বুলবুলের সেই উপহারের গরু গ্রহণে সম্মতি প্রধানমন্ত্রীর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কোরবানির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার হিসেবে দিতে একটি গরু লালনপালন করেছেন কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলার চরকাউনা গ্রামের সাধারণ কৃষক বুলবুল আহমেদ ও তার স্ত্রী ইসরাত জাহান। তাদের এই ভালোবাসার প্রতি সম্মান জানিয়ে উপহারের এই গরু গ্রহণে সম্মতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

শুক্রবার (৯ জুন) সন্ধ্যায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী কৃষিবিদ মশিউর রহমান হুমায়ুন কিশোরগঞ্জের বুলবুল আহমেদ এর গরু লালন পালনের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী উপহারের গরু গ্রহণে সম্মতি দেন।

পরে প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব হাসান জাহিদ তুষার গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী খুশি হয়েছেন এবং এই বিরল ভালোবাসার জন্য বুলবুল আহমেদ ও তার স্ত্রীকে ধন্যবাদ দেন।

হাসান জাহিদ তুষার আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা এই গরু বুলবুল আহমেদের নিজ বাড়িতেই থাকবে এবং সেখানেই কোরবানি হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোরবানির গরুর মাংস স্থানীয় দরিদ্র-অসহায় জনগণের মধ্যে বিলিয়ে দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।

বুলবুল আহমেদের গরু ক্রস ব্রাহমা প্রজাতির। এই গরুতে আনুমানিক ৮০০ কেজি মাংস হতে পারে বলে জানিয়েছেন বুলবুল আহমেদ।

তিনি বলেন, ২০২০ সালে নেত্রকোনা জেলা থেকে আড়াই লক্ষ টাকায় প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেয়ার উদ্দেশ্যে তিনি এই গরু ক্রয় করেন। গরু কেনার পর কিশোরগঞ্জ জেলার বিখ্যাত পাগলা মসজিদে ৫০০০ টাকা মানতও করছিলেন তিনি যেন তার গরুটি সুস্থ থাকে।

বুলবুল আহমেদ জানান, তিনি ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকে মাঠকর্মী হিসেবে কর্মরত। তার স্ত্রী ইসরাত জাহান আওয়ামী লীগ সরকারের একটি বাড়ি , একটি খামার প্রকল্প থেকে ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে ও নিজের জমানো টাকা দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর জন্য এই গরু ক্রয় করেন। তারা গত তিন বছর গরুটির নিবিড় পরিচর্যা করেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আবেগ ও ভালবাসা থেকে তারা এই গরু ক্রয় ও লালন পালন করেন।

উপহার হিসেবে তার গরু গ্রহণ করার সম্মতি প্রদান করায় বুলবুল আহমেদ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

বুলবুল আহমেদ কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।

আজ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইনে প্রতিনিধি সভা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
আজ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইনে প্রতিনিধি সভা/ ছবি: বার্তা২৪.কম

আজ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইনে প্রতিনিধি সভা/ ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনে আজ শনিবার (১৩ জুলাই) সারাদেশে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনলাইনে প্রতিনিধি সভা ও বিকেলে কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

গতকাল শুক্রবার (১২ জুলাই) বিকেলে শাহবাগে বিক্ষোভ মিছিলে এ কর্মসূচি ঘোষণা দেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু বাকের মজুমদার। 

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) অনেক জায়গায় আমাদের সহযোদ্ধাদের ওপর হামলা চালিয়েছে তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সামনে যদি আমাদের কোনো সহকর্মীর সঙ্গে হামলা হয় তাহলে এর ফল ভালো হবে না।

এসময় সরকারকে একদফা আমলে নিয়ে দ্রুত দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান আবু বাকের মজুমদার।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ঢাবি শিক্ষার্থী মাহিম বলেন, বাংলাদেশ রাষ্ট্র আমাদের আবেগ নিয়ে ফুটবল খেলছে। একবার সংসদ, একবার হাইকোর্ট পাঠাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীকে আমাদের আবেগ বুঝতে হবে। সংসদে আইন পাশ করে কোটা সংস্কার না করলে আন্দোলন চলবে।

;

আজকের আবহাওয়া কেমন থাকবে?



