বিএনপি সরকার হবে শ্রমিক নির্ভর সব পেশার মানুষের: খসরু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
বিএনপি সরকার হবে শ্রমিক নির্ভর সব পেশার মানুষের: খসরু

বিএনপি সরকার হবে শ্রমিক নির্ভর সব পেশার মানুষের: খসরু

  • Font increase
  • Font Decrease

'বিএনপি সরকার হবে শ্রমিক নির্ভর সব পেশার মানুষের' এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে হালিশহর নয়াবাজারস্থ গ্রান্ড তাসপিয়া কনভেনশন হলে চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিকদলের প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে এক শতাংশ লোক দেশকে নিয়ন্ত্রণ করছে। রাজনীতিতে রাজনীতিবিদদের কোনো ভূমিকা নেই। ভূমিকা আছে লুটেরাদের। শ্রমজীবী মানুষের অধিকার ফিরিয়ে আনতে হলে, এই ফ্যাসিষ্ট সরকারকে উৎখাত করতে হবে। এই ছাড়া আর কোনো পথ নাই। আগামীতে বিএনপির নেতৃত্বে জাতীয় সরকার কল্যাণকর রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করবে। নিশ্চিতভাবে বলতে পারি, বিএনপি সরকার হবে শ্রমিক নির্ভর সব পেশার মানুষের। ২০৩০ সালের মধ্যে কল্যাণকর রাষ্ট্র করার জন্য যা যা করা দরকার সব পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

আমীর খসরু বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার দেশের জনগণকে জিম্মি করে ফেলেছে। কিন্তু জনগণের স্রোত রোধ করতে পারেনি। অনেকে প্রশ্ন করে, সরকারের এই মন্ত্রী এই বলছে, সরকার এই বলছে। আপনার প্রতিক্রিয়া কী? আমি বলি, কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। কারণ উত্তর দেওয়ার সময় নেই। উত্তর দিতে গেলেও অনেক নিম্নপর্যায়ে যেতে হবে। আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাবো। ঢাকার সমাবেশ ১০ তারিখ নয়াপল্টনেই হবে। এখানে বাধা দেওয়ার সুযোগ নেই। প্রশাসনকে বলবো- জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবেন না।

তিনি পরিসংখ্যান দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের মানুষরা চিকিৎসা সেবায় সবচেয়ে বেশি টাকা ব্যয় করে। আফগানিস্তানের চেয়ে বেশি টাকা চিকিৎসায় খরচ করে। তাহলে এইসব মানষ বাঁচবে কীভাবে। আমরা যদি, একটা মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পারি, তাহলে ২৫ শতাংশ টাকা সাশ্রয় হবে। আগামীতে বিএনপির নেতৃত্বে জাতীয় সরকার হলে সকলের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে। বিনামূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। শ্রমিকদের জন্য নূন্যতম মজুরি ছাড়াও যারা বেকার থাকবে তাদের জন্য বেকার ভাতাও দেওয়া হবে।

আমীর খসরু বলেন, শ্রমিকদের দুবেলা খাওয়ার সুযোগ নেই। আজকের শ্রমিকদের কর্মসংস্থান নেই। বাসস্থান নেই। শ্রমিকদের বিষয়ে সরকারের বিন্দুমাত্র ইন্টারেস্ট নেই। অথচ শ্রমিকদের কারণে বাংলাদেশ ঠিকে আছে। লুটপাট করছে কিন্তু সবাই না। মাত্র এক শতাংশ লোক লুটপাট করছে। যারা সবাই আওয়ামী লীগের লোক। এই সম্পদ তারা বিদেশে পাচার করেছে। এই সম্পদ যদি, দেশে থাকতো তাহলে দেশের মানুষ কিছুটা হলেও সুযোগ পেতো। ১০ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে।

