সবার জন্য স্বাস্থ্যের অধিকারকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার আহ্বান সায়মা ওয়াজেদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
সায়মা ওয়াজেদ

সায়মা ওয়াজেদ

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক সায়মা ওয়াজেদ সবার জন্য স্বাস্থ্যের অধিকারকে বাস্তবে রুপ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, স্বাস্থ্য এবং অন্যান্য মানবাধিকারের অধিকারকে এগিয়ে নিতে ডাব্লিউএইচও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে ৭ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উদযাপন উপলক্ষে তিনি এই আহ্বান জানান।

বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) ঢাকায় প্রাপ্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই বছরের বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের মূল প্রতিপাদ্য হল ‘আমার স্বাস্থ্য, আমার অধিকার’ (মাই হেলথ, মাই রাইট)। বিশ্ব এখন রোগব্যাধি, বিপর্যয় থেকে সংঘাত ও জলবায়ু পরিবর্তনসহ একাধিক সঙ্কটের মুখোমুখি। মানুষের স্বাস্থ্যের অধিকার উপলব্ধি করা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

আঞ্চলিক পরিচালক বলেন, ‘সবার জন্য স্বাস্থ্যের অধিকার উপলব্ধি করার অর্থ হল এমন পরিবেশ তৈরি করা যেখানে প্রত্যেকে সর্বত্র উচ্চমানের স্বাস্থ্য সুবিধা, পরিষেবা এবং পণ্যগুলোর সুযোগ গ্রহণ করতে পারে যা জনগণের চাহিদা, বোঝাপড়া এবং মর্যাদাকে অগ্রাধিকার দেয়।’

‘এটি অধিকারের একটি সম্পূর্ণ সেটকে বোঝায় যা মানুষকে স্বাস্থ্যকরভাবে বাঁচতে সক্ষম করে। যেমন শিক্ষা, নিরাপদ পানি এবং খাদ্য, পুষ্টিকর খাদ্য, পর্যাপ্ত বাসস্থান, ভাল কর্মসংস্থান, পরিবেশগত অবস্থা এবং তথ্য-যা সুস্বাস্থ্যের অন্তর্নিহিত নির্ধারক।’

আঞ্চলিক পরিচালক জোর দিয়ে বলেন, স্বাস্থ্যের অধিকার পূরণের জন্য, স্বাস্থ্য সেবা এবং অন্তর্নিহিত নির্ধারক উভয়ই উপলব্ধ, প্রাপ্তিযোগ্য, গ্রহণযোগ্য এবং পর্যাপ্ত মানের হওয়া উচিত। মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের সর্বোচ্চ অর্জনযোগ্য মান-অথবা স্বাস্থ্যের অধিকার বিশ্বব্যাপী এবং অঞ্চলে ‘হু’র মিশনের মূল বিষয়। এটা ডব্লিউএইচও-এর সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে, অগ্রগতি সত্ত্বেও, ডব্লিউএইচও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলে সবার জন্য স্বাস্থ্যের অধিকারকে বাস্তবে পরিণত করার জন্য আমাদের এখনও যথেষ্ট উপায় রয়েছে।

ডব্লিউএইচও দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় অঞ্চলের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ৭ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থ্যার প্রতিষ্ঠার ৭৬ তম বছর উদযাপন করার সাথে সাথে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চল স্বাস্থ্যের অধিকারের বিষয়ে অনেক অর্জন দেখেছে এবং অনেক কিছু উদযাপন করতে পারে।

ইউনিভার্সাল হেলথ কভারেজ সার্ভিস কভারেজ সূচক ২০১০ সালে ৪৭ থেকে ২০২১ সালে ৬২-তে উন্নীত হয়েছে উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই অঞ্চলে মেডিকেল, ডাক্তার, নার্স এবং মিডওয়াইফদের গড় ঘনত্ব প্রতি ১০ হাজার জনসংখ্যার ২৮ দশমিক ০৫ এ দাঁড়িয়েছে। যা ২০১৫ সালের পর থেকে ৩০ দশমিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

