‘কার্বন নিঃসরণ কমাতে এখন সবাই বেশি কমিটমেন্ট করেছে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
‘কার্বন নিঃসরণ কমাতে এখন সবাই বেশি কমিটমেন্ট করেছে’

‘কার্বন নিঃসরণ কমাতে এখন সবাই বেশি কমিটমেন্ট করেছে’

  • Font increase
  • Font Decrease

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জানিয়েছন, কপ-২৭ সম্মেলনে অনেকেই কার্বন নিঃসরণ কমানোর জন্য আগের চেয়ে বেশি কমিটমেন্ট করেছে।

তিনি জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা করার জন্য আমরা যে বৈশ্বিক চুক্তিতে উপনীত হয়েছি, তা বাস্তবায়নে অগ্রগতি পর্যালোচনা, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তৈরি এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে একটা বৈশ্বিক ঐক্যমত তৈরি করার লক্ষ্যেই কপ সম্মেলনগুলো হয়।

আরও পড়ুন: কপ-২৭ সম্মেলনে লস এন্ড ড্যামেজ স্বীকৃতি পেয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে কপ-২৭ প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি: বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ জার্নালিস্ট ফোরামের সঙ্গে মত বিনিময়কালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ফোরামের সভাপতি কাওসার রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক মাসউদুল হক, হাবিব রহমান প্রমুখ সভায় অংশ নেন।

পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মির্জা শওকত আলী মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

তিনি বলেন, পরিবেশ পরিবর্তনজনিত ‘লস এন্ড ড্যামেজ’ এর জন্য বিশেষ তহবিল গঠনের দাবি আমাদের বহুদিনের। শেষ পর্যন্ত প্যারিস এগ্রিমেন্টের ৮ নম্বর অনুচ্ছেদে এটিকে স্বীকার করে নেয়া হলেও কোনো অগ্রগতি হচ্ছিল না।

মিশরে কপ-২৭ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীসহ বিশ্বের প্রায় একশ’ রাষ্ট্রপ্রধান-সরকার প্রধানরা গিয়েছিলেন এবং এবারের অন্যতম অগ্রগতি হলো যে, বিশ্ব সম্প্রদায় ‘লস এন্ড ড্যামেজ’ বিষয়টাকে গুরুত্ব দিয়েছে।

মন্ত্রী জানান, কপ-২৭ সম্মেলনে অনেকেই কার্বন নিঃসরণ কমানোর জন্য আগের চেয়ে বেশি কমিটমেন্ট করেছে। আমাদের সরকারও ২০৪১ সালের মধ্যে মোট জ্বালানির ৪০% নবায়নযোগ্য জ্বালানি অর্থাৎ সোলার, গ্রিনপাওয়ার, জলবিদ্যুৎ ব্যবহারের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এসবের জন্য একটা প্রতিযোগিতা তৈরি হয়েছে। এটি খুব ভালো দিক। ভাবনার বিষয় এতোকিছুর পরও বিশ্বের তাপমাত্রা ১৮৮০ সালের ভিত্তি তাপমাত্রা থেকে ৩.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে, এখন ১.১ ডিগ্রি বেড়েছে। আর তাতেই সার্বিয়া, অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকায় দাবানল, পাকিস্তানে যারা পানির সঙ্গে খুব বেশি পরিচিত নয়, সেখানে বন্যা দেখা যাচ্ছে।

রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মালামাল নিয়ে মোংলায় দুই রুশ জাহাজ



উপজেলা করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, মোংলা (বাগেরহাট)
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মেশিনারিজ মালামাল নিয়ে বাগেরহাটের মোংলা বন্দরে দুই রাশিয়ান জাহাজ নোঙর করেছে।

রোববার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে বন্দরের ৭ নম্বর জেটিতে ১ হাজার ৪০০ দশমিক ৪২ মেট্রিক টন মেশিনারিজ পণ্য নিয়ে নোঙর করেছে লাইব্রেরিয়ান পতাকাবাহী ‘এমভি আনকাসান’ নামের রুশ জাহাজ।

একই দিনে বন্দরের ৮ নম্বর জেটিতে পানামা পতাকাবাহী ‘এমভি সাপোডিলা’ নামের আরও একটি বাণিজ্যিক জাহাজ নোঙর করে। এই জাহাজ দুইটিতেই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ২ হাজার ৪১৫টি প্যাকেজে মোট ১ হাজার ৯১৮ দশমিক ৪৬৩ মেট্রিক টন মেশিনারিজ যন্ত্রাংশ আনা হয়েছে।

