বগুড়া জেলা পরিষদ নির্বাচনে আ.লীগের বিষফোঁড়া আব্দুল মান্নান!



গনেশ দাস, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বগুড়া
বগুড়া জেলা পরিষদ নির্বাচনে আ.লীগের বিষফোঁড়া আব্দুল মান্নান!

বগুড়া জেলা পরিষদ নির্বাচনে আ.লীগের বিষফোঁড়া আব্দুল মান্নান!

  • Font increase
  • Font Decrease

বগুড়া জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের জন্য বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়িয়েছেন আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত হওয়া প্রার্থী আব্দুল মান্নান আকন্দ। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের অনেকেই আব্দুল মান্নান আকন্দের পক্ষে গোপনে কাজ করায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ডাঃ মকবুল হোসেনের বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আশংকা প্রকাশ করছেন দলের নেতাদের অনেকেই। তবে প্রকাশ্যে কেউ মুখ খুলছেন না।

আগামী ১৭ অক্টোবর বগুড়া জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ৯ জন নেতা দলীয় ফরম সংগ্রহ করেছিলেন। এরমধ্যে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত নেতা আব্দুল মান্নান আকন্দও দলীয় ফরম সংগ্রহ করেন। দল থেকে বর্তমান চেয়ারম্যান ডাঃ মকবুল হোসেনকে আবারো চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়। আব্দুল মান্নান আকন্দ দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী হন। বিএনপি জেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ না নেয়ায় বগুড়ায় চেয়ারম্যান পদে দুইজনই প্রার্থী লড়ছেন। এদের একজন আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনীত প্রার্থী অপরজন দলের বহিষ্কৃত নেতা।

বগুড়া জেলার ১২টি উপজেলা, ১২টি পৌরসভা ও ১০৯টি ইউনিয়ন পরিষদ নিয়ে গঠিত বগুড়া জেলা পরিষদ। উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র, কাউন্সিলর, ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যগণের ভোটে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানও সদস্য নির্বাচিত হবেন।

বগুড়া জেলা পরিষদ নির্বাচনে ১৬২৫ জন ভোটারের মধ্যে ২ জন মৃত্যুবরণ করায় ১৬২৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। বিএনপি-জামায়াত অধ্যুষিত বগুড়া জেলায় বিএনপি জামায়াতের ভোট রয়েছে ৬০ শতাংশ। উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌরসভার মেয়র আওয়ামী লীগের বেশী থাকলেও পৌরসভার কাউন্সিল ও ইউপি সদস্য বেশী রয়েছে বিএনপি জামায়াতের।

এছাড়াও ১০৯ টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে ৩৯টি বিএনপির, ৪০টি আওয়ামী লীগের, ৪টি জামায়াতের চেয়ারম্যান রয়েছেন। এছাড়াও ২৬ জন চেয়ারম্যান যারা আওয়ামী লীগ হলেও নৌকা প্রতীক না পেয়ে দলের সিদ্ধান্তের বিপক্ষে বিদ্রোহী প্রার্থী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

বগুড়ায় আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠন গুলোতে তৃণমূল থেকে শুরু করে জেলা পর্যন্ত রয়েছে গ্রুপিং এবং আভ্যন্তরীণ কোন্দল। এই কোন্দল এবং গ্রুপিং এর কারণেই জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর ভরাডুবির আশংকা করছেন মাঠ পর্যায়ের নেতাদের অনেকেই।

নাম প্রকাশে অনাগ্রহী আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন নেতা বলেছেন, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ডাঃ মকবুল হোসেন ৮৭ বছর বয়সে নির্বাচন করছেন। তিনি বয়সের কারণে নির্বাচনে ভোটারদের কাছে তেমন যেতে পারছেন না।

