আমাদের ভাতে আর পুষ্টি পাওয়া যায় না: খাদ্যমন্ত্রী



শেকৃবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
আমাদের ভাতে আর পুষ্টি পাওয়া যায় না: খাদ্যমন্ত্রী

আমাদের ভাতে আর পুষ্টি পাওয়া যায় না: খাদ্যমন্ত্রী

  • Font increase
  • Font Decrease

 

আমরা বর্তমানে যে ভাত খাই সেই চাউলের পুষ্টি পালিশ করে নষ্ট করে পরবর্তীতে অন্য খাদ্যে পুষ্টি অন্বেষণ করি বলে মন্তব্য করছেন বাংলাদেশ সরকারের খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

শনিবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) শিক্ষক-ছাত্র মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত দুইদিন ব্যাপী প্রথম আন্তর্জাতিক পুষ্টি অলিম্পিয়াডের উদ্ভোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন,'মাছ ও দুধ থেকে পুষ্টি পেলেও আমাদের দেশের প্রধান খাদ্য চাউলে আর পুষ্টি পাওয়া যায় না ফলে আমাদের কে আবার পুষ্টি মিশ্রিত করে পুষ্টিযুক্ত চাউল বিতরণ করতে হয়। আজকের এই অলিম্পিয়াড থেকে আমাদের দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করতে হবে যেন আর পালিশ কৃত চাউল ক্র‍য় না করি। প্রায় ৪ বার পালিশ করে পালিশকৃত চাউল বাজারজাত করা হয় ফলে প্রতি ১০০ মেট্রিক টনে ৫ মেট্রিক টন চাউল নষ্ট হয় এবং এটা দ্বারা সুজি বা আটাও তৈরি করা যায় না।

হিসেব মতে প্রতি বছর ২০-২২ লক্ষ মেট্রিক টন চাউল নষ্ট হয়। মূলত এখান থেকে আমাদের পুষ্টি নষ্ট হয়ে যায়।

এবং এই ক্ষতিটা কিন্তু ভোক্তাদের উপরই বর্তায়। সরকারের পাশাপাশি আমাদেরকেও এগিয়ে আসতে হবে কেননা আমরা পালিশকৃত চাউল খেতে পছন্দ করি। অনেকে আবার সিল্কি পালিশ চাউল খায় যেটা ৫ বার পালিশ করা হয়ে থাকে।'

বক্তৃতায় তিনি আরও বলেন,'আন্তর্জাতিক পুষ্টি অলিম্পিয়াড আমাদের দেশের মাধ্যমে শুরু হয়েছে,যা এখন বিশ্বে ছড়িয়ে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংবিধানের '১৮ ক' ধারায় জনস্বাস্থ্য ও পুষ্টির নিশ্চিত করতে সুদূরপ্রসারি পরিকল্পনা গ্রহন করেছিল। কিন্তু সেসময় আমাদের অনেক মংগা এলাকা ছিল যেখানে আশ্বিন-কার্তিক এমনকি ফাল্গুন-চৈত্র মাসেও খাবার পেতাম না। খাদ্যের অভাবে পুষ্টির কথা মাথায় আনতে পারে নি। কিন্তু বর্তমানে কৃষিতে ভর্তুকি দিয়ে ও কৃষিবিদদের সহায়তায় আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। নিরাপদ খাবার এখন বিশ্বব্যাপী চ্যালেঞ্জ। পুষ্টিগুন সম্পন্ন খাবারও নিরাপদ না হলে সেটিতে বিশেষ লাভ নেয়। যারা খাদ্য উৎপাদন করছে তাদের কে খাদ্য নিরাপত্তার দিকে খেয়াল রাখতে হবে।'

বিশেষ অথিতির বক্তব্যে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) উপাচার্য ড মো শহীদুর রশীদ ভূঁইয়া বলেন," উদরপূর্তি খাদ্যের লক্ষ্য নয়, প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ খাদ্যের প্রধান লক্ষ্য। আমরা এখনও ভাতের উপর পুরোপুরি নির্ভরশীল। প্রচুর মাংস, মাছ বা দুধ খাইলেই পুষ্টি সরবরাহ হয় না। খাদ্যের বৈচিত্র্য আনলেই একমাত্র পুষ্টি সরবরাহ সম্ভব।'

