আশুগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ীর ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে মাদক কেনাবেচা নিয়ে মাদক ব্যবসায়ী মো. রুবেলের ছুরির আঘাতে হৃদয় খান (২৬) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) সকালে আশুগঞ্জ উপজেলার যাত্রাপুর গ্রামের রানী পুকুরের পাড়ে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ঘাতক রুবেলকে আটক করেছে পুলিশ।

নিহত হৃদয় খান যাত্রাপুর গ্রামের ইমানদির বাড়ির জসীম খানের ছেলে। ঘাতক রুবেল এই গ্রামের রানী পুকুর পাড়ের মৃত আব্দুর রহিমের ছেলে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে মাদক নেয়ার জন্য রুবেলের বাড়িতে যায় হৃদয়। সেখানে মাদকের টাকা দেয়া নেয়া নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হলে একপর্যায়ে রুবেল হৃদয়কে ছুরিকাঘাত করে। এসময় হৃদয় চিৎকার করে মাটিতে লুটিয়ে পরে। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত হৃদয়কে উদ্ধার করে প্রথমে আশুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় প্রেরণ করেন। ঢাকা নেওয়ার পথে গুরুতর আহত হৃদয়ের মৃত্যু হয়।

এব্যাপারে নিহতের পিতা মো. জসিম উদ্দিন বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে আমার ছেলে হৃদয়কে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় রুবেল। কিছুক্ষণ পরে আমার মেয়ের জামাইয়ের ফোনে জানতে পারি আমার ছেলে রক্তাক্ত অবস্থায় উপজেলা হাসপাতালে। পরে ঢাকা নিয়ে পথে হৃদয় মারা যায়।

তিনি বলেন, আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তিনি।

এদিকে ঘাতক রুবেলের মা লালু বেগম জানান, বাড়ির উঠানেই হৃদয়ের সঙ্গে রুবেলের হাতাহাতির এক পর্যায়ে রুবেল হৃদয়কে ছুরিকাঘাত করে। আমার এই ছেলে মাদকাসক্ত, তার অত্যাচারে আমার পরিবারটি ধ্বংস হয়ে গেছে। এ ব্যাপারে বার বার পুলিশকে বলেও এর কোনো প্রতিকার পায়নি। তার জন্য আমার স্বামী স্ট্রোক করে মারা গেছেন। আমি নিজে স্ট্রোক করে চিকিৎসাধীন আছি। সে যেন জেল থেকে বেরিয়ে আসতে না পারে। নিজের ছেলের কঠিন শাস্তি দাবি করেন মা লালু বেগম।

আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাহিদ আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সকালে মাদক কেনাবেচা নিয়ে রুবেল ও হৃদয়ের কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে মাদক ব্যবসায়ী রুবেল তার কাছে থাকা ছুরি দিয়ে হৃদয়কে একাধিক আঘাত করে। এসময় হৃদয় লুটিয়ে পড়লে রুবেল পালিয়ে যায়।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘাতক রুবেলকে আটক করা হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রবাস ফেরত নারীর স্বামীর রহস্যজনক মৃত্যু, থানায় হত্যার অভিযোগ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, গাইবান্ধা
প্রবাস ফেরত নারীর স্বামীর রহস্যজনক মৃত্যু

প্রবাস ফেরত নারীর স্বামীর রহস্যজনক মৃত্যু

  • Font increase
  • Font Decrease

গাইবান্ধায় সুইটি বেগম (৩৪) নামের এক প্রবাস ফেরত নারীর স্বামীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। সুইটি বেগম বিদেশ থেকে ফেরার ১০ দিনের মাথায় এই রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

শনিবার (১৩ জুলাই) দুপুরে এ ঘটনায় স্ত্রী সুইটি বেগমসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে সদর থানায় একটি হত্যার অভিযোগ দায়ের করেছেন নিহতের ছোট ভাই মোকছেদুল মিয়া।

এরআগে, একইদিন সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের মেঘডুমুর গ্রাম থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে সদর থানা পুলিশ।

৩৮ বছর বয়সী নিহত ওই স্বামীর নাম মুকুল মিয়া। রিকশাচালক মুকুল ওই এলাকার গাবুর আলীর ছেলে। অভিযুক্ত স্ত্রী সুইটি বেগম একই এলাকার আব্দুল আজিজের মেয়ে।

অভিযুক্ত নামীয় অপর তিনজন হলেন, সুইটি বেগমের মা মমেনা বেগম (৫৮) ও তার দুই ভাই মাজেদ মিয়া (৩২) এবং মাহাবুব মিয়া (২৫)।

থানায় দায়ের করা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রায় ২০ বছর পূর্বে সুইটি বেগমের সঙ্গে নিহত মুকুল মিয়ার প্রেমের সম্পর্কের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই মুকুল শ্বশুর বাড়িতে থাকেন। রিকশাচালক মুকুল পরে জমি ক্রয় করে ছেলে মেয়েসহ বসবাস করতে থাকেন। এরও কিছুদিন পর সুইটি বেগম জোর করেই বিদেশ যান। বিদেশ যাওয়ার পর থেকেই স্বামী মুকুলের সঙ্গে মোবাইলে ঝগড়া হয়ে সম্পর্কের অবনতি করতে থাকেন সুইটি বেগম।

