দেশে এখন ১৯ লাখ টন খাদ্য মজুদ রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশে এই মুহূর্তে ১৯ লাখ টন খাদ্য মজুদ আছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার টাকার দিকে তাকাচ্ছে না বলেও জানান তিনি।

বুধবার (৮ ফেব্রুয়াারি) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা জানান। এ সময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত করতে সক্ষম হয়েছি। প্রতি ঘরে বিদ্যুৎ দেবো বলেছিলাম, দিয়েছি। আমরা যখন সরকার গঠন করি ৩৫ হাজার টন খাদ্য ঘাটতি ছিল দেশে। আমরা কৃষিতে গবেষণার ওপর জোর দিয়ে খাদ্যে স্বয়ংস্পূর্ণতা অর্জন করেছি। এই মুহুর্তে বাংলাদেশে ১৯ লাখ টন খাদ্য মজুদ আছে। খাদ্য উৎপাদনের উপর জোর দিয়েছি।
তিনি বলেন, সারা বিশ্বে এখন অর্থনৈতিক মন্দা, বাংলাদেশও তা থেকে বিছিন্ন নয়। এত ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্যে বিশ্বে যেখানে মুল্যস্ফীতি ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে, সেখানে আমরা যেখানেই যা পাচ্ছি, আমাদের দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য দেশে উৎপাদন বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বিদেশ থেকে যে সব ভোগ্যপণ্য আমদানি করতে হয়, যত টাকাই লাগুক আমরা কিন্তু তা আমদানি করছি।

সরকারপ্রধান বলেন, জ্বালানি তেল, গ্যাস, চিনি, গম ও ভুট্টা- সবই আমাদের আমদানি করতে হয়। আমরা কিন্তু টাকা-পয়সার দিকে তাকাচ্ছি না। মানুষের যাতে খাদ্য নিরাপদ থাকে, মানুষের জীবন সচল থাকে, সেই ব্যবস্থা আমরা নিতে পারছি। মূল্যস্ফীতি বেড়ে গিয়েছিল, তা কিছুটা এখন কমেছে, যেটা ভালো লক্ষণ আমরা মনে করি।

সরকারের উন্নয়ন তুলে ধরে তিনি বলেন, এত কিছুর পরই প্রবৃদ্ধি ৭ ভাগের বেশি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আমরা ব্যাপক কর্মসূচি নিয়েছি। প্রকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় আমরা যথেষ্ট দক্ষ, এখন সে ব্যবস্থাও নিয়েছি। বাংলাদেশের প্রত্যেকের জন্য আওয়ামী লীগ সরকার কাজ করে যাচ্ছে। কাউকে আমরা বাদ দিচ্ছি না। প্রতিটি ক্ষেত্রে মানুষের উন্নয়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

রাজবাড়ীতে ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডের দুই আসামি গ্রেফতার



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজবাড়ী
রাজবাড়ীতে ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডের দুই আসামি গ্রেফতার

রাজবাড়ীতে ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডের দুই আসামি গ্রেফতার

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে আসামিদের অল্প সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করেছে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের শামসু মাষ্টার পাড়ার শহিদ শেখের ছেলে মোঃ নিরব শেখ (১৭) এবং সাহাদৎ মেম্বার পাড়ার মোঃ মাদার কাজীর ছেলে মোঃ হায়াত কাজী (১৭)।

সোমবার (২০ মার্চ) বেলা ১১ টার দিকে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ ইফতেখারুজ্জামান।

প্রেস ব্রিফিংয়ে বলা হয়, গত ১৬ মার্চ গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া পূর্বপাড়ায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা মুক্তি মহিলা সমিতির নির্মানাধীন ভবনে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এক অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার করেন থানা পুলিশ। পরবর্তীতে সে লাশ শনাক্ত হয়। তার নাম ছিলো মোঃ সোহান শেখ (২০)। সে দৌলতদিয়া সিদ্দিক কাজীর পাড়া আলামীন শেখের ছেলে। তার মা দৌলতদিয়া পতিতা পল্লীর একজন যৌনকর্মী।

এ ঘটনায় নিহত সোহানের চাচা মোঃ সেলিম শেখ বাদী হয়ে পরদিন গোয়ালন্দ ঘাট থানায় কারো নাম উল্লেখ না করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ গুপ্তচর ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে গত রবিবার গভীর রাতে কালুখালি থানার হরিণাবাড়িয়া প্রামাণিক পাড়া থেকে জড়িত সন্দেহে দুই আসামীকে গ্রেফতার করা হয়।

