দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম আকর্ষণ এখন মোংলা বন্দর



উপজেলা করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, মোংলা (বাগেরহাট)
দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম আকর্ষণ মোংলা বন্দর 

দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম আকর্ষণ মোংলা বন্দর 

  • Font increase
  • Font Decrease

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম মুসা বলেন, অনেক চড়াই উতরাই পেরিয়ে আসা মোংলা বন্দর পদ্মা সেতু চালু হওয়ার সাথে সাথেই বর্তমানে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম আকর্ষণে পরিণত হয়েছে।

জাকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ৭২৩ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। দিবসটি উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৯টায় বন্দর জেটির মেইন গেইটের সম্মুখ থেকে বের হওয়া বর্ণাঢ্য র‍্যালি বন্দর এলাকা প্রদক্ষিণ করেন। পরে বন্দরের স্বাধীনতা চত্বরে গিয়ে তা শেষ হয়। সেখানে উপস্থিত সকলকে বন্দর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানান বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম মুসা।

এরপর বন্দর জেটির সেডে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। আলোচনা সভার শুরুতেই কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেন বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরপর বন্দরের উপর নির্মিত উন্নয়নমূলক ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব কালাচাঁদ সিংহ।

পরে অনুষ্ঠানের সভাপতি পরিচালক (প্রশাসন) মোঃ শাহীনুর আলম ও বিশেষ অতিথি হিসেবে সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমডোর মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ তরফদার বক্তব্য রাখেন।

এরপর প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম মুসা বলেন, এক সময়ের লোকসানী বন্দর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় আসার সাথে সাথে বেশ কিছু প্রকল্প গ্রহণ করেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক দূরদর্শিতায় অচিরেই মোংলা বন্দর শিপিং হাব এ রূপান্তর হবে। মোংলা বন্দরকে আরো আধুনিক ও বিশ্বমানের করে গড়ে তোলার জন্য বেশ কিছু প্রকল্প চলামান রয়েছে ও কিছু প্রকল্প ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য হাতে নেয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বন্দরের সেরা কৃতিত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ বন্দরের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাংবাদিকদের ক্রেস্ট ও সম্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়াও বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বন্দর ব্যবহারকারী ও সম্মানিত অতিথিদের মধ্যে কয়েকজনকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য, ১লা ডিসেম্বর মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ৭২তম প্রতিষ্ঠা দিবস। মোংলা বন্দর বিশ্ব ঐতিহ্যের ধারক সুন্দরবনের পাদদেশে অবস্থিত। এ বন্দর ১৯৫০ সালের ০১ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে। একই বছর ১১ ডিসেম্বর পশুর নদীর জয়মনিরগোলে ‘দি সিটি অব লিয়নস’ নামক ব্রিটিশ বাণিজ্যিক জাহাজ নোঙ্গরের মধ্যদিয়ে এ বন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৮৭ সালের পোর্ট অব চালনা অথরিটি এ্যাক্ট অনুসারে প্রথমে চালনা বন্দর কর্তৃপক্ষ ও পরবর্তীতে মোংলা পোর্ট অথরিটি নামে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর হিসেবে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের তথা বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে এ বন্দর ব্যাপক ভূমিকা রেখে চলেছে। ২০০১ হতে ২০০৮ অর্থ বছর পর্যন্ত এ বন্দর নানামুখী প্রতিকুলতার কারণে লোকসানী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল। বিগত ২০০৭-২০০৮ইং অর্থ বছরের ফেব্রুয়ারী মাসে ০৭টি জাহাজ ও সম্পূর্ণ অর্থ বছরে ৯৫টি জাহাজ আগমন করে এবং ২০০৪-২০০৫ইং অর্থ বছরে বন্দর ১১ কোটি টাকা লোকসান করে।
২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকে মোংলা বন্দর উন্নয়নের জন্য সরকার অগ্রাধিকার ও বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করে এবং বন্দরের উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে কাজ শুরু করেন। ফলে ক্রমান্বয়ে মোংলা বন্দর গতিশীল হতে থাকে, যার কারণে প্রতি বছর বিদেশী জাহাজ আগমনের রেকর্ড সৃষ্টি হচ্ছে।

টুনা মাছ ধরার জাহাজ পাওয়া নিয়ে সংশয়



তরিকুল ইসলাম সুমন, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গভীর সমুদ্র থেকে টুনাসহ সমজাতীয় মাছ সংগ্রহের জন্য তিনটি লং লাইনার জাহাজ সংগ্রহ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানাগেছে।