একপর্যায়ে ঘটনার ১০ দিন পূর্বে ওমান থেকে দেশে আসেন সুইটি। এসে স্বামী মুকুলের সাথে সংসার করবে না মর্মে জানিয়ে তার বাবার বাড়িতে থাকতে শুরু করেন এবং স্বামী মুকুলের সঙ্গে সব ধরণের সম্পর্ক বন্ধ করে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির সঙ্গে পরকীয়ায় জড়ায়।

শনিবার সকাল ছয়টার দিকে মুকুল গলায় ফাঁস দিয়েছে বলে খবর পায় নিহতের পরিবার। কিন্তু ওই বাড়িতে গিয়ে মরদেহ মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন তারা। মৃত্যুর কারণ পরিবারের কাছে সন্দেহজনক বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। পরে নিহতের ছোট ভাই সুইটি বেগম ও তার মা এবং দুই ভাইকে অভিযুক্ত করে সদর থানায় একটি হত্যার অভিযোগ দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ রানা মোবাইল ফোনে বার্তা২৪.কমকে বলেন, ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশি তদন্ত ও ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

;

নোয়াখালীতে নৈশ প্রহরীকে বেঁধে ১১ দোকানে ডাকাতি



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
ছবি: বার্তা ২৪

ছবি: বার্তা ২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় নৈশ প্রহরীকে উলঙ্গ করে বেঁধে ১১ দোকানে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এসময় ডাকাত দল একটি কাপড় দোকান থেকে নগদ ২ লক্ষ টাকাসহ ১৫ লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

শনিবার (১৩ জুলাই) দুপুরের দিকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন এওজবালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. বেলাল হোসেন। এর আগে, শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নের খাসেরহাট বাজারে এই ঘটনা ঘটে।

ডাকাতি হওয়া দোকানের মধ্যে রয়েছে কাপড় দোকান, ওষুধ দোকান, মেশিনারী দোকানসহ অন্তত ১১টি দোকান।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীদের বরাত দিয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান আরও বলেন, শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা থেকে আড়াইটার মধ্যে দুটি মোটরসাইকেল ও সিএনজি চালিত অটোরিকশা যোগে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ৮-১০ জন ডাকাত খাসেরহাট বাজারে আসে। ওই সময় প্রথমে তারা বাজারে থাকা নৈশ প্রহরী চৌধুরী মিয়ার কাছে একটি জায়গার ঠিকানা জানতে চায়। পরবর্তীতে ডাকাতদলের সদস্যরা নৈশ প্রহরীকে উলঙ্গ করে সড়কের পাশে থাকা পিলারের সাথে বেঁধে রাখে। এরপর তারা ১১টি দোকান থেকে নগদ ২ লক্ষ টাকা, একটি মোটরসাইকেলসহ ১৫ লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে নৈশ প্রহরীকে ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে। ডাকাত দলের সদস্যরা সবাই কম বয়সী ছিল।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

;

৫০ শয্যার হাসপাতালগুলো ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নীলফামারী
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন

  • Font increase
  • Font Decrease

পর্যায়ক্রমে সারা দেশের ৫০ শয্যার হাসপাতালকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

শনিবার (১৩ জুলাই) সকালে নীলফামারীর সংগলশী ইউনিয়নের দীঘলডাঙ্গিতে সঞ্জীব-মালতী কমিউনিটি ক্লিনিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, নীলফামারী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জমি অধিগ্রহণ সমস্যার সমাধান হয়েছে। খুব শিগগিরই অন্যান্য সমস্যার সমাধান করা হবে।

নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য সিদ্দিকুল আলম, স্বাস্থ্য সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. আবুল বাসার মো. খুরশীদ আলম, জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মনোজ কুমার রায়, রংপুর স্বাস্থ্য বিভাগীয় পরিচালক ডা. এ.বি.এম. আবু হানিফ, সিভিল সার্জন ডা. হাসিবুর রহমান, পুলিশ সুপার মোকবুল হোসেন, নীলফামারী পৌরসভার মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু হেনা মোস্তফা কামালসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

;

কোটা আন্দোলনে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর, শাহবাগ থানায় মামলা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা ২৪

ছবি: বার্তা ২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে রাজধানীর শাহবাগে পুলিশের যানবাহন ভাঙচুর, পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা এবং মারধরের ঘটনায় শাহবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের পরিবহন বিভাগের গাড়িচালক খলিলুর রহমান।

শনিবার (১৩ জুলাই) বার্তা২৪.কমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের রমনা বিভাগের অতি. উপ-পুলিশ কমিশনার (রমনা জোন) শাহ্ আলম মো. আখতারুল ইসলাম।

এর আগে গতকাল শুক্রবার (১২ জুলাই) রাতে খলিলুর রহমান বাদী হয়ে রাজধানীর শাহবাগ থানায় এ মামলা করেন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের রমনা বিভাগের অতি. উপ-পুলিশ কমিশনার (রমনা জোন) শাহ্ আলম মো. আখতারুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে বলেন, গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় অজ্ঞাতনামা একটি মামলা হয়েছে।

তিনি বলেন, আন্দোলনে আমাদের একটি গাড়ি ভাঙচুর করেছে। মামলা না করলে গাড়ি রিপেয়ার করতে পারছিনা। সাজোয়া যান ভাঙচুরের ঘটনায় অজ্ঞাতনামা একটি ভাঙচুরের মামলা করা হয়েছে।

;