আবার ভোটারও বলছেন প্রার্থীকে দেখলে ভোট আরো কমে যাবে। কারণ হিসেবে তারা বলেন, ডা. মকবুল হোসেন মানুষ হিসেবে ভাল, সারাজীবন তিনি দলের জন্য কাজ করেছেন, তার নামে কোন বদনাম নাই। কিন্তু বয়স জনিত কারণে তিনি একা চলা ফেরা করতে পারেন না। আবার যারা মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন তাদের অনেকেই মনোনয়ন না পেয়ে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন। আবার অনেকে নেতা নিজেই সদস্য পদে নির্বাচন করছেন। ফলে চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষে আওয়ামী লীগ নেতাদের ভূমিকা দৃশ্যমান হচ্ছে না।
গত বুধবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক জেলা পরিষদে মাঠ পর্যায়ের নেতাদের নিয়ে বৈঠক করেছেন। বৈঠক থেকে ডা. মকবুল হোসেনকে জযলাভ করানোর জন্য কাজ করতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

অপরদিকে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর বিরুদ্ধে আব্দুল মান্নান আকন্দ নামের যিনি নির্বাচন করছেন তিনি এক সময় বগুড়া শহর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। তিনি বিভিন্ন কারণে আলোচিত, সমালোচিত এবং বিতর্কিত ব্যক্তি। ২০২১ সালে বগুড়া পৌরসভা নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তিনি মেয়র পদে নির্বাচন করে ৫৬ হাজার ভোট পেয়েছিলেন। আব্দুল মান্নান আকন্দ নির্বাচন করায় বগুড়া পৌরসভা নির্বাচনে নৌকা মার্কার প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। পৌরসভা নির্বাচনে নৌকা মার্কার বিপক্ষে নির্বাচন করায় আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে আব্দুল মান্নানকে অব্যাহতি দেয়া হয়। সেই আব্দুল মান্নন এবারও জেলা পরিষদ নির্বাচনে নৌকা মার্কার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। নির্বাচন অফিসে আব্দুল মান্নানের দাখিল করা হলফ নামা অনুযায়ী তার নামে ৬টি মামলা ছিল। জেলা পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়ন দাখিলের পর আব্দুল মান্নানের নামে চাঁদাবাজী এবং লুটপাটের অভিযোগ আরো একটি মামলা দায়ের হয়। ওই মামলায় আদালতে জামিন নিতে গেলে জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানো হয়। জেল হাজাতে থাকা অবস্থায় গত -২২ সেপ্টেম্বর আব্দুর মান্নানের নামে আরো একটি চাঁদাবাজী ও অর্থ আত্মসাতের মামলা করা হয়। বর্তমানে আব্দুল মান্নান জেল হাজতে রয়েছেন।

এদিকে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৫ সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দল জেলখানায় আব্দুল মান্নানের সাথে সাক্ষাৎ করেন। তারা দীর্ঘ সময় আব্দুল মান্নানের সাথে বৈঠক করে তাকে মনোনয়ন প্রত্যাহারের অনুরোধ জানান। কিন্তু আব্দুল মান্নান মনোনয়ন প্রত্যাহারে রাজী হননি। অপরদিকে আব্দুল মান্নানের হলফ নামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ মনোনয়ন বাতিলের জন্য অপর প্রার্থী আপিল করেন। বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে শুনানি শেষে আব্দুল মান্নানের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।

বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নিলেও তাদের ৬০ শতাংশ ভোটের উপর নির্ভর করছে প্রার্থীদের জয় পরাজয়। বিএনপির মাঠ পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, তাদের উপর এখন পর্যন্ত কোন নির্দেশনা আসেনি নির্বাচন বিষয়ে। বগুড়া সদরের নিশিন্দারা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম সরকার বলেছেন, আমাদের ভোট দিতে কোন বাঁধা নেই। ভোট দেয়ার প্রস্তুতি আমরা নিচ্ছি। দল থেকে এখন পর্যন্ত ভোট দিতে নিষেধ করা হয়নি।

