সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যা, ৫ আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
পাঁচ আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড

পাঁচ আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড

  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরীকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর জবাই করে হত্যার ঘটনায় ৫ আসামিকে আমৃত্যু সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া প্রত্যেক আসামিকে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে রংপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত-২ এর বিচারক মো. রোকনুজ্জামান এ রায় দেন।

রায় ঘোষণার সময় ৪ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিল। এক আসামি আলমগীর দীর্ঘদিন ধরে পলাতক রয়েছেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, গঙ্গাচড়া উপজেলার নরসিংহ মর্ণেয়া গ্রামের শামসুল আলমের ছেলে আবুজার রহমান (২৮), হান্নানের ছেলে আলমগীর হোসেন (২৭), মতিয়ার রহমান মুন্সির ছেলে নাজির হোসেন (৩২), আব্দুর রহমানের ছেলে আব্দুল করিম (২৯) এবং আমিনুর রহমান (২৯)। এদের মধ্যে আলমগীর হোসেন পলাতক।

পরে তাদের সরাসরি রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হয়।

মামলার বিবরণে জানা গেছে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার নরসিংহ গ্রামের আইয়ুব আলীর কিশোরী কন্যার সাথে একই গ্রামের সামসুল আলমের ছেলে আবুজার রহমানের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এরোই এক পর্যায়ে কিশোরী মেয়েটি গর্ভবতী হয়ে পড়লে আবুজারকে বিষয়টি জানায়। ২০১৫ সালের ১৪ মে তারিখে নিহত কিশোরীর বাবা মা এক আত্মীয়র বাড়িতে দাওয়াত খেতে যায়। বাসায় কিশোরী মেয়েটি ও তার ভাগ্নি সান্তনা ছিলো। এ সুযোগে আসামী আবুজার তাদের বাসায় এসে নিহত কিশোরীকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর আসামী আবুজার ও তার অপর ৪ বন্ধু আলমগীর, নাজির হোসেন, করিম বাদশা ও আমিনুর পুর্ব পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ৫ আসামী মিলে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেন। এক পর্যায়ে কিশোরী গুরতর অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং সব ঘটনা তার বাবামাকে জানাবে বলে প্রকাশ করলে আসামীরা কিশোরীটিকে হাচুয়া দিয়ে জবাই করে নৃশংস ভাবে হত্যা করে লাশ বাড়ির অদুরে ধঞ্চা ক্ষেতে ফেলে চলে যায়। এ ঘটনায় নিহত কিশোরীর বাবা আইয়ুব আলী বাদী হয়ে গঙ্গাচড়া থানায় মামলা দায়ের করে। এলাকাবাসি আসামী আবুজারকে ধরে পুলিশে সোপর্দ্দ করে। পরে পুলিশ তার দেয়া জবানবন্দির উপর ভিত্তি করে অপর ৩ আসামী নাজির হোসেন , করিম বাদশা ও আমিনুরের নাম বলে। পুলিশ তাদেরকে গ্রেফতার করে। আসামীর সকলেই আদালতে ম্যাজিষ্ট্রেটের কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি প্রদান করে। তারা গণধর্ষণ করে জবাই করে হত্যার কথাও অকপটে জবানবন্দিতে জানায়। মামলায় ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও জেরা শেষে ৫ আসামীকে দোষি সাব্যস্ত করে আমৃত্যু সশ্রম কারাদন্ড ও এক লাখ টাকা করে জরিমানার আদেশ দেন। পলাতক আসামী আলমগীর গ্রেফতার হবার পর সাজা কার্যকর করা হবে বলেও বিচারক রায়ে উল্লেখ করে।

প্রায় সাত বছর মামলাটি আদালতে বিচারাধীন থাকার পর বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণা করা হয়।

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জাহাঙ্গীর হোসেন তুহিন বলেন, সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত পাঁচ আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। আমরা এ রায়ে সন্তুষ্ট।

সোনালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ যথেষ্ট উদ্বেগজনক: সংসদীয় কমিটি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাষ্ট্রায়ত্ব সোনালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণের অবস্থা যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছে অনুমিত হিসাব সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটি।

