ঐতিহাসিক গণ অভ্যুত্থান দিবস আজ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আজ ২৪ জানুয়ারি, ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান দিবস। ১৯৬৯ সালের এই দিনে তৎকালীন পাকিস্তানের স্বৈরাচারী আইয়ুব সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে প্রধান আসামি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সব আসামিকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।

১৯৬৬ সালে মুক্তিকামী নিপীড়িত জনগণের পক্ষে জাতির মুক্তি সনদ খ্যাত ৬ দফা এবং পরবর্তীতে ছাত্র সমাজের দেয়া ১১ দফা কর্মসূচির প্রেক্ষাপটে সংঘটিত হয়েছিল এ গণঅভ্যুত্থান।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

দেশের স্বাধিকার আন্দোলনে যারা শহিদ হয়েছেন, তাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, বাংলাদেশের স্বাধিকার ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় ১৯৬৯ সালের ২৪ জানুয়ারি একটি ঐতিহাসিক দিন। এ দিনটি গণঅভ্যুত্থান দিবস হিসেবে আমাদের মুক্তিসংগ্রাম ও স্বাধিকার আন্দোলনের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছে।

প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বলেন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে এক তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়। বাহান্নর ভাষা আন্দোলন, বাঙালির মুক্তি সনদ ৬ দফা, পরবর্তীকালে ১১ দফা ও ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা অর্জন করেছি মহানস্বাধীনতা। পেয়েছি স্বাধীন-সার্বভৌমরাষ্ট্র বাংলাদেশ।

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবিসংবাদিত নেতৃত্বে বাঙালির দীর্ঘ স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত বাঙালির মুক্তির সনদ ৬-দফা ভিত্তিক গণ-আন্দোলনের আদর্শকে ধারণ করে অগ্রসরমান সংগ্রামের পথপরিক্রমায় ১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগ, ছাত্র ইউনিয়নসহ প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন করেন এবং ১১-দফা দাবি ঘোষণা করেন।

এই ১১-দফা দাবির মূলভিত্তি ছিল বঙ্গবন্ধু ঘোষিত ৬-দফা। ৬-দফা ভিত্তিক ১১-দফা দাবিতে ছাত্রসমাজের সমস্যাকেন্দ্রিক দাবি-দাওয়ার পাশাপাশি কৃষক ও শ্রমিকদের স্বার্থ সংক্রান্ত দাবিসমূহ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এই আন্দোলনের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ রাজবন্দিদের মুক্তি। ৬-দফা এবং পরবর্তীতে ১১-দফা কর্মসূচির প্রেক্ষাপটে সংঘটিত হয় ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান। ’৬৯-এর ১৭ জানুয়ারি ছাত্রনেতারা দেশব্যাপী সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মঘটের ডাক দিলে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর মোনেম খান ছাত্র আন্দোলন দমনের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করে।

সরকারি নিপীড়নের প্রতিবাদে ২০ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্রসভা ও প্রতিবাদ মিছিলের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এ মিছিলে পুলিশের গুলিতে ছাত্রনেতা আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান (আসাদ) নিহত হলে আন্দোলন আরও তীব্র হয়। শহীদ আসাদের আত্মদানের পর ২১, ২২ ও ২৩ জানুয়ারি শোক পালনের মধ্য দিয়ে সর্বস্তরের জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ২৪ জানুয়ারি অভূতপূর্ব গণঅভ্যুত্থানের সৃষ্টি হয়।

পাকিস্তানি সামরিক শাসন উৎখাতের লক্ষ্যে ১৯৬৯ সালের ২৪ জানুয়ারি সংগ্রামী জনতা শাসকগোষ্ঠীর দমন-পীড়ন ও সান্ধ্য আইন ভঙ্গ করে মিছিল বের করে। মিছিলে পুলিশের গুলিবর্ষণে এদিন ঢাকায় সচিবালয়ের সামনের রাজপথে নবকুমার ইনস্টিটিউটের নবম শ্রেণির ছাত্র কিশোর মতিউর রহমান ও রুস্তম শহীদ হন। প্রতিবাদে সংগ্রামী জনতা সেদিন সচিবালয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। বিক্ষুব্ধ জনগণ আইয়ুব-মোনেম চক্রের দালাল, মন্ত্রী, এমপিদের বাড়িতে এবং তাদের মুখপত্র হিসাবে পরিচিত তৎকালীন দৈনিক পাকিস্তান ও পাকিস্তান অবজারভার অফিসে আগুন লাগিয়ে দেয়। ঢাকার পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

