যৌক্তিক কোটা সংস্কারের প্রত্যাশা ইবি ছাত্রলীগের



ইবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ছাত্রলীগের আয়োজনে কর্মী সভা । ছবি- বার্তা২৪.কম

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ছাত্রলীগের আয়োজনে কর্মী সভা । ছবি- বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ছাত্রলীগের আয়োজনে কর্মী সভা করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ। ‘স্মার্ট বাংলাদেশ, স্মার্ট ক্যাম্পাস’ বিনির্মাণে এবং সাংগঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে এই আয়োজন করে সংগঠনটি।

সভায় শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন সম্পর্কে শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জয় বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ শিক্ষার্থীদের কোটা বিরোধী আন্দোলন নিয়েও সংবেদনশীল। অবশ্যই যৌক্তিকভাবেই কোটা সংস্কার হবে বলে আশাবাদী ইবি শাখা ছাত্রলীগ। তবে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান থাকবে আন্দোলন যেন দুর্ভোগের কারণ না হয়।

বুধবার (১০ জুলাই) রাত ৮টায় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল সিদ্দিকী আরাফাত এবং সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জয়ের নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের টিভি রুমে এই কর্মী সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সভার সঞ্চালনায় ছিলেন শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হুসাইন মজুমদার।

 ছাত্রলীগের আয়োজনে কর্মী সভা । ছবি- বার্তা২৪.কম

এসময় বিভিন্ন হলের প্রতিনিধিত্বকারী নেতাকর্মীরা সংগঠনের কার্যক্রমে গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা মূলক বক্তব্য প্রদান করেন।

শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল সিদ্দিকী আরাফাত বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জন্মের পর থেকেই শিক্ষার্থীদের উন্নয়নে এবং শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে তাদের প্রতিকূলতা, দুর্ভোগের সময়ে নিঃস্বার্থভাবে এগিয়ে আসে। দক্ষিণ এশিয়ার সবথেকে বড় ছাত্র সংগঠন তাই তাদের কার্যক্রম দিয়ে সর্বদাই প্রশংসিত। আমরা আশাকরি শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি আদায় হবে। তবে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে শিক্ষার্থীদের আবেগকে যেনো পুঁজি করে কোনো মৌলবাদী গোষ্ঠী অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি না করতে পারে।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি রতন কুমার রায়, নাইমুল ইসলাম জয়, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান হাফিজ, শাহিন আলম ও তরিকুল ইসলাম তরুন, প্রচার সম্পাদক হিসেবে আছেন নাবিল আহমেদ ইমন,ক্রীড়া সম্পাদক বিজন কৃষ্ণ রায় সহ প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী।

 

অবৈধ অনুপ্রবেশকারী ৪ ভারতীয়ের ৯ বছর পর ঘরে ফেরা!



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বেনাপোল (যশোর)
ছবি: বার্তা ২৪

ছবি: বার্তা ২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

অবৈধ অনুপ্রবেশকারী ৪ ভারতীয়কে স্বদেশ প্রত্যাবাসন আইনে বেনাপোল চেকপোষ্ট দিয়ে ভারতে হস্তান্তর করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। ভারতের দিঘা সমুদ্র পথসহ ছাড়াও কয়েকটি সীমান্ত পথে এরা বাংলাদেশে অবৈধ অনুপ্রবেশ করেছিল।

অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে ৩ জন মৎস্যজীবী ও এক জন সাধারণ ভারতীয় নাগরিক রয়েছে।

শনিবার (১৩ জুলাই) দুপুর ২টায় বেনাপোল চেকপোষ্ট দিয়ে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার পুলিশ তাদের ভারতের পেট্রাপোল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। এসময় সেখানে বিজিবি, পুলিশ ও সীমান্তরক্ষী বিএসএফ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ফেরত যাওয়া ভারতীয় নাগরীকরা হলেন, বিহারের বিষনোপদ দিলদার, সুধির বাবু, মেদিনীপুরের শেখ জাহাঙ্গীর ও হুগলির ভানু চরন জানা।
এদের মধ্যে বিষনোপদ দিলদার, সুধির বাবু ও শেখ জাহাঙ্গীর ৩ বছর এবং ভানু চরন ৯ বছর কারাভোগ করেন।

এদিকে দীর্ঘদিন পর স্বজনদের কাছে ফিরতে পারায় খুশি এসব ভারতীয়রা। আইনি জটিলতায় তাদের দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে স্বজনদের ছেড়ে জেলে দিন পার করতে হয়েছে।

ফেরত যাওয়া ভারতীয় নাগরিকরা জানান, অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের অভিযোগে তারা আটক হয়। এখন বাড়িতে ফিরতে পেরে ভাল লাগছে।

