শেষ দিনে ১০ মেয়রসহ ২৭৭ জনের মনোনয়ন পত্র দাখিল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
শেষ দিনে ১০ মেয়রসহ ২৭৭ জনের মনোনয়ন পত্র দাখিল

শেষ দিনে ১০ মেয়রসহ ২৭৭ জনের মনোনয়ন পত্র দাখিল

  • Font increase
  • Font Decrease

 

রংপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মনোনয়ন পত্র জমাদানের শেষ দিনে ১০ মেয়র প্রার্থীসহ সংরক্ষিত নারী ও সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলার পদে মোট ২৭৭ জন মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন।

মঙ্গলবার(২৯ নভেম্বর) বিকাল ৪ টায় শেষ সময় পর্যন্ত এ মনোনয়নপত্র জমা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন নির্বাচনী আঞ্চলিক কার্যালয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা আবদুল বাতেন।

মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে অনেক প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের উৎসবমুখর পরিবেশে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে দেখা গেছে।

শেষ সময় পর্যন্ত মেয়র পদে ১০ জন, ১১টি সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদের বিপরীতে ৬৯ জন এবং ৩৩টি সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদের বিপরীতে ১৯৮জনসহ মোট ২৭৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

মেয়র পদে প্রার্থীরা হলেন—ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আমিরুজ্জামান, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. আবু রায়হান, খেলাফত মজলিশের মো. তউহিদুর রহমান মণ্ডল, জাতীয় পার্টির মো. মোস্তাফিজার রহমান, জাতীয় সমাজ তান্ত্রিক দল-জাসদের মো. শফিয়ার রহমান, আওয়ামী লীগের হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া, জাকের পার্টির মো. খোরশেদ আলম এবং স্বতন্ত্র মো. লতিফুর রহমান, মো. আতাউর জামান বাবু, মো. মেহেদি হাসান (বনি)।

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিলো ২৯ নভেম্বর।

১ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র বাছাই এবং ৮ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ৯ ডিসেম্বর।

এরপর প্রার্থীরা ১৭ দিন প্রচার-প্রচারণার সুযোগ পাবেন। ২৭ ডিসেম্বর ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এক টানা ভোটগ্রহণ চলবে।

সক্ষম সকলকে কর প্রদানের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশবাসীকে তাদের কর প্রদানের আহ্বান জানিয়ে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে উঠতে করদাতার সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি আরও কর সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

তিনি বলেন, শুধু রাজধানী বা শহরে নয়, সারা দেশে কর দিতে সক্ষম যারা, দয়া করে আপনার কর পরিশোধ করুন। সরকার আপনার পরিষেবা এবং কল্যাণে আপনার অর্থ ব্যবহার করবে।

রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাজস্ব ব্যবস্থাপনার উন্নয়নের লক্ষ্যে দেশের প্রথম দুই দিনব্যাপী রাজস্ব সম্মেলন-২০২৩ উদ্বোধনকালে তিনি একথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, সমগ্র বিশ্ব এখন অর্থনৈতিক মন্দা এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যার প্রভাব বাংলাদেশের ওপরও পড়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কাজেই আমাদের সেগুলোর (অর্থনৈতিক মন্দা এবং উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির হার) মোকাবিলা করেই এগিয়ে যেতে হবে। আমরা যত বেশি ট্যাক্স সংগ্রহ করবো, ততই এটি অতিক্রম করা সহজ এবং সম্ভব হবে।

প্রধানমন্ত্রী করের পরিমাণ বাড়ানোর পরিবর্তে করদাতার সংখ্যা সম্প্রসারণে আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করতে এবং জনগণকে কর দিতে উদ্বুদ্ধ করতে সারা দেশে ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।

সরকার প্রধান বলেন, এটা শুধু রাজধানী কেন্দ্রিক নয়, সারা দেশেই আমি সবাইকে বলবো— যারা কর দেবার সামর্থ্য রাখেন, আপনারা দয়া করে কর দেবেন। সেটা আপনাদের সেবায়ই সরকার কাজে লাগাবে।

তিনি বলেন, যেহেতু বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা, আজকে প্রতিটা জিনিসের দাম বেড়েছে। আজকে তেল, গ্যাস, গম, ভোজ্যতেল, চিনিসহ প্রত্যেকটা জিনিসের দাম বেড়ে গেছে। আমাদের আওয়ামী লীগ সরকার তা সত্ত্বেও এগুলো অধিক মূল্যে কিনে নিয়ে আসছে। সেখানে পরিবহন ব্যয়ও বেড়েছে। ৮০০ ডলারের জাহাজ ভাড়া এখন ৩ হাজার ৮০০ ডলার। আমরা ভর্তুকি দিয়ে অধিক মূল্যে কিনে এনে তা কমমূল্যে দেশের মানুষকে দিচ্ছি।’ এক কোটি মানুষ টিসিবির কার্ড পেয়েছে, সবখানে ভর্তুকি মূল্যে মানুষকে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সরবরাহ করা হচ্ছে। কৃষিতে তার সরকার ভর্তুকি দিচ্ছে, করোনাকালীন ব্যবসায়ীদের শিল্প ও কলকারখানা চালু রাখার জন্য তার সরকার প্রণোদনা প্যাকেজ দিয়েছে। এভাবেই সরকার সবাইকে দুঃসময়ে ভর্তুকি অব্যাহত রেখেছে।