এ বিষয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ শাহীন মজিদ বলেন, রাশিয়া থেকে আসা ভ্যানুয়াটি পতাকাবাহী জাহাজ দু’টিতে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক হাজার ৯১৮ মেট্রিকটন যন্ত্রপাতি এসেছে। এসব যন্ত্রপাতি দু’দিনের মধ্যে খালাস করে সড়ক পথে রূপপুরের নির্মাণাধীন বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হবে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

;

গণমাধ্যমের কারণে ক্ষমতার ভারসাম্য তৈরি হয়: সিইসি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের যে কোন পরিস্থিতিতে সাংবাদিকদের ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল।

রোববার (২৯ জানুয়ারি) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশন বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি—আরএফইডির নতুন কমিটির দায়িত্বগ্রহণ ও পুরাতন কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সিইসি এ আহ্বান জানান।

সিইসি বলেন, গণমাধ্যম সবসময়ই রাষ্ট্রক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। আগামী সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনীতিতে অনেক ঘটনাপ্রবাহ থাকবে। সেসব ঘটনার তথ্য তুলে ধরতে সাংবাদিকরা আরও দায়িত্বশীল থেকে সংবাদ পরিবেশন করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

নির্বাচন কমিশনার আহসান হাবিব ইসি বিটে দায়িত্ব পালনকারী সাংবাদিকদের সহযোগিতা ও দায়বদ্ধতামূলক তথ্য পরিবেশনে আহ্বান জানান। তিনি বলেন, গণমাধ্যম ও গণমাধ্যকর্মীরা হলো রাষ্ট্র ও সমাজের দর্পণ । নির্বাচন কেন্দ্রিক ঘটনাপ্রবাহ ছাড়া যে কোন বিষয়ে সংবাদ পরিবেশনে সাংবাদিকদের সেসব বিষয় মাথায় রেখে তিনি বিভ্রান্তিমূলক কোন তথ্য পরিবেশন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

এসময় নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি কমিশনের কোন ধরনের ত্রুটি বিচ্যুতি থাকলে তা ধরিয়ে দেয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে ইসি যে কোন কার্যক্রমের গঠনমূলক সমালোচনা এবং তথ্য পরিবেশনের আগে তা যাচাই করে নিতে সাংবাদিকদের পরামর্শ দেন।

অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আরএফইডি নির্বাচন ২০২৩ এর নির্বাচন কমিশনার এবং খবর সংযোগের সম্পাদক শেখ নজরুল ইসলাম ও ডেইলি স্টারের সিনিয়র রিপোর্টার মহিউদ্দিন আলমগীর জুয়েল, আরএফইডি’র নবনির্বাচিত সভাপতি ইত্তেফাকের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক সাইদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক চ্যানেল ২৪ এর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মুকিমুল আহসান হিমেল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী জেবেল, সিনিয়র সাংবাদিক কাজী হাফিজুর রহমান, রিয়াদুল করিমসহ ইসি বিটে দায়িত্বরত সিনিয়র সাংবাদিকরা বক্তব্য রাখেন।

এর আগে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির (আরএফইডি) কার্যনির্বাহী বিদায়ী কমিটির পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে ১৩ সদস্যের নতুন কমিটিকে বরণ করে নেয়া হয়। গত ১৭ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন বিটে দায়িত্বরত সাংবাদিকদের এই সংগঠনের কার্যনির্বাহী কমিটি-২০২৩ এর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

;

রেলের ২৮১৭ একর জমি বেদখলে: সংসদে রেলমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ রেলওয়ের মোট জমির পরিমাণ ৫৮ হাজার ৪৬৯ দশমিক ৯১৪৯ একর । লিজ দেওয়া আছে ১৫ হাজার ৮৯ দশমিক ২২১৩ একর। বেদখল জমির পরিমাণ দুই হাজার ৮১৭ দশমিক ১২৩ একর বলে জানিয়েছে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন।

বেদখল জমিতে দোকান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বস্তি, ঘরবাড়ি, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মন্দির, বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান এবং ক্লাব ইত্যাদি রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

রোববার (২৯ জানুয়ারি) স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের ২১তম অধিবেশনে সরকারি দলের এমপি হাবিব হাসানের লিখিত প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

