পানির গুণগতমান পরীক্ষা, প্রকল্প পরিচালকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
পানির গুণগতমান পরীক্ষা, প্রকল্প পরিচালকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ

পানির গুণগতমান পরীক্ষা, প্রকল্প পরিচালকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রকল্পে অনিয়মের কারণে আটকে আছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘ওয়াটার কোয়ালিটি টেস্ট ম্যানেজমেন্ট স্ট্রেনদেনিং প্রজেক্ট’ (পানির গুণগতমান পরীক্ষা ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরণ)। প্রকল্পে নানা অনিয়মের কারণে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

অনিয়মের বিষয়ে দরপত্র পুন:মূল্যায়ন এবং দরপত্রে অংশগ্রহণকারীদের আইনগত প্রতিকার দেয়াসহ ৫ দফা সুপারিশ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ওয়াটার কোয়ালিটি টেস্ট ম্যানেজমেন্ট স্ট্রেনদেনিং প্রজেক্টের আওতায় টেন্ডারে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান স্টার্লিং মাল্টি টেকনোলজিস লিমিটেড (টেন্ডার আইডি ৬৪৭২৮ এবং ৬৪৬৯২৪) ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ তোলে। সর্বনিম্ন দরে ৫ম স্থানে থেকেও তাদেরকে বাদ দিয়ে দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে ৭ম স্থানে প্রতিষ্ঠানকে মনোনীত করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এরইপ্রেক্ষিতে বিষটি তদন্তে গত ৬ জুলাই তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

তদন্ত কমিটির তিন সদস্য হলেন- স্থানীয় সরকার বিভাগের পানি সরবরাহ অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. খাইরুল ইসলাম, একই অনুবিভাগের যুগ্ম সচিব জসিম উদ্দিন এবং পরিকল্পনা-৩ শাখার উপ সচিব ড. বেলাল উদ্দিন। পরে সিনিয়র সহকারী সচিব (পাস-২) এ কে এম সাইফুল আলমকে কমিটিতে কো-অপ্ট করা হয়।

গত ২৭ জুলাই থেকে কাজ শুরু করে তদন্ত কমিটি। এ সময়ে ওই কমিটি অভিযোগকারী প্রতিষ্ঠান, প্রকল্প পরিচালক, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে সম্প্রতি বিস্তারিত মতামত ও সুপারিশ সম্বলিত রিপোর্ট পেশ করেন। এতে অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে এবং এই অনিয়মের সঙ্গে প্রধান প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক উভয়ই জড়িত বলে মতামত দেয়া হয়েছে।

এর আগে গত ২৭ জুলাই তদন্ত কমিটির কাছে অভিযোগের বিষয়টি লিখিতভাবে জানায় ভুক্তভোগী প্রতিষ্ঠান স্টার্লিং মাল্টি টেকনোলজিস লিমিটেড।

এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির প্রধান ও স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব খায়রুল ইসলাম বরাবর দাখিল করা লিখিত অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন ম্যানেজার মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা স্টার্লিং মাল্টি টেকনোলজিস লিমিটেড টেন্ডার আইডি ৬৪৭২৮ এবং ৬৪৬৯২৪ অংশগ্রহণ করি। টেন্ডার ওপেনিংয়ের সময় আমরা দেখতে পারি যে, আমরা সর্বনিম্ন দিক থেকে ৫ম অবস্থান করি। কিন্তু আমরা বিশ্বস্তসূত্রে জানতে পারি যে, সর্বনিম্ন দিক থেকে ৭ম অবস্থানকৃত টেকনোল্যাবকে মনোনীত করে রিপোর্ট প্রদান করা হয়। এজন্য আমরা টেন্ডার দুটি পুনর্মূল্যায়নের জন্য আবেদন করি।

টেন্ডারে অ্যাপ ভ্যালু ২২ কোটি ৫০ লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়। কিন্তু বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পারি টেন্ডার বাজেট ২৮ কোটি ৮৪ লাখ ১৫ হাজার ৪০০ টাকা উল্লেখ করে টেকনোল্যাবকে মনোনীত করা হয়।

সূত্র জানায়, প্রকল্প পরিচালক এই টেন্ডার দুটির জন্য কোন টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করেননি। একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়ার জন্য তাদের স্পেসিফিকেশন হুবহু টেন্ডার প্রকাশ করে।