কমিটি জানিয়েছে, ব্যাংকের অনেক গ্রাহককে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। অনেকগুলোর ক্ষেত্রে ঋণের বিপরীতে জামানত নেই। ব্যাংকটির বড় খেলাপিদের থেকে বার্ষিক আদায়ের হার এক শতাংশেরও কম।

সোমবার (২৮ নভেম্বর) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

কমিটির সভাপতি আব্দুস শহীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে অংশ নেন কমিটি সদস্য ও চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী, এ বি তাজুল ইসলাম, বজলুল হক হারুন, আহসান আদেলুর রহমান, ওয়াসিকা আয়েশা খান এবং খাদিজাতুল আনোয়ার।

সংসদীয় কমিটি জানিয়েছে, সোনালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা।

সোনালী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, ন্যাশনাল ফিন্যান্স লিমিটেড, প্রিমিয়াম লিজিং এন্ড ফিন্যান্স লি.-এর খেলাপি ঋণের আর্থিক অনিয়ম যাচাই বাছাইয়ে ২০২১ সালের ৩ জানুয়ারি সংসদীয় কমিটি একটি সাব কমিটি গঠন করে। কমিটির সদস্য ওয়াসিকা আয়শা খানকে আহবায়ক করে গঠিত কমিটির অন্য সদস্যরা ছিলেন আহসান আদেলুর রহমান ও খাজিদাতুল আনোয়ার। কমিটি দীর্ঘ যাচাই বাছাই করে আজ সোমবার অনুষ্ঠিত মূল কমিটির বৈঠকে প্রতিবেদন জমা দেয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাব কমিটির প্রধান ওয়াসিকা আয়শা খান বলেন, আমরা প্রতিবেদন জমা দিয়েছি। এটা নিয়ে পরবর্তীতে আলোচনা করে বাংলাদেশ ব্যাংককে সুপারিশ জানানো হবে। সাব কমিটি তার প্রতিবেদনে ইচ্ছাকৃত ঋণ খেলাপিদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণ ও ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ঋণ প্রদাণের ক্ষমতা সীমিত করণসহ ১৪ দফা সুপারিশ করেছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী সোনালী ব্যাংকের ২০২০ সালের ডিসেম্বরে ৫ লাখ ৫০ হাজার খেলাপি ঋণ গ্রাহকের সংশ্লেষ অর্থের পরিমাণ ১৭ হাজার ৭৬২ কোটি টাকা। ডিসেম্বর ২০২১ এ খেলাপি ঋণ গ্রাহক কমে দাঁড়ায় ৩ লাখ ৭৬ হাজার। কিন্তু খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে হয় ১৮ হাজার ৭৮৬ কোটি। এ বছর এপ্রিল পর্যন্ত খেলাপি ঋণ গ্রাহক কিছুটা বেড়ে হয় ৩ লাখ ৯৭ হাজার। আর খেলাপি ঋণ কিছুটা কমে হয় ১৮ হাজার ৭১২ কোটি। ২০২০ সালের (৬ দশমিক ২২ শতাংশ) তুলনায় ২০২১ সালে (৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ) খেলাপি ঋণ আদায় কিছুটা বেড়েছে।

ডিসেম্বর ২০২০ সালে ১০ কোটি তদুর্ধ্ব ২৩৭ ঋণ খেলাপির সংশ্লেষ অর্থ ১১ হাজার ৫৩২ কোটি টাকা। ডিসেম্বর ২০২১ খেলাপির সংখ্যা বেড়ে হয় ৩০৮। একই সাথে খেলাপি ঋণের পরিমাণও বেড়ে হয় ১৩ হাজার ৪৭ কোটি টাকা। এপ্রিল ২০২২ এ খেলাপির সংখ্যা হয় ৩০৯ এবং খেলাপি ঋণের পরিমাণ হয় ১২ হাজার ৮৬৫ কোটি টাকা। ব্যাংকটির মোট ঋণের বিপরীতে খেলাপি ১৬-১৭ শতাংশ। এসব খেলাপি ঋণের মধ্যে বছরে আদায়ের হার এক শতাংশেরও কম। যা মোটেও সন্তোষজনক নয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- বড় ঋণের বিপরীতে রক্ষিত সহজামানতের পরিমাণ ঋণস্থিতির ৬০ শতাংশ, যা অপ্রতুল। ঋণ প্রদানে তথ্য যাচাই-বাছাইয়ে ঘাটতি ছিল। এদিকে ছোট ঋণ খেলাপিদের ক্ষেত্রে জামানত ১৫০ শতাংশের মতো। এসব খেলাপি ঋণ আদায়ের হার ৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ। মোট ঋণ খেলাপির মধ্যে ১০ কোটি তদুর্ধ্ব সংখ্যা মাত্র শূণ্য দশমিক শূণ্য ৮ শতাংশ (০.০৮%)। কিন্তু তাদের কাছে খেলাপি মোট খেলাপির ৬৭ শতাংশ। ব্যাংকটির ছোট খেলাপি ঋণের আদায়ের সম্ভাবনা বড় খেলাপির তুলনায় বেশি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

