সিরাজগঞ্জে পলিনেট হাউস পদ্ধতিতে ফুল ও ফলের চাষাবাদ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিরাজগঞ্জ
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সিরাজগঞ্জে গ্রীন হাউসের আদলে স্থাপিত পলিনেটে হাউসে পরীক্ষামূলকভাবে ফুল, ফল ও সবজি চাষাবাদ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে এ থেকে ফুল, ফল, সবজির ভাল ফলন পেয়েছে কৃষক। এই সফলতায় দেশের কৃষি খাতে জেগেছে নতুন সম্ভাবনা। পলিনেটের সুবাদে এখন প্রায় সারা বছরই বাজারে মিলবে সব ধরণের সবজি ও ফলমূল।

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার একডালা গ্রামের ফুলচাষী শহিদুল ইসলাম। তিনি সাড়া বছর বিভিন্ন ধরণের ফুল চাষাবাদ করেন। এই চাষাবাদে ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছেন। পেয়েছেন বঙ্গবন্ধু কৃষি পদক। বিভিন্ন দেশের উন্নত জাতের দামী ফুল চাষাবাদ করতে গিয়ে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে মাঝে মাঝে ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছে।

সিাজগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি অফিস তার ২৫ শতক জমির উপর বিনামূল্য গ্রিনহাউসের আদলে আধুনিক ‘পলিনেট হাউস স্থাপন করে দিয়েছে। কৃষি ব্যবস্থাপনায় নতুন সংযোজন এই পলিনেট হাউজে কৃষক শহিদুল ইসলাম বিদেশি চন্দ্র মল্লিকা ফুল ও সবজি চাষাবাদ করেছেন। ইতিমধ্যে ফুল ও সবজির ভাল ফলন হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে শহিদুল ইসলাম বলেন, পলিনেট হাউস থেকে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষে তিনি লাখ টাকার চন্দ্র মল্লিকা ফুল বিক্রি করবে। একই সাথে অন্য ফুল ও সবজি চাষাবাদ করেছে। পলিনেট হাউস না থাকলে এটা সম্ভব ছিল না। এখন থেকে তিনি এর ভিতর সব ধরণের ফুল চাষাবাদ করতে পারবেন।

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আনোয়ার সাদাত জানান, পলিনেট হাউস প্রযুক্তির মাধ্যমে ভারী বৃষ্টি, তীব্র তাপদাহ, ভাইরাসজনিত রোগ, কিটপতঙ্গের আক্রমণের মতো প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও নিরাপদ থাকবে শাক-সবজি এবং ফলমূল। কৃষকরা কোন ধরণের রোগ বালাই ছাড়াই বারো মাস ফুল, ফল, সবজি চাষাবাদ করতে পারবে। এই পলিনেট হাউসে আধুনিক মোটরের সাহায্য পানি দেয়া সহ রয়েছে নানা ধরণের সুবিধা। কৃষি বিভাগ থেকে এই প্রযুক্তি ব্যবহারে কৃষকদের সব ধরণের সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে।

গণমাধ্যমের কারণে ক্ষমতার ভারসাম্য তৈরি হয়: সিইসি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের যে কোন পরিস্থিতিতে সাংবাদিকদের ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল।

রোববার (২৯ জানুয়ারি) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশন বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি—আরএফইডির নতুন কমিটির দায়িত্বগ্রহণ ও পুরাতন কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সিইসি এ আহ্বান জানান।

সিইসি বলেন, গণমাধ্যম সবসময়ই রাষ্ট্রক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। আগামী সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনীতিতে অনেক ঘটনাপ্রবাহ থাকবে। সেসব ঘটনার তথ্য তুলে ধরতে সাংবাদিকরা আরও দায়িত্বশীল থেকে সংবাদ পরিবেশন করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

নির্বাচন কমিশনার আহসান হাবিব ইসি বিটে দায়িত্ব পালনকারী সাংবাদিকদের সহযোগিতা ও দায়বদ্ধতামূলক তথ্য পরিবেশনে আহ্বান জানান। তিনি বলেন, গণমাধ্যম ও গণমাধ্যকর্মীরা হলো রাষ্ট্র ও সমাজের দর্পণ । নির্বাচন কেন্দ্রিক ঘটনাপ্রবাহ ছাড়া যে কোন বিষয়ে সংবাদ পরিবেশনে সাংবাদিকদের সেসব বিষয় মাথায় রেখে তিনি বিভ্রান্তিমূলক কোন তথ্য পরিবেশন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

