সুপেয় পানি নিশ্চিত ও লবণ পানি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে: এমপি রশীদুজ্জামান



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

উপকূলীয় জনগণকে প্রকৃতির সাথে নিরন্তর যুদ্ধ করে বেঁচে থাকতে হয়। জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এই যুদ্ধ কঠিন হয়ে উঠেছে। তাই উপকূলের জীবন-জীবিকা রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের সুদৃষ্টি জরুরি বলে সংসদে দাবি জানিয়েছেন খুলনা-৬ (পাইকগাছা-কয়রা) আসনের সংসদ সদস্য মো. রশীদুজ্জামান।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটের উপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

সংসদে এমপি রশীদুজ্জামান বলেন, কৃষি আমাদের প্রধান উপজীব্য ও চালিকা শক্তি হলেও উপকূলের কৃষি মুখ থুবড়ে পড়েছে। এর প্রধান কারণ লবন পানিতে বাণিজ্যিক চিংড়ি চাষ। অপরিকল্পিত চিংড়ি চাষের কারণে এলাকার ভূমিহীন কৃষক, নিম্নবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠী কৃষি পেশা হারিয়ে অন্য পেশা খুঁজে নিতে বাধ্য হয়েছে। এই ঢাকা শহরেও দৈনিক দিনমজুর খেটে জীবিকা নির্বাহ করছে পাইকগাছা-কয়রার কয়েক হাজার মানুষ। অথচ তারা যে এলাকার মানুষ সেখানেই এক-সময় ধানের ফসল ফলতো। সেই ধান কাটার জন্য বাহিরে থেকে শ্রমিক নিতে হতো। এখন চিংড়ি চাষের কারণে পরিস্থিতি বদলে গেছে।

এমপি রশীদুজ্জামান বলেন, বর্তমানে চিংড়ি চাষ আগের মতো অর্থকারী নেই। অনেকেই নিরুৎসাহী হয়ে চিংড়ি চাষ বন্ধ করে কৃষির দিকে ঝুকেছে। এবারের তরমুজ ফসল পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলাতে বাম্পার ফলন হয়েছে। আড়াই মাসের ফসলে যে তরমুজ পেয়েছে, সেগুলো অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। এবার প্রায় ২৫০ কোটি টাকা তরমুজ ক্ষেত থেকে বিক্রয় হয়েছে। তরমুজ ক্ষেতে কাজ করে নারী শ্রমিকেরা এই মৌসুমে প্রত্যেকে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা আয় করেছে। তরমুজের পাশাপাশি একই জমিতে বছরের অন্য সময়ে আরো ফসল ফলানোর সুযোগ আছে। ওই জমিতে মিষ্টি পানিতে সকল প্রকার মাছ চাষ সম্ভব হচ্ছে। যা লবণ পানিতে চিংড়ি চাষের থেকে অনেক বেশি লাভজনক ও পরিবেশবান্ধব। চিংড়ি চাষের লভ্যাংশ মালিক, অর্থাৎ এককেন্দ্রীক থাকে। আর কৃষি কাজ থেকে প্রাপ্ত অর্থ শুধু কৃষকই নয়, অনেকে ভোগ করতে পারে। যা বেকারত্ব দুরীকরণে সহায়ক।
]
তিনি আরো বলেন, ওই অঞ্চলের নদী-নালা, খাল আশংকজনকভাবে ভরাট হয়ে গেছে। তাই কৃষির সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে লবণ পানির প্রবেশ বন্ধ করে এলাকার ভরাটকৃত খালগুলো পুনঃখনন করে মিষ্টি পনির আধার তৈরী করতে হবে। কৃষকরা যেন শুষ্ক মৌসুমে সেচের কাজে ব্যবহার করতে পারে।

সুপেয় পানির সংকটের কথা তুলে ধরে সংসদ সদস্য রশীদুজ্জামান বলেন, সুপেয় পানির অভাবে পাইকাগাছা-কয়রাসহ সমগ্র উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ হাহাকার করছে। এখানে ধনী, দরিদ্রের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। বর্তমানে সকল পানির আধার লবণ পানিতে ভর্তি, যা পানের অযোগ্য। একমাত্র ভরসা বৃষ্টির পানি। বছরে চার মাস বৃষ্টি হতে পারে, বাকি আট মাসের পানি সঞ্চয় করে না রাখতে পারলে পানির হাহাকার বেড়ে যাবে। পানি সঞ্চয় করে রাখার জন্য সকল পরিবারে পানির ট্যাংকি সরাবরাহ করা অতীব জরুরি। তাই আমার দাবি হয় সুপেয় পানির ব্যবস্থা করে দেন, না হয় সাগরের লবণাক্ত পানি পান করে বেঁচে থাকার উপায় বের করে দিন।

