ফরিদপুর মেডিকেল: জনবলের অভাবে ব্যাহত কার্যক্রম, ব্যাহত চিকিৎসাসেবা



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল/ছবি: সংগৃহীত

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল/ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ছয় মাস ধরে জিহ্বার ঘা সমস্যায় ভোগার পর প্রত্যন্ত পল্লী থেকে চিকিৎসা নিতে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে এসে নুরু মিয়া জানতে পারেন, তার ক্যান্সার হয়েছে। চিকিৎসক তাকে রেডিওথেরাপি নেওয়ার পরামর্শ দিলেও হাসপাতালটিতে ব্যবস্থা না থাকায় অন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, চিকিৎসার জন্য দুই থেকে তিন মাস অপেক্ষা করতে হবে। বেসরকারি হাসপাতালে থেরাপি নেওয়ার মত আর্থিক সংগতি না থাকায় দুঃখ নিয়ে নুরু মিয়া ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল ছাড়েন।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দরিদ্র নুরু মিয়ার চিকিৎসা সংক্রান্ত অনাকাঙ্ক্ষিত এই ঘটনাটি ওঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালে স্থাপিত হাসপাতালটির জন্য রেডিওথেরাপি সেবা দিতে Liner Accelerator কেনা হলেও জনবলের অভাবে এখনও চালু করা যায়নি। রেডিওথেরাপির জন্য প্রায় ১৫ কোটি টাকায় কেনা যন্ত্রপাতি দুইটি কাঠের বাক্সে বন্দি অবস্থায় পেয়েছে আইএমইডি।

সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে প্রকল্পের মাধ্যমে স্থাপিত নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) জন্য সকল অত্যাধুনিক আর্টিফিশিয়াল রেসপিরেটরি ভেন্টিলেটর (এআরভি) মেশিন জনবলের অভাবে চালু করা সম্ভব হয়নি। রেডিওথেরাপির Liner Accelerator ছাড়াও এনজিওগ্রাম করার জন্য catheterization laboratory এখনও স্থাপন করা হয়নি।

ক্রয়কৃত একাধিক যন্ত্রপাতি এখনো স্থাপন না করার ফলে আগত রোগীদের পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাসেবা প্রদান সম্ভব হচ্ছে না বলেও জানিয়েছে আইএমইডি।

২০১৩ সালের ডিসেম্বরে কাজ শেষ করতে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন প্রকল্পটির বাস্তবায়ন শুরু হয় ২০১১ সালের জুলাইয়ে। পাঁচ দফায় মেয়াদ বৃদ্ধি শেষে প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শেষ হয়েছে ২০১৮ সালের জুনে। আড়াই বছরের প্রকল্প সাত বছরে বাস্তবায়ন করতে গিয়ে প্রাথমিক বরাদ্দের ৫১ শতাংশ বেশি অর্থ ব্যয় করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। ৩১৪.৮২ কোটি টাকায় কাজটি শেষ করার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত ৪৭৩.৯৩ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে।

সম্প্রতি বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সমাপ্ত প্রকল্পটির প্রভাব মূল্যায়ন প্রতিবেদন তৈরি করেছে আইএমইডি। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন প্রকল্পে বাজার মূল্যের কয়েক গুণ বেশি দামে যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছে। কেনাকাটায় বিপুল আগ্রহ দেখানো হলেও যন্ত্রপাতি পরিচালনা, জনবল নিয়োগ, চিকিৎসক নিয়োগ ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় উদ্যোগের ঘাটতি রয়েছে বলে দাবি করেছে আইএমইডি।

বাজারমূল্যের বেশি দামে কেনাকাটা করতে প্রকল্পটিতে সরকারি ক্রয় আইন লঙ্ঘনসহ দুর্নীতির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে আইএমইডি।