বগুড়া জেলা বিএনপি আহবায়ক কমিটির সদস্য ও সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাফতুন আহম্মেদ খান রুবেল বলেন, দল যেহেতু নির্বাচন বর্জন করেছে সেহেতু ভোট দিতেও যাবেন না কেউ।

বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি টি জামান নিকেতা বলেছেন, দল যাকে মনোনয়ন দিয়েছে তার পক্ষে সবাইকে কাজ করতে হবে। এখানে কোন গ্রুপিং চলবে না। বগুড়ায় বিএনপির ভোটার বেশী হলেও উন্নয়নের স্বার্থে আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে তারা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন বলে আমার বিশ্বাস।

নাশকতার মামলায় যুবদলের সভাপতি কারাগারে



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিরাজগঞ্জ
নাশকতার মামলায় যুবদলের সভাপতি কারাগারে

নাশকতার মামলায় যুবদলের সভাপতি কারাগারে

  • Font increase
  • Font Decrease

সিরাজগঞ্জে নাশকতার মামলায় ইসাহাক আলী (৪০) নামের ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ইসাহাক আলী সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি।

বুধবার রাতে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সয়দাবাদ ইউনিয়নের শহীদ এম.মনসুর আলী ষ্টেশন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) বিকালে সিরাজগঞ্জ সদর থানার অপারেশন কর্মকর্তা সুমন চন্দ্র দাস গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ইসাহাকের বিরুদ্ধে নাশকতার একটি মামলা ছিল। একারণে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিব্রাইল হোসেন বলেন, রাতে ইসাহাক আলী ট্রেনযোগে রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে আসার পথে মনসুর আলী ষ্টেশন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

;

দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম আকর্ষণ এখন মোংলা বন্দর



উপজেলা করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, মোংলা (বাগেরহাট)
দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম আকর্ষণ মোংলা বন্দর 

দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম আকর্ষণ মোংলা বন্দর 

  • Font increase
  • Font Decrease

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম মুসা বলেন, অনেক চড়াই উতরাই পেরিয়ে আসা মোংলা বন্দর পদ্মা সেতু চালু হওয়ার সাথে সাথেই বর্তমানে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম আকর্ষণে পরিণত হয়েছে।

জাকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ৭২৩ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। দিবসটি উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৯টায় বন্দর জেটির মেইন গেইটের সম্মুখ থেকে বের হওয়া বর্ণাঢ্য র‍্যালি বন্দর এলাকা প্রদক্ষিণ করেন। পরে বন্দরের স্বাধীনতা চত্বরে গিয়ে তা শেষ হয়। সেখানে উপস্থিত সকলকে বন্দর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানান বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম মুসা।

এরপর বন্দর জেটির সেডে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। আলোচনা সভার শুরুতেই কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেন বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরপর বন্দরের উপর নির্মিত উন্নয়নমূলক ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব কালাচাঁদ সিংহ।

পরে অনুষ্ঠানের সভাপতি পরিচালক (প্রশাসন) মোঃ শাহীনুর আলম ও বিশেষ অতিথি হিসেবে সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমডোর মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ তরফদার বক্তব্য রাখেন।

