নওগাঁয় বিস্কুট খেয়ে দুই বোনের মৃত্যুর ঘটনায় দোকানী গ্রেফতার



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নওগাঁ
ছবি: বার্তা২৪

ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

নওগাঁয় বিস্কুট খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে খাদিজা (৬) ও তাবাসসুম (৮ মাস) নামে সহোদর ২ শিশু কন্যার মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় মইন ইসলাম (১৬) নামে আরও এক কিশোর অসুস্থ হয়েছে। তাকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাদের মৃত্যু হয়। মর্মান্তিক এই ঘটনা ঘটেছে সদর উপজেলার দোগাছী স্কুলপাড়া গ্রামে। মৃত খাদিজা ও তাবাসসুম ওই গ্রামের জহুরুলের মেয়ে। আর অসুস্থ মইন একই গ্রামের পাইলটের ছেলে।

এঘটনায় বুধবার (১০ জুলাই) সকালে বিস্কুট বিক্রেতা কামরুজ্জামান (৩২) কে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। শিশু দুটির মৃত্যুর ঘটনায় মামলার পর বিক্রেতাকে গ্রেফতারের বিষয়টি এদিন বিকেলে নিশ্চিত করেছেন সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জাহিদুল হক।

শিশুর চাচা শাহজাহানসহ স্থানীয়রা জানান, ঘটনার দিন দুপুর দেড়টার দিকে খাদিজা, তাবাসসুম ও মইন বাড়ির পাশের একটি দোকান থেকে বিস্কুট কিনে খায়। এর কিছু পরই তারা লাগাতার বমি করতে থাকে। অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত নওগাঁ সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। কিন্তু হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক ৮ মাস বয়সী তাবাসসুমকে মৃত ঘোষণা করেন। আর উন্নত চিকিৎসার জন্য খাদিজাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেয়ার পথে তারও মৃত্যু হয়। ফলে পরিবারসহ এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছাঁয়া।

সূত্রে জানা যায়, ডেনিস কোম্পানির ২ফান ওয়েফার বিস্কুট খেয়ে অসুস্থ হয় দুই সহোদর শিশুসহ এক কিশোর। এতে বিষক্রিয়ায় তাদের মৃত্যু হতে পারে ধারণা করছেন অনেকে। তবে ময়না তদন্তের পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

একইভাবে ময়না তদন্তের পর সঠিক কারণ জানা যাবে জানিয়ে ওসি জাহিদুল হক জানান, বিস্কুট খাওযার পর অসুস্থ হয়ে শিশু দুটির মৃত্যুর ঘটনায় বুধবার সকালে মামলা হয়েছে। মামলাটি করেছেন ওই দুই সহোদর শিশুর বাবা। আর মামলা দায়েরের পর অভিযান চালিয়ে বিস্কুট বিক্রেতা দোকানী কামরুজ্জামানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া অপর কিশোর মইন ইসলাম এখনও চিকিৎসাধীন আছেন বলে নিশ্চিত করেন থানার এই কর্মকর্তা। আর আইনগত প্রক্রিয়া শেষে শিশু দুটির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

কোটা আন্দোলনে কেউ ইন্ধন দিতে পারে: ডিবি প্রধান



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের অন্য কেউ ইন্ধন দিতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তিনি বলেন, ঘটনাটি অন্যদিকে ধাবিত করার চেষ্টা চলছে।

শনিবার (১৩ জুলাই) দুপুরে মিন্টো রোডের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

হারুন অর রশীদ বলেন, কোটা শুধু বাংলাদেশে নয় অনেক দেশেই প্রচলন রয়েছে। কোটার বিরোধীতা করে কিছু লোক, কিছু শিক্ষার্থী রাস্তায় আন্দোলন করছে। ইতোমধ্যে সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি নিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের ওপর এক মাসের স্থিতাবস্থা দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। সুপ্রিম কোর্ট সবার ভরসাস্থল। আদালতের নির্দেশনা সাবার মেনে চলা উচিত।

তিনি আরও বলেন, রায়ের পরও কয়েকদিন ধরে শিক্ষার্থীরা তাদের ক্লাসে না গিয়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন সড়কে বসে সাধারণ মানুষের চলাচলে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। অনেক জায়গায় গাড়িতে তারা হাত দিচ্ছে এবং একটি মামলাও রুজু হয়েছে। কেউ যদি মনে করে আদালত মানবে না, পুলিশের কথা মানবে না; তাহলে আমাদের করার কি আছে? আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যে ক্ষমতা আমরা সেটাই করবো। কারণ আন্দোলনরতরা যদি জান-মালের ক্ষতি করে, সড়ক অবরোধ করে এবং মানুষের স্বাভাবিক চলাচল বিঘ্ন সৃষ্টি করে তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যে যৌক্তিক কাজ সেটাই করা হবে। 