এরপর ১৫ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় অভিযুক্ত সার্জেন্ট জহুরুল হক বন্দি অবস্থায় ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে নিহত হলে প্রতিবাদমুখর হয়ে বাংলার জনগণ। ১৮ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. শামসুজ্জোহা নিহত হলে সান্ধ্য আইন উপেক্ষা করে রাজপথে নেমে আসে ছাত্র-জনতা। গণঅভ্যুত্থানের প্রবল চাপে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবসহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার অভিযুক্তগণ এবং নিরাপত্তা আইনে আটক ৩৪ জন নেতৃবৃন্দকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয় স্বৈরশাসক আইয়ুব খান। ২৩ ফেব্রুয়ারি লাখো জনতার উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করা হয়। ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সামরিক স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের পতন ঘটে। সেই থেকে ২৪ জানুয়ারি গণঅভ্যুত্থান দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

দিবসটি উপলক্ষে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় বকশীবাজারস্থ নবকুমার ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে শহীদ মতিউর রহমানের স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করবে আওয়ামী লীগ।

দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের যথাযথভাবে স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে সংশ্লিষ্ট সকলকে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন।

সময় বাড়ছে না বাণিজ্য মেলার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মাসব্যাপী ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা শেষ হতে আর মাত্র পাঁচ দিন বাকি। মেলার শেষ সময়ে এসে ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের ভিড় বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে মেলার সময় বাড়ানোর দাবি করেছে ব্যবসায়ীরা। তবে মেলার সময় বাড়ানোর সুযোগ নেই বলে জানিয়ে দিয়েছেন রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সচিব ও বাণিজ্য মেলার পরিচালক ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী।

শুক্রবার (২৭ জানুয়ারি) ইপিবির সচিব ইফতেখার আহমেদ জানান, সমাপনী অনুষ্ঠান ৩১ জানুয়ারিতেই হবে।

তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা বাণিজ্য মেলার সময় বাড়ানোর দাবি জানালেও বাড়ানো হচ্ছে না। ৩১ জানুয়ারি বিকাল ৪টায় সমাপনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শেষ হবে এবারের বাণিজ্য মেলা।

এর আগে ২৪ জানুয়ারি ব্যবসায়ীরা বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির কাছে সময়সীমা বাড়ানোর জন্য লিখিত আবেদন জানায়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন কারণে মেলায় বরাদ্দ নেয়া স্টল তৈরি করতে সাত দিনের বেশি সময় লেগেছে। কারণ শৈত্যপ্রবাহের জন্য রাজমিস্ত্রি, কাঠমিস্ত্রি ও বৈদ্যুতিক মিস্ত্রির সংকট ছিল। সুতরাং স্টল সাজিয়ে ব্যবসা শুরু করতে সাত দিন সময় পেরিয়ে গেছে। ফলে মেলার সময় না বাড়ানো হলে তারা লোকসানে পড়বেন বলে উল্লেখ করেছেন ব্যবসায়ীরা।

চলতি মাসে টঙ্গীতে দুই দফায় ইজতেমা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা উল্লেখ করে তারা বলেন, এতে দুইবার তিন দিন করে মোট ছয় দিন রাস্তায় প্রচণ্ড যানজট ছিল। যার কারণে মেলায় ক্রেতা দর্শনার্থীর উপস্থিতি কম ছিল।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, পূর্বাচল ৩০০ ফুট মহাসড়কে এক দিন ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হয়। সেদিনও ক্রেতা-দর্শনার্থীদের মেলায় উপস্থিতি কম ছিল।

ব্যবসায়ীদের দাবি, বাণিজ্য মেলার সময় না বাড়ানো হলে তাদের অনেক পণ্য অবিক্রিত থেকে যাবে। তাই লোকসান এড়াতে বাণিজ্যমন্ত্রীর কাছে ৩১ জানুয়ারির পর আরও সাত দিন বিনা ভাড়ায় মেলায় বেচাকেনা করার আবেদন করেন ব্যবসায়ীরা।

