পাহাড়ি সড়কে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনায় আহত ২০



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, খাগড়াছড়ি
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

খাগড়াছড়িতে পাহাড়ি সড়কে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সাথে ধাক্কা লেগে ২০ যাত্রী আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৭ জুন) রাত ৯টার দিকে খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার হাতিমুড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে চট্টগ্রাম থেকে খাগড়াছড়ি সদরের দিকে যাচ্ছিল শান্তি পরিবহনের বাসটি। গুইমারা উপজেলার হাতিমুড়ার পাহাড়ি সড়কে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে বাসে থাকা অধিকাংশ যাত্রী আহত হন। খবর পেয়ে হতাহতদের উদ্ধার করে মানিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে।

গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ আমিন জানান, দুর্ঘটনার পরপর পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা স্থানীয়দের সহায়তা বাসে থাকা যাত্রীদের উদ্ধার করে। ১৫-২০ জনের মতো যাত্রীকে চিকিৎসার জন্য মানিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। আহতদের মধ্যে ৫-৭ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

সন্ত্রাসীরা যেন ঢাকা ছাড়তে না পারে, সে পরিকল্পনা করছে ডিএমপি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত, ঢাকা  মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)

ছবি: সংগৃহীত, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার (অপারেশন) বিপ্লব কুমার সরকার বলেছেন, সরকারি চাকরিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় যারা সহিংসতা করেছে, তারা যেন ঢাকা শহর না ছাড়তে পারে, সেই লক্ষ্যে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) পরিকল্পনা করছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে ডিএমপি সদর দফতরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের কাছে এ মন্তব্য করেন তিনি।

বিপ্লব কুমার বলেন, আমরা অত্যন্ত ক্ষোভ ও দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে চাই, দেশে উন্নয়নের যে জোয়ার প্রধানমন্ত্রী সৃষ্টি করেছেন, এই সন্ত্রাসী চক্র কিন্তু বেছে বেছে সেগুলোতে হামলা করেছে। ‘সেতু ভবন’-এ হামলা করেছে সন্ত্রাসীরা।

মেট্রোরেল প্রকল্পের মূল সেন্টার সেতু ভবন ও পদ্মাসেতুরও মূল সেন্টারও সেতু ভবন। প্রধানমন্ত্রী যে উন্নয়ন করেছেন দেশে, সেই উন্নয়নের যাত্রাকে ব্যাহত করার জন্য, যেখানে থেকে উন্নয়নের কার্যক্রমগুলো পরিচালনা করা হচ্ছে, সেগুলোকে বেছে বেছে সন্ত্রাসীরা হামলা করেছে। সমস্ত নথিপত্র তারা পুড়িয়ে দিয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এ জন্য জামাত ও বিএনপি চক্রকে ধরার জন্য যত ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সেটাই করবে। সন্ত্রাসীদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনার জন্য ডিএমপি কাজ করছে।

এই কাজ আরো বেগবান করা হবে। আমরা আরো পরিকল্পনা করছি যেন এই ধরনের সন্ত্রাসীরা ঢাকা না ছাড়তে পারে। ঢাকার ভেতরে যারাই থাকুক না কেন, তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে ডিএমপি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

আরো কতসংখ্যক লোকজন ঢাকায় আছে বলে সন্দেহ করছে ডিএমপি, নিরাপত্তার কোনো হুমকি আছে কি না জানতে চাইলে ডিএমপির এই যুগ্ম কমিশনার বলেন, গত দুই, তিনদিন যাবত সন্ত্রাসীরা গা ঢাকা দিয়ে আছে। আমাদের কিন্তু ‘ব্লকড রেইড’ চলমান রয়েছে।

‘ব্লকড রেইড’ ছাড়াও ঢাকায় দিন-রাত পুলিশের অপারেশন চলমান। সন্ত্রাসীরা গা ঢাকা দিয়ে যেখানেই থাকুক, পুলিশ সদস্যকে হত্যা করে কক্সবাজার কিংবা পঞ্চগড়ে পালিয়ে যাক, বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্তে পালিয়ে যাক না কেন, আমরা তাদের গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করবো। পুলিশের পোশাকের ওপর আঘাত করা মানে আইজিপি স্যারের ওপর আঘাত করা! কমিশনার স্যারের ওপর আঘাত করা! যারা পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা করেছে, তাদের এই ‘কালো হাত’ আইনগতভাবে ভেঙে দেওয়া হবে।

;

শাফিন আহমেদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
শাফিন আহমেদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

শাফিন আহমেদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

  • Font increase
  • Font Decrease

জনপ্রিয় ব্যান্ড তারকা শাফিন আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইংয়ের এক বার্তায় শোক প্রকাশ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

উল্লেখ্য, শাফিন আহমেদ কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী ফিরোজা বেগমের পুত্র। 