প্রায় ৪৭ কোটি টাকা ব্যয়ে সংশ্লিষ্ট সাতটি অডিট আপত্তিও নিষ্পত্তি করা হয়নি। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে বিভিন্ন ধরনের অসঙ্গতি তুলে ধরে আইএমইডি বলেছে, প্রবাসী কল্যাণ ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রীর মৌখিক নির্দেশে প্রকল্পটির কাজ করা হয়েছে। প্রকল্পের সর্বশেষ সংশোধনীর দলিলসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ দলিল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে নেই বলেও জানিয়েছে আইএমইডি।

প্রকল্পের পটভূমি:

দেশে মেডিকেল শিক্ষার প্রসারে ১৯৯১-৯২ অর্থ বছরে নতুন ৫টি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়ে প্রতিটি মেডিকেল কলেজে ৫০ জন করে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এই ঘোষণার আওতায় ফরিদপুরের Medical Assistant Training School (MATS) এর কার্যক্রম বন্ধ করে উক্ত স্থানে মেডিকেল কলেজের কার্যক্রম শুরু করা হয়। ১৯৯৪ সাল হতে শুরু হওয়া ২৫০ শয্যার হাসপাতাল মেডিকেল কলেজের জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছিল।

২০০৮-০৯ বছরে MATS এর কার্যক্রম পুনরায় শুরু হলে মেডিকেল কলেজের জন্য পৃথক একাডেমিক ভবন এবং ছাত্র-ছাত্রীদের আবাসিক ব্যবস্থার অভাব প্রকট হয়। এছাড়া ২০০৫-০৬ অর্থ বছরের ছাত্রছাত্রী ভর্তি সংখ্যা ১০০ করায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের সংখ্যাও বৃদ্ধির প্রয়োজন দেখা দেয়। এ সকল বিবেচনায় নিয়ে সরকার ২০১১ সালে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ এবং ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল স্থাপনের লক্ষ্যে বিবেচ্য প্রকল্পটি গ্রহণ করে।

উদ্দেশ্য অর্জনের পর্যালোচনা দক্ষ চিকিৎসক ও চিকিৎসা সংক্রান্ত মানবসম্পদ তৈরির পাশাপাশি স্থানীয় জনসাধারণের সাশ্রয়ী মূল্যে তুলনামূলক ভালো চিকিৎসাসেবা দেওয়ার লক্ষ্য অনেকটাই অর্জন হয়েছে বলে জানিয়েছে আইএমইডি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেডিকেল কলেজে প্রতিবছর শিক্ষার্থী ভর্তির সংখ্যা ৫০ থেকে বেড়ে ২৫০ এ উন্নীত হয়েছে। ২৫০ শয্যার হাসপাতাল ৫০০ বেডে উন্নীত হওয়ায় গত পাঁচ বছরে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৬৭% ও বহির্বিভাগে রোগীর সংখ্যা ৭২% বেড়েছে। তবে রোগীর সংখ্যা বিপুল পরিমাণে বৃদ্ধির পরেও চিকিৎসকদের ৩৩% পদ শূন্য থাকা, প্রয়োজনের তুলনায় অপারেশন থিয়েটার কম থাকায় সেবা পেতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে বলে জানিয়েছে আইএমইডি।

চিকিৎসা পেতে বাড়তি সময় লাগার কারণে যাতায়াত, অপেক্ষা ও রোগীর এটেন্ডেন্টদের আবাসনে বাড়তি অর্থ ব্যয় হচ্ছে বলেও জানিয়েছে আইএমইডি।

এখানকার অপারেশন থিয়েটারে অনেক জটিল রোগের অপারেশন করা হচ্ছে। বহির্বিভাগে দৈনিক গড়ে প্রায় ১৩০০ রোগীর ব্যবস্থাপত্র ও চিকিৎসা প্রদান করা হয়। হাসপাতালের বহির্বিভাগে ২০১৮ সালে চিকিৎসাসেবা নিয়েছিল ২ লাখ ৪১ হাজার ৬৮৮ জন এবং প্রতি বছর হাসপাতালটিতে রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, জানিয়েছে আইএমইডি।

