আখাউড়ায় মোটরসাইকেল চাপায় বৃদ্ধা নিহত



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আখাউড়ায় মোটরসাইকেল চাপায় বৃদ্ধা নিহত

আখাউড়ায় মোটরসাইকেল চাপায় বৃদ্ধা নিহত

  • Font increase
  • Font Decrease

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় মোটরসাইকেল চাপায় সখিনা খাতুন (৬০) নামে এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন।

বুধবার (২৫ জানুয়ারি) রাতে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এর আগে, সন্ধ্যায় উপজেলার গঙ্গাসাগর-আখাউড়া সড়কের মুগড়া ইউনিয়নের নয়াদিল গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সখিনা বেগম একই এলাকার সুবহান মিয়ার স্ত্রী।

হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সখিনা বেগম সড়কের পাশ দিয়ে হেঁটে গঙ্গাসাগর থেকে আখাউড়া সদরের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে সড়ক পারাপারের সময় দ্রুতগামী একটি মোটরসাইকেল তাকে চাপা দেয়। এসময় গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বিষয়টি জানালে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়েছে। মোটরসাইকেলটি ওই এলাকার আশিক উদ্দিন দেওয়ান নামে এক যুবক চালাচ্ছিলেন বলে জানতে পেরেছি। তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।

আওয়ামী লীগ কথা দিলে সেটা রাখে: প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগ কথা দিলে সেটা রাখে, আমরা সেই কথা রেখেছি বলে মন্তব্য করেছেন দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টা ৫ মিনিটে রূপগঞ্জের পূর্বাচল সেক্টর-৪ এ পাতাল রেলপথ নির্মাণকাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন করেছি। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হবে।

আগামী ১০০ বছরের উন্নয়ন পরিকল্পনাও করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

পদ্মা সেতু নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার বিষয়টি উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা বিশ্বকে নিজেদের টাকায় সেতু করে দেখিয়েছি। যতক্ষণ জনগণ সঙ্গে থাকবে কেউ কিছু করতে পারবে না। এ দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনই আমার কাজ।

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটসহ চলমান অস্থিরতায় সবাইকে কৃচ্ছ্রতা সাধনের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবকিছুর দাম বেড়েছে। সবাইকে পানি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেল ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে। সবাইকে হিসাব করে চলার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

অনেক দেশে খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে যেন এই অবস্থা না হয়। তাই এক ইঞ্চি জমি যেন অনাবাদী না থাকে।

পাতালরেলের নির্মাণকাজ করার সময় জনগণের চলাচলে কোনো সমস্যা হবে না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাটির নিচে বোরিং মেশিন দিয়ে গর্ত করে টানেল করা হবে। ভূপৃষ্ঠের ১০ মিটার নিচে কাজ করা হবে। তাই ওপর থেকে বোঝা যাবে না যে মোটির নিচে কাজ চলছে।

প্রসঙ্গত, সরকার প্রথমবারের মতো বিমানবন্দর-কমলাপুর এবং পূর্বাচল-নতুন বাজার-রূপগঞ্জের পিতলগঞ্জ রুটের মধ্যে ৩১ দশমিক ২৪১ কিলোমিটারের পাতাল ও উড়াল এমআরটি লাইন-১ নির্মাণ করছে। ডিএমটিসিএল এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।

 

;

পাতাল রেলের নির্মাণকাজ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের প্রথম পাতাল মেট্রোরেলের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে রূপগঞ্জের পূর্বাচল সেক্টর ৪-এ উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করেন তিনি।

৫২ হাজার ৫৬১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা ব্যয়ে তৈরি হতে যাচ্ছে এই পাতালরেল। রূপগঞ্জের পীতলগঞ্জ থেকে শুরু হয়ে জোয়ার সাহারার নতুনবাজারে পাতালরেল যুক্ত হবে কমলাপুর-বিমানবন্দর মেট্রোরেলের রুটের সাথে।

জানা গেছে, বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেল যাবে মাটির নিচ দিয়ে। তবে পীতলগঞ্জ থেকে নতুনবাজার পর্যন্ত ৩০০ ফুট সড়কের ওপর দিয়ে যাবে রেললাইন।

ডিএমটিসিএল সূত্র জানায়, ২০৩০ সালের মধ্যে এই ছয়টি মেট্রো রেলের নির্মাণকাজ পর্যায়ক্রমে তিন ধাপে শেষ করা হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ে ২০২৮ সালের মধ্যে এমআরটি লাইন-৫ নর্দান রুটের নির্মাণকাজ শেষ করা হবে। তৃতীয় পর্যায়ে ২০৩০ সালের মধ্যে এমআরটি লাইন-৫ : সাউদার্ন রুট, এমআরটি লাইন-২ এবং এমআরটি লাইন-৪ নির্মাণকাজ শেষ করা হবে।