মৎস্য অধিদফতরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক এবিষয়ে বার্তা২৪.কমকে বলেন, টুনা ও সমজাতীয় মাছ সংগ্রহের জন্য আমরা বেসরকারি বিনিয়োগ আহ্বান করেছিলাম। কিন্তু কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আসেনি। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরামর্শ ও নির্দেশনায় ‘গভীর সমুদ্রে টুনা মাছ ও সমজাতীয় পেলজিক মাছ আহরণ’ প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কিন্তু করোনা পরবর্তী বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের কারণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে আমরা প্রয়োজনীয় অর্থ দিতে পারছি না। এতে করে আমাদের জাহাজ পেতে বিলম্ব হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। যাতে করে অর্থমন্ত্রণালয় আমাদের গুরুত্ব ও প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থ ছাড়ের উদ্যোগ নেয়।

‘গভীর সমুদ্রে টুনা মাছ ও সমজাতীয় পেলজিক মাছ আহরণ’ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. জুবায়েদুল আলম বার্তা২৪.কমকে বলেন, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরা জাহাজ সরবরাহে ৬টি প্রতিষ্ঠান থেকে সিঙ্গাপুরভিত্তিক জাহাজ সররবাহকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইউনিমেরিন সার্ভিসেস পিটিই লিমিটেডের সঙ্গে জাহাজ সরবরাহের চুক্তি করেছিলাম। কিন্তু সেই মেয়াদ শেষ হবে ৯ ফেব্রুয়ারি। এ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী ২৮দশমিক ৮৬ লাখ মার্কিন ডলার পরিশোধ করতে হবে। কিন্তু সরকারিভাবে জলযান ক্রয় সংক্রান্ত সরকারি বিধিনিষেধের কারণে প্রয়োজনীয় ডলার সরবরাহ করা যাচ্ছে না। এ কারণে যদি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তাদের সঙ্গে আমাদের থাকা চুক্তির মেয়াদ না বৃদ্ধি করে তাহলে আমরা বিপদে পড়বো। জাহাজ নির্দিষ্ট সময়ে পাওয়া নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দেবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বঙ্গোপসাগরে এক লাখ ৩১ হাজার ৯৮ বর্গকিলোমিটার সমুদ্র এলাকার একচ্ছত্র অর্থনৈতিক এলাকার (ইইজেড) জলসম্পদের মালিক হয়েও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাবে গভীর সমুদ্র থেকে টুনা মাছ সংগ্রহ করা যাচ্ছে না।

মহাপরিচালক মাহবুবুল হক আরও বলেন, আমরা একদিকে জাহাজ সংগ্রহ করছি। অপরদিকে গভীর সমুদ্রে টুনা ও সমজাতীয় মাছের ক্ষেত্র সমূহ চিহ্নিত করার কাজ করছি। এজন্য আমরা আমাদের উপকূলীয় এলাকার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র সমূহে গবেষণার কাজ চলছে। কিছু তথ্য আমরা হাতে পেয়েছি। গবেষণায় আমরা সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা দেশের বিশাল সমুদ্রে টুনা মাছ ধরার জন্য বেসরকারি বিনিয়োগ আহ্বান করছিলাম। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯টি প্রতিষ্ঠান আমাদের কাছ থেকে টুনা মাছ ধরার জন্য অনুমতি নিয়েছে। তারাও এখন পর্যন্ত কোনো জাহাজ আমদানি বা নির্মাণ করেছে কীনা সে রকম কোনো তথ্য পাইনি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, গভীর সমুদ্রে টুনা মাছ ধরতে তিনটি লং লাইনার প্রকৃতির ফিশিং ভ্যাসেল সংগ্রহ, ভ্যাসেল পরিচালনায় দেশি-বিদেশি পরামর্শক নিয়োগ, টুনা ও সমজাতীয় পেলজিক মৎস্য আহরণ, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার কর্মকৌশল ও কর্মপরিকল্পনা তৈরি, ক্রুসহ টুনা আহরণে নিয়োজিত ১০০ জনকে প্রশিক্ষণ এবং ৩৭ জন দেশীয় ও সাতজন আন্তর্জাতিক পরামর্শক নিয়োগ কাজ চলমান রয়েছে।

;

এইচএসসির ফল জানা যাবে যেভাবে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে বুধবার। বরাবরের মত এবারও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটের পাশাপাশি যে কোনো মোবাইল থেকে এসএমএস করে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল জানা যাবে। এছাড়া পরীক্ষাকেন্দ্রে অথবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়েও ফল জানা যাবে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সমন্বয়কারী ঢাকা শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, তিন পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠান-শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা ফলাফল জানতে পারবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট www.dhakaeducationboard.gov.bd এর রেজাল্ট কর্নারে ক্লিক করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন (EIIN) নম্বর দিয়ে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল ডাউনলোড করা যাবে।

এছাড়া, www.educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে ক্লিক করে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বরের মাধ্যমে রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে।

পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এসএমসের মাধ্যমেও ফল সংগ্রহ করা যাবে। মোবাইল থেকে এসএমএস অপশনে গিয়ে HSC লিখে একটি স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে 2022 লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে। (উদাহরণ: HSC Dha 123456 2022 Send to 16222)। ফিরতি এসএমএসে ফল জানানো হবে।

আলিমের ফল পেতে Alim লিখে একটি স্পেস দিয়ে Mad লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে 2022 লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে।

সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অনলাইনের মাধ্যমে পাওয়া ফলাফল ডাউনলোড করে প্রকাশ করার জন্য www.educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটের রেজাল্ট কর্নারে ক্লিক করে বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন নম্বরের মাধ্যমে ডাউনলোড করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ঢাকা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে।

;

এইচএসসির ফল প্রকাশ বুধবার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি)।এদিন সকাল ১০টায় শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে নিয়ে ফলাফলের সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেবেন।

পরে দুপুর ১২টায় সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন শিক্ষামন্ত্রী। মন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনের পর থেকে শিক্ষার্থীরা ফল জানতে পারবেন।

আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান তপন কুমার সরকার ২৯ জানুয়ারি সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সমন্বয়কারী ঢাকা শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, তিন পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠান-শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা ফলাফল জানতে পারবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট www.dhakaeducationboard.gov.bd এর রেজাল্ট কর্নারে ক্লিক করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন (EIIN) নম্বর দিয়ে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল ডাউনলোড করা যাবে।

এছাড়া, www.educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে ক্লিক করে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বরের মাধ্যমে রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে।

পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এসএমসের মাধ্যমেও ফল সংগ্রহ করা যাবে। মোবাইল থেকে এসএমএস অপশনে গিয়ে HSC লিখে একটি স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে 2022 লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে। (উদাহরণ: HSC Dha 123456 2022 Send to 16222)। ফিরতি এসএমএসে ফল জানানো হবে।

আলিমের ফল পেতে Alim লিখে একটি স্পেস দিয়ে Mad লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে 2022 লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে।

সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অনলাইনের মাধ্যমে পাওয়া ফলাফল ডাউনলোড করে প্রকাশ করার জন্য www.educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটের রেজাল্ট কর্নারে ক্লিক করে বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন নম্বরের মাধ্যমে ডাউনলোড করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ঢাকা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে।

করোনা পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হওয়ায় গত ৬ নভেম্বর সারা দেশে অনেকটা স্বাভাবিক পরিবেশে শুরু হয়েছিল এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১২ লাখ ৩ হাজার ৪০৭ জন।

;

উপহারের মাইক্রোকে অ্যাম্বুলেন্স বানাবেন হিরো আলম



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কথা অনুযায়ী হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার নরপতি গ্রামের বাসিন্দা অধ্যক্ষ মাওলানা এম মোখলিছুর রহমান নিজের ব্যবহৃত মাইক্রোবাস বহুল আলোচিত আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমকে উপহার হিসেবে দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন এম মোখলিছুর রহমান। কয়েকশ মানুষের সামনে গাড়িটি হিরো আলমকে বুঝিয়ে দেন তিনি।

উপহার পেয়ে হিরো আলম বলেন, ভালোবাসার এ গাড়ি আমি নিজে ব্যবহার করবো না। এটি অ্যাম্বুলেন্স বানিয়ে রোগী বহনের কাজে ব্যবহার করবেন বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, আমার ভাই আমাকে একটি গাড়ি উপহার দিয়েছেন। আমি ব্যস্ত থাকার কারণে আসতে বিলম্ব হয়েছে। দেশ-বিদেশ থেকে অনেকেই আমাকে বলেছেন কেউ উপহার দিলে তা গ্রহণ করতে হয়। আমি উপহারের গাড়িটি গ্রহণ করেছি। কিন্তু এটির অবস্থা বেশি ভালো নয়। তবে যেমনই হোক, এটি আমি অ্যাম্বুলেন্স হিসেবে দান করে দিলাম। এটিতে নম্বর থাকবে। কেউ ফোন দিলেই সেটি চলে যাবে। অনেক গরিব, অসহায় মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে থাকেন। চিকিৎসা করানোর সুযোগ থাকে না। হাসপাতালে নিতে পারেন না। তাদের সেবার জন্য গাড়িটি ব্যবহৃত হবে।

এদিকে ঢাকা থেকে চুনারুঘাট যাওয়ার সময় পথিমধ্যে শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার সামনে পুলিশ হিরো আলমের গাড়ি আটকে আড়াই হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে। ওসি মাইনুল ইসলাম ভূইয়া জানান, হিরো আলমকে বহন করা গাড়িটি দ্রুতগতি থাকার কারণে এ জরিমানা করা হয়।

;