এতে প্রধান বক্তার বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারপার্সনের বিশেষ সহকারী ও শ্রমিক নেতা এড. শামসুর রহমান শীমুল বিশ্বাস বলেন, সভ্যতা বিনির্মাণের কারিগর হচ্ছে শ্রমিক শ্রেণির মানুষেরা। বর্তমান সরকারের দুঃশাসনে অবহেলিত শ্রমিক সমাজ। এই শ্রমজীবী মানুষদের অমর্যাদা অবমূল্যায়ন করে কোন দেশ এগিয়ে যেতে পারে না। ৯০ স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে শ্রমিক সমাজের ভূমিকা আন্দোলনকে সফল করেছিল। বর্তমান ফ্যাসিষ্ট সরকারের বিরুদ্ধে শ্রমিকদেরকে কঠিন আন্দোলনে শরিফ হতে হবে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের স্বার্থের কথা চিন্তা করছে না। শ্রমজীবি মানুষ আজ পরিবার পরিজন নিয়ে দিশেহারা। জনগণের কোন মূল্য আওয়ামী লীগের কাছে নেই, কারণ তারা ভোট ডাকাতি করে ক্ষমতায় এসেছে। জনগণের স্বার্থ রক্ষায় এই সরকারের পতন ঘটিয়ে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের দাবি আদায় করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের পায়ের নীচে মাটি নেই। তারা এখন আবোল-তাবোল বকছে। সারাদেশের মানুষ আজকে এই সরকারের পতনের আওয়াজ শোনার জন্য প্রস্তুত হয়েছে। তালবাহানা বন্ধ করে অনতিলম্বে আগামী নির্বাচনের আগে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার ব্যবস্থার দাবি মেনে নিতে হবে। সরকারের সাথে বিএনপির আর কোনো আলোচনা হবে না, আলোচনা হবে নিরপেক্ষ সরকার নিয়ে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর বলেন, চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ডের সমাবেশ থেকে যে লড়াই শুরু হয়েছে সেটা সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এ লড়াইয়ে বিজয় আমাদের হবেই। যদি আবারো ২০১৪-১৮ সালের মতো পাতানো নির্বাচনের নীলনকশা করা হয় তাহলে তার দাতভাঙা জবাব দেওয়ার জন্য জনগণ প্রস্তুত হয়েছে।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেন, স্বৈরাচার এরশাদের পতন ঘটিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছি, ওয়ান ইলেভেনের সরকারের সাথে আপোষ না করে আমরা বার বার গণতন্ত্র রক্ষা করেছি। এই নব্য স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পতন ঘটিয়ে আবারো আমরা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করবো। তাই শ্রমিকদলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সভাপতি এ এম নাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও রেলওয়ে শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক এম আর মন্জুরের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক শফিকুর রহমান স্বপন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, কেন্দ্রীয় শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক শ ম জামাল উদ্দিন, বিভাগীয় শ্রমিক দলের সি. সহ-সভাপতি ইদ্রিস মিয়া, সহ সভাপতি শামসুল আলম (ডক), সি. যুগ্ম সম্পাদক আবদুল বাতেন, দক্ষিণ জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ডা. মহসিন খান তরুণ, রাঙ্গামাটি জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মমতাজ উদ্দিন, কক্সবাজার জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম, ফেনী জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি হুমায়ুন কবির চৌধুরী, লক্ষ্মীপুর জেলা শ্রমিক দলের সহ সভাপতি আব্দুল হান্নান ভূঁইয়া, নোয়াখালী জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা শ্রমিলদলের সভাপতি শাহেনেওয়াজ চৌধুরী মিনু, শ্রমিকদল নেতা মো. হারুণ, গাজী আইয়ুব আলী, মোতালেব চৌধুরী, মো, আলী, ইব্রাহিম ফরাজী, সফিকুর রহমান মজুমদার, আবু বক্কর সিদ্দিক, হাসান মাহমুদ প্রমূখ।

নাশকতার মামলায় যুবদলের সভাপতি কারাগারে



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিরাজগঞ্জ
নাশকতার মামলায় যুবদলের সভাপতি কারাগারে

নাশকতার মামলায় যুবদলের সভাপতি কারাগারে

  • Font increase
  • Font Decrease

সিরাজগঞ্জে নাশকতার মামলায় ইসাহাক আলী (৪০) নামের ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ইসাহাক আলী সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি।

বুধবার রাতে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সয়দাবাদ ইউনিয়নের শহীদ এম.মনসুর আলী ষ্টেশন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) বিকালে সিরাজগঞ্জ সদর থানার অপারেশন কর্মকর্তা সুমন চন্দ্র দাস গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ইসাহাকের বিরুদ্ধে নাশকতার একটি মামলা ছিল। একারণে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিব্রাইল হোসেন বলেন, রাতে ইসাহাক আলী ট্রেনযোগে রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে আসার পথে মনসুর আলী ষ্টেশন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

;

দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম আকর্ষণ এখন মোংলা বন্দর



উপজেলা করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, মোংলা (বাগেরহাট)
দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম আকর্ষণ মোংলা বন্দর 

দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম আকর্ষণ মোংলা বন্দর 

  • Font increase
  • Font Decrease

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম মুসা বলেন, অনেক চড়াই উতরাই পেরিয়ে আসা মোংলা বন্দর পদ্মা সেতু চালু হওয়ার সাথে সাথেই বর্তমানে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম আকর্ষণে পরিণত হয়েছে।

জাকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ৭২৩ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। দিবসটি উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৯টায় বন্দর জেটির মেইন গেইটের সম্মুখ থেকে বের হওয়া বর্ণাঢ্য র‍্যালি বন্দর এলাকা প্রদক্ষিণ করেন। পরে বন্দরের স্বাধীনতা চত্বরে গিয়ে তা শেষ হয়। সেখানে উপস্থিত সকলকে বন্দর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানান বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম মুসা।

এরপর বন্দর জেটির সেডে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। আলোচনা সভার শুরুতেই কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেন বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরপর বন্দরের উপর নির্মিত উন্নয়নমূলক ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব কালাচাঁদ সিংহ।

