দু’দিনেও উদ্ধার হয়নি ডুবে যাওয়া জাহাজ সাগর নন্দিনী



মোকাম্মেল মিশু, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
দু’দিনেও উদ্ধার হয়নি ডুবে যাওয়া জাহাজ সাগর নন্দিনী

দু’দিনেও উদ্ধার হয়নি ডুবে যাওয়া জাহাজ সাগর নন্দিনী

  • Font increase
  • Font Decrease

ভোলার মেঘনায় ডুবে যাওয়ার দু’দিন পরও তেলবাহী জাহাজ সাগর নন্দিনী-২ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ বিআইডব্লিউটিএ'র সক্ষমতা না থাকায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জাহাজটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। জাহাজটিকে উদ্ধারের জন্য ৪ টি সাহায্যকারী জাহাজ ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছেছে। উদ্ধারে আরো কত সময় লাগবে তা জানা যাচ্ছে না। এছাড়া নদীতে ভেসে যাওয়ার পর এখনো জাহাজের মধ্যে কি পরিমাণ অকটেন ও ডিজেল রয়েছে সে বিষয়েও নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছে না কেউ।

চট্টগ্রাম থেকে চাঁদপুর যাওয়ার পথে ভোলার মেঘনার মাঝপথে তুলাতুলি এলাকায় ঘন কুয়াশার কবলে পড়ে অন্য জাহাজের ধাক্কায় ডুবে যায় তেলবাহী জাহাজ সাগর নন্দিনী-২। খবর পেয়ে বিআইডব্লিউটিএ'র একটি উদ্ধারকারী জাহাজ ঘটনাস্থলে আসলেও উদ্ধার করতে পারেনি ডুবে যাওয়া জাহাজটিকে। এর কারণ তেল ও পানি মিলে ডুবে যাওয়া জাহাজটির ওজন হবে অন্তত ৯ শত টন। আর বিআইডব্লিউটিএ'র উদ্ধারকারী জাহাজের সক্ষমতা মাত্র ২ শ’ থেকে আড়াই শত টন। যে কারণে ডুবে যাওয়ার দু’দিন পরও জাহাজটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

উদ্ধারে ধীর গতির কারণে ইতোমধ্যেই জাহাজে থাকা প্রায় সাড়ে ১১ লাখ লিটার ডিজেল ও অকটেনের অনেকটা নদীতে ভেসে যাচ্ছে। কোস্টগার্ডের সহযোগিতায় এক থেকে দেড় হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার করা সম্ভব হলেও এখন পর্যন্ত কোন অকটেনই উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ডুবে যাওয়া জাহাজে এখনো কি পরিমাণ তেল রয়েছে সে বিষয়েও সুস্পষ্ট ধারণা  নেই কারো।

জাহাজটির নাবিক বিল্লাল হোসেন জানিয়েছেন, যে পরিমাণ তেল পানিতে ভেসে গেছে তা তো আর ফেরত পাওয়া যাবে না। জাহাজে কি পরিমাণ তেল আছে তা আমাদের জানা নেই। এখন কোথায় কি তেল রয়েছে সেটা বড় কথা নয় সবার আগে প্রয়োজন জাহাজ থেকে উদ্ধার করা।

ডিজেল ও অকটেন এর মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো: আনোয়ার হোসেন  জানান, দুর্ঘটনার পর থেকেই তারা কাজ করে যাচ্ছেন। এখন বিভিন্ন এলাকা থেকে সাহায্যকারী জাহাজ আনা হচ্ছে, যাতে দ্রুত উদ্ধার করা যায় সেজন্য কাজ চলছে।

পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড এর উপ-মহাব্যবস্থাপক (পরিচালন) ও তদন্ত কমিটির আহবায়ক আসিফ মালেক জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার কারণ এবং পরবর্তী উদ্ধার তৎপরতায় গাফিলতি তদারকির জন্য বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড এবং পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের  পক্ষ থেকে পৃথক দু’টি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা ইতোমধ্যেই দুর্ঘটনাস্থলে কাজ শুরু করেছেন। প্রাথমিকভাবে ঘন কুয়াশার কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করছেন তদন্ত কমিটি। আর জাহাজ উদ্ধারে দেরির কারণ হিসাবে বিআইডব্লিউটিএ'র অক্ষমতাকেই দায়ী করছেন।