আওয়ামী লীগ নেতা রশীদুজ্জামান বলেন, প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে আমার নির্বাচনী এলাকা কয়রা ও পাইকগাছা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুর্যোগের মধ্যে শত শত মানুষ নিয়ে কাজ করেও বাঁধ রক্ষা সম্ভব হয়নি। চোখের সামনে ভেসে গেছে, রাস্তা-ঘাট, ঘর-বাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, ক্ষেতের ফসল, মাছের ঘের সবকিছুই। ক্ষতির একটি তাৎক্ষণিক তালিকা দাখিল করেছি। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী কয়রা উপজেলাতে গিয়েছিলেন। তিনি দু’উপজেলার ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা গ্রহণ করেছেন। নেত্রীর সাথে আলোচনা করে সমাধান করবেন বলে প্রতিশ্রুতিও দেন। জনগণ দ্রুত প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন চায়।

সরকার দলীয় ওই সংসদ সদস্য বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের দুর্যোগ নিত্য দিনের সঙ্গী। এর থেকে রক্ষা পাওয়ার অন্যতম অবলম্বন টেকসই বেড়িবাঁধ। সেই বেড়িবাঁধ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রী বরাদ্দ দিয়েছেন, কিন্তু কাজের অগ্রগতি নেই। ষাটের দশকে যে ওয়াপদার বাঁধ তৈরি হয়েছিলো, সেই বাঁধ আর সংস্কার হয়নি। মাটি ক্ষয় হয়ে দিনে দিনে বাঁধ নিচু হয়েছে, আর নদীর বুকে পলি জমে জমে পানির উচ্চতা বেড়েছে। ফলে এবারের জলোচ্ছ্বাসে পানি ছাপিয়ে পাইকগাছা ও কয়রার বহু জায়গায় বাঁধ ভেঙ্গে প্লাবিত হয়েছে। আপাততঃ দৃষ্টিতে টেকসই বেড়িবাঁধের বিকল্প নেই। বাঁধের তলদেশ দিয়ে পানি সরাবরাহের পাইপ থাকলে বেড়িবাঁধ টেকসই সম্ভব হবে না। কোনো পাইপ ছাড়াই বাঁধ নির্মাণ করতে হবে।

গ্রেফতার আতঙ্কে হাসপাতাল ছেড়ে পালাচ্ছে রোগীরা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে চলা আন্দোলনকে ঘিরে সহিংসতার ঘটনায় আহত দুই শতাধিক রোগী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তবে গ্রেফতার আতঙ্কে অনেকেই কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে নীরবে হাসপাতাল ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছেন। ফলে হাসপাতালের খাতায় নাম থাকলেও বেডে রোগী নেই।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) বেলা ১১টার থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে এ তথ্য জানা গেছে।

রোগীর স্বজনরা বলছেন, সহিংসতায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত রোগীদের তথ্য সংগ্রহ করছে পুলিশ। রোগী ও তাদের স্বজনদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেকেই হাসপাতাল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন।

এদিকে প্রতিটি ওয়ার্ডে প্রবেশেও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। রোগীর স্বজন ছাড়া কাউকে ওয়ার্ডে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা বলছেন, কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা রয়েছে রোগীর স্বজন ছাড়া কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

রোগীর স্বজন ছদ্মবেশে ১০১ নম্বর ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, অন্তত ১৫ জন রোগী গুলিবিদ্ধ হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। যার মধ্যে বেশ কয়েকজন শিশু ও কিশোর রয়েছে। ওয়ার্ডের ফ্লোরে চিকিৎসা নিচ্ছেন রামপুরা আইডিয়াল স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী ও রামপুরের উলোন এলাকার বাসিন্দা কামরুল ইসলামের ছেলে আরিফুল ইসলাম। বন্ধুদের সঙ্গে খেলা শেষে বাসায় ফেরার পথে রামপুরা এলাকায় ডান পায়ে গুলি লাগে। পরবর্তীতে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

রাজধানীর রায়েরবাগ ও নরসিংদীতে সহিংসতার ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় আজ ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন- রায়েরবাগ এলাকার বাসিন্দা নির্মাণ শ্রমিক জাকির হোসেন (২৯)। তিনি পটুয়াখালীর দশমিনা এলাকার আব্দুল মান্নানের ছেলে। গত ২১ জুলাই গুলিবিদ্ধ হয়ে ঢামেকে ভর্তি হন। গতকাল রাত ১২টার পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

বুধবার ভোর রাতে মৃত্যু হয়েছে ময়মনসিংহের নান্দাইল এলাকার শহিদুল ইসলামের ছেলে মো. জামান (১৭)। তিনি গত ২১ জুলাই নরসিংদীতে সহিংসতার ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে ঢামেকে ভর্তি হন। পেশায় গার্মেন্টস শ্রমিক জামানের শরীরে একাধিক গুলির চিহ্ন রয়েছে।

ঢামেকে ভর্তি ও মৃত্যুর বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ঢামেকের বিভিন্ন ওয়ার্ডে এখন পর্যন্ত ২৭৮ জন ভর্তি রয়েছে। গত কয়েক দিনে মৃতুর সংখ্যা ৭৯ জন।

