‘দেশে প্রাণিসম্পদের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে রফতানির পর্যায়ে পৌঁছেছে’



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
‘দেশে প্রাণিসম্পদের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে রফতানির পর্যায়ে পৌঁছেছে’

‘দেশে প্রাণিসম্পদের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে রফতানির পর্যায়ে পৌঁছেছে’

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে প্রাণিসম্পদের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে রফতানির পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বুধবার (১৮ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় জার্নালিস্ট ফেলোশিপ প্রোগ্রামের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ খাতে একটা বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। একটা সময় কোরবানির জন্য ভারত-মিয়ানমারের দিকে তাকিয়ে থাকতে হতো। এখন আমাদের প্রাণিসম্পদের উৎপাদন এত বেড়েছে যে আমরা বিদেশে রফতানি করার পর্যায়ে পৌঁছে গেছি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, যারা প্রাণিসম্পদের খামার করছেন তারা নিজেদের উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরি করছেন। ফলে এ খাত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে। প্রাণিজ আমিষের চাহিদার বড় অংশ পূরণ হয় দুধ, ডিম ও মাংস থেকে। সেটা সরবরাহ হচ্ছে প্রাণিসম্পদ খাত থেকে। পাশাপাশি এ খাত গ্রামীণ অর্থনীতি সচল করছে। প্রাণিসম্পদ খাত থেকে উৎপাদিত সামগ্রী দেশের উন্নয়নে যেমন ভূমিকা রাখছে, তেমনি মানুষের কল্যাণে, শারীরিক প্রয়োজনে খাবারের চাহিদা মেটাতে ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে বড় ভূমিকা রাখছে।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, আমাদের প্রথম লক্ষ্য ছিল প্রাণিসম্পদ খাতে উৎপাদন বৃদ্ধি করা। এখন লক্ষ্য হচ্ছে গুণগত ও মানসম্মত উৎপাদন বৃদ্ধি করা। এ খাতের টেকসই উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন গবেষণা লব্ধ তথ্য-উপাত্ত নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

এ সময় মন্ত্রী আরও বলেন, গণমাধ্যমের সহযোগিতা প্রাণিসম্পদ খাত সমৃদ্ধ করার ক্ষেত্রে অনেক সুযোগ করে দিচ্ছে। তবে কখনও কখনও স্বার্থান্বেষী মহল ভুল তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশে সক্ষম হয়। এতে জাতীয় প্রতিষ্ঠান বা সেখানে যারা ভালো কাজ করেন তাদের ব্যাপারে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয় এবং ওই প্রতিষ্ঠানে কর্মরতরা উৎসাহ হারিয়ে ফেলে। তথ্যের অবাধ প্রবাহের যুগে আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করতে চাই। প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে গণমাধ্যমের অব্যাহত সহায়তা চাই। সংবাদ হোক বস্তুনিষ্ঠ। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ইচ্ছাকৃতভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য যেন সংবাদ না হয়।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মো. এমদাদুল হক তালুকদারের সভাপতিত্বে ও পরিপ্রেক্ষিতের নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ বোরহান কবীরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য প্রদান করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক মো. আব্দুর রহিম, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল, গ্লোবাল টেলিভিশনের সিইও সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা এবং প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের প্রধান কারিগরি সমন্বয়ক ড. গোলাম রব্বানী। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং ফেলো সাংবাদিকগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও অনলাইন মিডিয়ার মোট ২০ জন সাংবাদিককে ফেলোশিপ প্রদান করা হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সেরা ৩ জন, অনলাইন মিডিয়ার সেরা ৩ জন এবং প্রিন্ট মিডিয়ার সেরা ৫ জন ফেলো সাংবাদিককে পুরস্কৃত করা হয়।

ফটিকছড়িতে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে ২ জনের মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ফটিকছড়িতে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে ২ জনের মৃত্যু

ফটিকছড়িতে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে ২ জনের মৃত্যু

  • Font increase
  • Font Decrease

 

