ঢাকায় আইওআরএ মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক আজ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) ২২তম মন্ত্রী পর্যায়ে সম্মেলন বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ১৬ দেশের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীসহ ১৩৪ জন প্রতিনিধি এই বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন।

বৈঠকে ১৬টি সদস্য দেশ স্বাগতিক বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া, কমোরোস, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, মাদাগাস্কার, মালদ্বীপ, মরিশাস, মোজাম্বিক, সোমালিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা, তানজানিয়া, থাইল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ও ইয়েমেন এবং সংলাপ অংশীদার জাপান থেকে মন্ত্রী পর্যায়ের প্রতিনিধিদল যোগদান করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এছাড়া অন্যান্য সদস্য রাষ্ট্র- ফ্রান্স, ইরান, কেনিয়া, ওমান, মালয়েশিয়া, সিসিলি, সিঙ্গাপুর এবং সংলাপ অংশীদার--চীন, মিশর, জার্মানি, ইতালি, দক্ষিণ কোরিয়া, রাশিয়া, তুরস্ক, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল এ বৈঠকে যোগদান করবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, আইওআরএ’র চেয়ার হিসেবে বাংলাদেশ কাউন্সিলে বৃহত্তর প্রকল্প গ্রহণ ছাড়াও জলদস্যুতা, সশস্ত্র ডাকাতি, অনিয়ন্ত্রিত মাছ ধরা প্রতিরোধ এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে একটি কৌশল প্রণয়নের বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করবে।

তিনি বলেন, ঢাকা ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে কোন অন্তরায় ছাড়া সবার জন্য ‘অবাধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক, নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ’ জাহাজ চলাচলের সুযোগ-সুবিধা চায়।

মোমেন বলেন, আইওআরএ-এর অগ্রাধিকার ক্ষেত্রগুলো হলো- সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সুবিধা, মৎস্য ব্যবস্থাপনা, দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, পর্যটন ও সাংস্কৃতিক বিনিময়, একাডেমিক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সহযোগিতা, সামুদ্রিক অর্থনীতি ও নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন।

তিনি আরও নিয়ন্ত্রিত, প্রগতিশীল ও বৈজ্ঞানিক উপায়ে সমুদ্রের সর্বোত্তম ব্যবহারের ওপর জোর দেন।

মোমেন বলেন, সফররত মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা এখানে অবস্থানকালে যৌথভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

আন্তঃসরকার সংস্থা ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশন ১৯৯৭ সালের ৭ মার্চ প্রতিষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ ২১তম আইওরা কম বৈঠকে আইওরার চেয়ার পদ এবং ২০২১ সাল থেকে ২০২৩ পর্যন্ত এর সভাপতিত্বের মেয়াদে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের লক্ষ্যে ‘ভারত মহাসাগরের সুযোগগুলো টেকসইভাবে কাজে লাগানো’ বিষয়ক থিম গ্রহণ করে।

আইওরা’র সর্বোচ্চ সংস্থা হলো পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের কাউন্সিল (কম) যা প্রতি বছর বৈঠক করে থাকে।

সোনালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ যথেষ্ট উদ্বেগজনক: সংসদীয় কমিটি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাষ্ট্রায়ত্ব সোনালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণের অবস্থা যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছে অনুমিত হিসাব সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটি।

কমিটি জানিয়েছে, ব্যাংকের অনেক গ্রাহককে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। অনেকগুলোর ক্ষেত্রে ঋণের বিপরীতে জামানত নেই। ব্যাংকটির বড় খেলাপিদের থেকে বার্ষিক আদায়ের হার এক শতাংশেরও কম।

সোমবার (২৮ নভেম্বর) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

কমিটির সভাপতি আব্দুস শহীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে অংশ নেন কমিটি সদস্য ও চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী, এ বি তাজুল ইসলাম, বজলুল হক হারুন, আহসান আদেলুর রহমান, ওয়াসিকা আয়েশা খান এবং খাদিজাতুল আনোয়ার।

সংসদীয় কমিটি জানিয়েছে, সোনালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা।