উল্লেখ্য, শাফিন আহমেদের মা নজরুলসংগীতের মহাতারকা ফিরোজা বেগম এবং বাবা সুরকার কমল দাশগুপ্ত। এই পরিবারে জন্ম নেওয়ার সুবাদে শাফিন ছোটবেলা থেকেই গানের মধ্যে বড় হয়েছেন। বাবার কাছে যেমন উচ্চাঙ্গ সংগীত মাঝে মাঝে শিখেছেন তেমনি মার কাছে শিখেছেন নজরুলসংগীত। এরপর বিদেশে পড়াশোনার কারণে পাশ্চাত্যর সংস্পর্শে এসে তার ব্যান্ড সংগীতের শুরু।

১৯৭৯ সালে বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘মাইলস’ গঠিত হওয়ার কিছুদিন পর এতে যুক্ত হন শাফিন ও হামিন। এরপর বাংলাদেশের অসংখ্য শ্রোতানন্দিত গান উপহার দিয়েছেন তারা। ব্যান্ডের বাইরেও শাফিনের জনপ্রিয় অসংখ্য গান রয়েছে।

;

স্বস্তির মেট্রোরেল যেন ধ্বংসস্তুপ



গুলশান জাহান সারিকা, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সকাল হলেই যেখানে হাজার হাজার মানুষের আনাগোনায় মুখর থাকতো স্থানটি, সেটিই এখন নিস্তবদ্ধতায় পরিপূর্ণ। অফিস আওয়ারে লম্বা লাইন অতিক্রম করে কর্মব্যস্ত মানুষের এখন আর মেট্রোতে চেপে বসার কোনো তাড়া নেই। সব প্লাটফর্মগুলো ফাঁকা দাঁড়িয়ে। পরিবেশটা দেখলে মনে হবে যেন রাজ্যের সব নীরবতা ভর করেছে স্টেশনগুলোতে। অথচ গত কয়েকদিন আগেও স্থানটি ছিল মানুষের পদচারণায় মুখরিত। এক নিমিষেই আজ সব থমকে গেছে। রাজধানীবাসীর কাছে এক টুকরো আবেগের স্থানটি পরিণত হয়েছে ধ্বংসস্তুপে। যার হিসেব হয়তো বহুদিন বয়ে বেড়াতে হবে এই নগরীর বাসিন্দাদের।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) সকালে সরেজমিনে রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বরে অবস্থিত মেট্রোস্টেশনের ক্ষত-বিক্ষত চেহারাই জানান দিচ্ছে কতটা আঘাত সইতে হয়েছে স্টেশনটিকে।

সিড়ি দিয়ে উঠতে গিয়েই দেখা যায় এদিক-সেদিক ভাঙা কাচের টুকরো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। প্রায় প্রতিটি জানালার কাঁচ ভাঙা। হঠাৎ দেখলে মনে হবে যেন কোন বড় মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে অথবা ক্রেন বুলডোজার দিয়ে ভাঙা হয়েছে স্থাপনা। যে স্বয়ংক্রিয় টিকিট কাউন্টারগুলোচতে প্রতিদিন লম্বা লাইন ধরে মানুষ টিকিট নিতো সেই টিকিট বুথগুলোর স্ক্রিন ভেঙে টুকরো টুকরো করা হয়েছে। টিকিট ভেন্ডিং মেশিন, পেসেঞ্জার পাস গেটগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছে। ফায়ারবক্স থেকে শুরু করে টিকিট মাস্টারের ঘরের কম্পিউটার, ভিতরের এসি, ফ্যান, লাইট, সিসিটিভি ক্যামেরা, টিকিট বুথ, চেয়ার, টেবিল, ফ্যান, স্টেশন ক্লক ভাঙচুরের চিত্র নির্মম আঘাতের সাক্ষ্য দিচ্ছে।


স্টেশনের দ্বিতীয় তলায়ও একই অবস্থা। টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেম থেকে শুরু করে সব প্রকার নেটওয়ার্ক ডিভাইস, সিকিউরিটি এক্সেস কন্ট্রোল সিস্টেম, ইলেকট্রনিকাল, ম্যাকানিকাল সিস্টেম, এন্ট্রি-এক্সিট দরজা কিছুই বাদ যায়নি এই নারকীয় তাণ্ডব থেকে।

স্বস্তির মেট্রোর এমন অবস্থা দেখে কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে কর্মজীবী মানুষের।

আক্ষেপের সুরে স্টেশনের নিচে দাঁড়িয়ে অপেক্ষারত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, আমার অফিস কাওরানবাজার। আমার মেয়ে হলিক্রসে পড়ার কারণে আমরা মেট্রোরেল চালু হওয়ার পর থেকে এতে নিয়মিত যাতায়াত করি। কিন্তু এখন এমন পরিস্থিতিতে যাতায়াতে কষ্ট হয়ে গেছে। ১০ মিনিটের রাস্তা এখন ২ থেকে ৩ ঘণ্টা লাগবে।


