জাবির বটতলায় 'যা-ই বলেন, বিশ্বকাপ আমাদের' শীর্ষক রম্য বিতর্ক

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



জাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
জাবির বটতলায় 'যা-ই বলেন, বিশ্বকাপ আমাদের' শীর্ষক রম্য বিতর্ক

জাবির বটতলায় 'যা-ই বলেন, বিশ্বকাপ আমাদের' শীর্ষক রম্য বিতর্ক

  • Font increase
  • Font Decrease

 

ফুটবল বিশ্বকাপের আমেজে মেতে আছে সমগ্র বিশ্ব। মরুর বুকে আলো ঝলমলে কাতারে বিশ্বকাপ ফুটবলের আয়োজনের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েও (জাবি)। ফুটবল বিশ্বকাপের এবারের আসরকে কেন্দ্র করে ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনায় নতুন মাত্রা যোগ করতে জাবিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে রম্য বিতর্ক।

বুধবার (২৩ নভেম্বর) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উঁচু বটতলায় 'যা-ই বলেন, বিশ্বকাপ আমাদের' শীর্ষক এই রম্য বিতর্কের আয়োজনে ছিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ডিবেট অর্গানাইজেশন (জেইউডিও)।

‘যা-ই বলেন, বিশ্বকাপ আমাদের’ শীর্ষক ওই বিতর্কে অংশ নেন ফুটবলভক্ত ব্রাজিল, জার্মানি, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, ইংল্যান্ড ও স্পেনের প্রতিনিধিত্ব করা ছয়জন বিতার্কিক।

এ দিন বিতর্কে আর্জেন্টিনার প্রতিনিধিত্ব করেন শাহীন রেজা, ব্রাজিলের হয়ে জাফর সাদিক ও জার্মানির পক্ষে নূর আলম। এছাড়া ফ্রান্সের হয়ে লড়াই করেছেন নাজিউল ইসলাম শোভন, ইংল্যান্ডের পক্ষে শফি মাহমুদ সাগর এবং স্পেনের হয়ে নুর আহম্মদ হোসেন এই রম্য বিতর্কে লড়াই করেন।

বিশ্বকাপকে ঘিরে এই রম্য বিতর্কে বিতার্কিকরা যুক্তি আর পরিসংখ্যানের জোরে বিশ্বকাপকে নিজেদের ঘরে তোলার লড়াই চালিয়ে যান।পছন্দের দলের যুক্তির লড়াইয়ে কিছুটা এগিয়ে গেলেই উচ্ছ্বাসের জোয়ারে মেতে উঠছিলেন ক্যাম্পাসের ফুটবলপ্রেমী বিভিন্ন দলের সমর্থকেরা।

এই বিতর্কে সবচেয়ে বেশী বিপাকে পড়েছেন আর্জেন্টিনার সমর্থিত বিতার্কিক শাহীন রেজা।অপেক্ষাকৃত দুর্বল প্রতিপক্ষ সৌদি আরবের কাছে হেরে সবদিক থেকেই বিতর্কের চাপাকলে দুমড়ে মুচড়ে যাচ্ছিলো আর্জেন্টিনার সমর্থক গোষ্ঠীরাও।

বিশ্বকাপ উন্মাদনায় মেতে উঠতে আয়োজিত রম্য বিতর্ক বিষয়ে কথা হলে জেইউডিও’র সাধারণ সম্পাদক জিল্লাল হোসাইন সৌরভ বাংলা ইনসাইডারকে বলেন, ‘বিশ্বকাপ আসলে ক্যাম্পাস মেতে উঠে এক ভিন্ন উন্মাদনায়। একসঙ্গে বসে খেলা দেখা, প্রিয় দলের জার্সি পরে ঘুরে বেড়ানো, পছন্দের দলকে নিয়ে বিতর্ক চলতেই থাকে। এই উত্তেজনায় ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে আমাদের এই বিতর্ক। ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা এই আয়োজন খুব উপভোগ করেছে।’

