ময়মনসিংহে ট্রাকচাপায় অটোরিকশার ৫ যাত্রী নিহত



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ময়মনসিংহ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রোববার ( ২০ নভেম্বর) সাড়ে সাতটার দিকে ত্রিশাল নান্দাইল সড়কের বালিপাড়া ছোট পুল নামক এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ত্রিশাল-নান্দাইল সড়কে প্রায় এক ঘন্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। ত্রিশাল থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা নিহতদের মরদহ উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ প্রেরণ করে। ত্রিশাল থানা পুলিশ ঘাতক চালক ও ট্রাকটিকে আটক করেছে।

ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক সৈয়দ মোখশেদ হোসেন স্থানীয়দের বরাদ দিয়ে জানান, রোববার সন্ধ্যার পর নিজ বাড়ী ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার উঁচাখিলা গ্রাম থেকে ঢাকার উদেশ্যে রওনা হন নিজাম উদ্দিন ও তাঁর স্ত্রী। উঁচাখিলা বাজার থেকে সিএনজি চালিত অটোরিকশা যোগে ত্রিশালের দিকে রওনা হন। বালিপাড়া বাজার থেকে ওই অটোরিকশায় আরো দুইজন যাত্রী উঠে। যাত্রীবাহি সিএনজিটি বালিপাড়া ছোটপুল এলাকায় পৌছলে বালিপাড়াগামী দ্রুতগতির ট্রাকের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার উঁচা খিলা গ্রামের নিজাম উদ্দিন (৪৫), তাঁর স্ত্রী হোসনে আরা বেগম (৩৫), একই গ্রামের আনারুল ইসলাম (৩৫), অজ্ঞাত কিশোরী (২০), অজ্ঞাত পুরুষ নিহত হন।

ত্রিশাল থানার অফিসার ইনচার্জ মাইন উদ্দিন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে ও শনাক্তের চেষ্টা চলছে। চালক বালিপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বিয়ারা গ্রামের মরহুম রজব আলীর পুত্র তোফাজ্জল হোসেন ও ঘাতক ট্রাকটিকে আটক করা হয়েছে।

ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান ও ফায়ার সার্ভিসের ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছেন।

এবার এডিসিসহ পুলিশের ৬ কর্মকর্তা বদলি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের(ডিএমপি) অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) পদ মর্যাদার এক কর্মকর্তাসহ মোট ছয় কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।

বুধবার (৩০ নভেম্বর) ও মঙ্গলবার ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক স্বাক্ষরিত পৃথক অফিস আদেশে তাদের বদলি করা হয়।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার সাকিবুল ইসলাম খানকে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (প্রফেশনাল স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড ইন্টারনাল ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

বদলি হওয়া পুলিশ পরিদর্শকেরা হলেন:

Caption

 

;

শাস্তির মুখে ১৩৪ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা, অনিয়মে কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তাও



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গাইবান্ধা-৫ উপনির্বাচনে ১২৫ কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালনে অবহেলা করেছেন। সব মিলে এই উপনির্বাচনে অনিয়মে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় ১৩৪ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা বিভাগীয় শাস্তির মুখোমুখি হচ্ছেন।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সুশান্ত কুমার সাহা, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম ও কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার অনিয়মে জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। তবে জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) ও কোনো প্রার্থীর অনিয়মে জড়িত থাকার প্রমাণ মেলেনি।

নির্বাচন কমিশন ১২৫ কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হবে। আর রিটার্নিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ইসি সচিবকে।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বৃহস্পতিবার দুপুরে এক ব্রিফিংয়ে গাইবান্ধা-৫ উপনির্বাচন বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)কাজী হাবিবুল আউয়াল এসব কথা বলেন।

সিইসি বলেন, ‘১২৫ কেন্দ্রের কর্মকর্তাকে দায়িত্ব পালনে অবহেলায় সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত এক মাসের মধ্যে কার্যকর করতে নিয়ন্ত্রণকারী বা নিয়োগকারী দপ্তরকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরইমধ্যে এক কলেজশিক্ষক দুই মাসের জন্য সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন।’

সিইসি আরও বলেন, ‘এছাড়া অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করবে নির্বাচন কমিশন। আর রিটার্নিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ইসি সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

;

ঠাকুরগাঁওয়ে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঠাকুরগাঁও
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ঠাকুরগাঁওয়ে সমসের আলী (৮২) নামে এক বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন দুর্বৃত্তরা।

বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) ভোর রাতে জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার দুওসুও ইউনিয়নের সাদুবান্দা গ্রামে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী জানায়, গতকাল বুধবার ওই ইউনিয়নের সাদুবান্দা গ্রামের আব্দুর রহিম ও প্রতিপক্ষ সামসুলের সাথে জমি নিয়ে বিরোধ হয়। এসময় আব্দুর রহিমের লোকজন সামসুলের লোকজনের উপড় হামলা চালায়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হলে তাদের উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে সামসুলদের কাউকে না পেয়ে ভোর রাতে তার চাচাতো ভাই সমসের আলীকে একা পেয়ে কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়।

হত্যার ঘটনার পর নিহত সমসের আলীর ছেলে ফজিল জানান, আগের দিন আব্দুর রহিমের লোকজন আমাদের পিটিয়ে আহত করেও তারা শান্ত হননি। পরে রাতে তাদের লোকজনই বাবাকে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ পরিবারের।

এ ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে।

এ বিষয়ে বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল আনাম জানান, ঘটনার পরে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

;