এই অঞ্চলটি ২০০০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে মাতৃমৃত্যুর হারের অনুপাত হ্রাস পেয়েছে ৬৮ দশমিক ৫ শতাংশ। পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু মৃত্যু হার ২০০০ সালে প্রতি হাজারে জীবিত জন্মে ৮৪ থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়ে ২০২১ সালে ২৯ জনে দাঁড়িয়েছে। ২০০০ সালে নবজাতকের মৃত্যুহার প্রতি হাজারে ৪১ জন থেকে হ্রাস পেয়ে ২০২১ সালে দাঁড়িয়েছে ১৭ জন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০১৫ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে নতুন এইচআইভি সংক্রমণ ২৫ শতাংশ এবং ম্যালেরিয়ার সংক্রমণ ৬২ শতাংশ কমেছে।

স্বাস্থ্যের অধিকারের প্রতি বিশ্বব্যাপী প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও এই অঞ্চলের প্রায় ৪০ ভাগ মানুষ প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরিষেবাগুলোর কভারেজের অভাব রয়েছে। সরকার গুলোর স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ, যা স্বাস্থ্যের অধিকারকে এগিয়ে নেওয়ার ভিত্তি হওয়া সত্বেও এটি অগ্রহণযোগ্যভাবে কম। যার ফলে চিকিৎসা ব্যয় বেশি হয়েছে। যার ফলে মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা পেতে আর্থিক অসুবিধার সম্মুখীন পরিবারের অনুপাত বাড়ছে।

২০১৫ সালের তুলনায় ২০২১ সালে এই অঞ্চলে যক্ষায় মৃত্যুর হার ৮ দশমিক ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। চারটি প্রধান রোগ- কার্ডিওভাসকুলার, ক্যান্সার, ডায়াবেটিস এবং দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসযন্ত্রের রোগ থেকে ৩০ থেকে ৭০ বছর বয়সের মধ্যে মৃত্যু হার এখন ২১ দশমিক ৬ শতাংশ যা অগ্রহণযোগ্যভাবে উচ্চ হার।স

দরিদ্রতম এবং ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীগুলো প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধার সম্মুখীন হয়। প্রায়শই তাদের স্বাস্থ্য এবং সুস্থ্যতার জন্য বিপর্যয়কর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। দরিদ্র জীবন মানের কারণে তাদের যত্নের অভাব তাদের বেশি রোগ এবং মৃত্যুর জন্য দায়ী।

আঞ্চলিক পরিচালক বলেন, লিঙ্গ বৈষম্য অসংক্রামক স্বাস্থ্য অবস্থার নির্ণয় এবং চিকিৎসার ন্যায়সঙ্গত সুবিধাকে প্রভাবিত করে। উদাহরণস্বরূপ- পুরুষদের তুলনায় রক্তে গ্লুকোজ বেড়ে যাওয়া মহিলাদের একটি উচ্চ অনুপাতের চিকিৎসা করা হয় না। এই রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসার ব্যবধান উচ্চ রক্তচাপের জন্যও দেখা যায়।

নারী ও মেয়েদের প্রতি সহিংসতা তাদের মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং একটি অগ্রাধিকার জনস্বাস্থ্য সমস্যা-ব্যাপক রয়ে গেছে। তিনি বলেন, এই অঞ্চলের প্রতি তিনজনের মধ্যে একজন নারী তাদের জীবনে অন্তত একবার অন্তরঙ্গ সঙ্গীর সহিংসতার সম্মুখীন হয়েছেন। যেখানে গ্রামীণ ও অশিক্ষিত মহিলারা এবং সবচেয়ে দরিদ্র পরিবারের লোকেরা উল্লেখযোগ্যভাবে উচ্চ ঝুঁকির সম্মুখীন হয়েছে।