সাব কমিটি বলেছে- ব্যাংকটির অনেক গ্রাহকদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। অনেকগুলোর ক্ষেত্রে জামানত নেই। জামানত থাকলেও বিক্রির প্রক্রিয়া জটিল। জামানতের পরিমাণ ও আদায়ের হার আপাত দৃষ্টিতে ভালো দেখালেও ব্যাংকটির খেলাপি ঋণের প্রকৃত অবস্থা যথেষ্ট উদ্বেগজনক।

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের (এসআইবিএল) ১০ কোটি তদুর্ধ্ব ২৭ জন ঋণ খেলাপির এক হাজার ৪৪ কোটি ৪০ টাকার টাকার বিপরীতে এ বছর এপ্রিল পর্যন্ত চার মাসে কোনো আদায় নেই। এটিকে অত্যন্ত হতাশাজনক ও দুর্বল ব্যাংক ব্যবস্থাপনার পরিচায়ক বলে উল্লেখ করা হয়। এ ব্যাংকের বেশিরভাগ ঋণের অনুকূলে জামানত নেই। পার্সোনাল গেরেন্টরের মাধ্যমে ঋণ দেয়া হয়েছে। বড় ঋণ গ্রহীতাদের খেলাপি হওয়ার প্রবণতা বেশি।

ন্যাশনাল ফাইন্যান্স মোট ঋণের (৬৪৩ কোটি) ১৯ শতাংশ শ্রেণিকৃত। শ্রেণিকৃত ঋণের ১০ জন গ্রাহকের কাছে।

ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের এপ্রিল ২২ ব্যাংকের ঋণ ও অগ্রীমের পরিমাণ এক হাজার ৩৮৬ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে ১২০ জন খেলাপি ঋণ গ্রহিতার বিপরীতে শ্রেণিকৃত ঋণ এক হাজার ৩৬৯ কোটি ৯০ লাখ টাকা। যা মোট ঋণের ৯৮ দশমিক ৭৮ শতাংশ। এর মধ্যে ১০ কোটি তদুর্ধ্ব খেলাপি ৪৬ জন এবং সংশ্লেষ অর্থের পরিমাণ এক হাজার ৫৬ কোটি ৬৯ লাখ টাকা।

;

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আ.লীগ নেতাদের বৈঠক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন আওয়ামী লীগের নেতারা।

সোমবার (২৮ নভেম্বর) রাতে গুলশানে আ.লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদের বাসায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

পিটার হাসের সঙ্গে এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলটির যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, শাম্মী আহমেদ ও মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তা ম্যাথিউ বে।

বৈঠক শেষে মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, কুশল বিনিময় ও আলাপচারিতা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে চট্টগ্রামে বিশাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে। আমেরিকানদের তারা জানাতে পারে যে, এখানে বিনিয়োগ করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, জবাবে রাষ্ট্রদূত বলেছে, বিষয়টি জানেন, তবে কিছু সমস্যা আছে। আমাদের এখানে আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় যেকোনো কাজ দেরি হয়। তবে আমি বলেছি, সবকিছু ডিজিটালাইজ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে হয়তো সমস্যা হবে না।

বৈঠক শেষে তারা একসঙ্গে নৈশভোজ সারেন।

;

রোহিঙ্গাদের সহায়তায় ৭.৫ মিলিয়ন ডলার দেবে নেদারল্যান্ডস



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা শরণার্থী ও কক্সবাজার জেলায় তাদের আশ্রয় প্রদানকারী সম্প্রদায়ের কল্যাণে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) মাধ্যমে ৭.৫ মিলিয়ন ডলার দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নেদারল্যান্ডস।