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির দাঁতমারায় বাস-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে প্রাণ হারিয়েছে ২ জন। এ সময় আহত হয় আরও ৪ জন।

বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার হেয়াকো-ফটিকছড়ি আঞ্চলিক সড়কের দাঁতমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত দুজন হলেন- রুবেল ত্রিপুরা(৫০) এবং অভি ত্রিপুরা (১০)। আহতদের নাম পরিচয় জানা যায়নি তবে সকলে একই এলাকার বাসিন্দা।

মো. নাহিদ নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, হারুয়ালছড়িতে একটি বিবাহ অনুষ্ঠান শেষ করে উনারা জোরারগঞ্জ থানার নলখা এলাকায় সিএনজি যোগে যাচ্ছিল। দাঁতমারা পুলিশ ফাঁড়ির সামনে গেলে বিপরীত দিক থেকে আসা বাসটির সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলে তত্তরি ত্রিপুরা ও অভি ত্রিপুরা ২ জন মারা যায়। গুরুত্বর আহত হয়েছে আরও ৪ জন। স্থানীয়রা আহতদের ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে নাজিরহাটস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

এদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আরেফিন আজিম জানান, প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গুরুত্বর আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে প্রেরণ করা হয়েছে।

;

উপকূলজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব অকল্পনীয়: তথ্যমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

'উপকূলজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের যে ক্ষতিকর প্রভাব তা খুলনার উপকূলে না আসলে কেউ অনুমান করতে পারবেনা' বলেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

'এখানে প্রতি বছর বন্যা হয়, জলোচ্ছ্বাস হয়, যা আমাদের নিত্যসঙ্গী; আমরা জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত কিভাবে মোকাবেলা করছি জাতিসংঘ মহাসচিবের এসডিজি বিষয়ক বিশেষ দূত হিসেবে বেলজিয়ামের রানি সেটি নিজের চোখে দেখার জন্য এখানে এসেছেন এবং এখানকার মানুষের সাথে কথা বলেছেন' জানান তিনি।

বেলজিয়ামের রানি মাতিলদ মেরি ক্রিস্টিন জিলেইন আজ (বুধবার) দুপুরে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত খুলনার উপকূলীয় দাকোপ উপজেলার সুতারখালী ইউনিয়নের ঝুলন্তপাড়া এলাকা পরিদর্শনে যান। তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ মিনিস্টার ইন ওয়েটিং হিসেবে রাষ্ট্রাচার দায়িত্ব পালনে তাঁর সাথে ছিলেন। স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন মন্ত্রী।

পরিবেশবিদ ড. হাছান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশ। আর দেশের উপকূলীয় অঞ্চলেই সবচেয়ে ক্ষতির প্রভাব দৃশ্যমান।

রানি মাতিলদ ঝুলন্তপাড়ার স্থানীয় মানুষদের সাথে মতবিনিময় করেন। খুলনার উপকূলীয় এলাকায় বসবাসরত মানুষদের জীবন-সংগ্রাম, সমস্যা ও সম্ভাবনা বিষয়ে অধিবাসী ও সেখানে কর্মরত দেশি-বিদেশি সংস্থার প্রতিনিধিদের কাছ থেকে বিস্তারিত ধারণা নেন তিনি।

খুলনার জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

;

দেশে এখন ১৯ লাখ টন খাদ্য মজুদ রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশে এই মুহূর্তে ১৯ লাখ টন খাদ্য মজুদ আছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার টাকার দিকে তাকাচ্ছে না বলেও জানান তিনি।

