুক্তি দিবস। দীর্ঘ নয় বছরের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে গণঅভ্যুত্থানের মুখে ১৯৯০ সালের এ দিনটিতে পতন ঘটে তৎকালিন স্বৈরশাসকের।

এদিন তিন জোটের রূপরেখা অনুযায়ী নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে বাধ্য হন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। এ আন্দোলনে প্রাণ হারান নূর হোসেন, সেলিম, দেলোয়ার, তাজুল, ডা.মিলন, নূরুল হুদা, বাবুল, ফাত্তাহ সহ অনেকে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মঙ্গলবার দিবসটি পালন করবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিবসটি উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে গণতন্ত্র ও দেশবিরোধী সকল ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করে গণতন্ত্রের ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী এবং দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করে জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহবান জানিয়েছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ ’৯০ পরবর্তী সময় থেকে দেশে গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছে। ২০০৯ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে আমাদের সরকার দেশে গণতন্ত্রের ভিত্তিকে শক্তিশালী করতে এবং প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার দেশে সবসময় গণতন্ত্র, সংবিধান, আইনের শাসন ও মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে অঙ্গীকারবদ্ধ। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের পথ বন্ধ হয়েছে। দেশে গণতন্ত্র সুসংহত হয়েছে। কিন্তু স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রবিরোধী চক্র এখনও নানাভাবে গণতন্ত্র ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করছে।

তিনি গণতন্ত্র মুক্তি দিবসে গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জীবন উৎসর্গকারী সকল শহিদের আত্মার মাগফেরাত ও শান্তি কামনা করেন।

;

আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র সমুন্নত রাখতে অঙ্গীকারবদ্ধ: শেখ হাসিনা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার দেশে সবসময় গণতন্ত্র, সংবিধান, আইনের শাসন ও মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) ‘গণতন্ত্র মুক্তি দিবস’ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আজ ৬ ডিসেম্বর ‘গণতন্ত্র মুক্তি দিবস’। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ইতিহাসে এক তাৎপর্যপূর্ণ দিন। দীর্ঘ নয় বছরের স্বৈরাচারবিরোধী অব্যাহত লড়াই-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ১৯৯০ সালের এই দিনে স্বৈরশাসকের পতনের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়। জনগণ ফিরে পায় ভোটাধিকার। এ মহান দিবসে গণতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরী সংগ্রামী দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান তিনি।

তিনি বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দূরদর্শী ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাঙালি জাতি পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে ছিনিয়ে এনেছিল আমাদের মহান স্বাধীনতা। সদ্য স্বাধীন যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব যখন সোনার বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রামে নিয়োজিত, তখনই স্বাধীনতাবিরোধী-যুদ্ধাপরাধী চক্র তাকে পরিবারের বেশিরভাগ সদস্যসহ হত্যা করে। ইতিহাসের এই বর্বরতম হত্যার মধ্য দিয়ে অসাংবিধানিক ও অবৈধ সরকার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে জনগণের ভোটের অধিকার হরণ করে, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধ্বংস করে। মহান স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসকে বিকৃত করে দেশে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য কায়েম করে। ইনডেমনিটি অর্ডিনেন্স জারি করে জাতির পিতার হত্যার বিচারের পথ বন্ধ করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, জনগণের ভোট ও মৌলিক অধিকারসমূহ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ আবারও দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম করে যেখানে দেশের মানুষ স্বতঃস্ফুর্তভাবে অংশগ্রহণ করে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এই সংগ্রামে যুবলীগ নেতা নূর হোসেন, নূরুল হুদা, বাবুল, ফাত্তাহ, ছাত্রলীগ নেতা সেলিম-দেলোয়ার, পেশাজীবী নেতা ডা. শামসুল আলম খান মিলন, কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের ক্ষেতমজুর নেতা আমিনুল হুদা টিটোসহ আরও নাম না জানা অগণিত গণতন্ত্রকামী মানুষের রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার রাজপথ। অব্যাহত আন্দোলনের ফলে স্বৈরাচারী শাসক গণআন্দোলনের কাছে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর নতি স্বীকার করে পদত্যাগে বাধ্য হয়। বহু শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় ভোটের অধিকার। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় জাতি সকল শহীদের অবদান সবসময় শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে। তিনি গণতন্ত্র মুক্তি দিবসে গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জীবন উৎসর্গকারী সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত ও শান্তি কামনা করেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ’৯০ পরবর্তী সময় থেকে দেশে গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছে। ২০০৯ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে আমাদের সরকার দেশে গণতন্ত্রের ভিত্তিকে শক্তিশালী করতে এবং প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকার দেশে সবসময় গণতন্ত্র, সংবিধান, আইনের শাসন ও মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে অঙ্গীকারবদ্ধ। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের পথ বন্ধ হয়েছে। দেশে গণতন্ত্র সুসংহত হয়েছে। কিন্তু স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রবিরোধী চক্র এখনও নানাভাবে গণতন্ত্র ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করছে।

প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্র ও দেশবিরোধী সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে গণতন্ত্রের ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করে দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করে জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান।

;