সোনালী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, ন্যাশনাল ফিন্যান্স লিমিটেড, প্রিমিয়াম লিজিং এন্ড ফিন্যান্স লি.-এর খেলাপি ঋণের আর্থিক অনিয়ম যাচাই বাছাইয়ে ২০২১ সালের ৩ জানুয়ারি সংসদীয় কমিটি একটি সাব কমিটি গঠন করে। কমিটির সদস্য ওয়াসিকা আয়শা খানকে আহবায়ক করে গঠিত কমিটির অন্য সদস্যরা ছিলেন আহসান আদেলুর রহমান ও খাজিদাতুল আনোয়ার। কমিটি দীর্ঘ যাচাই বাছাই করে আজ সোমবার অনুষ্ঠিত মূল কমিটির বৈঠকে প্রতিবেদন জমা দেয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাব কমিটির প্রধান ওয়াসিকা আয়শা খান বলেন, আমরা প্রতিবেদন জমা দিয়েছি। এটা নিয়ে পরবর্তীতে আলোচনা করে বাংলাদেশ ব্যাংককে সুপারিশ জানানো হবে। সাব কমিটি তার প্রতিবেদনে ইচ্ছাকৃত ঋণ খেলাপিদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণ ও ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ঋণ প্রদাণের ক্ষমতা সীমিত করণসহ ১৪ দফা সুপারিশ করেছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী সোনালী ব্যাংকের ২০২০ সালের ডিসেম্বরে ৫ লাখ ৫০ হাজার খেলাপি ঋণ গ্রাহকের সংশ্লেষ অর্থের পরিমাণ ১৭ হাজার ৭৬২ কোটি টাকা। ডিসেম্বর ২০২১ এ খেলাপি ঋণ গ্রাহক কমে দাঁড়ায় ৩ লাখ ৭৬ হাজার। কিন্তু খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে হয় ১৮ হাজার ৭৮৬ কোটি। এ বছর এপ্রিল পর্যন্ত খেলাপি ঋণ গ্রাহক কিছুটা বেড়ে হয় ৩ লাখ ৯৭ হাজার। আর খেলাপি ঋণ কিছুটা কমে হয় ১৮ হাজার ৭১২ কোটি। ২০২০ সালের (৬ দশমিক ২২ শতাংশ) তুলনায় ২০২১ সালে (৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ) খেলাপি ঋণ আদায় কিছুটা বেড়েছে।

ডিসেম্বর ২০২০ সালে ১০ কোটি তদুর্ধ্ব ২৩৭ ঋণ খেলাপির সংশ্লেষ অর্থ ১১ হাজার ৫৩২ কোটি টাকা। ডিসেম্বর ২০২১ খেলাপির সংখ্যা বেড়ে হয় ৩০৮। একই সাথে খেলাপি ঋণের পরিমাণও বেড়ে হয় ১৩ হাজার ৪৭ কোটি টাকা। এপ্রিল ২০২২ এ খেলাপির সংখ্যা হয় ৩০৯ এবং খেলাপি ঋণের পরিমাণ হয় ১২ হাজার ৮৬৫ কোটি টাকা। ব্যাংকটির মোট ঋণের বিপরীতে খেলাপি ১৬-১৭ শতাংশ। এসব খেলাপি ঋণের মধ্যে বছরে আদায়ের হার এক শতাংশেরও কম। যা মোটেও সন্তোষজনক নয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- বড় ঋণের বিপরীতে রক্ষিত সহজামানতের পরিমাণ ঋণস্থিতির ৬০ শতাংশ, যা অপ্রতুল। ঋণ প্রদানে তথ্য যাচাই-বাছাইয়ে ঘাটতি ছিল। এদিকে ছোট ঋণ খেলাপিদের ক্ষেত্রে জামানত ১৫০ শতাংশের মতো। এসব খেলাপি ঋণ আদায়ের হার ৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ। মোট ঋণ খেলাপির মধ্যে ১০ কোটি তদুর্ধ্ব সংখ্যা মাত্র শূণ্য দশমিক শূণ্য ৮ শতাংশ (০.০৮%)। কিন্তু তাদের কাছে খেলাপি মোট খেলাপির ৬৭ শতাংশ। ব্যাংকটির ছোট খেলাপি ঋণের আদায়ের সম্ভাবনা বড় খেলাপির তুলনায় বেশি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