বর্তমানে বেসরকারি জাহাজের মাধ্যমে সনাতন পদ্ধতিতে ডুবে যাওয়া জাহাজ থেকে তেল এবং পানি সরিয়ে জাহাজটিকে ভাসিয়ে উদ্ধার করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

সাগর নন্দিনী-২ এর দুর্ঘটনায় ১০ থেকে ১২ কোটি টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হলেও সরকারি মালিকানাধীন পদ্মা অয়েল কোম্পানিকে কোন লোকসান গুনতে হবে না, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকেই এর দায় বহন করতে হবে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি।

এবারও সাফল্যের শীর্ষে রাজশাহীর মেয়েরা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
এবারও সাফল্যের শীর্ষে রাজশাহীর মেয়েরা

এবারও সাফল্যের শীর্ষে রাজশাহীর মেয়েরা

  • Font increase
  • Font Decrease

উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডে এবারও পাসের হারের দিক থেকে মেয়েরাই এগিয়ে। এমনকি জিপিএ-৫ এরদিক থেকেও এগিয়ে রয়েছে ছাত্রীরা। এ বোর্ডে পাস করেছে ৮১ দশমিক ৬০ শতাংশ শিক্ষার্থী। চলতি বছর অংশ নেওয়া এক লাখ ২৯ হাজার ৪২৩ শিক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে এক লাখ ৩ হাজার ৩৮৫ শিক্ষার্থী। তবে গত বছরের মতো এবছরও জিপিএ-৫ প্রাপ্তি ও পাসের হারে শীর্ষে রয়েছে ছাত্রীরা।

বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, এ বছর বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২১ হাজার ৮৫৫ জন। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৩২ হাজার ৮০০ জন। অর্থাৎ এ বছর জিপিএ-৫ কমেছে ১০ হাজার ৯৪৫। এবছর জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের মধ্যে ৯ হাজার ৮৯৮ ছাত্র ও ১১ হাজার ৯৫৭ ছাত্রী। অর্থাৎ জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে এগিয়ে রয়েছে ছাত্রীরা, ছেলেদের থেকে ২ হাজার ৫৯ জন বেশি মেয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে। এছাড়াও বোর্ডে ছাত্রের পাসের হার ৭৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ ও ছাত্রী পাসের হার ৮৫ দশমিক ৮৯ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হারেও এগিয়ে রয়েছে ছাত্রীরা।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আরিফুল ইসলাম বলেন, আসলে ফলাফল তো একেক বার একেক রকম হয়ে থাকে, সেজন্য এবারও পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে তারতম্য হয়েছে। এছাড়াও গত বছর কয়েক বিষয়ে পরীক্ষা হওয়ায় রেজাল্ট তুলনামূলক ভালো হয়েছে। তার আগের বছর অটোপাস হওয়ায় এবার একটু কম মনে হচ্ছে।

;

এবার বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষাও সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে হবে: শিক্ষামন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, ২০২২ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সিলেবাসের ওপরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র করা হবে। এ বিষয়ে সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আমরা তাদের এইচএসসি পরীক্ষার সিলেবাসের আলোকে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি করতে অনুরোধ জানিয়েছি। আশা করি, সব বিশ্ববিদ্যালয় এটি বাস্তবায়ন করবে।’

বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ২০২২ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ফল প্রকাশ সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আগে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আলাদাভাবে ভর্তি পরীক্ষা নিতো। এখন অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পদ্ধতিতে এসেছে। এসএসসিতে যে বিষয়গুলো নিয়ে পরীক্ষা হয়, তার আরেকটু উচ্চতর স্তরে এইচএসসি। সেই এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়গুলো নিয়ে আবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা হয়।’

দীপু মনি বলেন, ‘বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে একটা পরীক্ষা হয়। সেখানে গণিত, বিজ্ঞান, ভাষা ও সাধারণ বিষয়ের ওপর পরীক্ষা নেওয়া হয়। এক পরীক্ষা দিয়েই জাতীয় পর্যায়ে তালিকা তৈরি হয়। সেই স্কোরের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করা হয়ে থাকে।’

একটি পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ করা গেলে সবার জন্য সুবিধা হতো জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের শিক্ষার্থীরা এইচএসসিতে যে পরীক্ষা দিচ্ছে, আবার তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিতেও একই পরীক্ষা দিতে হচ্ছে। এটি না করে ভাষা, গণিত ও সাধারণ জ্ঞানের ওপর একটি পরীক্ষা নেওয়া হলে ভর্তি পরীক্ষা হয়রানিমুক্ত হতো, সহজ হতো। বিদেশি কারিকুলামে যারা পড়ছে, তাদেরও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকা উচিত।’