বুধবার (৮ ফেব্রুয়াারি) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা জানান। এ সময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত করতে সক্ষম হয়েছি। প্রতি ঘরে বিদ্যুৎ দেবো বলেছিলাম, দিয়েছি। আমরা যখন সরকার গঠন করি ৩৫ হাজার টন খাদ্য ঘাটতি ছিল দেশে। আমরা কৃষিতে গবেষণার ওপর জোর দিয়ে খাদ্যে স্বয়ংস্পূর্ণতা অর্জন করেছি। এই মুহুর্তে বাংলাদেশে ১৯ লাখ টন খাদ্য মজুদ আছে। খাদ্য উৎপাদনের উপর জোর দিয়েছি।
তিনি বলেন, সারা বিশ্বে এখন অর্থনৈতিক মন্দা, বাংলাদেশও তা থেকে বিছিন্ন নয়। এত ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্যে বিশ্বে যেখানে মুল্যস্ফীতি ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে, সেখানে আমরা যেখানেই যা পাচ্ছি, আমাদের দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য দেশে উৎপাদন বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বিদেশ থেকে যে সব ভোগ্যপণ্য আমদানি করতে হয়, যত টাকাই লাগুক আমরা কিন্তু তা আমদানি করছি।

সরকারপ্রধান বলেন, জ্বালানি তেল, গ্যাস, চিনি, গম ও ভুট্টা- সবই আমাদের আমদানি করতে হয়। আমরা কিন্তু টাকা-পয়সার দিকে তাকাচ্ছি না। মানুষের যাতে খাদ্য নিরাপদ থাকে, মানুষের জীবন সচল থাকে, সেই ব্যবস্থা আমরা নিতে পারছি। মূল্যস্ফীতি বেড়ে গিয়েছিল, তা কিছুটা এখন কমেছে, যেটা ভালো লক্ষণ আমরা মনে করি।

সরকারের উন্নয়ন তুলে ধরে তিনি বলেন, এত কিছুর পরই প্রবৃদ্ধি ৭ ভাগের বেশি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আমরা ব্যাপক কর্মসূচি নিয়েছি। প্রকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় আমরা যথেষ্ট দক্ষ, এখন সে ব্যবস্থাও নিয়েছি। বাংলাদেশের প্রত্যেকের জন্য আওয়ামী লীগ সরকার কাজ করে যাচ্ছে। কাউকে আমরা বাদ দিচ্ছি না। প্রতিটি ক্ষেত্রে মানুষের উন্নয়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

;

বেনাপোলে টাইম ট্রাভেল এন্ড ট্যুরিজমের অফিস উদ্বোধন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, বেনাপোল (যশোর)
বেনাপোলে টাইম ট্রাভেল এন্ড ট্যুরিজমের অফিস উদ্বোধন

বেনাপোলে টাইম ট্রাভেল এন্ড ট্যুরিজমের অফিস উদ্বোধন

  • Font increase
  • Font Decrease

বেনাপোল স্থলবন্দর বাস টার্মিনালের সামনে নাসির সেন্টারে অবস্থিত টাইম ট্রাভেল এন্ড ট্যুরিজমের অফিস উদ্বোধন করা হয়েছে।

বুধবার (৮ জানুয়ারি) সকালে প্রধান অতিথি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজ সেবক ও রাজনীতিবিদ পৌর আ. লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নাসির উদ্দীন ফিতা কেটে প্রতিষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন।

এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন- ইউএস বাংলার যশোর জেলা সেলস এক্সকিউটিভ অফিসার নাজমুল হাসান ও যশোর ট্রাভেল এজেন্টের সহসভাপতি আবুল হাসনাত।

আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন- বেনাপোল আমদানি সমিতির সহসভাপতি আমিনুল হক ও বন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ কাজিম উদ্দীন, চেকপোষ্ট বাজার কমিটির সভাপতি জসিম উদ্দীন, সেক্রেটারী মিলন খান।

টাইম ট্রাভেল এন্ড ট্যুরিজম বিমান বাংলাদেশ, ইউএস বাংলা ও নভোএয়ার লাইন্সের অনুমোদিত এজেন্ট অফিস। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজিজুল হক বলেন, দেশ, বিদেশ ভ্রমণে স্বল্প মূল্যে বিমান টিকেট সরবরাহ ও দর্শনীয় স্থান ভ্রমণে প্যাকেজ ট্যুর পরিচালনা করবে তার প্রতিষ্ঠান। তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

;