সভাপতির বক্তব্যে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: ইসমাইল হোসেন বলেন,'পুষ্টি এবং খাদ্য নিরাপত্তা শুধু আমাদের বাংলাদেশের সমস্যা নয় এটি পুরো পৃথিবীর বৈশ্বিক সমস্যা। বর্তমান বিশ্বে খাদ্যের নিরপত্তা,খাদ্যের পর্যাপ্ততা এবং খাদ্যের পুষ্টিমান একটি বিশ্বব্যাপী চ্যালেঞ্জ। খাদ্যের পুষ্টিমান বজায় রাখতে বেশি অর্থের প্রয়োজন নেই প্রয়োজন হলো আমাদের মানসিকতা এবং বৈচিত্র্যময় খাবারের অভ্যাস গড়ে তোলা।'

রায়পুরে বিএনপির ৬ নেতা কারাগারে



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লক্ষ্মীপুর
ছবি: বিএনপির ৬ নেতা কারাগারে

ছবি: বিএনপির ৬ নেতা কারাগারে

  • Font increase
  • Font Decrease

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠনের ছয়জন নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। পরে তাদেরকে পুরনো একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুলাই) দুপুরে আদালত তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। এরআগে বুধবার (১৮ জুলাই) রাতের বিভিন্ন সময়ে তাদেরকে নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আরিফ হোসেন মিষ্টার, বিএনপি নেতা জুয়েল হোসেন, কেরোয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জহিরুল আলম বাচ্চু, উত্তর চরবংশী ইউনিয়ন বিএনপি নেতা কবির হোসেন, বামনী ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর করিম ভূঁইয়া, উত্তর চর আবাবিল ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম শামীম।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মনিরুল ইসলাম হাওলাদার বলেন, রাতের আধারের পুলিশ বাড়িতে ঢুকে আমাদের নেতাকে আটক করেছে। তাদের নামে কোন মামলা ছিল না। কিন্তু ২০২৩ সালের নভেম্বরের একটি মামলায় তাদেরকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

তিনি দাবি করেন, বর্তমান কোটা আন্দোলন প্রেক্ষাপটকে কেন্দ্র করে অহেতুক আমাদের নেতাদের আটক করেছে। দলের পক্ষ থেকে আমরা তীব্র নিন্দা জানাই। আটককৃতদের মুক্তির দাবি জানাচ্ছি।

রায়পুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শামছুল আরেফিন বলেন, নিয়মিত মামলায় ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

;

চট্টগ্রামে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত ২



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম ব্যুরো
চট্টগ্রামে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত ২

চট্টগ্রামে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত ২

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দু’জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের নাম মোহাম্মদ ইমাদ বলে জানা গেছে। তিনি চট্টগ্রামের পটিয়া কলেজের শিক্ষার্থী।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক তুহিন শুভ্র দাশ দু’জন মারা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, আহত অবস্থায় আরও ৩৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

চট্টগ্রামের বহদ্দারহাটে বেলা ১টা থেকে পুলিশের সঙ্গে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ চলছে। দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। শিক্ষার্থীরা চান্দগাঁও থানায় হামলার চেষ্টা চালান। পাশাপাশি বহদ্দারহাট পুলিশ ফাঁড়িও ভাঙচুর করেন। দিনভর চলতে থাকা দফায় দফায় সংঘর্ষে নিহত ও আহতের ঘটনা ঘটল।

;

রংপুর নগরীর বিভিন্নস্থানে তাণ্ডব, থানায় আগুন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
রংপুর নগরীর বিভিন্নস্থানে তাণ্ডব, থানায় আগুন

রংপুর নগরীর বিভিন্নস্থানে তাণ্ডব, থানায় আগুন

  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুর নগরীর বিভিন্নস্থানে তাণ্ডব চালিয়েছে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা। এ সময় রংপুর মেট্রোপলিটন তাজহাট থানা দখলে নিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয় তারা। দফায় দফায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে রংপুর মহানগর রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে রংপুর জেলা, মহানগর ও ছাত্রলীগের অফিস।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকাল থেকে রংপুরের সর্বস্তরের শিক্ষার্থী খণ্ড খণ্ড মিছিলসহ রংপুর শহরে জড়ো হতে থাকে। পরে রংপুর জেলা স্কুল থেকে বিশাল মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা জাহাজ কোম্পানি হয়ে রংপুর মর্ডান মোড়ে পৌঁছায়।