প্রসঙ্গিত, ফুটবল বিশ্বকাপের এবারের আসরকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যেই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে(জাবি) প্রতিটি বিভাগে, হলে ফুটবল উন্মাদ ভক্তরা গড়ে তুলেছে বিভিন্ন দলীয় সমর্থক গোষ্ঠীদের কমিটি।হলের দেয়ালে, ক্যাম্পাসের আড্ডার স্থানগুলোতে শোভা পাচ্ছে ফুটবলপ্রেমীদের পছন্দের দলের পতাকা। তাছাড়া ফুটবলপ্রেমীদের বিশ্বকাপ ফুটবলের ম্যাচগুলো উপভোগ করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা ও ট্রান্সপোর্ট ইয়ার্ডে বড় পর্দায় খেলা দেখার এবং উপভোগ করার ব্যবস্থা রয়েছে।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ডা. মিলন উজ্জ্বল নক্ষত্র: রাষ্ট্রপতি



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ

  • Font increase
  • Font Decrease

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ডা. মিলন এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। ১৯৯০ সালে শহীদ ডা. মিলনের মতো আরও অনেকের আত্মত্যাগের বিনিময়ে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা লাভ করে।

রোববার (২৭ নভেম্বর) শহীদ ডা. মিলন দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

আবদুল হামিদ বলেন, ১৯৯০ সালে শহীদ ডা. মিলনের মতো আরও অনেকের আত্মত্যাগের বিনিময়ে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা লাভ করে। দেশের প্রতিটি গণতন্ত্রকামী মানুষ ডা. মিলনসহ সকল বীর শহিদের অবদান চিরদিন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে পুরোভাগে থাকা শহীদ ডা. শামসুল আলম খান মিলন পুলিশের গুলিতে শাহাদত বরণ করেন উল্লেখ করে তিনি শহীদ ডা. মিলনসহ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আত্মোৎসর্গকারী সকল শহীদকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

মো. আবদুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ডা. মিলন এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতকচক্রের হাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের নৃশংস হত্যার মধ্য দিয়ে দেশে স্বৈরশাসনের উত্থান ঘটে। ১৯৯০ সালে শহীদ ডা. মিলনের মতো আরও অনেকের আত্মত্যাগের বিনিময়ে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা লাভ করে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, গণতন্ত্র ও উন্নয়ন একে অপরের পরিপূরক। টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকেও বেগবান করতে হবে। নতুন প্রজন্ম ডা. মিলনের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক রীতিনীতির চর্চায় নিজেদের নিয়োজিত করবে।

রাষ্ট্রপতি শহীদ ডা. শামসুল আলম খান মিলনের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;

১০ দফা দাবিতে নৌযান শ্রমিকদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সর্বনিম্ন মজুরি ২০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ ১০ দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে নৌযান শ্রমিক ফেডারেশন।

শনিবার (২৬ নভেম্বর) পূর্বনির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি আদায় না হওয়ায় রাত ১২টা থেকে লাগাতার কর্মবিরতি শুরু করে নৌযান শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদের নেতাকর্মীরা। দাবির সমর্থনে শনিবার বেলা ১১টার দিকে বরিশাল নদীবন্দর থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে সংগঠনটি। মিছিলটি নগরীর অশ্বিনী কুমার হলের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করে।

