পাহাড়ে সম্প্রীতি ফেরাতে সবাইকে এক সাথে কাজ করতে হবে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
’পাহাড়ে সম্প্রীতি’  শীর্ষক  সম্প্রিীতি  বাংলাদেশের আয়োজিত অনুষ্ঠানে

’পাহাড়ে সম্প্রীতি’ শীর্ষক সম্প্রিীতি বাংলাদেশের আয়োজিত অনুষ্ঠানে

  • Font increase
  • Font Decrease

শান্তিচুক্তির ২৫ বছর পরেও পাহাড়কে অশান্ত করতে তৎপর একটি গোষ্ঠী। সেখানে বেড়েছে জঙ্গি তৎপরতা, দেয়া হচ্ছে প্রশিক্ষণ। তথাকখিত সুশীল সমাজ শান্তি চুক্তি নিয়ে গুজব এবং প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। বিদেশিদের কাছে সেই দেশ বিরোধী অংশ বোঝানোর চেষ্ঠা করে যে শান্তি চুক্তি করে কোন  লাভ  হয়নি। 

‘পাহাড়ে সম্প্রীতি’ শীর্ষক সম্প্রিীতি বাংলাদেশের আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে সরকার  এবং সেনাবাহিনীর পাশাপাশি দেশপ্রেমী সবাইকেও এগিয়ে আসার আহবান জানানো হয়।

রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠানটি সভাপত্বি করেন সম্প্রীতি বাংলাদেশের আহবায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রীতি বাংলাদেশের সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক সচিব ও সম্প্রীতি বাংলাদেশ এর যুগ্ম আহবায়ক নাসির উদ্দিন আহমেদ।

বক্তব্য রাখেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের নির্বাহী সদস্য শেখ এনায়েত হোসেন বাবলু, রাজনৈতিক বিশ্লেষক সুভাস সিংহ রায়সহ অনেকে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেন, পাহাড়ের শান্তি নষ্টের জন্য দায়ী সামরিক শাসকরাই। শান্তিচুক্তি হওয়ার পরেও সেখানের সম্প্রীতি নিয়ে আলোচনা কেন হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন বক্তাদের। তিনি বলেন, পাহাড়ে পাহাড়ি বাঙালি সমস্যা আগের মতো নাই। স্থানীয় জাতি গোষ্ঠির নিজেদের মাঝে এখন সমস্যা বেশি। অতীতে সব সামরিক সরকার উলফাসহ সীমান্তে সন্ত্রাসীদের প্রশ্রয় দিয়েছে।

কে এম খালিদ বলেন, এখন দেশের ভেতরের কিছু জঙ্গি পাহাড়ে আস্থানা গাড়ছে। এর পেছনে কারা আছে তা জাতি বোঝে। প্রসঙ্গত প্রতিমন্ত্রী বলেন, যে খালেদা জিয়া গ্রেণেড মেরে শেখ হাসিনাকে মেরে ফেলতে চেয়েছেন ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে সেই থালেদা জিয়াকেই্ এখন শেখ হাসিনার অনুকম্পায় জেলের বাইরে বাসায় আরামে থাকতে হচ্ছে। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান সমস্ত খুনিদের একসাথে করে পাহাড়ে আশ্রয় দেওয়ায় এখনও পাহাড়ে অশান্তি দেখা যায়।

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা উদ্যানে সত্যিকারের জিয়াউর রহমানের লাশ আছে কিনা সেই প্রশ্নও তুলেন। তিনি জানতে চান সেখানে জিয়াউর রহমানের লাশের কথা বলে বস্তা ভর্তি ইট রাখা হয়েছে। খালেদা জিয়া জিয়ার কবর বলে কার কবর জিয়ারত করেন বলে প্রশ্ন তুলেন কে এম খালিদ। পৃথিবীর যেকোন জায়গা খেকে গবেষক এনে চন্ত্রিমা উদ্যানে গবেষনা করে সেখানে কার কবর আছে চিহ্নিত করার কথা বলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী। অনুষ্টানে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান এবং শান্তিচুক্তি প্রক্রিয়ার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত অধ্যাপক আব্দুল মান্নান বলেন, পাহাড়ে জমি সংক্রান্ত সবচেয়ে বড় বিরোধ ছিলো । তা অনেকটাই কেঁটে গেছে। পাহাড়বাসি মেনে নিয়েছেন। বরং বাঙ্গালিদের কিছু আপত্তি থাকলেও তা নিয়ে বাজে কোন প্রতিক্রিয়া কেউ দেখান নি।

