রোগীর গোপনীয়তা নষ্ট করছে ওষুধ বিক্রয় প্রতিনিধিরা, সহযোগিতা করছে আনসার 



রাজু আহম্মেদ ও আল আমিন রাজু, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা ২৪

ছবি: বার্তা ২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর জাতীয় শিশু হাসপাতালে বেড়েছে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিদের দৌরাত্ম্য। রোগীদের গোপনীয়তা নষ্ট করাসহ নানা অভিযোগ আছে তাদের বিরুদ্ধে। এছাড়া বিক্রয় প্রতিনিধিদের যত্রতত্র বাইক পার্কিংয়েও জটলার সৃষ্টি হচ্ছে হাসপাতালের বহির্বিভাগের সামনে। চালকদের অনেকেরই অভিযোগ এতে রোগী চলাচলের পথ সংকুচিত হওয়াসহ অ্যাম্বুলেন্স অথবা রোগী পরিবহনেও বেগ পেতে হচ্ছে তাদের। 

রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতালের বহির্বিভাগে সেবা নিয়ে ডাক্তারের চেম্বার থেকে বের হতেই ঘিরে ফেলেন বিক্রয় প্রতিনিধিরা। নানা আলোচনায় ওষুধ নির্দেশিকার নাম করে তুলে নেন প্রেসক্রিপশনের ছবি। ফলে রোগীর গোপন রোগ বা ব্যক্তিগত তথ্য চলে যাচ্ছে তাদের হাতে। এতে গোপনীয়তা নষ্ট হচ্ছে রোগীদের। এছাড়া নিজ কোম্পানির ওষুধ কিনতে নানাভাবে হয়রানিরও অভিযোগ আছে তাদের বিরুদ্ধে।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি নিয়ে খোঁজ করে টিম বার্তা২৪.কম। সরেজমিন অভিযোগের সত্যতাও মেলে শিশু হাসপাতালে গিয়ে। গত বৃহস্পতিবার দিনভর শিশু হাসপাতালে অবস্থান করে দেখা যায়, রোগী বের হলেই কিছু বিক্রয় প্রতিনিধি ঘিরে ধরে তাদের। হাত থেকে প্রেসক্রিপশন নিয়ে তুলছে ছবি। বেশিরভাগ রোগী বিরক্ত হলেও বিক্রয় প্রতিনিধির সংখ্যা বেশি থাকায় কেউ করতে পারছে না প্রতিবাদ।

কেউ কেউ অভিযোগ করলেও আমলে নিচ্ছে না শৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যরা। অভিযোগ আছে হাসপাতাল বোর্ডের নিষেধ থাকা সত্ত্বেও অর্থ নিয়ে আনসার সদস্যরা বিক্রয় প্রতিনিধিদের প্রবেশে সহযোগিতা করে। ফলে কর্তৃপক্ষের নজরে আসে না রোগীর অভিযোগ।

এদিকে কর্তৃপক্ষের কড়া নিষেধাজ্ঞা থাকলেও শিশু হাসপাতালের সামনে যত্রতত্র বাইক রাখেন ওষুধ বিক্রয় প্রতিনিধিরা। এতে রোগী পরিবহনে যেমন অসুবিধায় পড়েন অ্যাম্বুলেন্স চালকরা, তেমনি জরুরি অবস্থায় ওষুধ নিয়ে যাতায়াত কিংবা রোগী নিয়ে যেতে বিপাকে পড়েন স্বজনরা। এমন অবস্থায় বিক্রয় প্রতিনিধিদের দৌরাত্ম্য কমাতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান ভুক্তভোগীরা। 


আকলিমা আক্তার নামের এক ভুক্তভোগী জানান, 'রুম থেকে বের হতেই দুই তিনজন আসল। কিছু বোঝার আগে আমার চিকিৎসা সেবাপত্রের ছবি নিল। আমার সন্তানকে জরুরিভাবে ডাক্তার দেখাতে নিয়ে আসছি। তাদের কারণে এর জন্য আমার ১০ মিনিট গেল। নিজের কোম্পানির ওষুধ কিনতে নানাভাবে জানালো। এভাবে এক প্রকার হয়রানির শিকার হচ্ছি আমরা।' 

মোজাম্মেল নামের আরেকজন বলেন, 'আমার বাচ্চাকে জরুরিভাবে অক্সিজেন দিতে বলেছে ডাক্তার। আমি চেম্বার থেকে বের হয়ে তাড়াহুড়ো করছিলাম। কোথা থেকে আসল কজন, আমাকে আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে দাঁড় করালো। তাদের ফোন দিয়ে ছবি নিলো। আমি প্রতিবাদ করলে দায়িত্বরত আনসার সদস্য আমাকে যেতে বললেন। এমন হলে আমাদের গোপনীয়তা থাকে কোথায়?' 