তিনি বলেন, এখন সরকার যাতে রাষ্ট্র চালাতে পারে বা মানুষের জন্য কাজ করতে পারে, সেদিকে সবাইকে দৃষ্টি দিতে হবে। কারণ, ভর্তুকি আমরা আর কতো দিতে পারবো। তাছাড়া আমাদের উন্নয়ন কাজগুলো যাতে ব্যাহত না হয় সেদিকেও দেখতে হবো।

শেখ হাসিনা বলেন, আপনারা উপজেলা বা ইউনিয়ন পর্যায়ে যদি যান, যে পরিবর্তন হয়েছে গত ১৪ বছরের সেই পরিবর্তনটা আপনারা দেখতে পাবেন। এখন আর কেউ কুঁড়েঘরে বাস করে না, ভূমিহীন-গৃহহীন প্রত্যেককে তার সরকার বিনে পয়সায় ঘর তৈরি করে দিচ্ছে। আর্থিক সহায়তা দিয়ে জীবন-জীবিকার ব্যবস্থা করে দিচ্ছে। পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের সুযোগও করে দেওয়া হচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, সরকার একশ’ অর্থনৈতিক অঞ্চল করে দিচ্ছে, যেখানে বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে এবং আওয়ামী লীগ সরকারের তৃণমূল পর্যায়েরও উন্নয়ন নীতির কারণে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়েও অর্থনীতির গতিশীলতা তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, আমি এটুকু বলতে পারি, গত ১৪ বছরে আমূল পরিবর্তন এসেছে। করদানের সক্ষমতা কিন্তু আমাদের উপজেলা এমনকি ইউনিয়ন পর্যায়েও রয়েছে। সেখানে আমরা যদি একটু প্রচার-প্রচারণা ভালোভাবে চালাই, তাহলে মানুষ কিন্তু স্বতঃস্ফূর্তভাবে আসবে। কারণ, তারা তো সেবা পাচ্ছে। এই সেবাটা পাওয়ার জন্যই তারা করবে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তৃতা করেন অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনীম এবং সদস্য ড. আব্দুল মান্নান শিকদার। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য প্রদ্যুৎ কুমার সরকার।

অনুষ্ঠানে এনবিআরের কার্যক্রমের ওপর একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী এর আগে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ৪১২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নবনির্মিত ১২ তলা রাজস্ব ভবন উদ্বোধন করেন। ভবন উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী এর বিভিন্ন স্থান পরিদর্শনও করেন।

;

আরো এক লাখ ৩৫ হাজার কর্মী মালয়েশিয়া যাবেন



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease
মালয়েশিয়ায় ৬৫ হাজার বাংলাদেশি কর্মী পাঠানো হয়েছে। আরো ১ লাখ ৩৫ হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত হয়ে গেছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন  রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সফররত মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুসন ইসমাইলের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা বলেন। 

তিনি বলেন, মালয়েশিয়ায় অনেকে বেশি টাকা দিয়ে গিয়েছে। এটি একটা সমস্যা। মালয়েশিয়ায় নতুন সরকার এসেছে। তারা এ সমস্যা সমাধান করবে আশা করি। 

;

বাংলাদেশ থেকে আলু, আম ও ফুলকপি নিতে চায় রাশিয়া



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
সংগৃহীত

সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease
বাংলাদেশ থেকে আলু,আম ও ফুলকপি নিতে চায় রাশিয়া। ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্ডার ভি. মান্টিটস্কি এ আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
রবিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্ডার ভি. মান্টিটস্কি  এর সাথে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। 

রাশিয়ায় এ বছরই আলু রপ্তানি পুনরায় শুরু হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, আলু রপ্তানিতে রাশিয়ার নিষেধাজ্ঞা দেয়ার আগে দেশ থেকে অনেক আলু রপ্তানি হতো। সম্প্রতি রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ায় পুনরায় আলু রপ্তানির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ বছরই রপ্তানি শুরু হবে। 

উল্লেখ্য, আলুতে ব্রাউনরট রোগের উপস্থিতি শনাক্ত হওয়ায় ২০১৪ সাল থেকে বাংলাদেশ থেকে আলু রপ্তানিতে রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।  আলুকে ব্যাকটেরিয়ামুক্ত ও নিরাপদ করতে বাংলাদেশ সরকার অনেকগুলো পদক্ষেপ গ্রহণ করায় ২০২২ সালের মার্চে রাশিয়া এ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয়। 

 রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্ডার ভি. মান্টিটস্কি বলেন, বাংলাদেশের আম ও ফুলকপি অত্যন্ত সুস্বাদু ও উন্নত মানের। রাশিয়াতে এগুলো রপ্তানির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। আম ও ফুলকপি দ্রুত রাশিয়ায় নিতে চাই।
সাক্ষাৎকালে রাশিয়া থেকে ডিএপি ও পটাশিয়াম সার আনতে ‘সমঝোতা স্মারক’ (এমওইউ) স্বাক্ষরের বিষয়ে আলোচনা হয়। কৃষিমন্ত্রী বলেন, রাশিয়া থেকে আমরা পটাশিয়াম আমদানি করে থাকি। এ ব্যাপারে দুদেশের মধ্যে একটি এমওইউ বিদ্যমান রয়েছে, এটিকে নবায়ন করা হবে। একইসঙ্গে, রাশিয়া থেকে আমরা ডিএপি সার আনতে চাই। এ বিষয়েও একটি ‘সমঝোতা স্মারক’ (এমওইউ) স্বাক্ষর হবে শীঘ্রই। 

কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, রাশিয়া বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধুরাষ্ট্র। স্বাধীনতা সংগ্রামের শুরু থেকেই রাশিয়ার সাথে বাংলাদেশের গভীর সম্পর্ক বিদ্যমান। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমাদের এ সম্পর্ক অটুট থাকবে। ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিকসহ সকল ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি পাবে।

নির্বাচনে ভোটাররা আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন কিনা, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী ড. রাজ্জাক বলেন, ভোটাররা নির্বাচনে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন নি। উপনির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কম হবে, এটিই স্বাভাবিক। জাতীয় সংসদ নির্বাচন, সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা পরিষদ নির্বাচন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে এখনও ভোটারের ব্যাপক আগ্রহ ও উপস্থিতি রয়েছে। উন্নত দেশে যেখানে শতকরা ৪০ ভাগের মতো ভোট কাস্ট হয়, সেখানে আমাদের দেশে শতকরা ৮০-৮৫ ভাগ ভোট কাস্ট হয়। আগামী সাধারণ নির্বাচনেও ভোটারের ব্যাপক উপস্থিতি থাকবে। 

আওয়ামী লীগের পক্ষে ভোটাররা আছেন কিনা, তা যাচাই করতে বিএনপিকে আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, বিএনপি জোট আগামী নির্বাচনে আসুক। 
;

বাংলাদেশের প্রতি শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতির কৃতজ্ঞতা



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease
শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি রনিল বিক্রমাসিংহ তার দেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জন্য বাংলাদেশ সময়োপযোগী সহায়তার জন্য বাংলাদেশ সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন শ্রীলঙ্কায় ৭৫তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে
কলম্বোয় দেশটির রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে বিক্রমাসিংহ এ কৃতজ্ঞতা জানান।

ড. মোমেন "স্বাধীনতা প্যারেডে" যোগদান করেন। সেখানে কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি।

এর আগে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম. আলী সাবরি এবং ড. মোমেন উভয়েই চলমান অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য আলোচনা, ব্যবসা ও বিনিয়োগে সহযোগিতা, পর্যটন এবং যোগাযোগ  সহযোগিতার দ্রুত বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন। 

ড. মোমেন জনগণের মধ্যে যোগাযোগ এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়নের জন্য ঢাকা-কলম্বো বিমান ভাড়া কমানোর জন্য  শ্রীলঙ্কার প্রতিপক্ষকে অনুরোধ করেন।

তিনি বর্ধিত শিপিং সংযোগের জন্য বাংলাদেশের ফিডার ভেসেলের জন্য অগ্রাধিকার বার্থিংয়ের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. বিমলা রাই পাউডিয়ালের সঙ্গে সাক্ষাত করেন যেখানে তারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিনা রব্বানি খার। তিনি প্রতিমন্ত্রীর কাছে পুনর্ব্যক্ত করেন যে ১৯৭১ সালে নিরস্ত্র বাঙালিদের উপর সংঘটিত নৃশংসতার জন্য পাকিস্তানের আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাওয়া উচিত। 
 
ভারতের পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শ্রী ভি. মুরালীধরন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাঙ্গেও দেখা করেছেন। তারা আসন্ন দ্বিপাক্ষিক সফর এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন এবং দুই দেশের জনগণের স্বার্থে ব্যবসা-বাণিজ্যের ওপর জোর দেন।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সব মন্ত্রী বাংলাদেশের অব্যাহত অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের প্রশংসা করেন।
সন্ধ্যায়, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশ যেমন ভারত, নেপাল, ভুটান, পাকিস্তান এবং কমনওয়েলথের মহাসচিব এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সফরে আগত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সম্মানে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক আয়োজিত সংবর্ধনায় যোগ দেন। 

;