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের রংপুর, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়োহাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিও হতে পারে।

শনিবার (১৩ জুলাই) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এসব এলাকার নৌবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে— রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।

;

বরিশালে উচ্চ শব্দে হর্ণ বাজিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে কিশোররা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বরিশাল
বরিশালে উচ্চ শব্দে হর্ণ বাজিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে কিশোররা

বরিশালে উচ্চ শব্দে হর্ণ বাজিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে কিশোররা

  • Font increase
  • Font Decrease

বরিশালে অপ্রাপ্তবয়ষ্ক মোটরবাইক চালকদের মাঝে বেড়েছে উচ্চ শব্দের হলার (সাইলেন্সার/হর্ণ) ব্যবহারের প্রবণতা। বরিশাল নগরীর প্রতিটি স্থান থেকে উচ্চ গতিতে হলার থেকে নির্গত কান ফাটানো শব্দ করে দিনে-রাতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে তারা। এর সাথে রয়েছে হাইড্রোলিক হর্ণ ব্যবহারের প্রবণতা। এসব মোটরসাইকেল চালকদের প্রায় সবাই বরিশালের বিভিন্ন স্কুল-কলেজ পড়ুয়া কিশোর শিক্ষার্থী।

পূর্বে বরিশালে এমন মোডিফাইড বাইকের সংখ্যা হাতেগোনা থাকলেও এখন সেই সংখ্যা বেড়েছে কয়েক গুন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ২ থেকে প্রায় ৬ লাখ টাকা দামের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বাইকগুলোকে মোডিফাই করে পরিণত করা হচ্ছে এমন অস্বস্তিকর যানবাহনে। ফলল বেপরোয়া চলাচলে সৃষ্ট উচ্চ শব্দে এক রকম অতিষ্ঠ নগরীর পথচারীসহ অন্যান্য যান চালকরা।

শুধুমাত্র নিজেকে অন্যের থেকে আলাদা আর শুধুমাত্র শখের বশে দামি মোটরবাইকটির ক্ষতি করে এমন উচ্চ শব্দের বাইকে রুপান্তর করার কথা স্বীকার করেছে একাধিক কিশোর। এজন্য তারা মোটা অংকের টাকাও খরচ করছে। অন্যদিকে স্বাভাবিকভাবে শব্দ দূষণের ভয়ঙ্কর মাত্রায় থাকা বরিশালে এই বাইকগুলো এখন চরম বিরক্তির যানবাহন, যা বাড়াচ্ছে শিশু থেকে বৃদ্ধ বয়সের বাসিন্দাদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি। 


ট্রাফিক আইন অনুযায়ী এটি দণ্ডনীয় অপরাধ। তাই এদের নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইন প্রয়োগের দাবি সচেতন মহলের।

বরিশালের বিভিন্ন জনবহুল এলাকায় প্রতিদিন দেখা যাচ্ছে এমন বাইকগুলো। শুক্রবার (১২ জুলাই) বরিশাল নগরীর ব্রাউন কম্পাউন্ড এলাকা থেকে ইয়ামাহা এমটি ব্র্যান্ডের একটি মোটরবাইকে হলার লাগিয়ে যেতে দেখা যায় এক কিশোরকে। সে নিজেকে বরিশাল নগরীর একটি কলেজের এইচএসসি প্রথমবর্ষের শিক্ষার্থী বলে জানায়।

সিয়াম নামের ওই কিশোর বলেন, এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফল করায় তাকে পরিবার থেকে বাইকটি দেওয়া হয়েছে। নিজের বাইকটিকে স্বতন্ত্র বানাতে মূলত হলারটি লাগিয়েছে ৮ হাজার টাকা খরচ করে। ঢাকায় তার বন্ধুদের দেখে এটি মডিফাই করেছে। এমন হলারের মূল্য ৫০ হাজার টাকার ওপরেও রয়েছে। বর্তমানে এটি স্টাইল ও ট্রেন্ড বলে জানায় সিয়াম। 