আহত ও নিহতদের পেশাগত পরিচয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই ধরনের তথ্য এখন দেওয়া যাবে না। আমরা এখন রোগীদের সেবা দিতে কাজ করছি।

;

ট্রেন চলাচল কবে সিদ্ধান্ত হয়নি এখনো: রেলের ডিজি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ট্রেন

ট্রেন

  • Font increase
  • Font Decrease

এক সপ্তাহ ধরে বন্ধ থাকা ট্রেন কবে থেকে চলবে সেই সিদ্ধান্ত এখনো নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) সরদার সাহাদাত আলী।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, রেল সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে নিরাপত্তার বিষয় মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে কবে থেকে ট্রেন চলবে ।

রেলের ডিজি বলেন, ট্রেন চলাচলের বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। ট্রেন চালানো কোনো বিষয় না, বিষয় হচ্ছে নিরাপত্তা। সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে মন্ত্রী, সচিব এবং সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে কবে থেকে ট্রেন চলবে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার আনোয়ার হোসেন জানান, স্বল্প দূরত্বে কিছু ট্রেন আজ বৃহস্পতিবার থেকে চলাচলের কথা থাকলেও সেই সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে এসেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আন্তঃনগরসহ সব ধরনের ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে বলেও জানান তিনি।

;

ড্রাইভিং লাইসেন্সকে ‘কারফিউ পাস’ হিসেবে দেখতে ডিসির নির্দেশ



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম ব্যুরো
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

কারফিউ চলার সময়ে পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা যাতে নির্বিঘ্ন থাকে সেজন্য চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্সকে কারফিউ পাস হিসেবে দেখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক (ডিসি) আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান। তিনি এ সময় জেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় চট্টগ্রাম বন্দর ও চট্টগ্রাম-ঢাকা মহাসড়ক পণ্য পরিবহণের জন্য নিরাপদ বলেও চালকদের আশ্বাস দেন।

বুধবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বিভিন্ন পণ্য পরিবহণ সমিতির নেতাদের সঙ্গে আয়োজিত সভায় সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক এসব কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, ‘দেশের স্বাভাবিক অবস্থা দ্রুত ফিরিয়ে আনতে জেলা প্রশাসন বদ্ধ পরিকর। ৩০ হাজার শ্রমিক নিয়ে কোরিয়ার ইপিজেড, আড়াই লাখ শ্রমিক নিয়ে কর্ণফুলী ও চট্টগ্রাম ইপিজেড ইতোমধ্যে চালু হয়ে গেছে। এ জেলায় ৫০০ গার্মেন্টেসের প্রায় সবগুলোই উৎপাদনে চলে গেছে।’

সভায় বিভিন্ন পণ্য পরিবহণ সমিতির প্রতিনিধিরা ড্রাইভারসহ পণ্য পরিবহণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকেরা কারফিউ চলাকালীন সময়ে চলাচলের ব্যাপারটি উল্লেখ করলে জেলা প্রশাসক তাদের পরিচয় পত্র কিংবা ড্রাইভিং লাইসেন্সকে কারফিউ পাস হিসেবে বিবেচনা করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশনা দেন। একইসঙ্গে যানবাহনের প্রাথমিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে শ্রমিক ও ড্রাইভারসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে সচেতন থাকার পরামর্শও দেন ডিসি।

জেলা প্রশাসক আরও বলেন, মহাসড়কে অধিকতর নিরনাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনে বিভিন্ন জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে সমন্বয় সেল গঠন করা হবে। পণ্য পরিবহণের ড্রাইভারদের জন্য মহাসড়কে সীমিত আকাওে খাবার হোটেল চালু রাখার ব্যাপারেও উদ্যোগ নেবেন বলে জানান তিনি।

সভায় উপস্থিত জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) একেএম গোলাম মোর্শেদ খান নিরাপত্তা নিশ্চিতে একাধিক ট্রাক একসঙ্গে কনভয় আকারে চলাচল করার পরামর্শ দেন। একইসঙ্গে যে কোন প্রয়োজনে জেলা প্রশাসনের কন্ট্রোল রুমে (০২-৪১৩৬০৬০৪) যোগাযোগের পরামর্শ দেন তিনি।

সভায় পরিবহন সমিতির নেতাদের পাশাপাশি বিভিন্ন বাহিনী ও সরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

;

সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মৌসুমী বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের উপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। ফলে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) আবহাওয়া অফিসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায়, ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের দু’-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রামে বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

ঢাকায় বাতাসের গতি ও দিক সম্পর্কে বলা হয়েছে, আজ দেশের দক্ষিণ অথবা দক্ষিণপূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে।

আজ সকাল ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯৩ শতাংশ। গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল তেঁতুলিয়া ও শ্রীমঙ্গলে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বান্দরবানে ২৫ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

;