রেলপথ মন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ রেলওয়ের মোট জমির পরিমাণ ৫৮ হাজার ৪৬৯ দশমিক ৯১৪৯ একর বা ২৩ হাজার ৬৭১ দশমিক ৮৩৫ হেক্টর।

রেলের মোট জমির মধ্যে লিজ দেওয়া আছে ১৫ হাজার ৮৯ দশমিক ২২১৩ একর বা ৬ হাজার ১০৮ দশমিক ৯৭৪ হেক্টর। আর বেদখলকৃত জমির পরিমাণ ২ হাজার ৮১৭ দশমিক ১২৩ একর বা ১ হাজার ১৪০ দশমিক ৫৩ হেক্টর। বেদখলকৃত রেলভূমির মধ্যে পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় রয়েছে ৯৬ দশমিক ৪৩২ হেক্টর এবং পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় রয়েছে ১ হাজার ৪৪ দশমিক ১০৩ হেক্টর।

পরে রেলপথ মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন জানান, নিয়মিত রেলভূমি অবৈধ দখলমুক্ত করার জন্য উচ্ছেদ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়।

;

বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও বাড়াতে চায় জাপান



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও বাড়ানোর আগ্রহ ব্যক্ত করেছে জাপান।

ঢাকায় নবনিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইয়োমা কিমিনোরি রোববার (২৯ জানুয়ারি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ আগ্রহের কথা জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, জাপান সরকার বাংলাদেশকে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে অধিক গুরত্ব দিয়ে থাকে। আগামী ২০২৬ সালে বাংলাদেশের এলডিসি গ্রাজুয়েশনের পর জাপান বাংলাদেশের পাশে থাকবে।

এখানে জাপানের অনেক বিনিয়োগ আছে- উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাপান বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও বৃদ্ধি করতেও আগ্রহী। জাপান বাংলাদেশ ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (ইপিএ) স্বাক্ষরের জন্য করনীয় ঠিক করতে সরকারি কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করছে। বাংলাদেশও একই ধরনের দক্ষ কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গ্রুপ গঠন করলে কাজ অনেক সহজ হবে। এতে দক্ষ এবং অভিজ্ঞতা সম্পন্ন প্রতিনিধি থাকবে। যাতে করে এ বিষয়ে সঠিকভাবে এগিয়ে যাওয়া যায়।

ইয়োমা কিমিনোরি এ সময় উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সঠিক সময়েই এলডিসি গ্রাজুয়েশন পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রস্তুতি শুরু করেছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নে জাপানের সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী জাপানকে বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে অভিহিত করে বলেন, বাংলাদেশের সাথে জাপানের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। বাংলাদেশের বড় উন্নয়ন সহযোগী জাপান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক জোন গড়ে তোলার কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। বেশ ক’টি অর্থনৈতিক জোনের কাজ এখন শেষ পর্যায়ে। জাপানও এখানে বিনিয়োগ করেছে।

তিনি বলেন, জাপানের কাছ থেকে আরও বড় ধরনের বিনিয়োগ আশা করে বাংলাদেশ। আগামী ২০২৬ সালে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণ করবে। তখন বিভিন্ন দেশ থেকে বাণিজ্য সুবিধা পেতে পিটিএ বা এফটিএ’র মতো বাণিজ্য চুক্তি করার জন্য আমরা কাজ করছি। তখন বাংলাদেশকে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। বাণিজ্য সুবিধা বৃদ্ধির জন্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জাপানের সাথে আলাপ-আলোচনা ও দক্ষ নেগোসিয়েশনের সুবিধার্থে একটি জয়েন্ট স্টাডি গ্রুপ কাজ করার জন্য প্রস্তুত।

টিপু মুনশি বলেন, এলডিসি গ্রাজুয়েশনের পর এফটিএ বা পিটিএ এর মতো বাণিজ্য সহযোগিতা চুক্তি করে উভয় দেশের ব্যবসা, বাণিজ্য ও বিনিযোগ বাড়াতে কাজ করা হবে। জাপান ইতিমধ্যে এ বিষয়ে ব্যাপক আগ্রহ প্রকাশ করেছে এবং সে মোতাবেক কাজ চলছে। উভয় দেশের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা সফর বিনিময় করলে বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত সহজ হবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (এফটিএ) নূর মো. মাহবুবুল হক এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

;