তিনি আরও বলেন, প্রকল্প পরিচালক বিভিন্ন মারফত আমাদের বিভিন্নভাবে হুমকি প্রদর্শন করেন এবং ব্যবসা করতে দেবে না যদি তার কথামত না চলি। অভিযোগ দেওয়ার পর তিনি আরও বেশি আমাদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে আমাদের জানমালের হুমকি দেয়।

অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শেষে যে রিপোর্ট প্রদান করা হয়েছে, তাতেও অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

রিপোর্টে মতামত অংশে বলা হয়েছে-পানির গুণগতমান পরীক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের পণ্য প্যাকেজ ৫ ও ৬ দুটিকে ভেঙ্গে চারটি প্যাকেজ করা হয়েছে। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা, ২০০৮ এর বিধি ১৭ (৪) ও ১৭ (৫) অনুযায়ী ডিপিপি তে অনুমোদিত কোন একক কাজকে একাধিক প্যাকেজে বিভক্তকরণের ক্ষেত্রে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে। কিন্তু বিধি মোতাবেক তা করা হয়নি যা গুরুতর অনিয়ম। প্রধান প্রকৌশলী এ বিষয়ে জেনেও টেন্ডার প্রক্রিয়ার বাকি কার্যক্রম চলমান রেখেছে, এমনকি পিডিকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির উদ্যোগ না নিয়ে এই অনিয়ম চলমান রেখেছে যা অনিয়মের সাথে তিনি জড়িত বলে প্রতীয়মান হয়। টেন্ডার দুটি মূল্যায়নের জন্য বিধি মোতাবেক কোন টেন্ডার ওপেনিং ককিটি (টিওসি) এবং টেন্ডার ইভ্যুয়ালেশন কমিটি (টিইসি) গঠন না করে প্রকল্প পরিচালক এ অনিয়মের সাথে সম্পৃক্ত বলে প্রতীয়মান হয়।

তদন্ত রিপোর্টে ৫ দফা সুপারিশের মধ্যে রয়েছে - পানির গণগতমান পরীক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশারীকরণ প্রকল্পের কার্যক্রমে অনিয়ম হওয়ায় আবেদনকারীসহ অন্যান্য দরপত্রে অংশগ্রহণকারী (টেন্ডারর) আইনগত প্রতিকার দেয়ার জন্য সুপারিশ করেন; জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের চলমান এ প্রকল্পসহ অন্যান্য সকল প্রকল্পের দরপত্র প্রক্রিয়া বিধি মোতাবেক প্রতিপালিত হচ্ছে কিনা- কমিটির মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে যাচাই করা যেতে পারে; সকল প্রকল্পে মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং কার্যক্রম জোরদার করা যেতে পারে; সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিট (সিপিটিইউ) এর ২০/০৭/২০২২ তারিখের ৫১৮ নম্বর স্মারকের বরাতে প্রধান প্রকৌশলীসহ তার কার্যালয়ের অস্বচ্ছতা, খেয়ালীপনার কারণে পিপিএ-২০০৬ এবং পিপিআর ২০০৮ এর বিধিসমূহ লঙ্ঘন হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কার্যক্রম গ্রহণ করা যেতে পারে। সিপিটিইউ এর আদেশসমূহ পর্যালোচনা করা যেতে পারে;

পিপিআর-২০০৮ আলোকে টেন্ডার ওপেনিং কমিটি এবং টেন্ডার ইভ্যুয়ালেশন কমিটি গঠনপূর্বক আলোচ্য দরপত্র দুটি পুন:মূল্যায়ন করা যেতে পারে বলেও তদন্ত কমিটির সুপারিশে বলা হয়েছে।

 

হয়রানি মুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিতে আইন প্রণয়নের আহবান



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
হয়রানি মুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিতে আইন প্রণয়নের আহবান

হয়রানি মুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিতে আইন প্রণয়নের আহবান