মেলায় দেশি-বিদেশি ৩৩১ প্রতিষ্ঠানের স্টল রয়েছে। এরমধ্যে কয়েকটি প্যাভিলিয়ন ও মিনি প্যাভিলিয়ন রয়েছে। গত বছরের চেয়ে এবার ১০৬টি স্টল বেড়েছে। বিদেশি ১০ দেশের ১৭টি স্টল রয়েছে।

;

দেশে আর একজনও রোহিঙ্গা প্রবেশ নয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশে আর একজনও রোহিঙ্গা প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেন, সম্প্রতি যারা দেশে প্রবেশ করেছে, তাদের বের করে দেওয়া হবে।

শুক্রবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ-৩ ইউনিট উদ্বোধন শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, সরকার সিলেটবাসীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিউ-৩ ইউনিট এ অঞ্চলের মানুষের বিশেষ করে মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচাতে মূল্যবান অবদান রাখবে।

হাসপাতালের চাপ কমাতে ও সিলেটবাসীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ওসমানীর দ্বিতীয় শাখার কাজ দ্রুত শুরুর তাগিদ দেন মন্ত্রী। এ জন্য তিনি জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরুর নির্দেশনা দেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ওসমানী মেডিকেলের ‍দ্বিতীয় শাখা চালু হলে সিলেটবাসীকে বিদেশে চিকিৎসার জন্য যেতে হবে না। এতে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের পাশাপাশি জীবনও অনেক সুরক্ষিত হবে।

এ সময় সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, ওসমানী হাসপাতালের পরিচালকসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

;

কামরাঙ্গীরচরে ছাদ থেকে পড়ে দুই শিশুর মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর কামরাঙ্গীর চরে খেলতে গিয়ে পাঁচতলা ভবনের একটি ছাদ থেকে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় কামরাঙ্গীরচরের সিলেটি বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশুরা হলেন- লামিয়া (৬) ও আব্দুর রহিম (৯)।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কামরাঙ্গীরচর থানার ওসি তদন্ত মোস্তফা আনোয়ার।

তিনি বলেন, পাঁচতলা ছাদ থেকে পড়ে ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তাদের নাম আবদুর রহিম (৯) ও লামিয়া (৬)। তারা সম্পর্কে মামাতো-ফুপাতো ভাইবোন।

পরিবারের বরাতে তিনি বলেন, খেলতে গিয়ে তারা ২ জন ছাদ থেকে পড়ে গেছে বলে জানতে পেরেছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখতে ঘটনাস্থলে পুলিশের টিম পাঠানো হয়েছে।

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া বলেন, মরদেহ দুটি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি কামরাঙ্গীরচর থানাকে অবহিত করেছি।

;

নটরডেমিয়ানদের দেওয়া নতুন পোশাক পেয়ে খুশি পথশিশুরা



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
নটরডেমিয়ানদের দেওয়া নতুন পোশাক পেয়ে খুশি পথশিশুরা

নটরডেমিয়ানদের দেওয়া নতুন পোশাক পেয়ে খুশি পথশিশুরা

  • Font increase
  • Font Decrease

পথ শিশুদের মাঝে নতুন পোশাক বিতরণ করেছে এক্স নটরডেমিয়ান্স ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন (ইএনডব্লিউএফ)।

শুক্রবার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পোশাক বিতরণ করেছে ইএনডব্লিউএফ।

এসময় ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবকরা রাজধানীর মতিঝিল, কমলাপুর, খিলগাও, মুগদাপাড়া, তেজগাঁও, মগবাজার, সায়েদাবাদসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ঘুরে প্রায় সাত শতাধিক পথ শিশুদের হাতে নতুন পোশাক প্যান্ট ও পোলো শার্ট তুলে দিয়েছে । নতুন জামা পেয়ে খুব খুশি শিশুরা।

পোশাক বিতরণ কাজে অংশ নেন এক্স নটরডেমিয়ান্স ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি ডা. দলিলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কাদের শাহিন প্রমুখ।

এসময় উপস্থিত বক্তারা পথ শিশুদের জন্য পোশাক বিতরণের পাশাপাশি মানবিক ও সামাজিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন এবং জনহিতকর কাজে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান ।

;