জনগণই আমার শক্তি: প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাবা-মা-ভাই সব হারিয়ে বাংলার জনগণকে দিতে এসেছি। জনগণের জন্য কাজ করতে এসেছি। জনগণই আমার শক্তি।

মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে আয়োজিত নৈশভোজে তিনি বলেন, আমরা জনগণের সেবক। সেবক হিসেবে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করছি। এখানে আমরা কিছু নিতে আসিনি। এসেছি দিতে।

বাংলাদেশের একটি মানুষও গৃহহীন থাকবে না উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা সরকারে আসার পর থেকে আশ্রয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করি। বাংলাদেশের একটি মানুষও গৃহহীন থাকবে না। সেই লক্ষ্য অর্জনে অনেকটাই এগিয়ে গেছি।

করোনা মহামারি ও ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক সংস্থা এ কথা বলছে, বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ৩৫তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। এর মধ্যেও কিন্তু আমরা প্রায় ৫ ধাপ অগ্রগামী হতে পেরেছি। এটাও কিন্তু কম কথা নয়!

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে আমরা উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমাদের মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৮২৪ মার্কিন ডলার করতে পেরেছি। আমাদের এখানে থেমে থাকলে চলবে না, ধাপে ধাপে এগিয়ে যেতে হবে। ২০৪১-এর মধ্যে অন্তত ১২ হাজার মার্কিন ডলার মাথাপিছু আয় হয় সেটাই আমাদের লক্ষ্য।

সরকার প্রধান বলেন, করোনার জন্য অনেক দেশই পিছিয়ে গেছে। আমরাও একটা ধাক্কা কিন্তু পেয়েছিলাম, আমরা মানুষকে বুঝতে দেইনি। এই করোনাকালে যতগুলো কাজ আমরা করেছি, আমাদের মাঠ প্রশাসন আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে।

শেখ হাসিনা বলেন, আমি সরকার গঠন করে বলেছিলাম, আমি সরকারের সেবক। যেটা আমার বাবাও বলেছিলেন। এখানে ক্ষমতা উপভোগ করতে আসিনি—এসেছি দিতে, মানুষের জন্য কিছু করতে। আমরা স্বল্প সময়ের জন্য আসি, ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়ে আসি। কাজেই আমাদের হাতে সময় কম। আমাদের কাজ বেশি করতে হবে। সেই কারণে যে কাজগুলো আমি নেব সেগুলো দায়িত্ব মাঠ প্রশাসনের সবার।

রেমিট্যান্স বৃদ্ধির জন্য দরকার সহায়ক পরিবেশ: রাষ্ট্রদূত



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সুফিউর রহমান

রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সুফিউর রহমান

  • Font increase
  • Font Decrease

জেনেভায় নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সুফিউর রহমান বলেছেন, রেমিট্যান্স বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন উদ্বুদ্ধকরণের পাশাপাশি অনুকূল বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ এবং প্রবাসীদের অর্থ-সম্পদের নিরাপত্তা।

মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস উপলক্ষে জেনেভাস্থ বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন কর্তৃক আয়োজিত এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রদূত সুফিউর রহমান জানান, সরকার প্রবাসীদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৩০ ডিসেম্বর-কে ‘জাতীয় প্রবাসী দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। সুইজারল্যান্ডে স্বল্পসংখ্যক অভিবাসী থাকলেও অনেক প্রবাসী দেশের চেয়েও আনুপাতিক হারে বেশি রেমিটেন্স প্রেরণের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি প্রবাসীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং রেমিট্যান্স প্রেরণের এ ধারা অব্যাহত রাখতে তিনি প্রবাসীদের সহায়তা কামনা করেন।

জনসংখ্যাতাত্ত্বিক লভ্যাংশ কাজে লাগানোর উদ্দেশ্যে সরকার দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিচ্ছে, যাতে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অগ্রযাত্রা বেগবান করার সাথে তা কাজে লাগিয়ে বিদেশে দক্ষ জনশক্তি প্রেরণে এবং অভিবাসী কর্মীদের স্বার্থ, নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষায় সরকার দেশে এবং দেশের বাইরে বিভিন্ন দেশ ও আর্ন্তজাতিক সংস্থাসমূহের সাথে নিয়মিত কাজ করছে।

রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলদেশের অভাবনীয় আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অভিবাসীরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। দেশের চলমান উন্নয়নে অধিকতর অবদান রাখতে হলে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিবর্তিত ও দক্ষ কর্মসংস্থানের জন্য বাংলাদেশি অভিবাসী কর্মীদের অধিকতর ও নতুনতর দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে তৈরি হতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সভায় সুইজারল্যান্ডে বসবাসরত বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রবাসীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। তারা ই-ব্যাংকিং সুবিধা, বাংলাদেশের অফিস সময়ের বাইরেও ছুটির দিনে ব্যাংকিং সেবা, রেমিট্যান্স প্রেরণে সর্বোচ্চ সীমা ও এ সংক্রান্ত জটিলতা, রেমিট্যান্স গায়েব হওয়া ইত্যাদি বিষয় ও সমস্যার সমাধানের ওপর জোর দেন।

রাষ্ট্রদূত তাদের পরামর্শ, সুপারিশ ও নানাবিধ সমস্যার কথা শোনেন। প্রবাসীরা তাদের কল্যাণে সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের প্রশংসা করেন।

;

আবারও মেয়েকে নিয়ে জাপানি মায়ের পালানোর চেষ্টা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আদালতের রায় অমান্য করে বড় মেয়ে জেসমিন মালিকাকে নিয়ে জাপানে যাওয়ার চেষ্টার সময় জাপানি নারী নাকানো এরিকোকে বিমানবন্দর থেকে ফিরিয়ে দিয়েছে ইমিগ্রেশন পুলিশ।

মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এ ঘটনা ঘটে।

এর আগেও তিনি তার দুই মেয়েকে নিয়ে জাপানে পালানোর চেষ্টা করলে আদালতের রায়ের কারণে ইমিগ্রেশন পুলিশ ফিরিয়ে দেয় তাদের। তবে এবার সে কোন দেশে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন তা প্রাথমিকভাবে জানা যায়নি।

বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশের উপ-পরিদর্শক পদ মর্যাদা এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ওই জাপানি মা তার বড় মেয়েকে নিয়ে বিদেশে গমনের জন্য আজ বিমানবন্দরে আসেন। এ বিষয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকায় তাকে ইমিগ্রেশন থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে জাপানি মেয়েদের বাবা ইমরান শরিফের আইনি সহায়তা নেওয়া প্রতিষ্ঠান নাসিমা আক্তার অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটের কর্মকর্তা মির্জা মো. নাহিদ হাসান বলেন, আমরা সূত্রের মাধ্যমে জানতে পেরেছি জাপানি মা তার বড় মেয়েকে নিয়ে আজ দেশ ছাড়ার চেষ্টা করেন। এই নিয়ে তার বড় মেয়েকে নিয়ে দুইবার পালানোর চেষ্টা করেছেন তিনি।

সূত্র মতে, গত মাসেও তিনি সুপ্রিম কোর্টের আদেশ অমান্য করে পালাতে চেষ্টা করলে তার মেজ কন্যা লাইলা বাবাকে হারাবে বলে প্রচণ্ড ভয় পেয়ে বাবার আশ্রয় নেয়। তাই এবার মেজ কন্যা তার সাথে ছিল না। এবারও প্রথমবারের মতো পালানোর সময় নাসরিন নাহার নামের এক বাংলাদেশি নারী নাকানোকে সব ধরনের সহযোগিতা করেছিলেন। এ ঘটনায় বিমানবন্দরের পরিস্থিতি খারাপ দেখা দিলে সেখান থেকে পালিয়ে যান তিনি।