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার মনির হক আল মামুন জানান, ৪ ভারতীয়কে স্বদেশ প্রত্যাবাসন আইনে ভারতে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তারা অবৈধভাবে বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছিল।

;

কোটা আন্দোলনে কেউ ইন্ধন দিতে পারে: ডিবি প্রধান



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের অন্য কেউ ইন্ধন দিতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তিনি বলেন, ঘটনাটি অন্যদিকে ধাবিত করার চেষ্টা চলছে।

শনিবার (১৩ জুলাই) দুপুরে মিন্টো রোডের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

হারুন অর রশীদ বলেন, কোটা শুধু বাংলাদেশে নয় অনেক দেশেই প্রচলন রয়েছে। কোটার বিরোধীতা করে কিছু লোক, কিছু শিক্ষার্থী রাস্তায় আন্দোলন করছে। ইতোমধ্যে সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি নিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের ওপর এক মাসের স্থিতাবস্থা দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। সুপ্রিম কোর্ট সবার ভরসাস্থল। আদালতের নির্দেশনা সাবার মেনে চলা উচিত।

তিনি আরও বলেন, রায়ের পরও কয়েকদিন ধরে শিক্ষার্থীরা তাদের ক্লাসে না গিয়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন সড়কে বসে সাধারণ মানুষের চলাচলে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। অনেক জায়গায় গাড়িতে তারা হাত দিচ্ছে এবং একটি মামলাও রুজু হয়েছে। কেউ যদি মনে করে আদালত মানবে না, পুলিশের কথা মানবে না; তাহলে আমাদের করার কি আছে? আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যে ক্ষমতা আমরা সেটাই করবো। কারণ আন্দোলনরতরা যদি জান-মালের ক্ষতি করে, সড়ক অবরোধ করে এবং মানুষের স্বাভাবিক চলাচল বিঘ্ন সৃষ্টি করে তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যে যৌক্তিক কাজ সেটাই করা হবে। 

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অন্য কেউ ইন্ধন দিচ্ছে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে হারুন অর রশীদ বলেন, আন্দোলনে অনুপ্রবেশকারী ঢুকেছে কি-না, ঘটনাটি অন্যদিকে ধাবিত করার চেষ্টা চলছে কি-না এসব নিয়ে ডিবির টিম ও থানা পুলিশ কাজ করছে। কেউ যদি হাইকোর্টের নির্দেশনা না মেনে আন্দোলনের নামে সড়কে নেমে অবরোধ করে গাড়িতে হামলা ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে তবে আমরা ধরে নিতে পারি অনুপ্রবেশকারীরাই এসব কাজ করছে। 

;

এরশাদের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী ১৪ জুলাই



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, ছবি: সংগৃহীত

হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী ১৪ জুলাই। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০১৯ সালের এই দিনে তিনি ইন্তেকাল করেন।

মৃত্যুর পরে দাফন নিয়েও চলে রশি টানাটানি। অবশেষে তাকে তার রংপুরের বাসভবন (পল্লী নিবাসে) দাফন করা হয়।

এরশাদ তার আত্মজীবনীতে লিখেছেন প্রথম চাকরির ইন্টারভিউ দিয়েছিলেন চট্টগ্রাম কাস্টমসে। এরপরেই সেনাবাহিনীর চাকরিতে পরীক্ষা দেন। প্রায় একই সময়ে দু’টি চাকরিতেই ডাক পড়ে। সেনাবাহিনীতে চাকরির বিষয়ে বাবার ছিল অনেক আপত্তি। অনেকটা জোর করেই সম্মতি আদায় করে নেন তিনি। ১৯৫১ সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। নানা ঘাত প্রতিঘাত পেরিয়ে সেনাপ্রধান হওয়া, সর্বশেষে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল মতান্তরে গ্রহণ করেন।

এরশাদের জীবদ্দশায় জাতীয় পার্টি চার ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। তার মৃত্যুর পর স্ত্রী রওশন এরশাদ ও ভাই জিএম কাদের দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। ৫ম মৃত্যুবার্ষিকীতে তারা পৃথক কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন।

জিএম কাদের অনুসারীদের পক্ষ থেকে রাজধানী ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিকেল ৩ টায় স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করবেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা জিএম কাদের এমপি।

সভায় জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান, কো-চেয়ারম্যান, প্রেসিডিয়াম সদস্য, সংসদ সদস্যবৃন্দ, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা, ভাইস চেয়ারম্যান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, জাতীয় পার্টি ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ, অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠন সমূহের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন পার্টির মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু এমপি।