সিরাজগঞ্জে পরিবহন ধর্মঘট চলছে, দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিরাজগঞ্জ
সিরাজগঞ্জে পরিবহন ধর্মঘট চলছে, দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ

সিরাজগঞ্জে পরিবহন ধর্মঘট চলছে, দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ

  • Font increase
  • Font Decrease

১০ দফা দাবিতে সিরাজগঞ্জে ৩ দিনের পরিবহন ধর্মঘট শুরু হয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছে সাধারণ মানুষ। বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) সকাল থেকে সড়কে থ্রি-হুইলার ও নসিমন-করিমন ও অবৈধ যানবাহন চলাচল বন্ধের দাবিতে এই ধর্মঘট শুরু হয়েছে।

সড়ক পথে রাজশাহীর ৮টি জেলার সাথে সিরাজগঞ্জের সকল পরিবহন যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এ ধর্মঘটের প্রথম দিনেই অচল হয়ে পড়েছে সিরাজগঞ্জ। সড়কে অবৈধ যানবাহন বন্ধের দাবীতে ধর্মঘটের কারণে সব ধরণের বাস চলাচল বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে জেলার বিভিন্ন রুটের যাত্রীরা।

বেলা বাড়ার সাথে সাথে ধর্মঘটের কারণে যানবাহন না পেয়ে গন্তব্যের উদ্দেশে রওয়ানা দিয়েও পথে পথে যাত্রীরা নানা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। সকাল থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়ার উদ্দেশে শহরের এম.এ মতিন পৌর বাস টার্মিনালে আসেন যাত্রীরা। কিন্তু বাস না পেয়ে কেউ বিকল্প যানবাহন কেউবা বাড়ি ফিরে যাচ্ছে। এদিকে, গন্তব্যে যাওয়ার জন্য সিএনজি, মাইক্রোবাসসহ বিকল্প যানবাহনে দ্বিগুণ ভাড়া দিয়ে যাত্রীরা জরুরি প্রয়োজনে নিজ নিজ গন্তব্যে যাচ্ছে।

এম এ মতিন বাস স্ট্যান্ডে রাজশাহীগামী বাসের যাত্রী পারভিন আক্তার বলেন, সকালে বাসস্ট্যান্ডে এসে টিকিট কাটার সময় কাউন্টার বন্ধ পেয়ে বিকল্প পথে যাওয়ার চেষ্টা করছি।

শরীফ আহমেদ নামে এক যাত্রী বলেন, জরুরি কাজে বগুড়া যাওয়া খুবই প্রয়োজন। কিন্তু ধর্মঘটের কারণে কোনো বাস যাচ্ছে না। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও কোনো গণপরিবহনের দেখা মেলেনি। সিএনজি ও অটোরিকশা চললেও বেশি ভাড়া দাবি করছে চালকরা।

সিরাজগঞ্জ জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন সমিতির সভাপতি সুলতান তালুকদার ধর্মঘটের বিষয়ে বলেন, ১০ দফা দাবিতে আমাদের পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী ধর্মঘট পালন করা হচ্ছে। দাবি মানা না হলে এ আন্দোলন চলমান থাকবে।

সিরাজগঞ্জ জেলা বাস মিনিবাস ও কোচ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাজী আতিকুর রহমান আতিক ধর্মঘটের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমাদের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের ডাকে আজ সকাল থেকে পরিবহন ধর্মঘট শুরু হয়েছে। বুধবারের মধ্যে সড়কে অবৈধ যানবাহন চলাচল বন্ধসহ ১০ দফা দাবি বাস্তবায়ন না হওয়ায় এই অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট চলবে।

মানুষের ভোগান্তি ও বিএনপির সমাবেশের বিষয়ে চানতে চাইলে আতিক বলেন, বাস স্ট্যান্ড থেকে তো মানুষ পরিবহনই করছি না। তাই ভোগান্তি আমাদের দিক থেকে নেই। আর বিএনপির সঙ্গে এই পরিবহন ধর্মঘটের কোনো সম্পর্ক নেই। এটি আমাদের দাবি আদায়ের স্বেচ্ছায় কর্মবিরতি।

সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, আগামী ৩ ডিসেম্বর রাশহাতী বিভাগীয় গণসমাবেশ রয়েছে। এই গণসমাবেশ উপলক্ষে রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে বিএনপি নেতাকর্মীদের আগমন ঘটবে। তাই ১০ দফা মূল বিষয় নয়, মূলত দেশের অন্যান্য গণসমাবেশের মতো রাজশাহীর গণসমাবেশে মানুষকে আসতে বাধা দিতেই কৌশলে এ পরিবহন ধর্মঘট ডাকা হয়েছে। বিএনপির যে সকল নেতাকর্মীর যাওয়ার কথা তারা ঠিকই বিকল্প পথে চলে গেছেন বলে তিনি জানিয়েছেন।

জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ তালুকদার বলেন, এই ধর্মঘটের সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোনো সম্পর্ক নেই। বাস মালিক সমিতিতে বিএনপি-আওয়ামী লীগ-জাতীয় পার্টি সব দলের নেতারা রয়েছে। তারা তাদের দাবি আদায়ে ধর্মঘট ডেকেছে। এর সঙ্গে আওয়ামী লীগকে জড়ানোর সুযোগ নেই। জনসমাবেশে লোক জড়ো করতে পারবে না বুঝে এসব কথা বলে অগ্রিম ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করছে বিএনপি।

উল্লেখ্য, আগামী ৩ ডিসেম্বর রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে (হাজী মুহম্মদ মুহসীন উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে) বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ রয়েছে। আট শর্তে তাদের সেখানে সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

;