সাব কমিটি বলেছে- ব্যাংকটির অনেক গ্রাহকদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। অনেকগুলোর ক্ষেত্রে জামানত নেই। জামানত থাকলেও বিক্রির প্রক্রিয়া জটিল। জামানতের পরিমাণ ও আদায়ের হার আপাত দৃষ্টিতে ভালো দেখালেও ব্যাংকটির খেলাপি ঋণের প্রকৃত অবস্থা যথেষ্ট উদ্বেগজনক।

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের (এসআইবিএল) ১০ কোটি তদুর্ধ্ব ২৭ জন ঋণ খেলাপির এক হাজার ৪৪ কোটি ৪০ টাকার টাকার বিপরীতে এ বছর এপ্রিল পর্যন্ত চার মাসে কোনো আদায় নেই। এটিকে অত্যন্ত হতাশাজনক ও দুর্বল ব্যাংক ব্যবস্থাপনার পরিচায়ক বলে উল্লেখ করা হয়। এ ব্যাংকের বেশিরভাগ ঋণের অনুকূলে জামানত নেই। পার্সোনাল গেরেন্টরের মাধ্যমে ঋণ দেয়া হয়েছে। বড় ঋণ গ্রহীতাদের খেলাপি হওয়ার প্রবণতা বেশি।

ন্যাশনাল ফাইন্যান্স মোট ঋণের (৬৪৩ কোটি) ১৯ শতাংশ শ্রেণিকৃত। শ্রেণিকৃত ঋণের ১০ জন গ্রাহকের কাছে।

ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের এপ্রিল ২২ ব্যাংকের ঋণ ও অগ্রীমের পরিমাণ এক হাজার ৩৮৬ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে ১২০ জন খেলাপি ঋণ গ্রহিতার বিপরীতে শ্রেণিকৃত ঋণ এক হাজার ৩৬৯ কোটি ৯০ লাখ টাকা। যা মোট ঋণের ৯৮ দশমিক ৭৮ শতাংশ। এর মধ্যে ১০ কোটি তদুর্ধ্ব খেলাপি ৪৬ জন এবং সংশ্লেষ অর্থের পরিমাণ এক হাজার ৫৬ কোটি ৬৯ লাখ টাকা।

;

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আ.লীগ নেতাদের বৈঠক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন আওয়ামী লীগের নেতারা।

সোমবার (২৮ নভেম্বর) রাতে গুলশানে আ.লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদের বাসায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

পিটার হাসের সঙ্গে এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলটির যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, শাম্মী আহমেদ ও মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তা ম্যাথিউ বে।

বৈঠক শেষে মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, কুশল বিনিময় ও আলাপচারিতা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে চট্টগ্রামে বিশাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে। আমেরিকানদের তারা জানাতে পারে যে, এখানে বিনিয়োগ করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, জবাবে রাষ্ট্রদূত বলেছে, বিষয়টি জানেন, তবে কিছু সমস্যা আছে। আমাদের এখানে আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় যেকোনো কাজ দেরি হয়। তবে আমি বলেছি, সবকিছু ডিজিটালাইজ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে হয়তো সমস্যা হবে না।

বৈঠক শেষে তারা একসঙ্গে নৈশভোজ সারেন।

;

রোহিঙ্গাদের সহায়তায় ৭.৫ মিলিয়ন ডলার দেবে নেদারল্যান্ডস



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা শরণার্থী ও কক্সবাজার জেলায় তাদের আশ্রয় প্রদানকারী সম্প্রদায়ের কল্যাণে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) মাধ্যমে ৭.৫ মিলিয়ন ডলার দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নেদারল্যান্ডস।