অনেকে এখনও টিবি, এইচআইভি/এইডস, অক্ষমতা বা মানসিক অসুস্থতার মতো কিছু স্বাস্থ্যগত অবস্থার সাথে কলঙ্কের সম্মুখীন হতে হয়। তারা তাদের লিঙ্গ, শ্রেণী, জাতি, ধর্ম, যৌন উন্মাদনা বা অন্যান্য বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় বৈষম্যের শিকার হয়।

ডব্লিউএইচওর আঞ্চলিক পরিচালক সায়মা ওয়াজেদ বলেন, সাম্য এবং বৈষম্যহীন স্বাস্থ্যের জন্য মানবাধিকার-ভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গির মূল বিষয় মানবাধিকার-ভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি যোগ করে অংশগ্রহণের নীতিকে মেনে চলতে হয়। হিউম্যান রাইটস-ভিত্তিক পদ্ধতির সাথে জবাবদিহিতাও অবিচ্ছেদ্য: উদাহরণস্বরূপ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার কার্যকারিতা বা তাদের চাহিদা পূরণের জন্য স্বাস্থ্য কর্মসূচির বিষয়ে প্রভাবিত গোষ্ঠী এবং সম্প্রদায়ের কাছে রিপোর্ট করা। স্বাস্থ্য ও অন্যান্য মানবাধিকারের অধিকারকে সম্মান করা, রক্ষা করা এবং পূরণ করা এবং তাদের প্রগতিশীল উপলব্ধি নিশ্চিত করার জন্য সব সরকার এবং অন্যান্য কর্তাদের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পদ্ধতির কভারেজের ভিত্তিতে সরকারগুলোকে স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। বিশেষ করে সার্বজনীন স্বাস্থ্যকে এগিয়ে নিতে হবে।

ভাল আইনগুলো আরও কার্যকরভাবে তামাক নিয়ন্ত্রণ, পরিবেশ সুরক্ষা করতে পারে, উন্নত পুষ্টি স্থূলতা এবং কার্ডিওভাসকুলার রোগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, ন্যায্য এবং সমান কাজের পরিস্থিতি এবং আরও অনেক কিছুর ভিত্তি স্থাপন করতে পারে।

তিনি বলেন, সবার জন্য ভালো মানের স্বাস্থ্য সেবা আরও সহজলভ্য, গ্রহণযোগ্য করা দরকার।

   

লক্ষ্মীপুরে সেপটিক ট্যাংকে নেমে বাড়ির মালিক-সুইপারের মৃত্যু



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লক্ষ্মীপুর
ছবিঃ বার্তা২৪.কম

ছবিঃ বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে বাড়ির মালিক ও এক সুইপারের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (১৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার পশ্চিম রাখালিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে এক জনের নাম জানা গেছে। তিনি হলেন বাড়ির মালিক রিয়াদ হোসেন। অপরজন সুইপার ছিলেন। তার নাম জানা যায়নি।

স্থানীয়য়া জানান, বিকেলে রাখালিয়া এলাকায় নুরুল হক পাটোয়ারী বাড়ির পাটোয়ারী ভিলার একটি সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কার করতে নামেন সুইপার। পরিষ্কার করা অবস্থায় সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে তিনি আটকা পড়েন। পরে বাড়ির মালিক রিয়াদ উদ্ধার করতে গেলে দুইজনেরই মৃত্যু হয়। ধারণা করা হচ্ছে, ট্যাংকের ভেতরে অক্সিজেনের অভাবে তাদের মৃত্যু হয়েছে।

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াছিন ফারুক মজুমদার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস এসে সেপটিক ট্যাংক ভেঙে মৃতদের মরদেহ উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

;

বৈশাখী মেলার নামে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের দায়সারা আয়োজন, বলছেন নারী উদ্যোক্তারা



আবদু রশিদ মানিক, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কক্সবাজার
ছবিঃ বার্তা২৪.কম