গোয়ালন্দ ঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) স্বপন কুমার মজুমদার বলেন, ঘটনার পর থেকেই গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশের একটি দল তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আসামীদের গ্রেফতারসহ হত্যা মামলায় ব্যবহত চাকু উদ্ধার করতে করা হয়।

এ বিষয়ে রাজবাড়ী জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ ইফতেখারুজ্জামানের যথাযথ দিক নির্দেশনা দিয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

উল্লেখ্য, গত ১৫ মার্চ দিবাগত রাতে দর্জি দোকানী সোহান শেখকে যৌনপল্লির জাহাঙ্গীরের দোকানে বসে থাকতে দেখে আসামিরা গাঁজা সেবনের কথা বলে তাকে ডেকে নিয়ে যায়। তারপর তারা প্রথমে কাঠের বাটাম ও ইট দিয়ে সোহানকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। তাদের কাছে থাকা ধারালো চাকু দিয়ে তার বুকে ও পেটে এলোপাতাড়ি আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যান।

;

উন্নয়নশীল রাষ্ট্র হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ: হানিফ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুষ্টিয়া
উন্নয়নশীল রাষ্ট্র হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ: হানিফ

উন্নয়নশীল রাষ্ট্র হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ: হানিফ

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্র হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া- ৩ সদর আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবউল আলম হানিফ।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার কৃষিবান্ধব সরকার। এ সরকার কৃষিবান্ধব বহুমুখী ব্যবস্থা নেয়ায় বাংলাদেশ আজ খাদ্য উদ্বৃত্তের দেশে পরিণত হয়েছে। বিশ্বের বুকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্র হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে।

সোমবার (২০ মার্চ) কুষ্টিয়ায় স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে কৃষি ঋণ বিতরণ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, ১৯৭০ সালে দেশে সাড়ে ৭ কোটি মানুষ ছিল। সেই সময়ে আমাদের ভূখণ্ডের আয়তন একই ছিলো। ’৭০- এর আগে মানুষ দুই বেলার বেশি খেতে পারতো না। স্বাধীনতার ৫০ বছর পেরিয়ে গেছে। দেশের জনসংখ্যা সাড়ে ১৬ কোটি ছাড়িয়েছে। প্রতি বছর হাজার হাজার একর কৃষি জমি শিল্প কারখানা, আবাসন খাতে চলে যাচ্ছে। তারপরও এই সাড়েৃ ১৬ কোটি মানুষ এখনও তিনবেলা খেতে পারছে। আর এসব সম্ভব হয়েছে শেখ হাসিনার কারণে।

তিনি বলেন, খাদ্য সমস্যাকে সামনে রেখে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে যে পদক্ষেপ নিয়েছিলেন সেটার ধারাবাহিকতা রক্ষা করায় বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশকে এই জায়গায় নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছেন।

হানিফ বলেন, ১৯৭৫ সালের পর বঙ্গবন্ধুকে হত্যার আর কেউ কৃষিখাতে মনোযোগ দেয়নি। ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পরে কৃষি খাতে বিপ্লব এনেছেন। এরপর বিএনপি-জামায়াত সরকারের সময়ে দেশে ৬০ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য ঘাটতি ছিল। কৃষকরা সময়মতো সার পেত না। ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে শেখ হাসিনা চার বার সারের দাম কমিয়েছেন। যাতে কৃষকরা সহজে সার পায়। ৮৭ টাকা কেজির সার মাত্র ২২ টাকায় নিয়ে এসেছিলেন। কৃষকরা সহজমূল্যে কৃষি উপকরণ পাচ্ছে। কৃষি কার্ড সহায়তা পাচ্ছেন।

তিনি বলেন, বিএনপি আমলে দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ছিলো ৫০০ ডলার। আজ আমাদের মাথাপিছু আয় ২৯শ’ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল রাষ্ট্র। বিশ্বের অর্থনীতিবিদরা বলছেন, উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত থাকালে আমরা ২০৩১ সালের আগেই মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবো।