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অন্য কেউ ইন্ধন দিচ্ছে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে হারুন অর রশীদ বলেন, আন্দোলনে অনুপ্রবেশকারী ঢুকেছে কি-না, ঘটনাটি অন্যদিকে ধাবিত করার চেষ্টা চলছে কি-না এসব নিয়ে ডিবির টিম ও থানা পুলিশ কাজ করছে। কেউ যদি হাইকোর্টের নির্দেশনা না মেনে আন্দোলনের নামে সড়কে নেমে অবরোধ করে গাড়িতে হামলা ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে তবে আমরা ধরে নিতে পারি অনুপ্রবেশকারীরাই এসব কাজ করছে। 

;

এরশাদের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী ১৪ জুলাই



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, ছবি: সংগৃহীত

হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী ১৪ জুলাই। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০১৯ সালের এই দিনে তিনি ইন্তেকাল করেন।

মৃত্যুর পরে দাফন নিয়েও চলে রশি টানাটানি। অবশেষে তাকে তার রংপুরের বাসভবন (পল্লী নিবাসে) দাফন করা হয়।

এরশাদ তার আত্মজীবনীতে লিখেছেন প্রথম চাকরির ইন্টারভিউ দিয়েছিলেন চট্টগ্রাম কাস্টমসে। এরপরেই সেনাবাহিনীর চাকরিতে পরীক্ষা দেন। প্রায় একই সময়ে দু’টি চাকরিতেই ডাক পড়ে। সেনাবাহিনীতে চাকরির বিষয়ে বাবার ছিল অনেক আপত্তি। অনেকটা জোর করেই সম্মতি আদায় করে নেন তিনি। ১৯৫১ সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। নানা ঘাত প্রতিঘাত পেরিয়ে সেনাপ্রধান হওয়া, সর্বশেষে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল মতান্তরে গ্রহণ করেন।

এরশাদের জীবদ্দশায় জাতীয় পার্টি চার ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। তার মৃত্যুর পর স্ত্রী রওশন এরশাদ ও ভাই জিএম কাদের দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। ৫ম মৃত্যুবার্ষিকীতে তারা পৃথক কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন।

জিএম কাদের অনুসারীদের পক্ষ থেকে রাজধানী ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিকেল ৩ টায় স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করবেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা জিএম কাদের এমপি।

সভায় জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান, কো-চেয়ারম্যান, প্রেসিডিয়াম সদস্য, সংসদ সদস্যবৃন্দ, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা, ভাইস চেয়ারম্যান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, জাতীয় পার্টি ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ, অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠন সমূহের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন পার্টির মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু এমপি।

জিএম কাদের অনুসারীদের আয়োজন থেকে মাত্র ১ কিলোমিটার দূরত্বে অভিন্ন সময়ে স্মরণসভার আায়োজন করেছে জাতীয় পার্টি (রওশন) পন্থীরা। রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে স্মরণসভায় রওশন এরশাদ সভাপতিত্ব করার কথা রয়েছে।

;

‘সরকারের একক প্রচেষ্টায় শিশুশ্রম নিরসন সম্ভব নয়’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী

শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারের একক প্রচেষ্টায় শিশুশ্রম নিরসন সম্ভব নয়। এ জন্য সরকারের পাশাপাশি সব রাজনৈতিক দল, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও নাগরিক সংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট অংশিজনদের সম্মিলিত প্রয়াস প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

শনিবার (১৩ জুলাই) ঢাকার এফডিসিতে শিশুশ্রম প্রতিরোধে করণীয় নিয়ে আয়োজিত ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। বিশেষ অতিথি ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার শিশুশ্রম নিরসনে গৃহীত কার্যক্রম বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করছে। শিশুশ্রম নিরসনে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য না এলেও রাজনৈতিক সদিচ্ছার কোন ঘাটতি নেই। ২০২৫ সালের মধ্যে শিশুশ্রমমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁও জেলাকে দেশের প্রথম শিশুশ্রমমুক্ত জেলা হিসেবে ঘোষণা দেওয়া প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া রাজশাহীসহ আরও কয়েকটি জেলাকে শিশুশ্রমমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ক্রমান্বয়ে এক বছরের মধ্যে আরও কয়েকটি জেলা ও উপজেলাকে শিশুশ্রমমুক্ত করা সম্ভব হবে।

সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, যে বয়সে শিশুদের হাতে থাকার কথা বই খাতা, সেই বয়সে অনেক শিশুকে জীবন সংগ্রামের জন্য হাতে তুলে নিচ্ছে শ্রমের হাতিয়ার। নিজের কিংবা পরিবারের দু’মুঠো খাবারের জন্য বেছে নিচ্ছে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। এদের মধ্যে অনেকেই ওয়েল্ডিং, লোহা-ইস্পাত ঝালাই, মটরগাড়ির ওয়ার্কশপ, জুতার কারখানা, বিড়ি তৈরি, টেইলারিংসহ বিভিন্ন অতি ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করছে। এমনও দেখা গিয়েছে যে কোমল দুটি হাতে বই থাকার কথা সেই দুটি হাত দিয়ে রিকশা বা ভ্যানগাড়ি চালাচ্ছে। টেম্পুর হেলপারি করছে। মাথায় করে ইটের বোঝা বহন করছে।