তিনি বলেন, আজ কেবল পাহাড়ে সম্প্রীতির কথা না বলে আমাদের সবার দেশের সম্প্রীতির কথা বলা উচিত।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে সম্প্রীতি বাংলাদেশের আহবায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, পাহাড়ের শান্তি চুক্তির কেটে গেছে ২৫ বছর। চুক্তির ৭২টি ধারার মধ্যে বাস্তবায়ন হয়েছে ৪৮টি আর ১৫টি আংশিক, ৮টি বাস্তবায়নের কাজ চলছে। হয়েছে রাস্তাসহ অবকাঠামো উন্নয়ন।

চুক্তির নানা দিক তুলে ধরে পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এই চুক্তির ফলে পাহাড়ের রাজনৈতিক প্রকাশ্যে এসেছে। পাহাড়ের শান্তি ফেরাতে শুধু সরকার কিংবা সেনাবাহিনীর ওপর নির্ভর থাকলে হবে না সকলে এক সাথে কাজ করার কথাও জানান তিনি।

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া, আরিচা-কাজিরহাটে ফেরি চলাচল বন্ধ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঘন কুয়াশার কারণে যমুনা নদীর আরিচা-কাজিরহাট রুটে ও পদ্মার পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে।

রোববার (২৯ জানুয়ারি) রাত ১১টা থেকে এ দুই নৌপথের ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয় বলে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন সংস্থা (বিআইডব্লিউটিসি) জানিয়েছে।

বিআইডব্লিউটিসি আরিচা আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক শাহ মো. খালেদ নেওয়াজ বলেন, ঘন কুয়াশায় মার্কিন বাতি অস্পষ্ট হয়ে গেলে দুর্ঘটনা এড়াতে রাত ১১টায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও আরিচা-কাজিরহাট নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এদিকে, ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ও আরিচা ঘাট, রাজবাড়ির দৌলতদিয়া এবং পাবনার কাজিরহাট ফেরিঘাটে আটকা পড়েছে এই রুটের বেশ কিছু যানবাহন।

এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন এসব গাড়ির যাত্রী, চালক ও সহযোগীরা।

;

আইএমএফ ৪.৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ অনুমোদন দিতে পারে আজ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্বাহী বোর্ড সভা আজ সোমবার (৩০ জানুয়ারি)। এই সভায় বাংলাদেশের ৪.৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন হতে বলে আশা করা হচ্ছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তারা ইঙ্গিত পেয়েছেন যে, বহুপক্ষীয় ঋণদাতার বোর্ড বাংলাদেশের ঋণের অনুরোধ অনুমোদন করতে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে।

রাহুল আনন্দের নেতৃত্বে একটি আইএমএফ দল প্রোগ্রামের বিশদ বিবরণ বের করতে গত ২৬ অক্টোবর থেকে ৯ নভেম্বর ঢাকা সফর করেছেন। এরপর আইএমএফ-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট আন্তোয়েনেট মনসিও সায়েহ ১৪-১৮ জানুয়ারি বাংলাদেশ সফর করেন এবং তার সফরের সময় তিনি যে অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সামাজিক অগ্রগতির প্রত্যক্ষ করেছেন তার প্রশংসা করেন।

তিনি বলেন, এটি সারা বিশ্বে একটি প্রভাব ফেলেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও অভিনন্দন জানিয়েছেন সায়েহ।

আইএমএফ এর সাবেক অর্থনীতিবিদ ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এবং অন্যদের সঙ্গে যে পরিদর্শন ও আলোচনা হয়েছে তা জানা যায়।

এছাড়া বৈশ্বিক ঋণদাতা দেশটিকে ৪.৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ দেয়ার জন্য একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। তিনি বলেন, আইএমএফ ঋণের প্রথম কিস্তি শুধু আনুষ্ঠানিকতার অপেক্ষায় রয়েছে।

এর আগে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আমরা যেভাবে চেয়েছিলাম ঠিক সেভাবে ঋণ পাচ্ছি। বাংলাদেশের জন্য মোট ৪.৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ দেয়া হবে। ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সাতটি কিস্তিতে এই পরিমাণ অর্থ বিতরণ করা হবে।