নগরীর প্রায় সব মোটরমেকানিক এই মোডিফাই করতে পারে। সে হলার লাগিয়েছে তবে অনেকেই উচ্চ শব্দের মোডিফিকেশনের জন্য নিজেদের বাইকের সাইলেন্সার পাইপটি কেটেও ফেলে। 

সিয়াম জানায়, সে যখন বাইক নিয়ে যায় অনেক সময় পথচারীরা গালাগাল করে। তবে তাতে কিছু যায় আসে না। শুধু ট্রাফিক পুলিশের চোখ এড়িয়ে চলতে হয়।

ভাটারখাল এলাকার মোটর সাইকেল মেকানিক জসিম জানান, আগে খুঁজেও এমন মোটরসাইকেল দেখা যেত না। এখন হলার লাগানোসহ নানা উপায়ে বাইকের শব্দ বাড়ানোর স্টাইল শুরু হয়েছে। গত ২ বছরে বরিশালে এমন বাইকের সংখ্যা লক্ষণীয় পর্যায়ে বেড়েছে। কেউ টাকা খরচ করে এটি করে, কেউ আবার বিনা পয়সায় কেটে ফেলে নিজের দামি বাইকের সাইলেন্সরটি। এতে বাইক চালালে স্বাভাবিক শব্দই বের হয় বিকট আকারে। টাকার হোক বা বিনে পয়সা, দুই ক্ষেত্রেই এমন মডিফিকেশনে বাইকের ক্ষতি হয় বলে জানান তিনি। এতে তেল খরচ বাড়ে, দীর্ঘদিন এমন অবস্থায় চলা বাইকের ইঞ্জিনে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। এখন যার বাইক সে যদি ক্ষতির পরেও এমন মডিফাই করে তবে সে ক্ষেত্রে বলার কিছুই নেই।

বিকট শব্দে বিরক্ত আফরোজা আক্তার নামের এক নারী পথচারী বলেন, দিনে-রাতে যে কোনো সময় এমন বিকট শব্দের বাইকগুলো চলাচল করে। বরিশাল নগরীর হাসপাতাল রোডে একটি ভবনের ৪ তলায় বসবাস করেন তিনি। রয়েছে ২ বছরের এক সন্তান। প্রায়ই সড়ক দিয়ে বিকট শব্দে যায় এই বাইকগুলো। ৪ তলা বাসায় থেকেও হলারের শব্দে আতকে উঠতে হয়। প্রতিদিন একাধিকবার ভয় পায় তার সন্তান।

ষাটোর্ধ্ব রিকশাচালক আব্দুস সোবাহান বলেন, সারাদিন চারপাশ দিয়ে বেপরোয়াভাবে এমন অনেক মোটরসাইকেল যায়। অনেক সময় এত জোরে শব্দ হয় যে প্রচন্ড মাথা ব্যাথা করে। এদের বিষয়ে ট্রাফিক পুলিশের ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বরিশাল জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মলয় কৃষ্ণ বড়াল বলেন, হাসপাতাল সরকার ঘোষিত নীরব এলাকা হলেও সড়কে উচ্চ শব্দে গাড়ি চলাচল করে সব সময়ই। গাড়ির হর্ণ অতিষ্ঠ করে তোলে। এরমধ্যে আবার এই মোটবাইকগুলো করে বাড়তি সমস্যা। কেউই নির্দেশনা মেনে চলে না। যে কারণে আমাদের দায়িত্ব পালনেও সমস্যা হয়।

তিনি বলেন, দূষিত শব্দের মধ্যে বেশিক্ষণ থাকলে মানুষের শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এছাড়া অপ্রস্তুত অবস্থায় খুব কাছাকাছি এমন শব্দে কানের তালা ফাটতে পারে। এছাড়া দুর্বল হৃদয়ের মানুষের জন্য এটি বড় ধরনের ঝুঁকির কারণ হতে পারে।