তিনি বলেন, আমাদের আইনে শিশুশ্রম নির্মূলে নানা পদক্ষেপের কথা বলা থাকলেও তা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হচ্ছে না। যদি আমরা ২০২৫ সালের মধ্যে শিশুশ্রম নিরসন করতে ব্যর্থ হই, তাহলে এসডিজি’র গোল ৮ অর্জন হবে না। শিশুশ্রম নিরসনে সরকারি সংস্থাসমুহ ও এনজিও’র মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে। গত ২ দশকে শিশুশ্রম নিরসনে কি পরিমাণ টাকা বিদেশ থেকে এসেছে, সঠিকভাবে তা ব্যয় হয়েছে কিনা যাচাই করা উচিৎ।

তিনি আরও বলেন, সারা দেশে ৩৪ লাখেরও বেশি পথশিশু রয়েছে। যারা অনাহারে, অনাদরে বাবা-মা, অভিভাবকের যত্ন ছাড়াই রাস্তাঘাট, বাস স্টেশন, লঞ্চঘাট, রেলস্টেশনে বেড়ে উঠছে। এদের মধ্যে বেশিরভাগই কুলির কাজ, ভাঙাগারী সংগ্রহ কিংবা ভিক্ষাবৃত্তি করছে। শীত, গরম, ঝড়, বৃষ্টি কোনকিছুতেই তাদের থাকার কোন নিরাপদ আশ্রয় নেই। পরিত্যক্ত এসব শিশুরা নানা রকম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার। তাই শিশু শ্রম নিরসনে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, উন্নয়ন সংস্থা সুশীল সমাজসহ বিত্তশালীদের সম্মিলিত ভাবে কাজ করতে হবে। তবে শিশু শ্রম বন্ধে রাজনৈতিক সদিচ্ছা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দেশে যত উন্নয়নই হোক না কেন, যদি আমরা পথশিশুদের সুরক্ষাসহ শিশুশ্রম বন্ধ করতে না পারি তাহলে সেই উন্নয়ন টেকসই হবে না।

;

বিমানের হজ ফ্লাইটে ত্রুটি, বিপাকে হাজিরা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
উড়োজাহাজের হজ ফ্লাইটে ত্রুটি, বিপাকে হাজিরা/ ছবি: সংগৃহীত

উড়োজাহাজের হজ ফ্লাইটে ত্রুটি, বিপাকে হাজিরা/ ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সৌদি আরবের জেদ্দা থেকে ঢাকাগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ত্রুটি দেখা দিয়েছে। ফলে সময়মতো হাজিদের নিয়ে উড্ডয়ন করা সম্ভব হয়নি। এতে বিপাকে পড়েছেন হাজিরা।   

জানা যায়, ফ্লাইটটি উড্ডয়নের উদ্দেশ্যে রানওয়ের কাছাকাছি গেলেও ত্রুটি থাকায় শেষ মুহূর্তে উড্ডয়ন বাতিল করে আগের জায়গায় ফিরে যায়।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটটি দেশটির স্থানীয় সময় শুক্রবার (১২ জুলাই) রাত ১টায় ছাড়ার কথা ছিল। ফ্লাইটটি বোয়িং-৭৭৭ এয়ারক্রাফট দিয়ে পরিচালিত হচ্ছিল।

বিমানের ওই ফ্লাইট থাকা যাত্রীদের একজন চুয়াডাঙ্গার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক জাহিদুল হক জাহাঙ্গীর জানান, শুক্রবার দিবাগত রাত ১টায় বিমানটি জেদ্দা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কথা ছিল। যাত্রীরা বিমানে উঠে বসেন। পরে বিমানটি রানওয়ে থেকে কিছুদূর যাওয়ার পর আবার ফিরে আসে। যাত্রীদের যান্ত্রিক ত্রুটির কথা বলে কিছু সময় অপেক্ষা করতে বলে আবার এয়ারপোর্টে নেওয়া হয়।

তবে বিমানটি কখন ছাড়বে সেটিও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। আবার বিকল্প বিমানে পাঠানোরও কোনো চিন্তা ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, যাত্রী নিয়ে ফ্লাইটটি পুশব্যাকের সময় পাইলট যান্ত্রিক ত্রুটি দেখতে পেয়ে ফেরত আসে। প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর পুনরায় পুশব্যাকের চেষ্টা করেন পাইলট। দ্বিতীয়বারও সমস্যা দেখা দিলে তিনি ফেরত এসে যাত্রীদের প্লেন থেকে নামিয়ে দেন।

যাত্রীদের পর্যাপ্ত খাবার ও হোটেলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ত্রুটি সারিয়ে ফ্লাইটটি শিগগিরই ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবে বলেও জানান তিনি।

;