ছবিঃ বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা। মাত্র ১০টি স্টল দিয়ে অব্যবস্থাপনায় ভরা দায়সারা বৈশাখী মেলা আয়োজনের অভিযোগ উঠেছে জেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে। তাই তিনদিনের মেলা শেষ না হতেই বেশিরভাগ স্টল গুটিয়ে নিয়ে গেছে উদ্যোক্তারা। বৈশাখী মেলা নাম দিলেও বৈশাখী মেলার বাংলার চিরায়ত ঐতিহ্য ছিলো না মেলায়।

রোববার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে কক্সবাজারের পাবলিক লাইব্রেরির শহিদ দৌলত ময়দানে আয়োজিত মেলা প্রাঙ্গনে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে ১০টি স্টলের মধ্যে ৪টি স্টল দুপুরের মধ্যেই গুটিয়ে নিয়েছে। বাকি স্টলগুলোও গুটিয়ে নিচ্ছে উদ্যোক্তারা।

উদ্যোক্তারা জেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেছেন, কক্সবাজার জেলা প্রশাসন বৈশাখী মেলার নামে তাদের সাথে প্রতারণা করেছে।

ফাতেমা বুটিকস নামের প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী নারী উদ্যোক্তা ফাতেমা জান্নাত বার্তা২৪.কম-কে বলেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জাঁকজমকপূর্ণ হবে বলেছে বলে স্টল নিয়ে আমি বিপাকে পড়েছি। সকাল থেকে আমি এবং আমার স্বামীসহ ৫ জন মানুষ পরিশ্রম করেছি। ১ হাজার টাকার মাত্র বিক্রি হয়েছে। কিন্তু খাবার, গাড়িভাড়া খরচ হয়েছে ১ হাজার টাকারও বেশি। কক্সবাজার জেলা প্রশাসন আয়োজন করেছে বলে বিশ্বাস নিয়ে মেলায় এসেছি। আমাদের সাথে একপ্রকার প্রতারণা করা হল।

ফাতেমা জান্নাতের মতো অন্যান্য নারী উদ্যোক্তাদেরও একই অবস্থা। সবাই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জেলা প্রশাসনের উপর।

সালসাস কালেকশন এন্ড ফুডস এর নারী উদ্যোক্তা শামিমা আক্তার মিনা বলেন, কোনরকম দায়সারা আয়োজন করে আমাদের হয়রানি করা হলো। এত কষ্ট করে সকল জিনিসপত্র নিয়ে মেলায় আসলাম কিন্তু প্রথমদিনের যে অবস্থা কাল থেকে আর মেলায় আসতে পারব না। রাত ৮টা পর্যন্ত স্টল খোলা রাখার কথা থাকলেও কোন লাইটের ব্যবস্থা করা হয়নি। এছাড়া সাংস্কৃতিক আয়োজন আজকেই শেষ করে দিয়েছে। মঞ্চও গুটিয়ে নিয়েছে। তাহলে মেলা কিভাবে চলবে বলেন!

হোমাইরাস রেসিপির আরেক নারী উদ্যোক্তা সুরা খাতুন বলেন, ৩ দিনের জন্য খাবার তৈরি করে মেলায় এসেছি। এখন প্রথম দিনেই মেলা শেষ। সব খাবার নষ্ট হয়ে যাবে। পিঠাপুলি থেকে শুরু করে নানান খাবার এনেছিলাম। সাংস্কৃতিক আয়োজন থাকলে হয়তো মেলা ভালোমতো চলতো।

নববর্ষ উদযাপন এবং মেলা কমিটির সদস্য কক্সবাজার জেলা খেলঘর আসরের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন বার্তা২৪.কম-কে বলেন, আয়োজনটা কিছুটা দায়সারা মনে হয়েছে। মেলাটা যদিও একদিনের তবে নারী উদ্যোক্তারা ৩ দিন না হলে মেলায় অংশগ্রহণ করে না বলেই ৩ দিনের করা হয়েছে কিন্তু আমরা চেয়েছিলাম ৩ দিনই সাংস্কৃতিক আয়োজন করতে ভাগ করে করে আলাদা সংগঠনের মাধ্যমে। কিন্তু জেলা প্রশাসনের হয়তো নানা সংকটের কারণে এটা করা হয়নি।