এরপর প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম মুসা বলেন, এক সময়ের লোকসানী বন্দর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় আসার সাথে সাথে বেশ কিছু প্রকল্প গ্রহণ করেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক দূরদর্শিতায় অচিরেই মোংলা বন্দর শিপিং হাব এ রূপান্তর হবে। মোংলা বন্দরকে আরো আধুনিক ও বিশ্বমানের করে গড়ে তোলার জন্য বেশ কিছু প্রকল্প চলামান রয়েছে ও কিছু প্রকল্প ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য হাতে নেয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বন্দরের সেরা কৃতিত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ বন্দরের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাংবাদিকদের ক্রেস্ট ও সম্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়াও বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বন্দর ব্যবহারকারী ও সম্মানিত অতিথিদের মধ্যে কয়েকজনকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য, ১লা ডিসেম্বর মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ৭২তম প্রতিষ্ঠা দিবস। মোংলা বন্দর বিশ্ব ঐতিহ্যের ধারক সুন্দরবনের পাদদেশে অবস্থিত। এ বন্দর ১৯৫০ সালের ০১ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে। একই বছর ১১ ডিসেম্বর পশুর নদীর জয়মনিরগোলে ‘দি সিটি অব লিয়নস’ নামক ব্রিটিশ বাণিজ্যিক জাহাজ নোঙ্গরের মধ্যদিয়ে এ বন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৮৭ সালের পোর্ট অব চালনা অথরিটি এ্যাক্ট অনুসারে প্রথমে চালনা বন্দর কর্তৃপক্ষ ও পরবর্তীতে মোংলা পোর্ট অথরিটি নামে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর হিসেবে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের তথা বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে এ বন্দর ব্যাপক ভূমিকা রেখে চলেছে। ২০০১ হতে ২০০৮ অর্থ বছর পর্যন্ত এ বন্দর নানামুখী প্রতিকুলতার কারণে লোকসানী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল। বিগত ২০০৭-২০০৮ইং অর্থ বছরের ফেব্রুয়ারী মাসে ০৭টি জাহাজ ও সম্পূর্ণ অর্থ বছরে ৯৫টি জাহাজ আগমন করে এবং ২০০৪-২০০৫ইং অর্থ বছরে বন্দর ১১ কোটি টাকা লোকসান করে।
২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকে মোংলা বন্দর উন্নয়নের জন্য সরকার অগ্রাধিকার ও বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করে এবং বন্দরের উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে কাজ শুরু করেন। ফলে ক্রমান্বয়ে মোংলা বন্দর গতিশীল হতে থাকে, যার কারণে প্রতি বছর বিদেশী জাহাজ আগমনের রেকর্ড সৃষ্টি হচ্ছে।

;

এবার এডিসিসহ পুলিশের ৬ কর্মকর্তা বদলি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের(ডিএমপি) অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) পদ মর্যাদার এক কর্মকর্তাসহ মোট ছয় কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।

বুধবার (৩০ নভেম্বর) ও মঙ্গলবার ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক স্বাক্ষরিত পৃথক অফিস আদেশে তাদের বদলি করা হয়।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার সাকিবুল ইসলাম খানকে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (প্রফেশনাল স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড ইন্টারনাল ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

বদলি হওয়া পুলিশ পরিদর্শকেরা হলেন:

Caption

 

;

শাস্তির মুখে ১৩৪ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা, অনিয়মে কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তাও



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গাইবান্ধা-৫ উপনির্বাচনে ১২৫ কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালনে অবহেলা করেছেন। সব মিলে এই উপনির্বাচনে অনিয়মে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় ১৩৪ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা বিভাগীয় শাস্তির মুখোমুখি হচ্ছেন।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সুশান্ত কুমার সাহা, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম ও কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার অনিয়মে জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। তবে জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) ও কোনো প্রার্থীর অনিয়মে জড়িত থাকার প্রমাণ মেলেনি।

নির্বাচন কমিশন ১২৫ কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হবে। আর রিটার্নিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ইসি সচিবকে।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বৃহস্পতিবার দুপুরে এক ব্রিফিংয়ে গাইবান্ধা-৫ উপনির্বাচন বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)কাজী হাবিবুল আউয়াল এসব কথা বলেন।

সিইসি বলেন, ‘১২৫ কেন্দ্রের কর্মকর্তাকে দায়িত্ব পালনে অবহেলায় সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত এক মাসের মধ্যে কার্যকর করতে নিয়ন্ত্রণকারী বা নিয়োগকারী দপ্তরকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরইমধ্যে এক কলেজশিক্ষক দুই মাসের জন্য সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন।’

সিইসি আরও বলেন, ‘এছাড়া অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করবে নির্বাচন কমিশন। আর রিটার্নিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ইসি সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

;