এছাড়া ৪৪৭.৭৮ মিলিয়ন ডলারের প্রথম কিস্তি ফেব্রুয়ারিতে দেয়া হবে। অবশিষ্ট পরিমাণ ৬৫৯.১৮ মিলিয়ন ডলার ছয়টি সমান কিস্তিতে দেয়া হবে।

সূত্র জানিয়েছে, ঋণের সুদের হার ম্যাচুরিটির সময় বাজারের হারের ওপর নির্ভর করবে। এছাড়া অর্থ মন্ত্রণালয় হিসাব করেছে যে এই হার প্রায় ২.২ শতাংশ হবে।

;

পাঠ্যপুস্তকে ভুল সংশোধন ও গাফিলতি ধরতে দুই কমিটি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নতুন শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবইয়ে ভুলত্রুটি সংশোধন বা প্রয়োজনে তথ্য সংযোজনে একটি কমিটি এবং ভুলত্রুটির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পৃথক আরেকটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। একটি কমিটিতে সাত সদস্য ও আরেকটিতে পাঁচ সদস্য রাখা হয়েছে। প্রথম কমিটিকে ৩০ কর্মদিবস ও দ্বিতীয় কমিটিকে ১৫ কর্মদিবস সময় দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৯ জানুয়ারি) শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এ দুই কমিটির অনুমোদন দিয়েছেন বলে জানা গেছে। কমিটি দুটিকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

জানা গেছে, সাত সদস্যের কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক এবং নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. ওয়াহেদুজ্জামান চাঁন। তারা পাঠ্যপুস্তকের ভুলত্রুটি ও বির্তকিত বিষয় খুঁজে বের করবেন।

অন্যদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব খালেদা আক্তারকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের কমিটি করা হয়েছে। তিনি ভুল-ভ্রান্তির জন্য জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) কোন কোন কর্মকর্তা জড়িত তাদের খুঁজে বের করে শাস্তির সুপারিশ করবেন। প্রথম কমিটিকে এক মাস ও দ্বিতীয় কমিটিকে পরবর্তী ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সোমবার (৩০ জানুয়ারি) এ সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করা হবে।

মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, শিক্ষামন্ত্রী রোববার বিকেলে কমিটি দুটির অনুমোদন দেন। এ কারণে রোববার দাপ্তরিক কাজ শেষ করে কমিটি সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করা সম্ভব হয়নি।

এর আগে গত ২৪ জানুয়ারি রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে নতুন শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবইয়ে ভুল-ভ্রান্তি, তথ্য বিকৃতি ও ধর্মীয় উসকানি সংশোধনসহ জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে উচ্চপর্যায়ের দুটি তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা দেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

;

রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মালামাল নিয়ে মোংলায় দুই রুশ জাহাজ



উপজেলা করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, মোংলা (বাগেরহাট)
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মেশিনারিজ মালামাল নিয়ে বাগেরহাটের মোংলা বন্দরে দুই রাশিয়ান জাহাজ নোঙর করেছে।

রোববার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে বন্দরের ৭ নম্বর জেটিতে ১ হাজার ৪০০ দশমিক ৪২ মেট্রিক টন মেশিনারিজ পণ্য নিয়ে নোঙর করেছে লাইব্রেরিয়ান পতাকাবাহী ‘এমভি আনকাসান’ নামের রুশ জাহাজ।

একই দিনে বন্দরের ৮ নম্বর জেটিতে পানামা পতাকাবাহী ‘এমভি সাপোডিলা’ নামের আরও একটি বাণিজ্যিক জাহাজ নোঙর করে। এই জাহাজ দুইটিতেই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ২ হাজার ৪১৫টি প্যাকেজে মোট ১ হাজার ৯১৮ দশমিক ৪৬৩ মেট্রিক টন মেশিনারিজ যন্ত্রাংশ আনা হয়েছে।

এ বিষয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ শাহীন মজিদ বলেন, রাশিয়া থেকে আসা ভ্যানুয়াটি পতাকাবাহী জাহাজ দু’টিতে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক হাজার ৯১৮ মেট্রিকটন যন্ত্রপাতি এসেছে। এসব যন্ত্রপাতি দু’দিনের মধ্যে খালাস করে সড়ক পথে রূপপুরের নির্মাণাধীন বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হবে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

;