এসময় নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি কমিশনের কোন ধরনের ত্রুটি বিচ্যুতি থাকলে তা ধরিয়ে দেয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে ইসি যে কোন কার্যক্রমের গঠনমূলক সমালোচনা এবং তথ্য পরিবেশনের আগে তা যাচাই করে নিতে সাংবাদিকদের পরামর্শ দেন।

অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আরএফইডি নির্বাচন ২০২৩ এর নির্বাচন কমিশনার এবং খবর সংযোগের সম্পাদক শেখ নজরুল ইসলাম ও ডেইলি স্টারের সিনিয়র রিপোর্টার মহিউদ্দিন আলমগীর জুয়েল, আরএফইডি’র নবনির্বাচিত সভাপতি ইত্তেফাকের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক সাইদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক চ্যানেল ২৪ এর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মুকিমুল আহসান হিমেল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী জেবেল, সিনিয়র সাংবাদিক কাজী হাফিজুর রহমান, রিয়াদুল করিমসহ ইসি বিটে দায়িত্বরত সিনিয়র সাংবাদিকরা বক্তব্য রাখেন।

এর আগে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির (আরএফইডি) কার্যনির্বাহী বিদায়ী কমিটির পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে ১৩ সদস্যের নতুন কমিটিকে বরণ করে নেয়া হয়। গত ১৭ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন বিটে দায়িত্বরত সাংবাদিকদের এই সংগঠনের কার্যনির্বাহী কমিটি-২০২৩ এর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

;

রেলের ২৮১৭ একর জমি বেদখলে: সংসদে রেলমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ রেলওয়ের মোট জমির পরিমাণ ৫৮ হাজার ৪৬৯ দশমিক ৯১৪৯ একর । লিজ দেওয়া আছে ১৫ হাজার ৮৯ দশমিক ২২১৩ একর। বেদখল জমির পরিমাণ দুই হাজার ৮১৭ দশমিক ১২৩ একর বলে জানিয়েছে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন।

বেদখল জমিতে দোকান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বস্তি, ঘরবাড়ি, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মন্দির, বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান এবং ক্লাব ইত্যাদি রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

রোববার (২৯ জানুয়ারি) স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের ২১তম অধিবেশনে সরকারি দলের এমপি হাবিব হাসানের লিখিত প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

রেলপথ মন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ রেলওয়ের মোট জমির পরিমাণ ৫৮ হাজার ৪৬৯ দশমিক ৯১৪৯ একর বা ২৩ হাজার ৬৭১ দশমিক ৮৩৫ হেক্টর।

রেলের মোট জমির মধ্যে লিজ দেওয়া আছে ১৫ হাজার ৮৯ দশমিক ২২১৩ একর বা ৬ হাজার ১০৮ দশমিক ৯৭৪ হেক্টর। আর বেদখলকৃত জমির পরিমাণ ২ হাজার ৮১৭ দশমিক ১২৩ একর বা ১ হাজার ১৪০ দশমিক ৫৩ হেক্টর। বেদখলকৃত রেলভূমির মধ্যে পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় রয়েছে ৯৬ দশমিক ৪৩২ হেক্টর এবং পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় রয়েছে ১ হাজার ৪৪ দশমিক ১০৩ হেক্টর।

পরে রেলপথ মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন জানান, নিয়মিত রেলভূমি অবৈধ দখলমুক্ত করার জন্য উচ্ছেদ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়।

;

বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও বাড়াতে চায় জাপান



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও বাড়ানোর আগ্রহ ব্যক্ত করেছে জাপান।

ঢাকায় নবনিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইয়োমা কিমিনোরি রোববার (২৯ জানুয়ারি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ আগ্রহের কথা জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, জাপান সরকার বাংলাদেশকে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে অধিক গুরত্ব দিয়ে থাকে। আগামী ২০২৬ সালে বাংলাদেশের এলডিসি গ্রাজুয়েশনের পর জাপান বাংলাদেশের পাশে থাকবে।

এখানে জাপানের অনেক বিনিয়োগ আছে- উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাপান বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও বৃদ্ধি করতেও আগ্রহী। জাপান বাংলাদেশ ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (ইপিএ) স্বাক্ষরের জন্য করনীয় ঠিক করতে সরকারি কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করছে। বাংলাদেশও একই ধরনের দক্ষ কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গ্রুপ গঠন করলে কাজ অনেক সহজ হবে। এতে দক্ষ এবং অভিজ্ঞতা সম্পন্ন প্রতিনিধি থাকবে। যাতে করে এ বিষয়ে সঠিকভাবে এগিয়ে যাওয়া যায়।