এ সময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের অভিভাবকও রাস্তায় নেমে আসে। দুপুর ১ টার সময় শিক্ষার্থীরা রংপুর তাজহাট থানা আক্রমণ করতে গেলে পুলিশ শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে রাবার বুলেট ও টিয়ার গ্যাস ছুড়তে থাকে। এ সময় শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে আসে। কিছুক্ষণ পর আবারও শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে থানায় যেতে চাইলে পুলিশ আবারও রাবার বুলেট ও টিয়ার গ্যাস ছুড়তে থাকে। এতে পুলিশ প্রায় ২০০ রাউন্ড রাবার বুলেট ছুড়েছে শিক্ষার্থীরাও পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট পাটকেল ছোড়ে। এ সময় প্রায় ২০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়।

এ দিকে জাহাজ কোম্পানি, পার্কমোড়, মর্ডানসহ বিভিন্ন রাস্তায় রাস্তায় শিক্ষার্থীরা টায়ার জ্বালিয়ে অবস্থান নিতে দেখা যায়।

বিকাল ৫ টার দিকে রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের অফিস ও মহানগর অফিসে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। এসময় জেলা ছাত্রলীগের অফিস ভাঙচুড় করে আসবার পত্র আগুন ধরিয়ে দেয়া আন্দোলনকারীরা। এছাড়াও নগরীর বিভিন্নস্থানে টায়ার ও যানবাহনে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করতে দেখা যায়।

এসব ঘটনায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো তৎপরতা লক্ষ্য করা য়ায়নি।

শিক্ষার্থীরা বলেন, অধিকার আদায় করার জন্য রাস্তায় নামায় পুলিশ আমাদের শিক্ষার্থী ভাইকে গুলি করে হত্যা করেছে। আমরা আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবো।

প্রসঙ্গত, চীন ফেরত পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে কোটা সংস্কার আন্দোলন কেন্দ্রিক এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ কেন? তাদের নাতি-নাতনিরা পাবে না, তাহলে কি রাজাকারের নাতি-নাতনিরা পাবে?

গত মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুর ২ টার দিকে রংপুরের খামার মোড় থেকে শিক্ষার্থীরা বিশাল মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১নং ফটকের সামনে আসেন। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এতে পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ বাধে। এ সময় পুলিশ প্রায় ২০০ রাউন্ড গুলি ও রাবার বুলেট ছোড়ে। এ সময় পুলিশের গুলিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাইদ নিহত হন।

নিহত আবু সাইদ রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুরের বাসিন্দা মকবুল হোসেনের ছেলে। তিনি কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

রংপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক কাজী নজমুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে গিয়ে আগুন নেভায়।

;

আগুন ছড়িয়ে পড়েছে বিটিভিতে, ভেতরে আটকা অনেকে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
আগুন ছড়িয়ে পড়েছে বিটিভিতে

আগুন ছড়িয়ে পড়েছে বিটিভিতে

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর রামপুরায় বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) ভবনে দেওয়া আগুন ছড়িয়ে পড়ছে। ভবনের ভেতরে আটকা পড়েছেন অনেকে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা ৩৯ মিনিটে বাংলাদেশ টেলিভিশনের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে পোস্ট দিয়ে এ কথা জানানো হয়।

পোস্টে লেখা হয়েছে, ‘বিটিভিতে ভয়াবহ আগুন। দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। ভেতরে অনেকে আটকা পড়েছেন। এ অবস্থায় ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত সহযোগিতা কামনা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে আন্দোলনকারীরা। এসময় ওই ভবনে থাকা মোটরসাইকেলগুলো বাইরে এনে আগুন ধরিয়ে দেয় তারা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, রামপুরা এলাকায় সকল ধরনের যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। বিটিভি ভবনের কার্যালয়ের পাশে অবস্থিত পুলিশ বক্সে আগুন দেওয়া হয়েছে। পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে সার্জেন্টদের অন্তত ১৫ থেকে ২০ টি মোটরসাইকেল। একের পর এক হেলিকপ্টারের মাধ্যমে টহল দিচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল টিম।

;