বিষয়টি কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিভীষণ কান্তি দাশ বার্তা২৪.কম-কে বলেন, কক্সবাজার জেলা প্রশাসন শুধু স্টল করে দিয়েছে কিন্তু বিসিক তাদের নিয়ে এসেছে। আর মেলা তো রাতের আগেই শেষ হয়ে যাবে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী।

;

নতুন সম্ভাবনা ও আশা নিয়ে এসেছে বাংলা নতুন বছর: পরিবেশ ও বন মন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
নতুন সম্ভাবনা ও আশা নিয়ে এসেছে বাংলা নতুন বছর: পরিবেশ ও বন মন্ত্রী

নতুন সম্ভাবনা ও আশা নিয়ে এসেছে বাংলা নতুন বছর: পরিবেশ ও বন মন্ত্রী

  • Font increase
  • Font Decrease

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী বলেছেন, নতুন সম্ভাবনা ও আশার রঙিন স্বপ্ন নিয়ে এসেছে বাংলা নতুন বছর। নতুন ভবিষ্যতকে নতুনভাবে বরণ করে নিতে হবে। অতীতের ভুলভ্রান্তি পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে হবে ভবিষ্যৎ সুন্দরের দিকে। সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

রোববার (১৪ এপ্রিল) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে একুশে টেলিভিশনের ২৫ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ. ক. ম. মোজাম্মেল হক, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা: সামন্ত লাল সেন, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহ্মুদ চৌধুরী, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য আরমা দত্ত এবং একুশে টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন।

সাবের চৌধুরী বলেন, অনেকের শ্রম, অনেকের মেধা ও অনেকের ত্যাগের বিনিময়ে একটি প্রতিষ্ঠান জনপ্রিয়তা অর্জন করে। অনেক ঘাত-প্রতিঘাত মোকাবিলা করে, অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে একুশে টেলিভিশন জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

মন্ত্রী এসময় দেশের পরিবেশ সুরক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করতে একুশে টেলিভিশনের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি একুশে টেলিভিশনের সাথে সম্পৃক্ত সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

 

;

চুয়াডাঙ্গায় দুই নারীর আত্মহত্যা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চুয়াডাঙ্গা
চুয়াডাঙ্গায় দুই নারীর আত্মহত্যা

চুয়াডাঙ্গায় দুই নারীর আত্মহত্যা

  • Font increase
  • Font Decrease

চুয়াডাঙ্গায় বিষপান করে দুই নারী আত্মহত্যা করেছেন।

রোববার (১৪ এপ্রিল) পৃথক সময়ে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে। ওই দুই নারী হলেন- চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ছয়ঘরিয়া গ্রামের মো. জুয়েলের স্ত্রী মমতাজ বেগম (৩৮) ও একই উপজেলার সরিষাডাঙ্গা গ্রামের আবু বক্করের স্ত্রী নিলুফা খাতুন (৪০)। তাদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সেকেন্দার আলী।

পুলিশ জানায়, রোববার সন্ধ্যায় ছয়ঘরিয়া গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে বিষপান করেন মমতাজ বেগম। বিষয়টি বুঝতে পেরে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রাখেন। এর কিছুক্ষণ পরেই তার মৃত্যু হয়।

অপরদিকে, বিষপান করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন নিলুফা খাতুন নামের এক নারী। রোববার (১৪ এপ্রিল) মধ্যরাত আড়াইটার দিকে তার মৃত্যু হয়। এর আগে গত শুক্রবার (১২ এপ্রিল) চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সরিষাডাঙ্গা গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে বিষপান করেন তিনি। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সেকেন্দার আলী জানান, প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহের কারণে তারা আত্মহত্যা করেছে বলে মনে হয়েছে। ওই দুই নারীর ময়নাতদন্ত শেষে লাশ তাদের পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

;