এবি ব্যাংক লিমিটেড-এর প্রেসিডেন্ট এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব তারিক আফজাল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য আ কা ম সরোয়ার জাহান, কুষ্টিয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ, কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম, কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা সদর উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আজগর আলী, কুষ্টিয়া সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আতাউর রহমান. কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর কুষ্টিয়ার উপ-পরিচালক কৃষিবীদ ড. হায়াত মাহমুদ, কুষ্টিয়া সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাধন কুমার বিশ্বাস ও কুষ্টিয়া সদর উপজেলা কৃষি অফিসার সৌতম কুমার শীল।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

;

রফতানি আয় বাড়াতে নতুন বাজার খুঁজতে হবে: প্রধানমন্ত্রী



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের রফতানি আয় বাড়াতে পণ্য বহুমুখীকরণ ও নতুন নতুন বাজার খোঁজার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার (২০ মার্চ) তিনি তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে রফতানি বিষয়ক ১১তম বৈঠকে এ আহ্বান জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা থেকে উদ্ভূত পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে টেকসই রফতানি প্রবৃদ্ধি অর্জনে পদেক্ষপ নিতে হবে।

তিনি বলেন, ‘ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে চাহিদা বাড়ায় বাংলাদেশি পণ্যের জন্যে নতুন বাজার খোঁজার সুযোগ বিশ্বব্যাপী তৈরি হয়েছে। আমাদেরকে এসব বাজার ধরতে হবে।’

তথ্য-প্রযুক্তি পণ্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ডিজিটাল ডিভাইস আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ পণ্য হিসেবে চলে এসেছে। এর চাহিদাটাও বাড়ছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা যে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল করে দিচ্ছি সেখানে গার্মেন্টস, ওষুধ, হালকা, ভারী শিল্প, মোটর গাড়ি, ইলেকট্রনিক মোটরগাড়িসহ বিভিন্ন ধরনের বিনিয়োগ আসছে।’

এছাড়া প্রধানমন্ত্রী ২০২৪ সাল নাগাদ মেয়াদ শেষ হতে যাওয়া বিদ্যমান রফতানি নীতিমালার সংশোধন, পরিবর্তন ও উন্নয়ন করে আরো চার কিংবা পাঁচ বছরের জন্যে নতুন রফতানি নীতিমালা প্রণয়নেরও আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা, যুদ্ধের নিষেধাজ্ঞা ও পাল্টা নিষেধাজ্ঞা এবং ২০২৬ সালের মধ্যে এলডিসি থেকে উত্তরনের পর বাংলাদেশে যেসব চ্যালেঞ্জ ও সুযোগ তৈরি হতে পারে তা বিশ্লেষণ করে নতুন রফতানি নীতি গ্রহণ করা উচিত।

;

তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতার পর সেরা রাঁধুনি হলেন ঢাকার আইরিশ আতিয়ার



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতার পর সেরা রাঁধুনী হলেন ঢাকার আইরিশ আতিয়ার

তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতার পর সেরা রাঁধুনী হলেন ঢাকার আইরিশ আতিয়ার

  • Font increase
  • Font Decrease

চূড়ান্ত পর্বে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার পর সেরা রাঁধুনি ১৪২৯-এর বিজয়ী হলেন ঢাকার আইরিশ আতিয়ার। প্রথম রানারআপ ঢাকার সাদিয়া কামাল উর্মি এবং দ্বিতীয় রানারআপ রাজশাহীর ফেরদৌস আরা টুইনকে পেছনে ফেলে এ স্বীকৃতি অর্জন করলেন তিনি।

স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ আয়োজিত সেরা রাঁধুনির এটি ছিলো সপ্তম আসর। ‘রান্নার জগতে হয়ে উঠুন উজ্জ্বল তারকা’- এই স্লোগান নিয়ে এবারের আসরের যাত্রা শুরু হয় ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২২ থেকে। বিভাগীয় রাউন্ডের অডিশনের মাধ্যমে সারাদেশ থেকে ৪০ জন নির্বাচন করার পর শুরু হয় গ্র্যান্ড অডিশন। সেখান থেকে সেরা ২০ জনকে নিয়ে শুরু হয় মহামঞ্চ বা স্টুডিও রাউন্ড।