জাপানি চিকিৎসক নাকানো এরিকোর সঙ্গে বাংলাদেশি প্রকৌশলী ইমরান শরীফের বিয়ে হয় ২০০৮ সালে। দাম্পত্য কলহের জেরে ২০২০ সালের শুরুতে বিচ্ছেদের আবেদন করেন এরিকো। এরপর ইমরান স্কুলপড়ুয়া বড় দুই মেয়েকে নিয়ে বাংলাদেশে চলে আসেন। ছোট মেয়ে জাপানে এরিকোর সঙ্গে থেকে যান। মেয়েদের জিম্মা পেতে করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে গত বছর জুলাই মাসে বাংলাদেশে আসেন এই জাপানি নারী। তিনি হাইকোর্টে রিট আবেদন করলে তাদের সমঝোতায় আসতে বলেন বিচারক।

কিন্তু ওই দম্পতি সমঝোতায় না আসায় কয়েক মাস ধরে শুনানির পর হাইকোর্ট দুই সন্তানকে বাবার হেফাজতে রাখার সিদ্ধান্ত দেন। পাশাপাশি মা যাতে সন্তানদের সঙ্গে দেখা করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে বাবাকে খরচ দিতে বলা হয়।

হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন শিশুদের মা নাকানো এরিকো। পরে আপিল বিভাগ এক আদেশে শিশু দুটিকে মায়ের জিম্মায় রাখার নির্দেশ দিলেও বাবা তা না মানায় বিচারকরা উষ্মা প্রকাশ করেন। পরে আদালত শিশু দুটিকে বাবার হেফাজত থেকে এনে তাদের সঙ্গে কথা বলে এবং পরে মায়ের হেফাজতে দেওয়ার আদেশ দেন। আপিল বিভাগের রায়েও দুই শিশুকে মায়ের কাছে রাখার অনুমতি দেওয়া হলো।

;

জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে বই পড়ার বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ

  • Font increase
  • Font Decrease

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, মননশীল লেখকদের বিকাশে ‘অমর একুশে বইমেলা’ এক অবিকল্প আয়োজন।

বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) ‘অমর একুশে বইমেলা ও অনুষ্ঠানমালা-২০২৩’ উপলক্ষে এক বাণীতে এ কথা বলেন তিনি।

‘অমর একুশে বইমেলা বাঙালি সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ’ উল্লেখ করে আবদুল হামিদ বাংলা একাডেমির উদ্যোগে ‘অমর একুশে বইমেলা ও অনুষ্ঠানমালা ২০২৩’-এর আয়োজনে বইপ্রেমিক বাঙালি পাঠক, প্রকাশক, সংগঠক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।

অমর একুশে বইমেলার প্রাক্কালে একুশে ফেব্রুয়ারি ‘মহান ভাষা আন্দোলনে’ অমর শহীদদের স্মৃতির প্রতিও তিনি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, অমর একুশে বইমেলা বাঙালির প্রাণের মেলা। প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলা একাডেমি আয়োজিত বইমেলা লেখক-পাঠক-সংস্কৃতিকর্মীসহ সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে অনন্য জাগরণ সৃষ্টি করে। এ মেলা আমাদের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ইতিহাস-ঐতিহ্যের বিকাশে একটি অন্যতম প্রধান অনুষ্ঠান ও উৎস।

আবদুল হামিদ বলেন, জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে বই পড়ার বিকল্প নেই। তথ্যপ্রযুক্তির বর্তমান যুগে নতুন প্রজন্মকে বই পড়া ও সাহিত্যচর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে মাসব্যাপী বইমেলা ও ভাষা চর্চার এ আয়োজন কার্যকর অবদান রাখবে–এটাই সবার প্রত্যাশা।

রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, বাঙালির সাহিত্য-সংস্কৃতির পাদপীঠ বাংলা একাডেমি মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিকে নানাভাবে ধারণ করে আছে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির উৎকর্ষ সাধনে নিরবচ্ছিন্ন দায়িত্ব পালন করে আসছে। ভাষাশহীদদের রক্তস্নাত পথ ধরে গড়ে ওঠা বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষাভাষী মানুষের প্রাণের প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে–এটাই কাম্য।