ঢাকাস্থ নেদারল্যান্ডস দূতাবাস এবং আইওএম এর মধ্যে ‘কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং আশ্রয়দানকারী সম্প্রদায়ের পরিবেশ পুনরুদ্ধার ও সহিষ্ণুতা জোরদারকরণ’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য এ বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রকল্পটির লক্ষ্য রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং কক্সবাজারে আশ্রয় প্রদানকারী সম্প্রদায়ের জন্য খাতভিত্তিক সহায়তা প্রদান করা।

বাংলাদেশে নেদারল্যান্ডের ডেপুটি অ্যাম্বাসেডর চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স থিজ উডস্ট্রা এবং আইওএম বাংলাদেশের অফিসার ইনচার্জ ফাতিমা নুসরাত গাজ্জালি ঢাকায় আইওএম অফিসে নিজ নিজ পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রবণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলার সম্মুখীন কক্সবাজার জেলায় ২০১৭ সাল থেকে ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী আশ্রয় গ্রহণ করেছে। সেখানে রোহিঙ্গা এবং আশ্রয় প্রদানকারী সম্প্রদায় বিশেষ করে ঘূর্ণিঝড়ের সময় ভূমিধস এবং বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে।

গাজ্জালি বলেন, রোহিঙ্গারা সীমিত সুযোগ ও জটিল চ্যালেঞ্জর মধ্যে ঘনবসতিপূর্ণ শিবিরে বাস করছে। আশ্রয়দানকারী সম্প্রদায়গুলোও বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হওয়ায় তাদের দুর্ভোগ বেড়েছে, এগুলোর মধ্যে রয়েছে সীমিত সম্পদ, সীমিত বাজার প্রবেশাধিকার, সীমিত কর্মসংস্থানের সুযোগ, অপর্যাপ্ত অবকাঠামো এবং বারবার পরিবেশগত বিপর্যয়।

তিনি বলেন, নেদারল্যান্ডসের সহায়তায় আইওএম রোহিঙ্গা ও আশ্রয়দানকারী গোষ্ঠীগুলোর জন্য জীবন রক্ষাকারী সহায়তা প্রদান করবে যা সামাজিক সম্প্রীতি ও নিরাপত্তায় অবদান রাখবে।

উডস্ট্রা আশা প্রকাশ করেছেন, তার সরকারের সহায়তা রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি উভয় সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রার উন্নতি করতে এবং দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করবে।

বাংলাদেশ সরকার এবং অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।

;

রাজবাড়ীতে অস্ত্রসহ যুবক আটক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজবাড়ী
রাজবাড়ীতে অস্ত্রসহ যুবক আটক

রাজবাড়ীতে অস্ত্রসহ যুবক আটক

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশেষ অভিযান চালিয়ে রাজবাড়ী থেকে অবৈধ অস্ত্রসহ মো. নান্নু শেখ (৩৩) নামের এক যুবককে আটক করেছে র‌্যাব।

সোমবার (২৮ নভেম্বর) বিকালে রাজবাড়ীর সদর উপজেলার ফুলতলা শের-ই বাংলা রোডের রেলওয়ে ম্যান্স অবসরপ্রাপ্ত কল্যাণ পরিষদের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটককৃত মো. নান্নু শেখ রাজবাড়ী সদরের সোনাকান্দ গ্রামের মো: মোকারম শেখের ছেলে।

র‌্যাব-৮ জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে, কতিপয় ব্যক্তি রাজবাড়ী জেলার সদর থানাধীন ফুলতলা শের-এ বাংলা রোডের দক্ষিণ পাশে রেলওয়ে ম্যান্স অবসরপ্রাপ্ত কল্যাণ পরিষদের সামনে অস্ত্র বিক্রয়ের জন্য অবস্থান করছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি বিশেষ আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ অস্ত্রসহ মো. নান্নু শেখকে আটক করে।

এ সময় আটককৃত আসামির কাছ থেকে ১টি ম্যাগাজিনসহ বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি এবং অবৈধ অস্ত্র ক্রয়-বিক্রয় কাজে ব্যবহৃত ৩টি সিমকার্ডসহ ২টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে রাজবাড়ী সদর থানায় অস্ত্র আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান র‌্যাব-৮।

;