শ্রমিকদের ১০ দফা দাবি হলো- নৌযান শ্রমিকদের নিয়োগপত্র, পরিচয়পত্র ও সার্ভিস বুক প্রদানসহ শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মজুরি ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ, খাদ্য ভাতা ও সমুদ্র ভাতার সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কন্ট্রিবিউটরি প্রভিডেন্ট ফান্ড ও নাবিক কল্যাণ তহবিল গঠন করা, দুর্ঘটনা ও কর্মস্থলে মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ ১০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা, চট্টগ্রাম থেকে পাইপ লাইনের মাধ্যমে জ্বালানি তেল সরবরাহে দেশের স্বার্থবিরোধী অপরিণামদর্শী প্রকল্প বাস্তবায়নে চলমান কার্যক্রম বন্ধ করা, বালুবাহী বাল্কহেড ও ড্রেজারের রাত্রিকালীন চলাচলের উপরে ঢালাও নিষেধাজ্ঞা শিথিল, নৌপথে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও ডাকাতি বন্ধ, ভারতগামী শ্রমিকদের লান্ডিং পাস প্রদানসহ ভারতীয় সীমানায় সব ধরনের হয়রানি বন্ধ করা, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্য পরিবহন নীতিমালা শতভাগ কার্যকর করে সকল লাইটারিং জাহাজকে সিরিয়াল মোতাবেক চলাচলে বাধ্য করা, চরপাড়া ঘাটে ইজারা বাতিল ও নৌ-পরিবহন অধিদফতরের সব ধরনের অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা বন্ধ করা।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;

‘স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে ডা. মিলনের আত্মত্যাগ নতুন গতি সঞ্চারিত করে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে ডা. মিলনের আত্মত্যাগ নতুন গতি সঞ্চারিত করে।

তিনি বলেন, সেদিনই দেশে জরুরি আইন ঘোষণা করা হয়। কিন্তু জরুরি আইন, কারফিউ উপেক্ষা করে ছাত্র-জনতা মিছিল নিয়ে বারবার রাজপথে নেমে আসে। অবশেষে স্বৈরশাসকের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়।

রোববার (২৭ নভেম্বর) ডা. শামসুল আলম খান মিলনের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে এ কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ৯০-এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম পেশাজীবী নেতা ডা. শামসুল আলম খান মিলনের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে আমি তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডা. মিলন ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম-মহাসচিব এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষক। ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের একটি সভায় যোগ দিতে যাওয়ার সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় ঘাতকদের গুলিতে তিনি শহীদ হন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এ সংগ্রামে ডা. মিলন ছাড়াও যুবলীগ নেতা নূর হোসেন, নূরুল হুদা, বাবুল, ফাত্তাহসহ অগণিত গণতন্ত্রকামী মানুষের রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল দেশের বিভিন্ন এলাকা। তাদের ত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় ভোট ও ভাতের অধিকার। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তাদের এ অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।

তিনি বলেন, ডা. শামসুল আলম খান মিলন- এর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির আমি সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;

শহীদ ডা. মিলন দিবস আজ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
শহীদ ডা. মিলন

শহীদ ডা. মিলন

  • Font increase
  • Font Decrease

আজ ২৭ নভেম্বর, শহীদ ডা. মিলন দিবস। ১৯৯০ সালের এই দিনে স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী গণঅভ্যুত্থানে চিকিৎসক নেতা ডা. শামসুল আলম খান মিলন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) সামনে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তারা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের বীর শহীদ ডা. মিলনের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন ।

চিকিৎসকদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. মিলনের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী দল ও সংগঠনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

আওয়ামী লীগ যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালনের নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এ উপলক্ষে রোববার সকাল ৮টায় দলটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ চত্বরে ডা. শামসুল আলম খান মিলনের সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতের কর্মসূচি পালন করবে।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- ভোর ৬টায় দলীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ, সকাল ৮টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজস্থ শহীদ ডা. মিলনের সমাধি ও সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টিএসসি সংলগ্ন শহীদ ডা. মিলন সৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং বিএমএসহ বিভিন্ন চিকিৎসক সংগঠন আয়োজিত আলোচনা সভা।

ডা. মিলনের রক্তদানের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে তখন নতুন গতিবেগ সঞ্চারিত হয়। পরে ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সেই সময়ের স্বৈরশাসনের পতন ঘটে এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এক বিবৃতিতে শহীদ ডা. শামসুল আলম খান মিলন দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের জন্য সংগঠনের নেতা-কর্মীসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;