তিনি আশা করেন, বাঙালির প্রাণের এই মেলা বই কেনার পাশাপাশি আলোচনা সভা, সংগীতানুষ্ঠান, প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সবার মাঝে ছড়িয়ে দেবে সংস্কৃতির অমিয় সুধা। বাংলা একাডেমির এ প্রাঙ্গণে সৃজনশীল ও মননশীল লেখকদের বিকাশ ও অধিকার সুরক্ষার ক্ষেত্র হিসেবে অমর একুশে বইমেলা এক অবিকল্প আয়োজন। মহান ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে সমুজ্জ্বল রেখে ‘অমর একুশে বইমেলা' বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক-বাহক হয়ে উঠবে এ আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

রাষ্ট্রপতি ‘অমর একুশে বইমেলা ও অনুষ্ঠানমালা ২০২৩'-এর সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন।

;

৬ আসনে উপনির্বাচন আজ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির সংসদ সদস্যদের ছেড়ে দেয়া ৬ আসনের উপনির্বাচনে ভোট আজ। ৬টি আসনেই ভোট হবে ইভিএমে। সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিরতিহীনভাবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ।

আসনগুলো হলো- ঠাকুরগাঁও-৩, বগুড়া- ৪ ও ৬, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ ও ৩ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২।

এই আসনগুলোর মধ্যে আলোচনায় রয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের উপ-নির্বাচন। এখানে বিএনপির সাবেক এমপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী উকিল আব্দুস সাত্তারের পক্ষে প্রচারণা করছেন ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা। তার প্রতিদ্বন্দ্বী আসিফ আহমেদ নিখোঁজ নাকি আত্মগোপনে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধুম্রজাল। যদিও ইসির দাবি, তিনি আত্মপোগনেই আছেন।

নির্বাচনী এলাকায় অপ্রীতিকর যে কোনো ঘটনা এড়াতে সতর্ক অবস্থায় মোতায়েন রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। ভোটের দিন নির্বাচনী এলাকায় ট্রাক, পিকআপ ও ইঞ্জিনচালিত নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে। এ ছাড়া মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ থাকবে আগামীকাল মধ্যরাত পর্যন্ত।

ভোটের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে ইসি আনিছুর রহমান সাংবাদিকদের বলেছেন, আগে অন্যান্য জায়গায় যে রকম প্রস্তুতি ছিল, তার সবই আছে। শুধু একটাই নেই, সিসি ক্যামেরা। বাকি সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সুষ্ঠু সুন্দর নির্বাচন করার জন্য যা যা করা দরকার, সব ধরনের প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি। ভোটকেন্দ্রে নিরবচ্ছিন্নভাবে সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোট চলবে।

নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা জানিয়েছেন, জাতীয় সংসদের ছয়টি শূন্য আসনের উপনির্বাচন সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে সব আয়োজন শেষ করা হয়েছে। এ জন্য দেড়গুণ ইভিএম সরবরাহ করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, এ ছয়টি আসনের উপনির্বাচনে সংসদ সদস্যপদে লড়ছেন মোট ৪০ প্রার্থী। এর মধ্যে ১৭ জন স্বতন্ত্র এবং বাকি ২৩ জন ১০টি রাজনৈতিক দলের। এসব আসনে মোট ভোটার ২২ লাখ ৫০ হাজারের বেশি। এর মধ্যে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছয়জন। এ আসনে ভোটকেন্দ্র ১২৮টি আর ভোটার ৩ লাখ ২৪ হাজার ৭৪১ জন। বগুড়া-৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৯ জন। ভোটকেন্দ্র ১১২টি। মোট ভোটার ৩ লাখ ২৮ হাজার ৪৬৯। বগুড়া-৬ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ জন। মোট ভোটকেন্দ্র ১৪৩টি। আর ভোটার ৪ লাখ ১০ হাজার ৭৪৩।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছয়জন। এ আসনে ভোটকেন্দ্র ১৮০টি। ভোটার ৪ লাখ ৫ হাজার ৪৫০। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তিনজন। এখানে ভোটকেন্দ্র ১৭২টি, মোট ভোটার ৪ লাখ ১১ হাজার ৪৯৫। ব্রাক্ষণবাড়িয়া-২ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী পাঁচজন। ভোটকেন্দ্র ১৩২টি, মোট ভোটার ৩ লাখ ৭৩ হাজার ৩১৯।

;