হাসপাতালে ৩৫০টি বেড নন-পেয়িং সেবার আওতায় থাকায় অনেক গরিব রোগী নন-পেয়িং বেডের সেবা নিতে পারছেন। টেকসই পরিকল্পনা প্রকল্প সমাপ্তির পর সেবা পরিচালনার বিস্তারিত ব্যাখ্যা বা পরিকল্পনা ডিপিপি-তে উল্লেখ ছিল না বলে মনে করে আইএমইডি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকল্পটি সমাপ্ত হওয়ার পর রাজস্ব বাজেটের আওতায় পরিচালনা ও বাস্তবায়নের জন্য কী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে এ বিষয়ে ডিপিপিতে কোন উল্লেখযোগ্য দিক নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। প্রকল্পটি সমাপ্ত হওয়ার পর বর্তমানে এটি রাজস্ব বাজেটের আওতায় পরিচালনা হলেও প্রায় সকল পদেই লোকবলের ঘাটতি রয়েছে।

দায়িত্বে অবহেলা ও ক্রয় প্রক্রিয়ার অনিয়ম প্রকল্পটির আওতায় হাসপাতালের জন্য প্রকল্প দলিলে উল্লেখ করা দামের চার গুণ পর্যন্ত বেশি দামে যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইএমইডি। এতে বলা হয়েছে, অনুমোদিত ডিপিপি'র ব্যয় প্রাক্কলন ২০০৮ সালের রেট সিডিউল অনুযায়ী থাকলেও বাস্তবায়ন পর্যায়ে ২০১১ ও ২০১৪ সালের রেট সিডিউল অনুসরণে কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, কার্যাদেশ দেওয়ার সময় মূল ডিপিপিভুক্ত কিছু আইটেম বাদ রাখা, অনুমোদিত আয়তন ও পরিধি হ্রাস করা এবং নকশা পরিবর্তন করার বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেওয়া হয়নি। একাধিক পূর্ত কাজ তৎকালীন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রীর মৌখিক নির্দেশ মোতাবেক বাস্তবায়ন করা হয়েছে বলেও জানায় আইএমইডি।

অডিট আপত্তি একাধিক অডিট সম্পাদিত হলেও বেশ কিছু আপত্তি নিষ্পত্তি হয়নি বলে জানিয়েছে আইএমইডি। এমন অনিষ্পন্ন সাতটি আপত্তির সঙ্গে ৪৬.৭৪ কোটি টাকা ব্যয়ের সংশ্লেষ রয়েছে। প্রকল্প পরিচালক হিসেবে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকার চুক্তি করার ক্ষমতা থাকলেও এই প্রকল্পের পরিচালক ২০ কোটি টাকা পর্যন্ত মালামাল কেনার চুক্তি করেছেন।

তাছাড়া প্রতি সেট ৩৮.২৫ লাখ টাকা হিসাবে ১০ কোটি টাকার পর্দা কেনার অডিট আপত্তিও নিষ্পত্তি হয়নি।

নিখোঁজের ছয়দিন পর ভ্যানচালকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
মরদেহ/ছবি: সংগৃহীত

মরদেহ/ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নিখোঁজের ছয়দিন পর রংপুরের বদরগঞ্জে জঙ্গল থেকে জিকরুল হক (৪০) নামের এক ভ্যানচালকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের বটতলী নামকস্থানে একটি ইটভাটার পাশে জঙ্গলের ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও পরিবারের সূত্রে জানান, গত ৮ জুলাই সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর বাড়ি ফেরেননি জিকরুল। পরে স্বজনরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজ করেন। তার কোনো খবর পাওয়া যায়নি। শনিবার সকালে ঘাস কাটতে গিয়ে দুর্গন্ধ পেয়ে জঙ্গলে গিয়ে মরদেহ দেখতে পান এলাকাবাসী। পরে পুলিশকে জানালে জঙ্গল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

বদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু হাসান কবির জানান, সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

;

বৈষম্য দূর করার জন্যেই কোটার প্রয়োজন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাত

ছবি: তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাত

  • Font increase
  • Font Decrease

কোটাবিরোধী আন্দোলনসহ সমসাময়িক বিষয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাত বলেছেন, আপিল বিভাগের রায়ের পরে সরকারের কমিশন গঠনের সুযোগ নেই। বৈষম্য দূর করার জন্যেই কোটার প্রয়োজন।

তিনি বলেন, মেধার মূল্যায়ন করতে গিয়ে পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীকে অবহেলা করা যাবে না।

শনিবার (১৩ জুলাই) এক জরুরী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি বলেন, কোটা আন্দোলন ইস্যুতে আন্দোলনকারীরা বারবার তাদের দাবি পরিবর্তন করে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। 

বিস্তারির আসছে...

;

পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চাঁদপুর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলায় পুকুরের পানিতে ডুবে নিয়াজ আহমেদ (২) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (১৩ মে) সকালে উপজেলার বাকিলা ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামের মিজি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিয়াজ আহমেদ ওই বাড়ির জহির আহমেদের ছেলে।

পরিবার সূত্র জানায়, প্রতিদিনের মতো শিশু নিয়াজ আহমেদ নিজ বাড়ির উঠানে অন্যান্য শিশুদের সাথে খেলাধুলা করছিল। এসময় হঠাৎ বাড়ির পাশে পুকুরে পড়ে যায়। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে শিশুটিকে বাড়ির পাশে পুকুরের পানিতে ভাসতে দেখে উদ্ধার করা হয়। পরে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশু নিয়াজকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. গোলাম মাওলা নঈম জানান, হাসপাতালে আনার পূর্বেই শিশুটি মারা গেছে।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ আবদুর রশিদ জানান, কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং লিখিত আবেদনের ভিত্তিতে ময়নাতদন্ত ছাড়া মারা যাওয়া শিশুর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

;

মিঠামইন হাওরে নিখোঁজ যুবক ২৫ ঘণ্টায়ও উদ্ধার হয়নি



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কিশোরগঞ্জ
ছবি: বার্তা ২৪

ছবি: বার্তা ২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন জিরো পয়েন্টের হাওরে বন্ধুদের সঙ্গে গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে নিখোঁজ হওয়ার ২৫ ঘণ্টা পরও উদ্ধার হয়নি পর্যটক আবীর হোসেন।

এর আগে গত শুক্রবারও একজন নিখোঁজ হলে পরদিন মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন।

শনিবার (১৩ জুলাই) দুপুর ৪টা পর্যন্ত নিখোঁজ আবীরের সন্ধান মিলেনি। তবে উদ্ধার অভিযান চলছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

শুক্রবার দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম সড়কের মিঠামইন জিরোপয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ পর্যটক আবীর হোসেন ঢাকার উত্তর মুগদা পাড়ার বাসিন্দা আবদুল আলিম ও আঁখি আক্তার দম্পতির ছেলে।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার মা আখিঁ আক্তারসহ পরিবার নিয়ে কিশোরগঞ্জ হাওরাঞ্চল ঘুরতে আসেন আবীর। দুপুর ৩টার দিকে মিঠামইন জিরোপয়েন্ট এলাকায় হাওরের পানিতে গোসল করতে নামেন তারা।

এ সময় সঙ্গে থাকা একজন স্রোতে ভেসে যাওয়ার সময় তাকে সহায়তা করতে গিয়ে পানিতে তলিয়ে গিয়ে নিখোঁজ হন আবীর। পরে খবর পেয়ে কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল বিকেল ৬টায় উদ্ধার অভিযান শুরু করে। আলো স্বল্পতার কারণে রাতে বিরতি শেষে শনিবার সকাল ৮টায় দ্বিতীয় দফায় উদ্ধার শুরু করেন।

মিঠামইন ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, শনিবার দুপুরের বিরতি শেষে আবারও উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে। নিখোঁজ আবীরকে উদ্ধার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি আমরা।

;