ঢাকাস্থ নেদারল্যান্ডস দূতাবাস এবং আইওএম এর মধ্যে ‘কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং আশ্রয়দানকারী সম্প্রদায়ের পরিবেশ পুনরুদ্ধার ও সহিষ্ণুতা জোরদারকরণ’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য এ বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রকল্পটির লক্ষ্য রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং কক্সবাজারে আশ্রয় প্রদানকারী সম্প্রদায়ের জন্য খাতভিত্তিক সহায়তা প্রদান করা।

বাংলাদেশে নেদারল্যান্ডের ডেপুটি অ্যাম্বাসেডর চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স থিজ উডস্ট্রা এবং আইওএম বাংলাদেশের অফিসার ইনচার্জ ফাতিমা নুসরাত গাজ্জালি ঢাকায় আইওএম অফিসে নিজ নিজ পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রবণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলার সম্মুখীন কক্সবাজার জেলায় ২০১৭ সাল থেকে ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী আশ্রয় গ্রহণ করেছে। সেখানে রোহিঙ্গা এবং আশ্রয় প্রদানকারী সম্প্রদায় বিশেষ করে ঘূর্ণিঝড়ের সময় ভূমিধস এবং বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে।

গাজ্জালি বলেন, রোহিঙ্গারা সীমিত সুযোগ ও জটিল চ্যালেঞ্জর মধ্যে ঘনবসতিপূর্ণ শিবিরে বাস করছে। আশ্রয়দানকারী সম্প্রদায়গুলোও বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হওয়ায় তাদের দুর্ভোগ বেড়েছে, এগুলোর মধ্যে রয়েছে সীমিত সম্পদ, সীমিত বাজার প্রবেশাধিকার, সীমিত কর্মসংস্থানের সুযোগ, অপর্যাপ্ত অবকাঠামো এবং বারবার পরিবেশগত বিপর্যয়।

তিনি বলেন, নেদারল্যান্ডসের সহায়তায় আইওএম রোহিঙ্গা ও আশ্রয়দানকারী গোষ্ঠীগুলোর জন্য জীবন রক্ষাকারী সহায়তা প্রদান করবে যা সামাজিক সম্প্রীতি ও নিরাপত্তায় অবদান রাখবে।

উডস্ট্রা আশা প্রকাশ করেছেন, তার সরকারের সহায়তা রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি উভয় সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রার উন্নতি করতে এবং দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করবে।

বাংলাদেশ সরকার এবং অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।

;

রাজবাড়ীতে অস্ত্রসহ যুবক আটক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজবাড়ী
রাজবাড়ীতে অস্ত্রসহ যুবক আটক

রাজবাড়ীতে অস্ত্রসহ যুবক আটক

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশেষ অভিযান চালিয়ে রাজবাড়ী থেকে অবৈধ অস্ত্রসহ মো. নান্নু শেখ (৩৩) নামের এক যুবককে আটক করেছে র‌্যাব।

সোমবার (২৮ নভেম্বর) বিকালে রাজবাড়ীর সদর উপজেলার ফুলতলা শের-ই বাংলা রোডের রেলওয়ে ম্যান্স অবসরপ্রাপ্ত কল্যাণ পরিষদের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটককৃত মো. নান্নু শেখ রাজবাড়ী সদরের সোনাকান্দ গ্রামের মো: মোকারম শেখের ছেলে।

র‌্যাব-৮ জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে, কতিপয় ব্যক্তি রাজবাড়ী জেলার সদর থানাধীন ফুলতলা শের-এ বাংলা রোডের দক্ষিণ পাশে রেলওয়ে ম্যান্স অবসরপ্রাপ্ত কল্যাণ পরিষদের সামনে অস্ত্র বিক্রয়ের জন্য অবস্থান করছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি বিশেষ আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ অস্ত্রসহ মো. নান্নু শেখকে আটক করে।

এ সময় আটককৃত আসামির কাছ থেকে ১টি ম্যাগাজিনসহ বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি এবং অবৈধ অস্ত্র ক্রয়-বিক্রয় কাজে ব্যবহৃত ৩টি সিমকার্ডসহ ২টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে রাজবাড়ী সদর থানায় অস্ত্র আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান র‌্যাব-৮।

;