  • Font increase
  • Font Decrease

কর্মজগতে সকল ধরনের সহিংসতা ও হয়রানি নিরসনে “যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ও সুরক্ষা আইন” প্রণয়ণের আহ্বান জানিয়েছেন শ্রম অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনের জোট জেন্ডার প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ২০২২ উপলক্ষে আজ ৬ ডিসেম্বর ২০২২ (মঙ্গলবার) জেন্ডার প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ আয়োজিত ‘কর্মজগতে সহিংসতা ও হয়রানি নিরসনঃ প্রত্যাশা ও করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এ আহ্বান জানান।

জেন্ডার প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ এর সদস্য সংগঠন বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সালমা আলী’র সভাপতিত্বে এবং বাংলাদেশ লেবার ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক এ কে এম আশরাফ উদ্দিন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটি এর সদস্য শামসুন নাহার ভূইয়া, এমপি। কর্মজগতে সহিংসতা ও হয়রানি নিরসন বিষয়ে জেন্ডার প্ল্যাটফর্মের কার্যক্রম তুলে ধরেন বিল্স পরিচালক নাজমা ইয়াসমীন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে শামসুন নাহার ভূইয়া, এমপি বলেন, কর্মক্ষেত্রে যে কোন ধরণের যৌন হয়রানি প্রতিকূল অবস্থার সৃষ্টি করে যা মানবাধিকারের সুষ্পষ্ট লঙ্ঘন ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি অন্যতম প্রতিবন্ধকতা। তিনি বলেন, নারীরা ঘরে বাহিরে অনেক পরিশ্রম করে কিন্তু নারীদের গৃহকর্মে কাজের কোন স্বীকৃতি নেই। তারা বিভিন্নভাবে হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়। কর্মক্ষেত্রে সহিংসতা ও হয়রানি নিরসন করতে “যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ও সুরক্ষা আইন” প্রণয়ন করা খুবই জরুরি।

দেশের অর্থনীতিক উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় নারী ও পুরুষ প্রায় সমান অবদান রাখছে উল্লেখ করে আইন মন্ত্রণালয়ের ল এন্ড জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের উপ-সচিব নুসরাত জাহান বলেন, দেশে অনেক ভাল আইন রয়েছে এগুলো বাস্তবায়নের জন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে। আইনের সঠিক বাস্তবায়ন হলে নারীর প্রতি সহিংসতা ও হয়রানি আরো কমে আসবে। এক্ষেত্রে আইন মানার বিষয়ে সকলের মানসিক পরিবর্তন অত্যন্ত জরুরী।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন উপপরিচালক সুসমিতা পাইক বলেন, যৌন হয়রানি প্রতিরোধে মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশনার সংজ্ঞাতেই বলা আছে কোন আচরনগুলো যৌন হয়রানি, তারপরেও কর্মক্ষেত্রে এই আচরনগুলো দ্বারা নারীরা প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এই বিষয়ে সকলের মানসিক পরিবর্তন অনেক জরুরী। তিনি বলেন পরিবার থেকে একজন শিশুকে গড়ে তুলতে হবে ভাল মানুষ হিসেবে। সে যেন বুঝতে পারে কোন কাজটা ভাল আর কোনটা খারাপ।

আইএলও কনভেনশন ১৯০ বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনরে (বিইএফ) অতিরিক্ত মহাসচিব সাইদুল ইসলাম বলেন, যৌন হয়রানি প্রতিরোধে মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশনা সমূহ আইন হিসেবে মেনে নেওয়ার সুযোগ আছে। এক্ষেত্রে সকলের অঙ্গীকার একান্তভাবে আবশ্যক।

সভাপতির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট সালমা আলী বলেন, নারীর প্রতি সহিংসতা ও হয়রানি প্রতিরোধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের পাশাপাশি সকলের দায়বদ্ধতা বাড়াতে হবে।

শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ) এর যুগ্ম সমন্বয়কারী আহসান হাবীব বুলবুল বলেন প্রতিটি মানুষের মানবিক বিকাশের জন্য মানুষের অধিকার রয়েছে। নারীরা কর্মক্ষেত্রে, যাতায়াত ও বিভিন্ন স্থানে যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছেন যা তার মানসিক বিকাশে বাধাগ্রস্ত করছে। তিনি বলেন শ্রমিকদের জন্য কর্মপরিবেশ নিরাপদ করতে না পারলে তাদের উৎপাদনশীলতা কম হবে যার প্রভাব পড়বে দেশের অর্থনীতিতেও ।

সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের সভাপতি রাজেকুজ্জামান রতন বলেন, আমাদের নিষ্ক্রিয়তাই সহিংসতার ক্ষেত্রটা বাড়িয়েছে। সকলের ইতিবাচক মনোভাবই পারে এই সমস্যার সমাধান করতে। তিনি বলেন, সচেতনতা বৃদ্ধি যেমন দরকার সেই সাথে ভিক্টিমকে সহযোগিতা করাও একান্তভাবে প্রয়োজন। সামাজিকভাবে এমন একটা পরিবেশ তৈরী করতে হবে যেখানে নারীরা সুরক্ষিত থাকবে এবং সকল অধিকারগুলো ভোগ করবে। যেখানে থাকবে না কোন বৈষম্য, সহিংসতা ও হয়রানি।

বৈঠকে অন্যান্য বক্তারা বলেন, নারীরা দেশে এবং দেশের বাইরে পুরুষের সাথে সমানভাবে শ্রম দিচ্ছে। নারীর ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রগতি প্রশংসাজনক। কিন্তু নারীরা এখনো সকল ক্ষেত্রে নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন। বক্তারা বলেন, কর্মক্ষেত্র এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নির্যাতন ও হয়রানি প্রতিরোধে সংবাদিক’সহ সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। এক্ষেত্রে কর্মক্ষেত্রের সংজ্ঞাগত পরিধিকে বিস্তৃত করে সরকার আরো জোরালো ভূমিকা রাখতে পারে বলে তারা অভিমত ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেশন কমিটি ফর ওয়ার্কার্স এডুকেশন-এনসিসিডব্লিউই চেয়ারম্যান শামীম আরা, সলিডারিটি সেন্টার বাংলাদেশ এর কান্ট্রি প্রোগ্রাম ডিরেক্টর এ কে এম নাসিম, বিকেএমইএ এর সহকারী সচিব মোঃ জাকারিয়া খালেদ, আওয়াজ ফাউন্ডেশনের কোষাধ্যক্ষ খাদিজা আক্তার, মনডিয়াল এফএনভি’র বাংলাদেশ পরামর্শক মোঃ শাহীনুর রহমান, কর্মজীবী নারী’র কাজী গুলশান আরা, ফেয়ারওয়্যার ফাউন্ডেশন এর কান্ট্রি ম্যানেজার বাবলুর রহমান প্রমুখ।

;

পঞ্চগড়ে ৯৩ কেজি ওজনের কষ্টি পাথরের মূর্তি উদ্ধার



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, পঞ্চগড়
পঞ্চগড়ে ৯৩ কেজি ওজনের কষ্টি পাথরের মূর্তি উদ্ধার

পঞ্চগড়ে ৯৩ কেজি ওজনের কষ্টি পাথরের মূর্তি উদ্ধার

  • Font increase
  • Font Decrease

পঞ্চগড়ে সীমান্ত এলাকা থেকে ৯৩ কেজি ওজনের একটি কষ্টি পাথরের মূর্তি উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (৫৬ বিজিবি) সদস্যরা।

মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নীলফামারী ব্যাটালিয়নের (৫৬ বিজিবি) ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ নূরুদ্দীন খান।

এর আগে গত সোমবার (৫ ডিসেম্বর) মধ্যরাতে জেলার বোদা উপজেলার মালকাডাঙ্গা বিওপির একটি টহল দল সীমান্ত পিলার ৭৭৪/২-এস এর ৪ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বেতবাড়ী সরদারপাড়া নামক এলাকা থেকে মূর্তিটি পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

জানা যায়, নিজস্ব গোয়েন্দা ও সিভিল সোর্সের সংবাদের ভিত্তিতে মালকাডাঙ্গা বিওপির একটি টহল দল নাঃ সুবেঃ শেখ আমিরুল ইসলাম এর নেতৃত্বে সীমান্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় বেতবাড়ী সরদারপাড়া এলাকায় খড়েরপালার নিচ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় কষ্টি পাথরের মূর্তিটি উদ্ধার করা হয়।

মূর্তিটির সিজার মূল্য ধরা হয়েছে ৯৩ লক্ষ ১০ হাজার টাকা।

;