পরে অনুষ্ঠানের সভাপতি পরিচালক (প্রশাসন) মোঃ শাহীনুর আলম ও বিশেষ অতিথি হিসেবে সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমডোর মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ তরফদার বক্তব্য রাখেন।

এরপর প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম মুসা বলেন, এক সময়ের লোকসানী বন্দর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় আসার সাথে সাথে বেশ কিছু প্রকল্প গ্রহণ করেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক দূরদর্শিতায় অচিরেই মোংলা বন্দর শিপিং হাব এ রূপান্তর হবে। মোংলা বন্দরকে আরো আধুনিক ও বিশ্বমানের করে গড়ে তোলার জন্য বেশ কিছু প্রকল্প চলামান রয়েছে ও কিছু প্রকল্প ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য হাতে নেয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বন্দরের সেরা কৃতিত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ বন্দরের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাংবাদিকদের ক্রেস্ট ও সম্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়াও বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বন্দর ব্যবহারকারী ও সম্মানিত অতিথিদের মধ্যে কয়েকজনকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য, ১লা ডিসেম্বর মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ৭২তম প্রতিষ্ঠা দিবস। মোংলা বন্দর বিশ্ব ঐতিহ্যের ধারক সুন্দরবনের পাদদেশে অবস্থিত। এ বন্দর ১৯৫০ সালের ০১ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে। একই বছর ১১ ডিসেম্বর পশুর নদীর জয়মনিরগোলে ‘দি সিটি অব লিয়নস’ নামক ব্রিটিশ বাণিজ্যিক জাহাজ নোঙ্গরের মধ্যদিয়ে এ বন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৮৭ সালের পোর্ট অব চালনা অথরিটি এ্যাক্ট অনুসারে প্রথমে চালনা বন্দর কর্তৃপক্ষ ও পরবর্তীতে মোংলা পোর্ট অথরিটি নামে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর হিসেবে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের তথা বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে এ বন্দর ব্যাপক ভূমিকা রেখে চলেছে। ২০০১ হতে ২০০৮ অর্থ বছর পর্যন্ত এ বন্দর নানামুখী প্রতিকুলতার কারণে লোকসানী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল। বিগত ২০০৭-২০০৮ইং অর্থ বছরের ফেব্রুয়ারী মাসে ০৭টি জাহাজ ও সম্পূর্ণ অর্থ বছরে ৯৫টি জাহাজ আগমন করে এবং ২০০৪-২০০৫ইং অর্থ বছরে বন্দর ১১ কোটি টাকা লোকসান করে।
২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকে মোংলা বন্দর উন্নয়নের জন্য সরকার অগ্রাধিকার ও বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করে এবং বন্দরের উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে কাজ শুরু করেন। ফলে ক্রমান্বয়ে মোংলা বন্দর গতিশীল হতে থাকে, যার কারণে প্রতি বছর বিদেশী জাহাজ আগমনের রেকর্ড সৃষ্টি হচ্ছে।

;

এবার এডিসিসহ পুলিশের ৬ কর্মকর্তা বদলি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের(ডিএমপি) অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) পদ মর্যাদার এক কর্মকর্তাসহ মোট ছয় কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।

বুধবার (৩০ নভেম্বর) ও মঙ্গলবার ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক স্বাক্ষরিত পৃথক অফিস আদেশে তাদের বদলি করা হয়।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার সাকিবুল ইসলাম খানকে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (প্রফেশনাল স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড ইন্টারনাল ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

বদলি হওয়া পুলিশ পরিদর্শকেরা হলেন:

Caption

 

;

শাস্তির মুখে ১৩৪ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা, অনিয়মে কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তাও



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গাইবান্ধা-৫ উপনির্বাচনে ১২৫ কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালনে অবহেলা করেছেন। সব মিলে এই উপনির্বাচনে অনিয়মে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় ১৩৪ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা বিভাগীয় শাস্তির মুখোমুখি হচ্ছেন।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সুশান্ত কুমার সাহা, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম ও কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার অনিয়মে জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। তবে জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) ও কোনো প্রার্থীর অনিয়মে জড়িত থাকার প্রমাণ মেলেনি।

নির্বাচন কমিশন ১২৫ কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হবে। আর রিটার্নিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ইসি সচিবকে।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বৃহস্পতিবার দুপুরে এক ব্রিফিংয়ে গাইবান্ধা-৫ উপনির্বাচন বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)কাজী হাবিবুল আউয়াল এসব কথা বলেন।

সিইসি বলেন, ‘১২৫ কেন্দ্রের কর্মকর্তাকে দায়িত্ব পালনে অবহেলায় সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত এক মাসের মধ্যে কার্যকর করতে নিয়ন্ত্রণকারী বা নিয়োগকারী দপ্তরকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরইমধ্যে এক কলেজশিক্ষক দুই মাসের জন্য সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন।’

সিইসি আরও বলেন, ‘এছাড়া অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করবে নির্বাচন কমিশন। আর রিটার্নিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ইসি সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

;