পরিবেশ অধিদফতরের বিভাগীয় কার্যালয়ের সিনিয়র ক্যামিস্ট গোলাম কিবরিয়া বলেন, এমনিতেই বরিশাল নগরীর সবগুলো স্থানে অতিরিক্ত মাত্রায় শব্দ। গাড়িগুলোতে অনিয়ন্ত্রিতভাবে হাইড্রোলিক হর্ণ ব্যবহৃত হচ্ছে। মাত্রাতিরিক্ত শব্দ খুবই খারাপ আমাদের মস্তিষ্কের জন্য। শব্দ দূষণ মানবদেহে ধীরে ধীরে শ্রবণ, মস্তিষ্ক, দৃষ্টিশক্তিসহ আরও অনেক ক্ষতি করছে। দূষণ রোধে প্রতিমাসে পরিবেশ অধিদফতর মোবাইল কোর্ট চালায়। কিন্তু তাতেও নিয়ন্ত্রণ হয় না।

বরিশাল মেট্রোপলিটন ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এসএম তানভীর আরাফাত জানান, সড়কে সব ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ট্রাফিক বিভাগ সর্বদা সচেতন রয়েছে। এই ধরনের বাইকের হলার, উচ্চ শব্দের হর্ণ লাগানো বেশ গুরুতর একটি অপরাধ। ধরা পড়লেই এদের জরিমানা করা হয়। এমন বাইকারদের নিয়ন্ত্রণে আনতে আরও কঠোর হবে ট্রাফিক বিভাগ। এ সংক্রান্ত নির্ধারিত আইনের ধারা-৮৮ মোতাবেক নির্ধারিত শব্দমাত্রার অতিরিক্ত উচ্চমাত্রার কোনরূপ শব্দ সৃষ্টি বা হর্ণ বাজানো বা কোনো যন্ত্র, যন্ত্রাংশ বা হর্ণ মোটরযানের স্থাপন সংক্রান্ত ৪৫ এর বিধান লঙ্ঘন করলে অনধিক ৫ হাজার টাকা জরিমানাসহ অনধিক ১ বছর দণ্ড দেওয়া যেতে পারে।

;

কৃষকের দুই বিঘা জমির মরিচ গাছ কাটলো দুর্বৃত্তরা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুষ্টিয়া
দুর্বৃত্তদের কাটা মরিচ গাছ হাতে নিয়ে দেখাচ্ছেন কৃষক উজ্জ্বল খান

দুর্বৃত্তদের কাটা মরিচ গাছ হাতে নিয়ে দেখাচ্ছেন কৃষক উজ্জ্বল খান

  • Font increase
  • Font Decrease

কুষ্টিয়ার মিরপুরে রাতের আঁধারে দুই বিঘা জমির মরিচ গাছ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) গভীর রাতে মিরপুর উপজেলার ছাতিয়ান ইউনিয়নের ধলসা-আটিগ্রাম মাঠে ধলসা গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে উজ্জ্বল খানের দুই বিঘা জমির মরিচ খেত কেটে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা।

মরিচ চাষি উজ্জ্বল খানের পিতা মোহাম্মদ আলী জানান, আমরা কৃষক, কৃষিকাজ করে আমরা জীবিকা নির্বাহ করি। আমার ছেলে উজ্জ্বল খান ধলসা-আটিগ্রাম মাঠে আমাদের ২ বিঘা জমিতে মরিচের চাষ করে। প্রতিদিনের ন্যায় বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার দিকে আমার ছেলে উক্ত মরিচের জমিতে গিয়ে মরিচ দেখভাল করে বাড়িতে চলে আসে। পরবর্তীতে শুক্রবার (১২ জুলাই) সকাল আনুমানিক সাড়ে ৫টার সময় আমার ছেলে তার উক্ত মরিচের জমি দেখভাল করার জন্য সেখানে গেলে দেখতে পায়, ২ বিঘা জমির প্রায় সকল মরিচের গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। এতে আমার ছেলের ক্ষতির পরিমাণ প্রায় দুই লাখ ত্রিশ হাজার টাকা। পরবর্তীতে আমার ছেলে অসুস্থ হয়ে পড়ায় আমার ছেলের পক্ষে আমি নিজে থানায় এসে অভিযোগ দায়ের করেছি।

এ বিষয়ে মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তফা হাবিবুল্লাহ বলেন, মরিচ গাছ কাটার বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

;