এ বিষয়ে বার্তা২৪.কম কথা বলার চেষ্টা করে উপস্থিত অভিযুক্ত বিক্রয় প্রতিনিধিদের সাথে। সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে রোগীর স্বজন পরিচয় দিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে ওষুধ বিক্রেতারা। নিমিষেই শৃঙ্খলা ফিরে আসে বহির্বিভাগে। 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কথা বলতে রাজি হননি উপস্থিত আনসার সদস্যরা। তবে হাসপাতালের দায়িত্বরত আনসারের প্লাটুন কমান্ডার (পিসি) হালিম শেখ কথা বলতে রাজি হলেও তিনি জানান কোন অভিযোগ নেই তাদের বিরুদ্ধে। এদিকে, আনসার সদস্যরা নিজেদের দোষের ঊর্ধ্বে দাবি করলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে ভিন্ন কথা। বিক্রয় প্রতিনিধিসহ আনসারদের কার্যকলাপে বিরক্ত খোদ হাসপাতাল পরিচালক।

এ বিষয়ে শিশু হাসপাতালের পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, 'আমরা বোর্ডে সিদ্ধান্ত নিয়েছি হাসপাতালে শুধু দুইদিন বিক্রয় প্রতিনিধিরা প্রবেশ করবে। তাদের মোটর সাইকেল পার্কিংয়ে নিষেধাজ্ঞা আছে। তবে তারা কীভাবে প্রবেশ করে আমাদের বোধগম্য নয়। আনসারদের সহযোগিতায় এমনভাবে প্রবেশ করে বলে আমরাও অভিযোগ পেয়েছি।' 

তিনি আরও বলেন, 'আনসারদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ আমরা পেয়েছি। এর আগেও এক ঘটনায় দুইজন গ্রেফতার হয়েছে। আমরা বোর্ড মিটিংয়ে এসব আলোচনা করেছি। তাদের অপরাধের পরিধি বাড়ছে। আসলে তাদের (আনসার) কোন চরিত্র নেই। তারা এমন অপরাধ করছে, যা সিকিউরিটি গার্ডদের থেকেও নীচ। আমরা আনসারের বিপরীতে অন্য কিছু ভাবছি। সম্ভব হলে আনসারের সেবাটি অন্যভাবে ব্যবস্থা করার আহ্বান করব হাসপাতালের বোর্ডে।' 

বিএনপি নেতা এ্যানি আটক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
বিএনপি নেতা এ্যানি আটক

বিএনপি নেতা এ্যানি আটক

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও মিডিয়া সেলের সদস্যসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানিকে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর এলিফেন্ট রোড এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

;

‘দেশে ধ্বংসযজ্ঞে জড়িত বিএনপি-জামায়াত স্বাধীনতা বিরোধী চক্র’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের শান্তি শৃঙ্খলা, রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও জালমাল বিনষ্টে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে বিএনপি-জামায়াত ও স্বাধীনতা বিরোধী চক্র।

স্বাধীনতা বিরোধীচক্রের দেশবিরোধী এসব কর্মকাণ্ডের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি (সুপ্রিম কোর্ট বার)।

সুপ্রিম কোর্ট বার মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সুপ্রিম কোর্ট বার। সংবাদ সম্মেলনে বার সম্পাদক শাহ মঞ্জুরুল হক দেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ধ্বংসযজ্ঞের বিষয়ে তাদের অবস্থান তুলে ধরেন।

সম্পাদক বলেন, সুপ্রিম কোর্ট বার কার্যকরী কমিটির এক জরুরি সভা গতকাল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় কমিটির সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যগণ স্বাধীনতা বিরোধী চক্র মৌলবাদী শক্তি সারাদেশে যে অরাজকতা ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে তার নিন্দা জ্ঞাপনের সিদ্ধান্ত নেয়।

শাহ মঞ্জুরুল হক বলেন, দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা, রাষ্ট্রীয় সম্পদ জানমাল বিনষ্টে বিএনপি জামায়াত ও স্বাধীনতা বিরোধীচক্র সারাদেশে ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। এতে মেট্রোরেল, সেতু ভবন, ডাটা সেন্টার, বাংলাদেশ টেলিভিশন ও অসংখ্য রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংস করা হয়।

তিনি বলেন, দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে তারা দেশ ও জনগণের জানমালের ক্ষতি করে বাংলাদেশকে একটি অকার্যকর মৌলবাদী রাষ্ট্রে পরিণত করতে তৎপর। দেশের জনগণ এই চক্রান্ত ধ্বংসযজ্ঞের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ।

সুপ্রিম কোর্ট বার সম্পাদক আরও বলেন, সুপ্রিম কোর্ট বার দেশের জনগণের সাথে ঐক্যবদ্ধভাবে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, রাষ্ট্রীয় সম্পদ, আইনশৃঙ্খলা ও জনজীবন রক্ষায় বদ্ধপরিকর। তিনি বলেন, এই ধ্বংসযজ্ঞ ও সহিংসতায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ও সাজা নিশ্চিত করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক সিনিয়র এডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, বারের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. রমজান আলী শিকদার, সহ-সভাপতি ড. দেওয়ান মো. আবু ওবাঈদ হোসেন সেতু, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ নূরুল হুদা আনছারী, সিনিয়র সহ-সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির, সহ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির পল্লব, সদস্য রাশেদুল হক খোকন উপস্থিত ছিলেন।