জিএম কাদের অনুসারীদের আয়োজন থেকে মাত্র ১ কিলোমিটার দূরত্বে অভিন্ন সময়ে স্মরণসভার আায়োজন করেছে জাতীয় পার্টি (রওশন) পন্থীরা। রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে স্মরণসভায় রওশন এরশাদ সভাপতিত্ব করার কথা রয়েছে।

;

‘সরকারের একক প্রচেষ্টায় শিশুশ্রম নিরসন সম্ভব নয়’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী

শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারের একক প্রচেষ্টায় শিশুশ্রম নিরসন সম্ভব নয়। এ জন্য সরকারের পাশাপাশি সব রাজনৈতিক দল, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও নাগরিক সংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট অংশিজনদের সম্মিলিত প্রয়াস প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

শনিবার (১৩ জুলাই) ঢাকার এফডিসিতে শিশুশ্রম প্রতিরোধে করণীয় নিয়ে আয়োজিত ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। বিশেষ অতিথি ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার শিশুশ্রম নিরসনে গৃহীত কার্যক্রম বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করছে। শিশুশ্রম নিরসনে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য না এলেও রাজনৈতিক সদিচ্ছার কোন ঘাটতি নেই। ২০২৫ সালের মধ্যে শিশুশ্রমমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁও জেলাকে দেশের প্রথম শিশুশ্রমমুক্ত জেলা হিসেবে ঘোষণা দেওয়া প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া রাজশাহীসহ আরও কয়েকটি জেলাকে শিশুশ্রমমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ক্রমান্বয়ে এক বছরের মধ্যে আরও কয়েকটি জেলা ও উপজেলাকে শিশুশ্রমমুক্ত করা সম্ভব হবে।

সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, যে বয়সে শিশুদের হাতে থাকার কথা বই খাতা, সেই বয়সে অনেক শিশুকে জীবন সংগ্রামের জন্য হাতে তুলে নিচ্ছে শ্রমের হাতিয়ার। নিজের কিংবা পরিবারের দু’মুঠো খাবারের জন্য বেছে নিচ্ছে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। এদের মধ্যে অনেকেই ওয়েল্ডিং, লোহা-ইস্পাত ঝালাই, মটরগাড়ির ওয়ার্কশপ, জুতার কারখানা, বিড়ি তৈরি, টেইলারিংসহ বিভিন্ন অতি ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করছে। এমনও দেখা গিয়েছে যে কোমল দুটি হাতে বই থাকার কথা সেই দুটি হাত দিয়ে রিকশা বা ভ্যানগাড়ি চালাচ্ছে। টেম্পুর হেলপারি করছে। মাথায় করে ইটের বোঝা বহন করছে।

তিনি বলেন, আমাদের আইনে শিশুশ্রম নির্মূলে নানা পদক্ষেপের কথা বলা থাকলেও তা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হচ্ছে না। যদি আমরা ২০২৫ সালের মধ্যে শিশুশ্রম নিরসন করতে ব্যর্থ হই, তাহলে এসডিজি’র গোল ৮ অর্জন হবে না। শিশুশ্রম নিরসনে সরকারি সংস্থাসমুহ ও এনজিও’র মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে। গত ২ দশকে শিশুশ্রম নিরসনে কি পরিমাণ টাকা বিদেশ থেকে এসেছে, সঠিকভাবে তা ব্যয় হয়েছে কিনা যাচাই করা উচিৎ।

তিনি আরও বলেন, সারা দেশে ৩৪ লাখেরও বেশি পথশিশু রয়েছে। যারা অনাহারে, অনাদরে বাবা-মা, অভিভাবকের যত্ন ছাড়াই রাস্তাঘাট, বাস স্টেশন, লঞ্চঘাট, রেলস্টেশনে বেড়ে উঠছে। এদের মধ্যে বেশিরভাগই কুলির কাজ, ভাঙাগারী সংগ্রহ কিংবা ভিক্ষাবৃত্তি করছে। শীত, গরম, ঝড়, বৃষ্টি কোনকিছুতেই তাদের থাকার কোন নিরাপদ আশ্রয় নেই। পরিত্যক্ত এসব শিশুরা নানা রকম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার। তাই শিশু শ্রম নিরসনে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, উন্নয়ন সংস্থা সুশীল সমাজসহ বিত্তশালীদের সম্মিলিত ভাবে কাজ করতে হবে। তবে শিশু শ্রম বন্ধে রাজনৈতিক সদিচ্ছা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দেশে যত উন্নয়নই হোক না কেন, যদি আমরা পথশিশুদের সুরক্ষাসহ শিশুশ্রম বন্ধ করতে না পারি তাহলে সেই উন্নয়ন টেকসই হবে না।

;