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘গুচ্ছ পদ্ধতিতে কাউকে চার থেকে পাঁচ দফায় বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে হচ্ছে। শিক্ষার্থীর পছন্দের বিষয়ে পড়তে মাইগ্রেশন সুবিধা নিতে এ ভোগান্তি। যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা এক পরীক্ষার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি নিশ্চিত করতে না পারছি, ততক্ষণ পর্যন্ত গুচ্ছ পদ্ধতি আরও ভালো করে ব্যবস্থাপনা করার চেষ্টা করা হবে।’

সাংবাদিকের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ‘গুচ্ছ পদ্ধতি বাস্তবায়ন করতে ১০ বছর লেগেছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনেক স্টেকহোল্ডার থাকে। সেখানে শিক্ষকরা রয়েছেন, শিক্ষক সমিতি রয়েছে। আবার কিছু বিশ্ববিদ্যালয় পুরোপুরি স্বায়ত্তশাসিত। তাদের সঙ্গে আলোচনা ও মতামত নিয়ে এগুলো বাস্তবায়ন করতে হয়েছে। প্রথমে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এ পদ্ধতিতে গেছে। ধাপে ধাপে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গুচ্ছতে গেছে। বর্তমানে চার-পাঁচটি বাদে সব বিশ্ববিদ্যালয় এর অন্তর্ভুক্ত। আশা করি, দ্রুতই একক ভর্তি পরীক্ষা ব্যবস্থা চালু করা সম্ভব হবে।’

করোনাভাইরাসের কারণে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বাদে ২০২২ সালের পুনর্বিন্যাস করা সিলেবাসে দুটি আবশ্যিক, তিনটি নৈর্বচনিক ও একটি চতুর্থ বিষয়সহ ছয়টি বিষয়ে মোট ১২টি পত্রের পরীক্ষা নেওয়া হয়। আইসিটি বিষয়ের নম্বর এসএসসি ও সমমান এবং জেএসসি ও জেডিসির ফলের সাবজেক্ট ম্যাপিং করে নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

;

ভালুকায় পুলিশের উপ-পরিদর্শকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ময়মনসিংহ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহের ভালুকায় পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এস আই) হুমায়ুন কবিরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ।

বুধবার( ৮ জানুয়ারি) দুপুরে ভালুকা মডেল থানার ব্যারাক থেকে মরদেহটি ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

খবর পেয়ে ময়মনসিংহ রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি আবিদা সুলতানা ও জেলা পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এসময় অতিরিক্ত ডিআইজি আবিদা সুলতানা জানান, ব্যারাকে ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এস আই) হুমায়ুন কবিরের মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। সে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানান ময়মনসিংহ অতিরিক্ত ডিআইজি আবিদা সুলতানা।

;

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮০.৩২ শতাংশ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ময়মনসিংহ
ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮০.৩২ শতাংশ

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮০.৩২ শতাংশ

  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এ বোর্ডে পাসের হার শতকরা ৮০ দশমিক ৩২ শতাংশ। এবার এ বোর্ডের ১২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে।

বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ময়মনসিংহ শিক্ষাবোর্ড থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে ৬১ হাজার ৫১৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এরমধ্যে পাস করেছে ৪৯ হাজার ৪০৬ জন। এদের মধ্যে ২৪ হাজার ২৯০ জন ছাত্র (পাসের হার ৮০ দশমিক ২৪ শতাংশ) এবং ২৫ হাজার ১১৬ জন ছাত্রী (পাসের হার ৮০ দশমিক ৩৯ শতাংশ)।

এ বছর মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন পাঁচ হাজার ২৮ জন। এরমধ্যে ছেলে দুই হাজার ৩৯৭ জন এবং মেয়ে দুই হাজার ৬৩১ জন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয় যে, এবছর এইচএসসি পরীক্ষায় ২৮১ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৬৪ হাজার ২৮৯ শিক্ষার্থী পরীক্ষার ফরম পূরণ করেছিল। ৮৯টি কেন্দ্রে ৬১ হাজার ৫১৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। এবার ১২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। অন্যদিকে তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি।

;