;

চুয়াডাঙ্গায় সাপের কামড়ে দুই কিশোরের মৃত্যু



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চুয়াডাঙ্গা
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল/ছবি: বার্তা২৪.কম

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল/ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গায় বৃদ্ধি পেয়েছে সাপের প্রকোপ। গত এক রাতে সাপের কামড়ে মৃত্যু হয়েছে দুই কিশোরের।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) সকালে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় তারা।

নিহতরা হলো- চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ডিঙ্গেদহ গ্রামের জয়দেব পালের ছেলে দেবাশীষ পাল (১৩) ও একই উপজেলার ভুলটিয়া গ্রামের ফুল মিয়ার ছেলে বাকপ্রতিবন্ধী রাজন হোসেন (১৫)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ডিঙ্গেদহের দেবাশীষ পাল বুধবার রাতে তাদের শোবার ঘরে ঘুমিয়ে ছিল। রাত আড়াইটার দিকে একটি বিষধর সাপ তার হাতে কামড় দেয়। পরিবারের সদস্যরা প্রথমে তাকে ওঁঝা ও পরে সদর হাসপাতালে নেয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকালে তার মৃত্যু হয়।

অপরদিকে, একই রাতে সদর উপজেলার ভুলটিয়া গ্রামে বাকপ্রতিবন্ধী রাজন হোসেন (১৫) ঘরে ঘুমিয়ে ছিল। রাত ৩টার দিকে একটি বিষধর সাপ তার নাকে কামড় দেয়। তাকেও প্রথমে ওঁঝার কাছে নিয়ে ঝাড়ফুঁক করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিলে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. নাজমুস সাকিব বলেন, সাপের কামড়ে দুই কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। সাপে কামড়ানোর পর অনেক দেরিতে তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন পরিবারের সদস্যরা।

;

গণতন্ত্রে রাজনৈতিক সহিংসতার কোন স্থান নেই: শেখ তাপস



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস

  • Font increase
  • Font Decrease

গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থায় নাশকতা ও সহিংসতার কোন স্থান নেই বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) বেলা সাড়ে ৩টায় সেগুনবাগিচা সামাজিক অনুষ্ঠান কেন্দ্রে ‘স্বাধীনতা বিরোধী দুষ্কৃতিকারীদের সাম্প্রতিক তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ সহায়তা’ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ ফজলে নূর তাপস এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি, বিএনপি-জামায়াত চক্র ধ্বংসলীলা চালিয়ে, সন্ত্রাস-নৈরাজ্য সৃষ্টি করে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উৎখাত করার অপচেষ্টা ও ষড়যন্ত্র করেছে। যার ফলে দেশের সাধারণ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। তারা দেশের সম্পদ নষ্ট করেছে। তাদেরকে ঢাকাবাসী ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও ধিক্কার জানাচ্ছি। তারা গণতান্ত্রিক ধারা ভুলুণ্ঠিত করে সন্ত্রাসের পথ বেঁছে নিয়েছে। তাদেরকে গণতন্ত্রের ধারায় ফিরে আসার আহবান জানাই। গণতন্ত্রে রাজনৈতিক সহিংসতার কোন স্থান নেই। গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে না এলে, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও নাশকতার জন্য তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সরকারকে অনুরোধ জানাই।

নাশকতার ধারা অব্যাহত রাখলে ভবিষ্যতে সহিংসতাকারী ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিনষ্টকারীদেরকে নির্মূল করা হবে বলে ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস হুঁশিয়ার দেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য আ.ফ.ম. বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, বিএনপি-জামায়াত সন্ত্রাসীরা রক্তের হোলি খেলায় মেতে উঠেছে। যে কারণে আইনশৃঙ্খলা ঠিক রাখতে কারফিউ জারি করা হয়েছে। যার ফলে মেহনতী মানুষ, দিনমজুর, সাধারণ মানুষের কষ্ট হচ্ছে। তাই, সাধারণ মানুষের কষ্ট নিবারণ করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এই খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

সকল অশুভ শক্তিকে ঐকবদ্ধভাবে মোকাবিলার ঘোষণা দিয়ে বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, সন্ত্রাসী বাহিনীকে প্রতিহত করতে গিয়ে আমাদের অনেক নেতা-কর্মী আহত হয়ে আইসিউতে আছে। তারা ট্রেনিং দিয়ে প্রশিক্ষিত সন্ত্রাসীদের নিয়ে এসে ঢাকায় জড়ো করেছে। কিন্তু আমরা পরাজিত হইনি। আমরা সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করেছি। অচিরেই এদের খুঁজে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। সকল অশুভ শক্তিকে আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে মোকাবিলা করব, প্রতিহত করব।

২০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফরিদ উদ্দিন আহমেদ রতনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে ক্ষতিগ্রস্ত ১ হাজার মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। খাদ্য সামগ্রীতে ৫ কেজি চাল, ২ কেজি আলু, ১ কেজি ডাল, ১ লিটার তেল ও ১ কেজি লবণ রয়েছে।

;