রাজধানীর বনানীর শেরাটন ঢাকা হোটেলে আয়োজিত গ্র্যান্ড ফিনালেতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব অঞ্জন চৌধুরী। তিনি তাঁর বক্তব্যে বাংলার খাবার দিয়ে সারাবিশ্বের মানুষের মন জয় করবেন সেরা রাঁধুনিরা এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সেরা রাঁধুনি’র বিগত আসরগুলোর শীর্ষ প্রতিযোগী, দেশবরেণ্য রন্ধন বিশেষজ্ঞ, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব এবং স্কয়ারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা। এবারের আসরের বিভিন্ন পর্বে দেশি স্বাদ, পিঠা পার্বণ, স্বাদের বিশ্বভ্রমণ, উৎসবের স্বাদ, মায়ের রান্নার স্বাদ, সল্ট বেক চ্যালেঞ্জ-সহ বেশ কিছু অভিনব রান্নার পরীক্ষায় অবতীর্ণ হতে হয়েছে প্রতিযোগীদের। প্রতিটি পর্বই ছিল চমক ও নাটকীয়তায় ভরা। প্রতিযোগিতার বিচারক হিসেবে ছিলেন আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিমান শেফ শুভব্রত মৈত্র, রন্ধন বিশেষজ্ঞ রাহিমা সুলতানা রীতা, অভিনয়শিল্পী ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব দিলারা হানিফ পূর্ণিমা। অডিশন রাউন্ডগুলোতে শেফ মৈত্র ও রাহিমা সুলতানা রীতার সাথে শেফ নাঈম আশরাফ বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। প্রতিযোগিতায় এবারই প্রথমবারের মতো মেন্টর হিসেবে আগের আসরগুলোর শীর্ষ ৫ প্রতিযোগী দায়িত্ব পালন করেন। গ্র্যান্ড ফিনালে-র সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন শ্রাবণ্য তৌহিদা ও অভিনয়শিল্পী এফএস নাঈম। শ্রাবণ্য তৌহিদা এবারের পুরো সিজনেই উপস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন।

এবারের সেরা রাঁধুনিতে রেকর্ডসংখ্যক রেজিস্ট্রেশন হয়েছিলো। তাদের মধ্য থেকে অডিশনের পর স্টুডিও রাউন্ডের জন্য ২০ জন নির্বাচিত হন। সেরা রাঁধুনির মর্যাদা অর্জনকারী ঢাকার আইরিশ আতিয়ার পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন সম্মাননা স্মারক ও ১৫ লাখ টাকা। আর প্রথম ও দ্বিতীয় রানারআপ হিসেবে সাদিয়া কামাল ও ফেরদৌস আরা পাচ্ছেন যথাক্রমে ১০ লাখ টাকা ও ৫ লাখ টাকা। বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাব অঞ্জন চৌধুরী এবং তিন বিচারক। আর ‘সেরা বিশ’-এর অন্যান্য প্রতিযোগীদের মাঝে সম্মাননা স্মারক তুলে দেনস্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের চিফ অপারেটিং অফিসার জনাব মোঃ পারভেজ সাইফুল ইসলাম,মাছরাঙা টেলিভিশনের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ও মিডিয়াকম লিমিটেডের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার জনাবঅজয় কুমার কুন্ডু, বিশ্বনন্দিত জাদুশিল্পী জুয়েল আইচ এবং জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও মিডিয়াব্যক্তিত্ব নুসরাত ইমরোজ তিশা। অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্যে ছিলো নাদিয়া আহমেদ ও তার দলের নৃত্য পরিবেশনা, দেশের অন্যতম নাট্যদল প্রাচ্যনাট-এর পরিবেশনায় ‘ভালোবাসার কিচেন’ শীর্ষক নাটিকা, আবু হেনা রনির কৌতুক পরিবেশনা এবং বিদ্যা সিনহা সাহা মিম ও ঈগল ড্যান্স কোম্পানির অংশগ্রহণে জমজমাট কোরিওগ্রাফি ইত্যাদি। অনুষ্ঠানের শেষ অংশে আমন্ত্রিত দর্শকদের গান শোনান ইমন চৌধুরী অ্যান্ড ফ্রেন্ডস।

ক্রিয়েটিভ এজেন্সি হিসেবে সেরা রাঁধুনি ১৪২৯-এর পুরো আয়োজনটির সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধানে ছিলো মিডিয়াকম লিমিটেড। ব্রডকাস্ট পার্টনার মাছরাঙা টেলিভিশনের সাথে সেরা রাঁধুনি ১৪২৯ আয়োজনের সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আরো আছে রাঙামাটি ওয়াটারফ্রন্ট রিসোর্ট।

;