;

এক কোটি ১০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনবে সরকার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারি বিক্রয়কারী সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য ১ কোটি ১০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৯৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা।

বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার কমিটিতে এ অনুমোদন দেয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, টিসিবির জন্য ১ কোটি ১০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনবে সরকার। এতে খরচ হবে ১৯৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, টিসিবির মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে গ্লোবাল করপোরেশন থেকে এ সয়াবিন তেল কেনা হবে।

জরুরি ভিত্তিতে ১ কোটি ১০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার জন্য নির্দেশক্রমে প্রত্যাশামূলক অনুমোদন দেয়া হয় বলে জানায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এতে সই করেন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শাম্মী ইসলাম।

;

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে সবার জন্য খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনের পাশাপাশি জনগণের জন্য নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে নিরলস কাজ করে চলেছে।

বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) ‘জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে এ কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের জনগণের জন্য পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে ষষ্ঠবারের মতো ‘জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস-২০২৩’ পালিত হচ্ছে জেনে তিনি আনন্দিত। দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘নিরাপদ খাদ্য, সমৃদ্ধ জাতি; স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার চাবিকাঠি’ যথাযথ হয়েছে বলেও তিনি মনে করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তি মানুষের সাংবিধানিক অধিকার। মানুষের এই অধিকার পূরণ করতে আমাদের সরকার ‘নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩’ প্রণয়ন করেছে এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠাসহ সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিবিধান তৈরি করেছে। পাশাপাশি, ভেজাল খাদ্য প্রতিরোধে অন দ্য স্পট স্ক্রিনিং, মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে এবং যারা খাদ্যে ভেজাল দিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এছাড়াও নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তির বিষয় মাথায় রেখে ‘কৃষি সম্প্রসারণ নীতি-২০২০’ প্রণয়ন করা হয়েছে এবং এসডিজি বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আমাদের অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় কৃষি সংশ্লিষ্ট যাবতীয় বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের সরকার সারাদেশে ১০০ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলছে যেখানে কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে ওঠার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি অর্জনে কৃষি গবেষণা এবং উন্নয়ন, কৃষি উপকরণ সরবরাহ, কৃষি সম্প্রসারণ, সেচ কাজে পানির সাশ্রয়ী ব্যবহার, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব মোকাবিলা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও মানব সম্পদ উন্নয়ন এই ৬টি থিম্যাটিক বিষয় লক্ষ্য রেখেই প্রতিটি উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

একই সঙ্গে দেশের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সার, বীজ ও সেচের সঙ্গে সঙ্গে কৃষিতে যান্ত্রিকীকরণের ওপর ব্যাপক জোর দিয়েছে এবং এতে করে খাদ্যের অপচয় এবং অনিরাপদ খাদ্যের ঝুঁকি হ্রাস পাচ্ছে বলে জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের সংবিধানে মৌলিক বিষয়গুলো যেমন: অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষার উপর গুরুত্ব দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি খাদ্যকেই সব থেকে বেশি গুরুত্ব প্রদান করেন। খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে জাতির পিতা এ দেশে কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহ প্রতিষ্ঠা ও কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে উল্লে¬খযোগ্য কার্যক্রম হাতে নিয়েছিলেন যা আজ পর্যন্ত দেশের কৃষি উৎপাদন এবং খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে চলছে।

শেখ হাসিনা বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বৈশ্বিক খাদ্য সংকটের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে বাংলাদেশকে রক্ষার জন্য সকলকে সচেতন হতে হবে এবং যার যেখানে যতটুকু পতিত জমি আছে তা চাষের আওতায় এনে খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে হবে।
তিনি মনে করেন, খাদ্যের উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে খাদ্যের নিরাপদতা ও পুষ্টিমান বজায় রাখা জরুরি। যিনি উৎপাদন প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত, তার যেমন সচেতনতা প্রয়োজন, তেমনি যিনি ভোগ করবেন, তার ক্ষেত্রেও নিরাপদতা প্রত্যয়টি অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। তাই সরকারি-বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠানকে একযোগে কাজ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী আশা করেন, জনসাধারণের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অংশীজনদের প্রায়োগিক ভূমিকার মাধ্যমে আমরা খাদ্য উৎপাদন, আমদানি, প্রক্রিয়াকরণ ও বাজারজাতকরণে সর্বোচ্চ মান নিশ্চিত করে সবার জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সক্ষম হবো। তিনি ‘জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস-২০২৩’ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

;