ইয়োমা কিমিনোরি এ সময় উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সঠিক সময়েই এলডিসি গ্রাজুয়েশন পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রস্তুতি শুরু করেছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নে জাপানের সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী জাপানকে বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে অভিহিত করে বলেন, বাংলাদেশের সাথে জাপানের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। বাংলাদেশের বড় উন্নয়ন সহযোগী জাপান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক জোন গড়ে তোলার কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। বেশ ক’টি অর্থনৈতিক জোনের কাজ এখন শেষ পর্যায়ে। জাপানও এখানে বিনিয়োগ করেছে।

তিনি বলেন, জাপানের কাছ থেকে আরও বড় ধরনের বিনিয়োগ আশা করে বাংলাদেশ। আগামী ২০২৬ সালে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণ করবে। তখন বিভিন্ন দেশ থেকে বাণিজ্য সুবিধা পেতে পিটিএ বা এফটিএ’র মতো বাণিজ্য চুক্তি করার জন্য আমরা কাজ করছি। তখন বাংলাদেশকে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। বাণিজ্য সুবিধা বৃদ্ধির জন্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জাপানের সাথে আলাপ-আলোচনা ও দক্ষ নেগোসিয়েশনের সুবিধার্থে একটি জয়েন্ট স্টাডি গ্রুপ কাজ করার জন্য প্রস্তুত।

টিপু মুনশি বলেন, এলডিসি গ্রাজুয়েশনের পর এফটিএ বা পিটিএ এর মতো বাণিজ্য সহযোগিতা চুক্তি করে উভয় দেশের ব্যবসা, বাণিজ্য ও বিনিযোগ বাড়াতে কাজ করা হবে। জাপান ইতিমধ্যে এ বিষয়ে ব্যাপক আগ্রহ প্রকাশ করেছে এবং সে মোতাবেক কাজ চলছে। উভয় দেশের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা সফর বিনিময় করলে বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত সহজ হবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (এফটিএ) নূর মো. মাহবুবুল হক এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

;

২৬৪৮ গাড়িকে মামলা, জরিমানা আদায় সাড়ে ৭১ লাখ টাকা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

২০২২ সালে ফিটনেসবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে ২ হাজার ৬৪৮টি মামলা দিয়েছে। সেসব মামলায় ৭১ লাখ ৫২ হাজার ৫৯০ টাকা জরিমানা আদায় করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

রোববার (২৯ জানুয়ারি) সংসদ সদস্য এ কে এম রহমতুল্লাহর লিখিত প্রশ্নের জবাবে জাতীয় সংসদে এসব তথ্য জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন এবং ফিটনেসবিহীন বা বিধিবহির্ভূত যানবাহনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বিআরটিএ। ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদোত্তীর্ণ এবং ফিটনেসবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে বিআরটিএ মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে ২ হাজার ৬৪৮টি মামলায় ৭১ লাখ ৫২ হাজার ৫৯০ টাকা জরিমানা আদায় করেছে। এ ছাড়া নয়টি গাড়ি ডাম্পিং স্টেশনে পাঠানো হয়েছে।

এমপি বেনজীর আহমদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন ও ফিটনেসবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে বিআরটিএর নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা অব্যাহত আছে। এ ছাড়া, জেলা ও হাইওয়েতেও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং হাইওয়ে পুলিশ এ বিষয়ে যথাযথ দায়িত্ব পালন করছে। বর্তমানে দেশে বিআরটিসি বাসের সংখ্যা ১ হাজার ৩৫০।

সরকারি দলের সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি’র টেবিলে উপস্থাপিত এক প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, সারাদেশে সড়ক পথে রেল ক্রসিংগুলিতে দুর্ঘটনা প্রতিরোধে নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন যানবাহন চলাচলের জন্য বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় রেলওয়ে ওভারপাস নির্মাণ করা হয়ে থাকে। ইতিমধ্যে দেশব্যাপী সড়ক পথে রেল ক্রসিংগুলিতে দুর্ঘটনা প্রতিরোধে বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে ২২টি রেলওয়ে ওভারপাস নির্মাণ করা হয়েছে।

;