ঢাকা-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ট্রাক চাপায় নিহত ২



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, টাঙ্গাইল
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বেপরোয়া গতির ট্রাক চাপায় মেহেদী হাসান (২৪) এবং শাহীন মিয়া (২২) নামে দুই যুবক নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) ভোরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের উপজেলার পৌলি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- বগুড়া সদর উপজেলার ব্রাহ্মণপাড়া এলাকার আমজাদ হোসেনের ছেলে ও রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার কলোনীবাজার এলাকার সবুজ মিয়ার ছেলে।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল পুলিশ বক্সের ইনচার্জ নবীন হোসেন জানান, রংপুরগামী একটি ট্রাক ভোরে মহাসড়কের পৌলি এলাকায় আসলে পিছনের চাকা ফেটে যায়। পরে নিহতরা ট্রাক থেকে নেমে পিছনে দাঁড়ালে হঠাৎ আরেকটি ট্রাক এসে তাদের চাপা দেয়।

তিনি আরও জানান, এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। পুলিশ খবর পেয়ে নিহত দুই জনের মরদেহ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

;

সিরাজগঞ্জে কৃষি জমির জলাবদ্ধতা নিরসনে গ্রামবাসীর মানববন্ধন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিরাজগঞ্জ
সিরাজগঞ্জে কৃষি জমির জলাবদ্ধতা নিরসনে গ্রামবাসীর মানববন্ধন

সিরাজগঞ্জে কৃষি জমির জলাবদ্ধতা নিরসনে গ্রামবাসীর মানববন্ধন

  • Font increase
  • Font Decrease

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার রামকৃঞ্চপুর ইউনিয়নের কচিয়ার বিলে প্রায় ১ হাজার বিঘা কৃষি জমিতে জলাবদ্ধতা নিরসন চেয়ে, উনুখাঁ, জাল শুকা,পাঠান পাড়া, কুমারগাইলজানি ও দবিরগঞ্জ গ্রামের কয়েক শতাধিক কৃষক অংশ নেয়।

মঙ্গলবার (৬) দুপুরে রামকৃঞ্চপুর ইউনিয়নের কচিয়ার বিলের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে অংশ নেয়া পুকুরপাড় গ্রামের কৃষক আব্দুস ছামাদ জানান, কচিয়ার বিলে আমার প্রায় ১০ বিঘা জমি রয়েছে। উজানে পুকুর কাটায় ৪/৫ বছর ধরে জমিতে গলাপানি। কচুরি পানায় পরিপূর্ণ। চাষাবাদ করতে না পেরে খুব খারাপ অবস্থায় আছি। এসব জমিতে না পারছি চাষাবাদ করতে। না পারছি মাছ চাষ করতে।

একই গ্রামের কৃষক আব্দুর রহমান বলেন,আমার পৌনে দুই বিঘা জমিতে জলাবদ্ধতা। জমি থাকতেও ফসল হচ্ছে না। জমির চারিদিকে পুকুর খনন করায় এখানে আর কোন ভাবেই চাষাবাদ করা সম্ভব নয়। এমন অবস্থায় জমি বিক্রি, বাৎসরিক লিজ কিছুই দিতে পারছি না। এতে পরিবার পরিজন নিয়ে খুব কষ্টে দিন পার করছি। দীর্ঘদিনেও এ জলাবদ্ধতা নিরসনে কেউ পদক্ষেপ নেয়নি। জালশুকা গ্রামের কৃষক আকতার হোসেন অভিযোগ করেন,আমার ১০ বিঘা জমি বছরের পর বছর জলাবদ্ধতায় অনাবাদি। আমাদের এলাকার শত শত বিঘা জমিতে এই রবি মৌসুমেও গলাপানি। এটা বের করার কোন উদ্যােগ নেই। এসব অনাবাদি জমিতে চাষাবাদও করতে পারছি না। মাছ চাষাবাদও করতে পারছি না। জমিতে পার দিতে গেলেই প্রশাসন বাধা দিচ্ছে। কিন্তু তারা জলাবদ্ধতা নিরসন করছে না। আমরা এখন কোন দিকে যাবো। কৃষকরা দাবি করেন জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যােগ নেয়া হোক। না হয় তাদের জমিতে পুকুর খননের সুযোগ দেয়া হোক।

মানববন্ধনে অংশ নেয়া কৃষকরা দ্রুত এ সমস্য সমাধানে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

;