মেট্রোরেলের নিয়মিত যাত্রী লাবন্য বলেন, মেয়েদের জন্য পুরো সেইফ একটা জার্নি ছিল মেট্রোরেল। কোন ঝামেলা ছিল না। সঠিক সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো যেত। কিন্তু এখন সেই আবার আগের মত পাব্লিক বাসে যেতে হবে। এখন আশা করছি যতদ্রুত সম্ভব এটা ঠিক হোক।

উল্লেখ্য, গত ১৮ জুলাই শিক্ষার্থীদের ডাকা ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির মধ্যে মেট্রোর লাইনের নিচে মিরপুর-১০ গোলচত্বরে ফুটওভার ব্রিজে পুলিশ বক্সে আগুন দেওয়া হয়। সেই আগুনের মধ্য দিয়েই একটি ট্রেন ছুটে যায়। পরে চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

পরদিন সন্ধ্যায় মিরপুর-১০ ও কাজীপাড়া স্টেশনে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় দুর্বৃত্তরা। টিকেট ভেন্ডিং মেশিন, মূল স্টেশনে যাত্রী প্রবেশের পাঞ্চ মেশিনসহ সব কিছু ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।


একই দিনে পল্লবী ও ১১ নম্বর স্টেশনেও হামলা হয়। সেখানেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ক্ষতি হয়েছে।

এর প্রেক্ষিতে ২০ জুলাই মিরপুর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি ও ২২ জুলাই একটি কেইস ফাইল করেছে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ। 

;

গ্রেফতার আতঙ্কে হাসপাতাল ছেড়ে পালাচ্ছে রোগীরা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে চলা আন্দোলনকে ঘিরে সহিংসতার ঘটনায় আহত দুই শতাধিক রোগী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তবে গ্রেফতার আতঙ্কে অনেকেই কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে নীরবে হাসপাতাল ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছেন। ফলে হাসপাতালের খাতায় নাম থাকলেও বেডে রোগী নেই।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) বেলা ১১টার থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে এ তথ্য জানা গেছে।

রোগীর স্বজনরা বলছেন, সহিংসতায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত রোগীদের তথ্য সংগ্রহ করছে পুলিশ। রোগী ও তাদের স্বজনদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেকেই হাসপাতাল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন।

এদিকে প্রতিটি ওয়ার্ডে প্রবেশেও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। রোগীর স্বজন ছাড়া কাউকে ওয়ার্ডে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা বলছেন, কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা রয়েছে রোগীর স্বজন ছাড়া কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

রোগীর স্বজন ছদ্মবেশে ১০১ নম্বর ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, অন্তত ১৫ জন রোগী গুলিবিদ্ধ হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। যার মধ্যে বেশ কয়েকজন শিশু ও কিশোর রয়েছে। ওয়ার্ডের ফ্লোরে চিকিৎসা নিচ্ছেন রামপুরা আইডিয়াল স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী ও রামপুরের উলোন এলাকার বাসিন্দা কামরুল ইসলামের ছেলে আরিফুল ইসলাম। বন্ধুদের সঙ্গে খেলা শেষে বাসায় ফেরার পথে রামপুরা এলাকায় ডান পায়ে গুলি লাগে। পরবর্তীতে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

রাজধানীর রায়েরবাগ ও নরসিংদীতে সহিংসতার ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় আজ ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন- রায়েরবাগ এলাকার বাসিন্দা নির্মাণ শ্রমিক জাকির হোসেন (২৯)। তিনি পটুয়াখালীর দশমিনা এলাকার আব্দুল মান্নানের ছেলে। গত ২১ জুলাই গুলিবিদ্ধ হয়ে ঢামেকে ভর্তি হন। গতকাল রাত ১২টার পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

বুধবার ভোর রাতে মৃত্যু হয়েছে ময়মনসিংহের নান্দাইল এলাকার শহিদুল ইসলামের ছেলে মো. জামান (১৭)। তিনি গত ২১ জুলাই নরসিংদীতে সহিংসতার ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে ঢামেকে ভর্তি হন। পেশায় গার্মেন্টস শ্রমিক জামানের শরীরে একাধিক গুলির চিহ্ন রয়েছে।

ঢামেকে ভর্তি ও মৃত্যুর বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ঢামেকের বিভিন্ন ওয়ার্ডে এখন পর্যন্ত ২৭৮ জন ভর্তি রয়েছে। গত কয়েক দিনে মৃতুর সংখ্যা ৭৯ জন।

আহত ও নিহতদের পেশাগত পরিচয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই ধরনের তথ্য এখন দেওয়া যাবে না। আমরা এখন রোগীদের সেবা দিতে কাজ করছি।

;